জবাব চীনকেই দিতে হবে...
করোনা যখন থিতু হয়ে আসবে, মানুষ যখন ফিরে যাবে স্বাভাবিক জীবনে, কারও মনে কি প্রশ্ন জাগবেনা মানবতার কেন এই বিপর্যয়! কৌতূহল জাগবেনা চেষ্টা করলে কি ঠেকানো যেত না এই মহামারী! হয়ত এ নিয়ে অনেক আলোচনা, সমালোচনা, গবেষণা হবে।
করোনা যখন থিতু হয়ে আসবে, মানুষ যখন ফিরে যাবে স্বাভাবিক জীবনে, কারও মনে কি প্রশ্ন জাগবেনা মানবতার কেন এই বিপর্যয়! কৌতূহল জাগবেনা চেষ্টা করলে কি ঠেকানো যেত না এই মহামারী! হয়ত এ নিয়ে অনেক আলোচনা, সমালোচনা, গবেষণা হবে।
সব মহামারিই এক সময় বিদায় নেয়, এবং মানুষও ফিরে যায় তার স্বাভাবিক জীবনে। এমনটা হয়ে আসছে হাজার বছর ধরে। মানব সভ্যতার ধাপে ধাপে মহামারি এসেছিল এবং সামনে আরও আসবে। এ ধরণের মহামারী উলট পালট করে দেয় মানব সভ্যতা। উপড়ে ফেলে মানচিত্র।
ইমিগ্রন্টদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগের অন্ত নেই। প্রতিদিনই তিনি এ দেশে পা রাখা বৈধ-অবৈধ ইমিগ্রেন্টদের বিরুদ্ধে নতুন নতুন অভিযোগ আনছেন। দেশটার দক্ষিণ সীমান্ত অতিক্রম করে মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার দেশ হন্ডুরাস, গুয়েতেমালা ও এল সালভাদর হতে যারা আসছে তাদের সবাই নাকি...
তেলের দামটা বাড়ানো খুবই জরুরি। বিশেষ করে সৌদি রাজপরিবারের জন্যে। অনেকে ঠাট্টা করে বলেন জুয়ার আসরে হাইস্টেক বেট দূরে থাক, ব্রোথালে ব্যবহারের জন্যে ভাল জাতের কনডম কেনার অর্থেও নাকি টান পরেছে সৌদি যুবরাজদের। তাই তারা দ্বারস্থ হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দরবারে। রাজপরিবারের সাথ ট্রাম্পের সুসম্পর্কটা অনেক দিনের পুরানো।
ঐতিহাসিক বার্লিন ওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে আমার কোন ছবি তোলা হয়নি। তবে ঐ দেয়ালটা আমি বহুবার অতিক্রম করেছে। কম করে হলেও ২০ বার। অধিকাংশ সময় পায়ে হেটে, দু'একবার ট্রেনে চড়ে। ঐ দেয়ালেরও একটা ইতিহাস আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগুন তখনো দাউ দাউ করছে জ্বলছে গোটা ইউরোপ জুড়ে।
রাজা হরি সিং'এর নাম কি এর আগে কখনো শুনেছেন? না থাকলে ক্ষতি নেই। লাখো নামের ভীড়ে এমন একটা নাম জানা অথবা মনেরাখা তেমন জরুরি নয়। তবে আজকের কাশ্মীর নিয়ে আপনার ক্ষোভ দুঃখ থাকলে এই মানুষটার সাথে পরিচিত হওয়া আপনার জন্যে জরুরি। আসুন ফিরে যাই আপনার আমার জন্মের অনেক আগে, সেই ১৯৪৭ সালে।
১৯৯৪ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর। আইরিশ প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ডাবলিন হতে ১৯২ কিলোমিটার দূরের শ্যনন এয়ারপোর্ট। ওখানে প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী আলবার্ট র্যানোল্ড সহ উচ্চপদস্থ অনেক সরকারী কর্মকর্তারা জমায়েত হয়েছেন বিশেষ অতিথিকে স্বাগত জানানোর জন্যে। অতিথি আর কেউ নন, পরাক্রমশালী রুশ দেশের প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন।
১৯৯৯ সালের শেষদিকেই আমি নিশ্চিত ছিলাম অলৌকিক কিছু না ঘটলে পরের বছর আমি অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে যাচ্ছি। পাঁচ বছর ধরে দেশটায় আছি অথচ তেমন কোথাও যাওয়া হয়নি। দেখা হয়নি অনেক কিছু। পাশের দেশ নিউজিল্যান্ডে বন্ধু সাইফুল থাকে সপরিবারে। ৭০'এর দশকে আমরা একসাথে একই কলেজে রাশিয়ায় লেখাপড়া করেছি। হলের একই রুম শেয়ার করেছি।
যুদ্ধের মাঠে যুদ্ধরত বৈরী সৈনিক একে অপরের বৈধ টার্গেট। তাই এ মাঠে সৈনিক বধ আইনের চোখে কোন অপরাধ নয়। যুদ্ধের মূল তত্ত্বটাই হচ্ছে এক অপরকে পরাজিত করার মাধ্যমে সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা। নিরস্ত্র অথবা বন্দী সৈনিকদের সাথে প্রতিপক্ষের আচরণের সীমাবদ্ধতা নিশ্চিত করা আছে জেনেভা কনভেনশনের মাধ্যমে। আইনের যে কোন বিচারে ভারতীয়দের শাসনাধীন কাশ্মীরে এখন যুদ্ধ চলছে।
আমেরিকার ব্যপার-স্যাপার সবসময়ই একটু আলাদা যা বুঝতে ও হজম করতে একটু সময় লা্গে। দেশটায় বাস না করলে তার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বুঝা একটু কষ্টকর। বিশেষকরে বাংলাদেশের মত মাসলকন্ট্রোলড রাজনীতির কনটেক্সটে। এই যেমন দেশটার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী প্রেসিডেন্টের সাথে কংগ্রেসের লড়াই।