অপরাধ / দূর্নীতি / শাস্তি
অখণ্ড ভারত ভাগ হওয়ার পেছনে অনেক কারণ ছিল। এবং তার অন্যতম হচ্ছে ধর্ম। কোন ধর্মের মানুষ বিভক্ত ভারতের কোন অংশে বাস করবে সে ফয়সালা ১৯৪৭ সালেই হয়ে গেছে। বিভক্তি পরবর্তী উপমহাদেশের নাগরিকদের স্বাধীনতা ছিল কে কোথায় বাস করবে। ইতিহাস বলে আমাদের অঞ্চল হতে অনেক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদের ধর্মীয় আইডেন্টিটিটি ঠিক রাখতে একই ধর্মের সংখ্যাগুরু ল্যান্ডে মাইগ্রেট করেছিল। প্রতিবেশী দেশের সংখ্যালঘুদের অনেকে আমাদের অঞ্চলে মাইগ্রেট করেছিল একই কারণে। দুই দেশের দুই ধর্ম বিশ্বাসীরা নিজেদের ভেতর সহায় সম্পত্তি বিনিময় করে পাড়ি জমিয়েছিল নিজেদের নতুন ঠিকানায়। এ সমীকরণ তো অনেক আগেই মেলানো হয়ে গেছে, এত বছর পর নতুন করে এর উত্তর খুঁজে বেড়ানোর কোন বৈধতা আছে বলে মনে হয়না। হ্যাঁ, ভারত ভাগের অন্যতম কারণ ছিল ধর্ম। হিন্দুদের জন্যে হিন্দুস্থান ও মুসলমানদের জন্যে পাকিস্তান। নিজেদের ভেতর ১১০০ মাইল দূরত্ব নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান। এবং এ যাত্রা শেষ হয়েছিল ১৯৭১'এ।
কেউ যদি জুনায়েদ আহমেদ পলককে তার বর্তমান ঠিকানা জিজ্ঞেস করে হয়ত তিনি বলবেন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সেরকোল তেলিগ্রামের কথা। কারণ ওখানেই জন্ম হয়েছিল বিরল চরিত্রের এই রাজনীতিবিদের। বিরল বলছি এ কারণে তিনি হচ্ছেন একমাত্র রাজনীতিবিদ কাম সাংসদ কাম মন্ত্রী যিনি প্রথম মেয়াদে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে নেত্রীর বাসভবনের সামনে বসে পরেছিলেন। এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ওখানেই ছিলেন। বাংলাদেশ সংসদীয় ইতিহাসের কনিষ্ঠতম সদস্যের এখন আর কোন স্থায়ী ঠিকানা নেই। জেল-হাজতিদের স্থায়ী ঠিকানা থাকতে নেই এমনটাই তাদের ভাগ্য।
ভাবছিলাম মাশরাফি বিন মুর্তজাকে নিয়ে কিছু লিখবনা। ক্রিকেট আমারও পছন্দের খেলা এবং বাংলাদেশ আমার পছন্দের দল। ২০২৪ সালের পর হতে আরকোন হদিস পাওয়া যায়নি মাশরাফির। বাড়ি পুড়িয়ে ফেলেছিল জানতাম তাই বেনিফিট অব ডাউট দিয়ে খেলোয়াড় হিসাবে সে শান্তিতে থাকুক এমনটাই চাইছিলাম। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলের পর অনেকের মত
সজীব ওয়াজেদ জয়ের বাংলাদেশ লুণ্ঠনের খবরে নতুনত্ব কিছু নেই। মা'র ক্ষমতায়নের ঊষালগ্নে দ্বিতীয় বিয়ে করে আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার অল্প কিছুদিনের ভেতর নামের পাশে যোগ করেন ৭টা বাড়ি। ফ্লোরিডার বিলাসবহুল এলাকা হতে শুরু করে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের দামি এলাকায় এসব বাড়ির বাজার মূল্য তখনই ছিল আকাশচুম্বী। আমেরিকায় বাড়ির মালিকানা পরখ করা খুব সোজা। নূন্যতম একটা ফির বিনিময়ে একাধিক সাইট এসব তথ্য বিক্রি করে থাকে। আমার নিজেরও সৌভাগ্য হয়েছিল একবার ঐখানটায় ঘুরে আসার।
১৫ই আগস্টের আগেই আপা দেশে ফিরবো...
