রাষ্ট্রপতির চেয়ারে কে বসতে যাচ্ছেন এটা কি আসলেই তেমন কোন গুরুত্ব বহন করে? যিনি বসবেন তার জন্যে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কারণ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে বসে সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করে কাজের কাজ তেমন কিছুই করতে হবেনা। নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ শেষে ও নতুন নির্বাচনের পর কিছুটা নড়াচড়ার প্রয়োজন হলেও রাষ্ট্রপতিদের বাকি সময় কাটে বঙ্গভবনের চার-দেয়ালের ভেতর। ঐ দেয়ালের ভেতর ঢুকার আগে শরীরে যত প্রকার রোগবালাই ঝং বেধেছিল তা ক্ষমতার চেয়ারে বসার সাথে সাথে আরোগ্য লাভের জন্যে বিদেশ সফরে যান। চপ্পুর আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতিদের চিকিৎসা সফর থাইল্যান্ড সিঙ্গাপুর পর্যন্ত সীমিত থাকলেও এস আলম গ্রুপের কো-চিটার রাষ্ট্রপতি চপ্পু সীমানা লন্ডন পর্যন্ত বিস্তৃত করেছেন। বলতে গেলে রাষ্ট্রপতিদের জন্যে চিকিৎসার নতুন দিগন্ত আবিষ্কার করেছেন যার সুবিধা সামনের যে কোন রাষ্ট্রপতি ভোগ করতে দু'বার চিন্তা করবেন না।
মির্জা ফখরুল? মইন খান?? বা অন্য কেউ?
হো কেয়ারস বঙ্গভবনের ভেতর দিনরাত কে মশা মারতে যাচ্ছে! তবে আশা করা যায় বদরুজ্জোদা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি বানিয়ে বিএনপি যে ভুল করেছিল মির্জা ফখরুলকে বঙ্গভবনে বসিয়ে একই ভুল করবেনা। দলীয় সরকারের জন্যে রাষ্ট্রপতি পদে একজন অভিজ্ঞ ও চতুর রাজনীতিবিদের দরকার নেই, বরং চপ্পুর মত দলীয় হাড্ডি খেকো কুকুরই নিশ্চিত করতে পারে ক্রাইসিস পিরিয়ডে বিশ্বস্ততা।
শাসনতন্ত্রের সংস্কার ও সংশোধন প্রস্তাব করেছিল রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ব্যালেন্স। বিএনপি অনেকটা রাস্তার ভাসমান পতিতাদের মত মিথ্যা বলে অস্বীকার করেছে জনগণের ম্যাণ্ডেট। হয়ত ম্যাসিভ ম্যাণ্ডেটের কারণে নিজেদের এই অপকর্মের জবাব পাবেনা, তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায় সুসময় শেষে যখন দুঃসময় আসবে হাতে হারিকেন নিয়ে পাছা থাপড়াবে আর মাতম করবে নিজেদের ভুলের জন্যে।