দালাল চরিত্র!
জুলাই-আগষ্টের আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাষী হিসাবে আখ্যা দিয়ে বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লালমনিরহাটের জনৈকা মেজিষ্ট্রেট জনাবা তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি।
জুলাই-আগষ্টের আন্দোলনকারীদের সন্ত্রাষী হিসাবে আখ্যা দিয়ে বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লালমনিরহাটের জনৈকা মেজিষ্ট্রেট জনাবা তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি।
যা ভেবেছিলাম তাই, নির্বাচনী প্রচারণা। মধ্যবয়সী খুবই আকর্ষণীয়া এক মহিলা হাতে কিছু কাগজপত্র নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে নক করছেন।
আমার নাম ধরেই স্বাগত জানালেন। অবাক হলাম না অপরিচিত কারও মুখে নিজের নাম শুনে। হয়ত পার্টি অফিস হতে তথ্য নিয়েই হাজির হয়েছে।
এবং বাস্তবেও স্কুলটার নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ করার অবকাশ নেই। রেগুলার স্কুল-ডে'তে বাইরের কারও ভেতরে ঢুকার অনুমতি নেই। এমনকি পিতা-মাতারও না। প্রবেশের জন্যে কেবল একটা দরজা। আকারে বেশ বড়। ইন্টার-কমে যোগাযোগ করে ক্লিয়ারেন্স পেলেই কেবল অফিসে যাওয়া যায়। ওখান হতে ক্লাসরুমে যেতে চাইলে আরাও একধাপ নিরাপত্তা বলয় পেরোতে করতে হবে।
কিভাবে নেবেন খবরটা তা আপনার নিজের ব্যপার। তবে আমার জন্যে এমন একটা খবর ইউনিক ও বিস্ময়কর। দুর্নীতির বিশ্বে এমন খবর অদ্বিতীয় ও বিরল।
বাংলাদেশে এখন গ্যাস সংকট প্রকট। চুলায় রান্নার জন্যে গ্যাস থাকেনা ঘণ্টার পর ঘণ্টা। গ্যাস ভিত্তিক শিল্প কারখানাগুলো নিয়মিত ধুকছে গ্যাস সংকটে।
চারদিকে হরেক রমকম সংকটের মাঝে এমন একটা খবর জাতিকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পারতো। আলো জ্বালাতে পারতো অনিশ্চয়তার অন্ধকারে। কিন্তু বিশেষ কারণে তা হতে পারেনি।
১৯৯০ সাল হতে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর প্রেসিডেন্ট। আলবার্তো কেনিয়া ফুজিমোরে ইনোমতো'র পিতা জাপান হতে পেরুতে মাইগ্রেট করে স্থায়ী হয়েছিলেন সেখানে । ফুজিমোরে পেশায় ছিলেন একজন কৃষি প্রকৌশলী এবং ছিলেন স্থানীয় এক বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাক্টর।
আপনি বলবেন একজন ধনী মানুষের জন্য আমার হিংসা হচ্ছে। আসলে ধনীর সংজ্ঞা কি তা একসাথে করতে কিছুটা হিমসিম খাচ্ছি। কত অর্থ-কড়ির মালিক হলে একজনকে ধনী বলা যাবে তা আমার অভিধানে না থাকায় হিংসা হওয়ার কোন কারণ দেখিনা।
একই সালের ৩রা এপ্রিল মধ্য ইউরোপে দেশ যুগোস্লাভিয়ায় গৃহযুদ্ধের দামামা বেজে উঠে। এক বছর আগে ১৯৯১ সালের ২৫শে ডিসেম্বর সমাজতান্ত্রিক দুনিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয়েছে কেবল। ইউনিয়ন হতে বেরিয়ে গিয়ে বাকি ১৪টি প্রজাতন্ত্র আলাদা দেশ হিসাবে ঘোষণা দিয়েছে। এই পতনের প্রভাব ফেলতে শুরু করে পূর্ব ইউরোপের সবকটা দেশে।
বলা হতো ক্ষমতার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। শেখ হাসিনার কিছু হলে সামনে আসার জন্যে সদা প্রস্তুত ছিলেন। ছায়ার মত সর্বত্র ঘুরে বেড়িয়েছেন। সরকারী কোন পদে না থাকলেও ঘুরে বেড়ানোর সব খরচ বহন করেছে রাষ্ট্র। শেখ বংশের সব চাইতে লাভবান ও ভাগ্যবান ব্যক্তি শেখ রেহানা। অনেকে বলেন প্রথমে বাপের নাম, পরে বোনের নাম ভাঙ্গিয়ে ভোগ করে গেছেন নিজের জীবন।
দিপু মনি - নামটার ভেতর কেমন একটা আহ্লাদী ভাব আছে। মুখে আনলে মনে হবে আদর করে মায়ের কোলের কোন শিশুকে ডাকছি যেন। শরৎ কাব্যের এই মহীয়সীর রাজনীতিতে উত্থান কিভাবে তার বিস্তারিত আমার জানা নেই। অনলাইনে ঘাঁটলে হয়ত পাওয়া যাবে। তবে ওদিকে যাওয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। শেখ হাসিনার বাপের দেশে কে রাজনীতিতে আসবে আর কে যাবে তা একান্তই ঐ পারিবারের ব্যপার।
সোমবার সকাল ১০টা। গণভবনের লোকজন ভীত ও উৎকণ্ঠার আরও একটা রাত পার করলো। শেখ হাসিনার পদত্যাগের আন্দোলন যেকোন মূল্যে দমন করার লক্ষ্যে গনভবনের বিশাল হল রুমে তিন বাহিনী ও বিজিবি প্রধান, ডিজি RAB, ডিজিএফআই, পুলিশ প্রধানের সাথে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং। শেখ রেহানাও বোনের পাশের সীটে মলিন মুখে নীরবে বসে আছেন।