প্রুভেন গিলটি বিয়ন্ড রিজনেবেল ডাউট...
দারুণ কিছু সময় পার করছি, যার বিস্তারিত চাইলেও এখানে প্রকাশ করতে পারছিনা। আদালতের কড়া নির্দেশ ট্রায়াল শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেইসের "ক"ও প্রকাশ করা যাবেনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
দারুণ কিছু সময় পার করছি, যার বিস্তারিত চাইলেও এখানে প্রকাশ করতে পারছিনা। আদালতের কড়া নির্দেশ ট্রায়াল শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেইসের "ক"ও প্রকাশ করা যাবেনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
আমাদের মগজের সবকটা চেম্বারে ছবির এসব ক্যান্সার স্থায়ীভাবে গেঁথে দেয় ওরা। অপসংস্কৃতির সুনামিতে ভাসিয়ে নেয় অনাদিকাল ধরে চলে আসা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি। সীমান্তের কাঁটাতারে আমাদের ঝুলিয়ে পৈশাচিক আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে। আসমান সমান অসম বাণিজ্যের থাবায় সূতিকাগারে মৃত্যু ঘটায় আমাদের অর্থনীতির অবকাঠামো। নিজেদের পোষ্য পুতুলকে ক্ষমতায় বসিয়ে কেড়ে নেয়ে আমাদের ভোট দেয়ার অধিকার। নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ৪র্থ গাই গরু হিসাবে ব্যবহার করে আমাদের। এবং বিনিময়ে আশা করে ওদের আনন্দে আমরা আনন্দিত হবো, ওরা কাঁদলে আমরা কাঁদবো। কারণ ৭১'এ ওরা যে আমাদের স্বাধীন করে দিয়েছিল।
ভারতীয় ক্রিকেট অথবা দেশটার যে কোন খেলাকে ঘিরে বাংলাদেশিদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভারতীয়রা খেপেছে। এবং প্রায় সবারই একটা যুক্তি, '''আমারা ওদের স্বাধীন করে দিলাম, অথচ এখন ওরা আমাদের পরাজয়ে উল্লাস করে'''। ব্যপারটা আসলেই ভেবে দেখার বিষয়। বিশেষকরে ভারতীয়দের।
মেনুতে ছিল কেবল লালশাক। ভাতের পরিমাণও ছিল সামান্য। সাধারণত সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সেরে নেই রাতের খাবার। ঘড়ির সময়ে ৬টা হতে ৭টার ভেতর। ঝাঁকিয়ে নেমেছে শীত। বাইরের তাপমাত্রা -৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস। যদিও কাগজে কলমে এখনো শরত কাল।
আজ সকালে বিভিন্ন দৈনিকের অন-লাইন ভার্সনে অনেক দেশের অনেকের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার লম্বা কিছু তালিকা দেখলাম। কিন্তু এ মুহূর্তে (মার্কিন সময় রাত ৯টায়) সব কটা পোর্টাল হতে এসব একেবারে উধাও। সন্দেহ হচ্ছে বাংলাদেশ সরকার অনেক কিছুর মত এ খবরও স্বদেশীদের কাছ হতে লুকাতে চাইছে। তবে যতই কানামাছি ভো ভো খেলা খেলুক না কেন হাসিনা সরকার স্যংশন আসবেই। এবং এ স্যাংশন হবে বহুমুখী যা হতে রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি আমলা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, ব্যবসায়ী কেউ বাদ যাবেনা।
গেল সেপ্টেম্বরের ইউরোপ ভ্রমণ ছিল সারপ্রাইজে ভরপুর। বিশেষকরে দুই সন্তানের জন্যে। ওরা স্বপ্নেও ভাবেনি তাদের একমাত্র মামু ও নানী পেরু হতে উড়ে এসে লন্ডনে দেখা করবে। গোটা ব্যপারটাই চেপে রাখা হয়েছিল। আরও সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছিল পেরুর রাজধানী লিমার হোরহে চাভেস এয়ারপোর্টে।
এ যাত্রায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিকল্পনা নিয়ে একটু দ্বিধায় ছিলাম। ভেবে পাচ্ছিলাম না বিনা ভোট ও রাতের ভোটের পর এবার কোন ভোটর মাধ্যমে ক্ষমতা আকড়ে থাকবে ফ্যাসিবাদী এই দল
প্রশ্নটা অনেকের, আমেরিকা কেন অন্ধভাবে ইসরায়েলকে সমর্থন করে? এক সময় এ প্রশ্নের উত্তর আমারও জানা ছিলনা। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে এবং এই দুই দেশের সম্পর্কের অটোপসি করছি পানির মত পরিষ্কার হয়ে আসছ উত্তর।
একসময় সমাজতন্ত্রের মক্কা হিসাবে বিবেচিত হতো ধ্বসে যাওয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাক্তন শহর পেত্রোগ্রাদ, যা অক্টোবর বিপ্লবের পর লেনিনগ্রাদ নামে পরিচিত ছিল। সে রামও নেই, রাজ্যও নেই। সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন ইতিহাস। একই সাথে ইতিহাসে ঠাঁই নিয়েছে লেনিন ও তার শহর লেনিনগ্রাদ। রূপান্তরিত সেন্ট পিটার্সবার্গ নাম আমাদের নিয়ে যায় জার-তন্ত্রের রাশিয়ায়। নিয়ে যায় ধর্ম ও রাজপ্রাসাদের যৌথ শাসনের কালো অধ্যায়ে।
শনিবার রাত। নীচ তলার ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছি। সকালে ঘুম ভাঙ্গার তাড়া নেই, তাই লম্বা সময় ধরে HULU চ্যানেলে মুভি দেখার প্রস্তুতি নিয়ে বসেছি। উপর তলার টিভির সামনে এসব মুভি দেখতে গেলে বাচ্চাদের সামনে বিব্রত হতে হয়। ভাষার এদিক সেদিক হলে ছেলে মেয়ে দুজনেই আঁতকে উঠে, চ্যানেল চেঞ্জ করে অন্যকিছু দেখের অনুরোধ করে। অবশ্য এ শিক্ষা আমার নিজের দেয়া, তাই না করার উপায় নেই।