আল কায়েদা হুমকি ও ক্ষমতা সমীকরণের মধুচন্দ্রিমা..
পাঠকদের মনে থাকতে পারে বিএনপির শেষ টার্মের শেষ দিকের কিছু ঘটনা। হঠাৎ করে ভারতীয় মিডিয়া ইনিয়ে বিনিয়ে প্রচার করতে শুরু করে আল কায়েদার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মিশরীয় ডাক্তার আইমেন আল জাওহিরি নাকি বাংলাদেশে।
পাঠকদের মনে থাকতে পারে বিএনপির শেষ টার্মের শেষ দিকের কিছু ঘটনা। হঠাৎ করে ভারতীয় মিডিয়া ইনিয়ে বিনিয়ে প্রচার করতে শুরু করে আল কায়েদার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মিশরীয় ডাক্তার আইমেন আল জাওহিরি নাকি বাংলাদেশে।
চারদিকের বাণিজ্য বাতাস তখন অস্বাভাবিক ভারী। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। কাছ হতে দেখলে গোটা শহরকে মনে হবে চাঁদাবাজীর লাস ভেগাস। সহজ আয়ের এসব বীর সৈনিকদের সংখ্যা হাতে গুনে মুখস্ত রাখা সমস্যা হয়ে দেখা দিল। শেষপর্যন্ত মাছের ভাগার মত ভাগ করতে বাধ্য হলাম। এক ভাগা বিএনপির, এক ভাগা ছাত্রদলের, এক ভাগা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোদ্ধাদের...
সদ্য প্রকাশ হতে যাওয়া নিজের আত্ম জীবনী মুলক বইতে শেখ হাসিনার আসল চরিত্র প্রকাশ করে দিলেন এক সময়ে শেখ হাসিনার অত্যান্ত প্রিয় ভাজন দিপু মনি । তার প্রকাশ হতে যাওয়া আত্মজীবনী মুলক বই " সোনালী পাঁচ বছর " থেকে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো...
আজকের বাংলাদেশের মতই গোটা কম্বোডিয়া তলিয়ে যায় লাশের মিছিলে। তিন বছরের মাথায় নির্মূল প্রকল্পের আওতায় মোট জনসংখ্যার শতকরা ২৫ ভাগ মানুষকে লাশ বানাতে সক্ষম হয় খেমাররুজ বাহিনী। কিলিং মিশনে যোগ দেন খোদ পল পট। এবং একান্ত বিশ্বস্ত খুনি হিসাবে পাশে দাঁড়ান নিজের স্ত্রী। ১৯৭৯ সালে ভিয়েতনামিদের আগ্রাসনের কারণ কম্বোডিয়ান জাতি পরিত্রাণ পায় আগ্রারিয়ান সোস্যালইজমের প্রবর্তক খেমাররুজ খুনিদের হাত হতে...
পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে প্রথম ট্রানজিট। ট্রেন বদল করে ধরতে হবে বার্লিন গামী লোকাল একটা ট্রেন।কাউন্টারে গিয়ে টিকেট মাষ্টারের চেহারা দেখে ভড়কে গেলাম। সমাজতান্ত্রিক দুনিয়ায় টিকেট কাউন্টারে গোস্বা মুখ মানেই খেলা ফাইনাল! মহিলা জানাল কেবল আজকেই নয়, আগামী সাতদিনের জন্য বার্লিন গামী ট্রেনের কোন সিট নেই...
ঘটনাটা ৭১'এর আগে। চৈত্র মাস। প্রচন্ড গরম। সাথে লু হাওয়া। দাদাবাড়ি যাচ্ছি মদনগঞ্জগামী রেলে চড়ে। প্রচন্ড ভীড়ে বসার জায়গা দূরে থাক দাঁড়াতে পারলেই খুশি। যেদিকে যাচ্ছি সে এলাকার জীবন আবর্তিত হয় পাশের বাবুর হাটকে ঘিরে। দিনটা ছিল সোমবার। হাটের দিন। তাঁতি, জেলে, কামার, কুমার দিনান্তে সবাই ঘরে ফিরছিল।
বোধহয় ১৯৭৩ সালেই বুঝতে পেরেছিলেন। যে বিশাল জনসমর্থন আর ভালবাসা নিয়ে দেশের মাটিতে পা রেখেছিলেন তা ফিকে হয়ে আসছে। রাজনীতির মাঠ এবং সংসদ কোন ফ্রন্টেই স্বস্তিতে ছিলেন না। একদিকে মাওলানা, অন্যদিকে ইনু, মিনু, রব, মতিয়াদের রণহুংকার, পাশাপাশি গাজী গোলাম মোস্তফার ঔরসে জন্ম নেয়া চাটা আর লুটেরার দল, কোনটারই সুরাহা করতে পারেননি তিনি।
সত্তর বছর আগের ঘটনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন বর্ণবাদে বিভক্ত । দেশটার সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের শিল্প শহর আলকলুও মুক্ত ছিলনা এ অভিশাপ হতে। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া রেল লাইনকে বিভক্তি রেখা মেনে এক পাশে বাস করত ধনী সাদারা এবং অপর পাশে হূত দরিদ্র কালোরা।
কতটা অন্যায় করেছিল এই দুই ’আসামী‘? অপরাধ কি সাবেক পুলিশ কমিশনার নুরমোহম্মদের চাইতেও বেশি? উল্লেখ্য, এই কমিশনার চাকরিকালীন সময়ে ৩০০ কোটি টাকার সম্পদ বানিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিলেন। নুরার আসল চেহারা সমাজে প্রকাশ পাওয়ার আগে তাকে রাষ্ট্রদূত বানিয়ে বিদেশে পাঠিয়ে দেয় আগের বৈধ ও বর্তমানের জারজ সরকার...
এ এক নতুন বাংলাদেশ। এখানে মৌলবাদের খুটি হয়েছে উৎপাটিত। জঙ্গিবাদ এখানে ইতিহাস শিক্ষার অধ্যায়। তার বদলে এখানে প্রবাহিত হচ্ছে বাঙালি জাতীয়তাবাদের স্নিগ্ধ বাতাস। এখন মঙ্গল প্রদীপের আলোতে সন্ধ্যা নামে। সকাল বেলা আযানের ধ্বনিতে কলুষিত হয়না শহর, বন্দর, নগর, হাট, মাঠ, ঘাটের বাতাস। পাখিরাও কিচির মিচির শব্দে উচ্চারণ করেনা মৌলবাদী হামদ ও নাথ।