The Boss...
আমার মত যারা মার্কিন গায়ক ব্রুস স্প্রীঙ্কস্টিনের ভক্ত তাদের জানা থাকার কথা গায়কের একটা নিক নেইম আছে। হ্যাঁ, বস নামেও তিনি পরিচিত। বস শব্দটা সামনে আসলে কেন জানি এই গায়কের নামটা প্রথম সামনে আসে। হতে পারে এক ধরণের এডিকশন।
আমার মত যারা মার্কিন গায়ক ব্রুস স্প্রীঙ্কস্টিনের ভক্ত তাদের জানা থাকার কথা গায়কের একটা নিক নেইম আছে। হ্যাঁ, বস নামেও তিনি পরিচিত। বস শব্দটা সামনে আসলে কেন জানি এই গায়কের নামটা প্রথম সামনে আসে। হতে পারে এক ধরণের এডিকশন।
দারুণ কিছু সময় পার করছি, যার বিস্তারিত চাইলেও এখানে প্রকাশ করতে পারছিনা। আদালতের কড়া নির্দেশ ট্রায়াল শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেইসের "ক"ও প্রকাশ করা যাবেনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
মৃত্যু একটি অবধারিত বাস্তবতা। এ হতে পালানোর উপায় নেই। আমি, আপনি, খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনাও এর বাইরে নন। সংকটময় অবস্থায় বিদেশে উড়িয়ে নিয়ে চিকিৎসা করানো বাংলাদেশে নতুন না। বিশেষকরে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ বাস্তবতা একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।
খণ্ড খণ্ড কিছু ঘটনা, কিছু খবর, কিছু তথ্য ও বাস্তবতা এক সূতায় গাথার চেষ্টা করলে ঘোলাটে হলেও একটা ছবি দাঁড় করানো যাবে। আসুন সে চেষ্টাটাই করি।
খুনের ৪৮ ঘণ্টার ভেতর কালপ্রিটদের জনসম্মুখে হাজির করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।
৪৮ ঘণ্টা কেন, একে একে ৪৮ দিন, ৪৮ মাস পেরিয়ে গেল। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ৪৮ বছরেও উৎঘাটিত হবেনা এ হত্যা রহস্য।
কিন্তু কেন? কি এমন ঘটনা ঘটেছিল সেদিন, অথবা কে এমন শক্তিশালী খুনি যাকে ১০ বছরেও ট্রেস করা যায়নি?
ওসি প্রদীপ ও তার পার্টনার ইন ক্রাইম লিয়াকতকে ফাঁসি দিয়েছে নিম্ন আদালত। ন্যায় বিচার প্রত্যাশীদের অনেকের কাছে ক্রাইম এন্ড পানিশমেন্টের সহজ সরল সমীকরণের মত মনে হবে এ শাস্তি।
আসলেই কি তাই? একজন পুলিশ অফিসার দলবল নিয়ে বছরের পর বছর ধরে গুম, খুন, হত্যা, লুণ্ঠন চালিয়ে গেছে। কেবল ক্রস ফায়ারেই খুন করেছে শতাধিক মানুষ। তিনিই আইন, তিনিই বিচারক এবং তিনিই জল্লাদ, সদম্ভে এমনটাই তিনি জাহির করতেন। বিনিময়ে মমতাময়ী মা জননী, শান্তির টুকটুকে কবুতরের হাত হতে তুলে নিয়েছিলেন প্রাপ্য পুরস্কার।
১৯৯৪ সালের ৬ই এপ্রিল সন্ধ্যা বেলা। মধ্য আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমানা ও বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট সাইপ্রিয়েন এনটারিয়ামিরাকে নিয়ে একটি বিমান রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে ল্যান্ড করতে এগিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ করেই ছুটে এলো একটা সার্ফেস-টু এয়ার মিসাইল। এবং নিমিষেই ছিন্নভিন্ন করে দেয় দুই দেশের দুই প্রেসিডেন্ট বহনকারী কিগালি বাউন্ড ফ্লাইটটিকে। এভাবেই অবসান হয় সামরিক স্বৈরশাসক হাবিয়ারিনামার একুশ বছরের অবৈধ শাসন।
হুতু ও তুতসি এথনিসিটির দেশ রুয়ান্ডা। দেশটায় রাজনৈতি, সামাজিক ও রেসিয়াল বিভক্তি এতটাই উৎকট ও আগ্রাসী ছিল যা হুতু ও তুতসিদের একে অপরের রক্ত পান পর্যন্ত জাস্টিফাই করত।