সত্যের জয়-হোক!
লন্ডন প্রবাসী সিলেটি এক কিশোর। বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্টভাবে পরিচয় হওয়ার আগেই সে বিলাত চলে যায়। তো কাছে একজন নন-সিলেটীকে সে জানতে চাইছেঃ
- ও বা, বাংলাদেশডা খিতা ঢাখা ডিষ্ট্রিকও পরছেনি?
লন্ডন প্রবাসী সিলেটি এক কিশোর। বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্টভাবে পরিচয় হওয়ার আগেই সে বিলাত চলে যায়। তো কাছে একজন নন-সিলেটীকে সে জানতে চাইছেঃ
- ও বা, বাংলাদেশডা খিতা ঢাখা ডিষ্ট্রিকও পরছেনি?
বাংলাদেশের যে শহরে আমার জন্ম এবং যেখানে হাইস্কুল পর্যন্ত পড়েছি সে শহরে সংখ্যালঘু হিন্দুদের একটা সময় বেশ প্রাধান্য ছিল। স্কুলে আমার ক্লাসে আমরা ছিলাম ২০ জন মুসলমান এবং ১৭ জন হিন্দু। ঐ বয়সে হিন্দু মুসলমানের পার্থক্য আমাদের কেউ বুঝাতে আসেনি। বড় হয়েছি সরস্বতী পূজার সাথে। ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের প্রায় সবাই ছিল হিন্দু।
প্রিয়া সাহার কাছে আমি বিভিন্ন কারণে কৃতজ্ঞ। দেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের বিরুদ্ধে লেখালেখি দিয়েই আমার ওয়াচডগি শুরু হয়েছিল। সাল ফাল মনে নেই। পুরানা পল্টনে বোনের বাসায় থাকি, চাকরি করি ধানমন্ডি নতুন ২ নাম্বার রাস্তায়, সোবহানবাগ মসজিদটার পাশে। চাকরি করতে গিয়ে আবিস্কার করি কর্পোরেট দুনিয়ায় আমার ইংরেজী জ্ঞান যথেষ্ট নয়।
রাজনৈতিক বিভাজন আমাদের দেশকে বিভক্তির শেষপ্রান্তে টেনে এনেছে সন্দেহ নেই। এই টানাটানির ফল এখন আমদের চোখের সামনে। গোটা দেশ ডুবে আছে পানির নীচে। মরণঘাতী মশার কাছে মানুষ পরাজিত। দুর্ঘটনায় মৃত্যু এখন কোন খবরই না। ছয় মাসের শিশু হতে ৭০ বছরের বৃদ্ধা ধর্ষণের সাথেও আমরা খাপ খাইয়ে নিচ্ছি।
ঐতিহাসিক বার্লিন ওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে আমার কোন ছবি তোলা হয়নি। তবে ঐ দেয়ালটা আমি বহুবার অতিক্রম করেছে। কম করে হলেও ২০ বার। অধিকাংশ সময় পায়ে হেটে, দু'একবার ট্রেনে চড়ে। ঐ দেয়ালেরও একটা ইতিহাস আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগুন তখনো দাউ দাউ করছে জ্বলছে গোটা ইউরোপ জুড়ে।
রাজা হরি সিং'এর নাম কি এর আগে কখনো শুনেছেন? না থাকলে ক্ষতি নেই। লাখো নামের ভীড়ে এমন একটা নাম জানা অথবা মনেরাখা তেমন জরুরি নয়। তবে আজকের কাশ্মীর নিয়ে আপনার ক্ষোভ দুঃখ থাকলে এই মানুষটার সাথে পরিচিত হওয়া আপনার জন্যে জরুরি। আসুন ফিরে যাই আপনার আমার জন্মের অনেক আগে, সেই ১৯৪৭ সালে।
১৯৯৪ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর। আইরিশ প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ডাবলিন হতে ১৯২ কিলোমিটার দূরের শ্যনন এয়ারপোর্ট। ওখানে প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী আলবার্ট র্যানোল্ড সহ উচ্চপদস্থ অনেক সরকারী কর্মকর্তারা জমায়েত হয়েছেন বিশেষ অতিথিকে স্বাগত জানানোর জন্যে। অতিথি আর কেউ নন, পরাক্রমশালী রুশ দেশের প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন।
ক্রিকেট বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহটা সেদিনই হারিয়ে ফেলেছি যেদিন শুনেছি একজন চলমান খেলোয়াড় এবং দলের ক্যাপ্টেন সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তাও আবার যেনতেন নির্বাচন নয়, রাতের অন্ধকারে ভোটবাক্স ভর্তি করার স্টেইট স্পন্সরনড জালিয়াতির নির্বাচন। একই দলের আরও একজন খেলোয়ড় এই তালিকায় নাম লেখাতে চেয়েছিলেন।
হতে পারে বাংলাদেশকে জানায় আমার ঘাটতি আছে। বেশ ক'বছর গ্যাপ দিয়ে দেশে যাই। বেশী হলে তিন সপ্তাহ হতে একমাস থাকি। পারিবারিক আদর আপ্যায়নেই কেটে যায় বেশীরভাগ সময়। যেসব বিস্ময়কর উন্নতির কথা বলা হচ্ছে হয়ত তা কাছ হতে দেখার সুযোগ হয়না। তাই অনেকসময় স্বঘোষিত মন্ত্রী এম্পিরা যা বলেন, দাবী করেন তা রূপকথার মত মনে হয়।
সময়টা বিএনপি-জামাত জোটের সোনালী সময়। চারদিকে লুটপাটের মৌ মৌ গন্ধ। সবাই খাচ্ছে। হাটে-ঘাটে, বাজারে-বন্দরে, নদী-নালায় চুরি চামারির মহোৎসব। ফেইসবুক নামক এন্টি-সরকার প্রপাগান্ডা মেশিন তখনো পৃথিবীর মুখ দেখেনি। বাংলা ইউনিকোডও মাতৃগর্ভ হতে ধরণীতে পা রাখতে পারেনি।