কোন দেশে ফিরবো আপায়, বাংলাদেশে? আপায় তো আর ছাগলের ৩নং বাচ্চা না যে এই দেশে ফিরবো। এই দেশে তেনার জন্যে ম্যানিলা রশি উবাইতাসে সেইডা তিনি ভাল কইরাই জানেন। দেশের লাইগ্যা এত পিরিত থাকলে তাইনে সররিবারে হেলিকপ্টারে চইড়া পলাইতোনা। দেশপ্রেম কারে কয় তা বুঝতে কুকুরের দলকে প্রায়ত বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার দিকে চোখ ফেরাইতে হইবো। হাজার ভয় ভীতি আর লোভ লালসা উপেক্ষা কইরা তিনি এই দেশেই আছিলেন। এই দেশেই মৃত্যুবরন করছেন এবং এই দেশের মাটিতেই শায়িত আছেন। সর্ব ধিকৃত লেজে গোবরে এরশাদও ক্ষমতা হারাইয়া বিদেশে পলান নাই। মাতারি হাসিনা একবার না, দুই দুইবার পালাইসে। শেষবার জ্ঞাতি-গুষ্টি সবাইকে লইয়া। এবং পেয়ারের দেশেই গেছেন তিনি। আছেন রাস্ট্রীয় আরামে। ঐখানে বইসা আধামরা ছাগলে্র ৩নং বাচ্চাগো শরীরের রক্ত গরম করার লাইগ্যা মধ্যে মধ্যে বাজারি হুজুরগো মত বয়ান দেন আর ছাগলের দল আবেগে আবেশ থর থর কইরা কাঁপ্তে শুরু করে।
ফুটবল খেলার প্রতি আগ্রহটা কখন যে মরে গিয়ে কবরে ঠাঁই নিয়েছে তা চাইলেও মনে করতে পারব না। অথচ একটা সময় ছিল যখন দেশের লারেলাপ্পা মার্কা ফুটবল লীগ নিয়েও চরম এডিকশন ছিল। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দূরে থাক, এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্যায়েও কোনদিন খেলবেনা এ নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ নেই। খেলতে পারলে আগ্রহটা হয়ত ধরে রাখতে পারতাম। আমার আরও ২টি দত্তক নেয়া দেশ আছে যারা নিয়মিত বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নিয়ে থাকে। কিন্তু এদের অংশগ্রহণ কোন তারতম্য তৈরি করেনা অনেক কারণে। সে প্রসঙ্গে নাই বা গেলাম।
শেখ হাসিনার অপরাধের মাত্রা বহুমাত্রিক। রাজপথে দলীয় ক্যাডারদের সাথে পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে তিনি যে নৃশংসতার জন্ম দিয়েছিলেন তা ছিল দৃশ্যমান। সে সব নির্মমতা আমরা অনক্যামেরা দেখেছি। সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে হাজার মাইল দূরে বসে লাইভও দেখেছি। প্রহর গুনেছি কবে অবসান হবে এসব নির্মমতা। অপরাধের সমুদ্রে সাতার কেটে শেষপর্যন্ত তিনি পালাতে বাধ্য হলেন। পিছনে রেখে গেলেন এমন এক বাংলাদেশ যেখানে মনুষ্যত্বের উপরে উপর স্থান করে নিয়েছিল দলীয় ও ব্যক্তি পরিচয়।
মধ্যপ্রাচ্যের দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন বেনজীর আহমেদ। বলা হচ্ছে ইন্টারপোলের দেয়া রেড এলার্টকে ট্রেক করে স্থানীয় পুলিশ আইনের আওতায় এনেছে পলাতক এই অতিমানবকে। ঐ দেশের কোন আইন ভঙ্গ করেছেন কিনা তার কোন তথ্য নেই আমাদের কাছে, আমাদের মিডিয়াও তেমন কিছু বলছেনা। স্বভাবতই আমরা ধরে নেব ইন্টেরিমের দেয়া রেড এলার্টের ভিত্তিতে ইন্টারপোলই কাজটা করেছে। আমার খটকাটা এখানেই!
ছাত্রলীগ গভীর রাতে কোথাও মিছিল করছে, সংখ্যায় ছিল তারা ১০/১৫ জন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা তুফান তুলছে...এবং তাতেই অনেকে উত্তেজিত! যে কোন সময় এয়ারপোর্টে যাওয়ার ডাক আসতে পারে, এমন বক্তব্য দিয়ে পলাতক একদল রাষ্ট্রীয় চোরের মনোবল চাঙ্গা করার চেষ্টা চলছে।
এবং বাস্তবেও স্কুলটার নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ করার অবকাশ নেই। রেগুলার স্কুল-ডে'তে বাইরের কারও ভেতরে ঢুকার অনুমতি নেই। এমনকি পিতা-মাতারও না। প্রবেশের জন্যে কেবল একটা দরজা। আকারে বেশ বড়। ইন্টার-কমে যোগাযোগ করে ক্লিয়ারেন্স পেলেই কেবল অফিসে যাওয়া যায়। ওখান হতে ক্লাসরুমে যেতে চাইলে আরাও একধাপ নিরাপত্তা বলয় পেরোতে করতে হবে।