ককরোচ পার্টি হাইপ ও এর গন্তব্য!

Submitted by WatchDog on Tuesday, July 21, 2026

ভারতে সরকার হটানোর অন্দোলন দিন দিন জনপ্রিয় উঠছে। কংগ্রেস সহ আরও অনেক রাজনৈতিক দল এই আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী ককরোচ পার্টিকে সমর্থন দিচ্ছে।
খুব ভাল কথা।

ধর্মীয় উন্মাদনার জন্ম দিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতায় আসীন হওয়া ভারতীয় জনতা পার্টিকে ক্ষমতা হতে বিদায় করার তাগাদা অনেক ভারতীয়ও হয়ত অনুভব করছেন। ধরলাম এই আন্দোলন সফল হলো (সন্দেহ আছে) এবং মোদী সরকার বিদায় নিল। আন্দোলনের ফসল আগাম নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেস ও ককরোচ পার্টি হয়ত ঘরে ফিরে যাবে। তারপর?

ভারতে তো শেখ হাসিনার শাসন কায়েম নেই। সে দেশে দিনের ভোট রাতে, আমি তুমি আর ডামির ভোট হওয়ার নজির নেই। গো-মূত্র পান করুক আর খোলা আকাশের নীচে মল-মূত্র ত্যাগ করুক, তারাতো দিনশেষে একটা ফ্রি ও ফেয়ার ইলেকশনে অংশগ্রহণ করে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
মোদী সরকারের বিদায়ের পর আবার নির্বাচন হবে, গেরুয়া পোশাকের বন্যায় প্লাবিত ভারতের কোটি কোটি ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাবে এবং তাদের 'দেবতা' মোদিজি ও অমিত শাহদের ভোট দেবে। কেন্দ্রে আবারও ক্ষমতায় বসবে যাদের হটানোর জন্যে রাস্তায় আন্দোলন হয়েছিল সেই বিজেপি। তাহলে চলমান আন্দোলন সফল হলে লাভটা কার হবে?

বলা যায় ভারতের কংগ্রেস পার্টি সব বিচারে এখন বাংলাদেশের পতিত ও অবৈধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ভায়রা ভাই। তারা টিকে আছে তাদের সোনালী দিনের সাইনবোর্ড ও অতীত নিয়ে যা ভোটারদের আর আকর্ষণ করেনা। একই আন্দোলনে যোগ দেয়া পশ্চিম বঙ্গের মমতা ব্যনার্জীর তৃণমূল পার্টি এখন একই পথের পথিক। এ সব বাতিল মাল নিয়ে আন্দোলন করে প্রথমত ক্ষমতা হতে মোদী সরকারকে বিদায় করা গেলেও নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতা পাওয়া এখনও দিবাস্বপ্ন।

ভারতের সমস্যা মোদী সরকার না, সমস্যা দেশটায় আকাশচুম্বী ধর্মীয় উন্মাদনার উত্থান। ককরোচ পার্টি হাইপ এই উন্মাদনার পাহাড়ে মাথা ঠুকানো মাত্র, এ দিয়ে বিশাল পাহাড়ের কিয়দংশের ক্ষতি করা গেলেও পাহাড়ের অস্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয়ার কোন কারণ নেই।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন