দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া...
সময় আসে এবং সময় চলে যায়; সুখ, দুঃখ, হাসি-কান্না আর মায়া-মমতায় জড়ানো কিছু সৃতি পেছনে ফেলে সময় হারিয়ে যায় মহাকালের কক্ষপথে। এ নিয়েই বোধহয় মনুষ্য জীবন, সময়ের ঘোড়ায় চড়ে বেচে থাকার মহাযাত্রা।
সময় আসে এবং সময় চলে যায়; সুখ, দুঃখ, হাসি-কান্না আর মায়া-মমতায় জড়ানো কিছু সৃতি পেছনে ফেলে সময় হারিয়ে যায় মহাকালের কক্ষপথে। এ নিয়েই বোধহয় মনুষ্য জীবন, সময়ের ঘোড়ায় চড়ে বেচে থাকার মহাযাত্রা।
আবুল হাবুলদের হত্যা বাংলাদেশে এখন মুড়ির মোয়ার মতই সহজলভ্য। প্রাইভেট সেক্টরের সাথে পাল্লা দিয়ে প্রতিযোগীতায় অনেকটাই এগিয়ে সরকারী খাত। মাথায় smooth as silk মার্কা কালা কাপড়, চোখে আলকাতরা মার্কা চশমা আর হাতে কালাশনিকভ রাইফেল...
আজকের মত অতটা ঘটনাবহুল ছিলনা তখনকার ছাত্রজীবন। মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন আর পাড়া প্রতিবেশীদের নজরদারি এড়িয়ে স্বঘোষিত অ্যাডভেঞ্চার করার সূযোগ ছিল খুবই সীমিত। ছকবাঁধা জীবন আর এঁকে দেয়া গন্ডির বাইরে গিয়ে কিছু করতে চেয়েছে এমন সব ’বিতর্কিত’ চরিত্রের নন্দনা বন্দনা নিয়ে ব্যস্ত থাকত মফস্বলের জীবন।
প্রথমে ভেবে ছিলাম নতুন কোন বাংলা সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে বোধহয়। হলে গিয়ে বাংলা ছবি দেখি না অনেকদিন। তাই বলে ঢাকার ফিল্ম পাড়ায় কোন ছবি মুক্তি পাচ্ছে তা জানিনা বললে মিথ্যা বলা হবে। চাইলেই কি এড়ানো যায় অদ্ভুত নাম সহ বিশাল সব বিলবোর্ড,? স্বামী কেন আসামী, কাজের বুয়া রহিমা, খাইছে আমারে, রসের বাইদ্যানি, এখনি সময়...
বিচারপতি হাসান, বিচারপতি আজিজ, ইয়েস উদ্দিন আর লাশের উপর ব্রাজিলিয়ান সাম্বা নাচের জরায়ুতে জন্ম নিয়েছিল সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। হরতালের পর হরতাল, দানবীয় ভাংচুর, সীমাহীন নৈরাজ্য আর লাশের মিছিলে পথ পাকা করে ক্ষমতা নামক সোনার হরিনের দেখা পেয়েছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী।
- আমি খায়রুল, কাকে চাই আপনার?
সরকারী কুনজর পরেছে প্রথম আলো পত্রিকার উপর। মাঠ প্রায় প্রস্তুত, এবং যে কোন সময় নেমে আসতে পারে সর্বাত্মক আক্রমন। জনগণের ম্যান্ডেট প্রাপ্ত নির্বাচিত একটা সরকার যখন ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকে যায় উদ্বারের জন্যে তাকে বলির পাঠা খুঁজতে হয়। ডক্টর মোহম্মদ ইউনূসের পর এবারের পাঠা দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান।
কিছু সমস্যা আছে যার সাথে আপোস করা খুব সহজ। চোখ কান বন্ধ করে পাশ কাটিয়ে গেলেই খেলা ফাইনাল। কিন্তু কাজটা খুব সহজ হয়না যখন হাবিল-কাবিল ফেরেস্তাগণের মত বিবেক নামের অশরীয় কোন কিছু তাড়া করে বেড়ায়। পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে সমস্যা আমার পুরানো সমস্যা।
বন্ধু মোর্শেদের নাম এর আগেও দু’একটা লেখায় উল্লেখ করেছি। নেংটা কালের দোস্ত। স্কুল, কলেজ সহ বিদেশেও লেখাপড়া করেছি এক সাথে। ইউরোপিয়ান ছাত্রজীবনের পর ভাগ্যের চাকা দুজনকে দু’ দিকে ঠেলে দিলেও ঘুরে ফিরে আবার এক হয়েছি। ২০০০ সালে আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে আসি মোর্শেদ ততদিনে ঠাঁই করে নিয়েছে কর্পোরেট দুনিয়ায়।
হিউম্যান হুক্কা হুয়ার প্রাথমিক ধারণা পেতে আমাদের বোধহয় ফিরে যেতে হবে ভারতীয় ফিল্ম মেকার বিখ্যাত সত্যজিত বাবুর দুয়ারে। এক হীরক রাজা ও তার হুক্কা হুয়া রাজ্য শাসনের যে রূপক চিত্র আমাদের উপহার দিয়েছিলেন যুগ যুগ ধরে তা ছিল অতুলনীয়, অবিস্মরনীয়। এমন একটা মহান শিল্পকর্ম তৈরীর পেছনে শিল্পীর প্রেরণা কি এবং কারা ছিল তা বোধহয় আমাদের কোনোদিনই জানা হবেনা।