অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তারা উল্লাস করেছিল। ভেবেছিল দিন বোধহয় ফিরে এলো। অনেকে আশায় ছিল ক্ষমতাগ্রহনের প্রথম প্রহরেই হয়ত ঘটবে ঘটনা। ২০২৪ সালের নভেম্বরে পাশ করে জানুয়ারির ২০ তারিখ ওভাল অফিসে বসেই ডিক্রি জারির মাধ্যমে বদলে দেবেন বাংলাদেশের ক্ষমতার রাজনীতি। দুপুরের খাবার অসমাপ্ত রেখে এক কাপড়ে পালিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আদর সোহাগ করে ফিরিয়ে আনবেন এবং ফিরিয়ে দেবেন হারানো সাম্রাজ্য।
ভল্লুক একটা আজব প্রাণী। এই প্রাণীর এমন কিছু ক্ষমতা আছে যা অন্য কোন প্রাণীর নেই। এই যেমন ঘুম। ভল্লুক হাইবারনেশনে গিয়ে টানা ৩ হতে ৮ মাস পর্যন্ত ঘুমাতে পারে। এই সময় তাদের শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। হৃৎস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর হয়ে আসে। ঐ সময়ে তাদের খাবারের প্রয়োজন হয়না। শরীর হতে বর্জ্যও ত্যাগ করেনা। বলা হয় ভল্লুকের ঘ্রাণশক্তি মানুষের তুলনায় ২,১০০ গুন বেশি। ২০ মাইল দূর হতে খাবারের গন্ধ নিতে পারে।
নিশ্চয় পারবেন। অবশ্যই পারবেন। হতে পারবেন দেশটার প্রধানমন্ত্রী।
সমস্যা হতে পারে কেবল চেতনা ক্রাইসিস! বৃটিশদের বাংলাদেশের ৭১ নিয়ে কোন চেতনা নেই। উপরন্তু খোদ ৭১ সালে এই উপনিবেশ শক্তি আমেরিকার সাথে গলা মিলিয়ে অনেক সময় বিরোধীতা করেছিল আমাদের স্বাধীনতার। এমন একটা দেশে চেতনার জরায়ুতে জন্ম নেয়া শেখ বংশের সদস্যরা কেন স্থায়ী হতে গেল এ প্রশ্নের জবাব তারাই ভাল দিতে পারবেন। তবে আমরা যারা মাছে ভাতের বাংলাদেশি এবং দুইয়ে দুইয়ে চার এর মত সহজ সরল সমীকরণ মেলাতে অভ্যস্থ তাদের কাছে প্রশ্নের উত্তর খুব একটা জটিল কিছু হবে বলে মনে হয়না। মুখে যাই বলুক না কেন, কাজে কর্মে ঐ বংশের সবাই আমাদের মতই বাংলাদেশি। মুখে এক কথা আর অন্তরে লালন করি ভিন্ন কিছু। সোজা বাংলায়, বাটপার।
ছাত্রলীগের অসংখ্য কর্মীকে হত্যা করে টঙ্গির তুরাগ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে এমন অভিযোগের বন্যা বয়ে যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নদীকে আঁকা হয়েছে রক্তের তুলিতে। হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের স্টুডেন্ট উইং ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে নাম এসেছে সরকার দলীয় জনৈক সংসদ সদস্যদের।
দুই মেরুর দুটি ভিন্ন কাহিনী। সময় ও স্থান প্রায় এক। বাবা দিবসে বাবার প্রতি মেয়ের ভালবাসা, পাশাপাশি আটক হওয়া জনৈক জেনারেলের আদালতে হাজিরা দেয়া। মেগা শহর ঢাকার দুই কোনায় দুই নাটকের এই সাইমাল্টেনিয়াস মঞ্চায়ন। ক্ষমতা থাকলে কাহিনী দুটো সেলুলয়েডের ফিতায় আটকে একই পর্দায় পাশাপাশি একই সাথে উপস্থাপন করতাম। কি-বোর্ডের লেখা ও তার ভিজুয়াল ডিসপ্লে হয়ত সহজ করে দিত আমার বুঝানোর অক্ষমতাকে।
অখণ্ড ভারত ভাগ হওয়ার পেছনে অনেক কারণ ছিল। এবং তার অন্যতম হচ্ছে ধর্ম। কোন ধর্মের মানুষ বিভক্ত ভারতের কোন অংশে বাস করবে সে ফয়সালা ১৯৪৭ সালেই হয়ে গেছে। বিভক্তি পরবর্তী উপমহাদেশের নাগরিকদের স্বাধীনতা ছিল কে কোথায় বাস করবে। ইতিহাস বলে আমাদের অঞ্চল হতে অনেক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদের ধর্মীয় আইডেন্টিটিটি ঠিক রাখতে একই ধর্মের সংখ্যাগুরু ল্যান্ডে মাইগ্রেট করেছিল। প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘুদের অনেকে আমাদের অঞ্চলে মাইগ্রেট করেছিল একই কারণে। দুই দেশের দুই ধর্ম বিশ্বাসীরা নিজেদের ভেতর সহায় সম্পত্তি বিনিময় করে পাড়ি জমিয়েছিল নিজেদের নতুন ঠিকানায়। এ সমীকরণ তো অনেক আগেই মেলানো হয়ে গেছে, এত বছর পর নতুন করে এর উত্তর খুঁজে বেড়ানোর কোন বৈধতা আছে বলে মনে হয়না। হ্যাঁ, ভারত ভাগের অন্যতম কারণ ছিল ধর্ম। হিন্দুদের জন্যে হিন্দুস্থান ও মুসলমানদের জন্যে পাকিস্তান। নিজেদের ভেতর ১১০০ মাইল দূরত্ব নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান। এবং এ যাত্রা শেষ হয়েছিল ১৯৭১'এ।
কেউ যদি জুনায়েদ আহমেদ পলককে তার বর্তমান ঠিকানা জিজ্ঞেস করে হয়ত তিনি বলবেন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সেরকোল তেলিগ্রামের কথা। কারণ ওখানেই জন্ম হয়েছিল বিরল চরিত্রের এই রাজনীতিবিদের। বিরল বলছি এ কারণে তিনি হচ্ছেন একমাত্র রাজনীতিবিদ কাম সাংসদ কাম মন্ত্রী যিনি প্রথম মেয়াদে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে নেত্রীর বাসভবনের সামনে বসে পরেছিলেন। এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওখানেই ছিলেন। বাংলাদেশ সংসদীয় ইতিহাসের কনিষ্ঠতম সদস্যের এখন আর কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। জেল-হাজতিদের স্থায়ী ঠিকানা থাকতে নেই এমনটাই তাদের ভাগ্য।
ভাবছিলাম মাশরাফি বিন মুর্তজাকে নিয়ে কিছু লিখবনা। ক্রিকেট আমারও পছন্দের খেলা এবং বাংলাদেশ আমার পছন্দের দল। ২০২৪ সালের পর হতে আরকোন হদিস পাওয়া যায়নি মাশরাফির। বাড়ি পুড়িয়ে ফেলেছিল জানতাম তাই বেনিফিট অব ডাউট দিয়ে খেলোয়াড় হিসাবে সে শান্তিতে থাকুক এমনটাই চাইছিলাম। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলের পর অনেকের মত
সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাংলাদেশ লুণ্ঠনের খবরে নতুনত্ব কিছু নেই। মা'র ক্ষমতায়নের ঊষালগ্নে দ্বিতীয় বিয়ে করে আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার অল্প কিছুদিনের ভেতর নামের পাশে যোগ করেন ৭টা বাড়ি। ফ্লোরিডার বিলাসবহুল এলাকা হতে শুরু করে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের দামি এলাকায় এসব বাড়ির বাজার মূল্য তখনই ছিল আকাশচুম্বী। আমেরিকায় বাড়ির মালিকানা পরখ করা খুব সোজা। নূন্যতম একটা ফির বিনিময়ে একাধিক সাইট এসব তথ্য বিক্রি করে থাকে। আমার নিজেরও সৌভাগ্য হয়েছিল একবার ঐখানটায় ঘুরে আসার।
১৫ই আগস্টের আগেই আপা দেশে ফিরবো...
কোন দেশে ফিরবো আপায়, বাংলাদেশে? আপায় তো আর ছাগলের ৩নং বাচ্চা না যে এই দেশে ফিরবো। এই দেশে তেনার জন্যে ম্যানিলা রশি উবাইতাসে সেইডা তিনি ভাল কইরাই জানেন। দেশের লাইগ্যা এত পিরিত থাকলে তাইনে সররিবারে হেলিকপ্টারে চইড়া পলাইতোনা। দেশপ্রেম কারে কয় তা বুঝতে কুকুরের দলকে প্রায়ত বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার দিকে চোখ ফেরাইতে হইবো। হাজার ভয় ভীতি আর লোভ লালসা উপেক্ষা কইরা তিনি এই দেশেই আছিলেন। এই দেশেই মৃত্যুবরন করছেন এবং এই দেশের মাটিতেই শায়িত আছেন। সর্ব ধিকৃত লেজে গোবরে এরশাদও ক্ষমতা হারাইয়া বিদেশে পলান নাই। মাতারি হাসিনা একবার না, দুই দুইবার পালাইসে। শেষবার জ্ঞাতি-গুষ্টি সবাইকে লইয়া। এবং পেয়ারের দেশেই গেছেন তিনি। আছেন রাস্ট্রীয় আরামে। ঐখানে বইসা আধামরা ছাগলে্র ৩নং বাচ্চাগো শরীরের রক্ত গরম করার লাইগ্যা মধ্যে মধ্যে বাজারি হুজুরগো মত বয়ান দেন আর ছাগলের দল আবেগে আবেশ থর থর কইরা কাঁপ্তে শুরু করে।