সাধু সাবধান!
বাংলাদেশিদের উপর আরোপিত ভিসা নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে ভারত। খবরটা আমাদের জন্যে খুব কি খুশির? হতে পারে অনেকের জন্যে, তবে সবার জন্যে না। এমন একটা নিষেধাজ্ঞা ভারতের চাইতে বোধহয় বাংলাদেশের জন্যে বেশী জরুরি ছিল
বাংলাদেশিদের উপর আরোপিত ভিসা নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে ভারত। খবরটা আমাদের জন্যে খুব কি খুশির? হতে পারে অনেকের জন্যে, তবে সবার জন্যে না। এমন একটা নিষেধাজ্ঞা ভারতের চাইতে বোধহয় বাংলাদেশের জন্যে বেশী জরুরি ছিল
ই*স*রা*য়ে*ল নামের দেশটার চূড়ান্ত পতন তাদের পার্টনার-ইন-ক্রাইম মার্কিনীদের হাত দিয়েই শুরু হবে, ভবিষ্যৎবাণীটা অনেক আগেই করেছিলাম। তবে তার শুরুটা যে এত তাড়াতাড়ি হবে তা স্বপ্নেও কল্পনা করিনি। ই*স*রা*য়ে*লের হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার প্রক্সি ওয়ার বদলে দিয়েছে সব সমীকরণ।
ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহটা কখন যে মরে গিয়ে কবরে ঠাঁই নিয়েছে তা চাইলেও মনে করতে পারব না। অথচ একটা সময় ছিল যখন দেশের লারেলাপ্পা মার্কা ফুটবল লীগ নিয়েও চরম এডিকশন ছিল। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দূরে থাক, এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্যায়েও কোনদিন খেলবেনা এ নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ নেই। খেলতে পারলে আগ্রহটা হয়ত ধরে রাখতে পারতাম। আমার আরও ২টি দত্তক নেয়া দেশ আছে যারা নিয়মিত বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নিয়ে থাকে। কিন্তু এদের অংশগ্রহণ কোন তারতম্য তৈরি করেনা অনেক কারণে। সে প্রসঙ্গে নাই বা গেলাম।
শুভেন্দু বাবুর কাঁটাতারের বেড়া অথবা ইট পাথরের দেয়াল আমাদের জন্যে হতে পারে নতুন শুরু। আমাদের ভারী শিল্পের গোঁড়া পত্তনে আনতে পারে যুগান্তরী পরিবর্তন। দেশে গড়ে উঠতে পারে পোলট্রি শিল্প যা বদলে দিতে গ্রামবাংলার সার্বিক চিত্র। একটা বাস্তবতা আমাদের যেমন মনে রাখা দরকার তেমনি শুভেন্দু বাবুদেরও মনে রাখা জরুরি; বাংলাদেশের বার্ষিক গড় আয় প্রতিবেশী ভারতের চাইতে বেশী। বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪ বছর ধরে ভারতের ওপরে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ মাথাপিছু জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ক্ষেত্রে টানা চার বছর ধরে ভারতের চেয়ে এগিয়ে। আইএমএফের সর্বশেষ হিসাবে, ২০২৩ সালে এসে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬২১ ডলার। আর ভারতের মাথাপিছু জিডিপি ২ হাজার ৬১২ ডলার।
ভাষা এক হলেই যে দেশ এক হয়না তার উদাহরণ ভুরি ভুরি। সেন্ট্রাল ও দক্ষিণ আমেরিকার কথাই যদি ধরি এক ব্রাজিল ছাড়া ওখানে যত দেশ আছে সব দেশের ভাষা স্প্যানিশ। ওরা এক ছিলনা, এখনও নেই এবং কোনদিন হবেও না। ভাষা এক হলেও আয়ারল্যান্ড ইউকে হতে বেরিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড পাশাপাশি থেকেও এক ভাষা ওদের এক করতে পারেনি। ভাষার মত ধর্মও পারেনা দেশ ও জাতিকে এক করতে। মধ্যপ্রাচ্যের কথা বাদ দিলাম, আমরাও পাকিস্তান পেয়েছিলাম ধর্মের ভিত্তিতে। কিন্তু সে ধর্ম আমাদের আইডেন্টিটি টিকিয়ে রাখার জন্যে যথেষ্ট হয়নি।
যা ভেবেছিলাম তাই, নির্বাচনী প্রচারণা। মধ্যবয়সী খুবই আকর্ষণীয়া এক মহিলা হাতে কিছু কাগজপত্র নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে নক করছেন।
আমার নাম ধরেই স্বাগত জানালেন। অবাক হলাম না অপরিচিত কারও মুখে নিজের নাম শুনে। হয়ত পার্টি অফিস হতে তথ্য নিয়েই হাজির হয়েছে।
১৯৯০ সাল হতে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর প্রেসিডেন্ট। আলবার্তো কেনিয়া ফুজিমোরে ইনোমতো'র পিতা জাপান হতে পেরুতে মাইগ্রেট করে স্থায়ী হয়েছিলেন সেখানে । ফুজিমোরে পেশায় ছিলেন একজন কৃষি প্রকৌশলী এবং ছিলেন স্থানীয় এক বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাক্টর।
ওরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ হতে মাইগ্রেট করে নিজেদের ইসরাইলি বলে দাবি করে। দেশটার সরকারও তাদের স্বাগত জানায়। কারণ হরেক রকম সচ্ছলতার লোভ দেখিয়ে সরকারই তাদের টেনে আনে কথিত প্রমিস ল্যান্ডে। তারপর শুরু হয় সভ্যতার সব চাইতে নিকৃষ্টতম নোংরামি। পুলিশ ও সেনা প্রটেকশনে এসব অভিবাসীদের চালান দেয় প্যালেষ্টাইনে। দখল নেয় তাদের জায়গা-জমি। এবং সময়ের পরিক্রমায় এসব দখলকৃত জমি নিজেদের বলে দাবি করে। এভাবেই চলে আসছে ৭৫ বছর।
১৯৮৭ সালের ৮ই ডিসেম্বর। অধিকৃত গাজার জাবালইয়া শরণার্থী শিবিরে ৪ জন ফিলিস্তিনি শ্রমিককে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করে ইসরায়েলিরা। এবং পরদিন হতেই শুরু হয় ফিলিস্তিনিদের অল-আউট প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ, যা পরবর্তীতে প্রথম ইন্তেফাদা নামে পরিচিতি লাভ করে। ফিলিস্তিনিদের এই রক্তাক্ত প্রতিবাদ স্থায়ী হয় ৫ বছরের উপর।
মার্কিন নিউজ মিডিয়া গেল দুই সপ্তাহ ধরে ধারাবাহিকভাবে হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের উপর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সিএনএন ও এমএসএনবিসি তাদের নিয়মিত প্রচার বন্ধ করে ইসরায়েল এট ওয়ার শিরোনামে একতরফা ভাবে এই কনফ্লিক্টের একদিক প্রচার করে যাচ্ছে।