একজন আম্বিয়ার মা ও জনৈক নিম চন্দ্র ভৌমিক!

Submitted by WatchDog on Tuesday, October 6, 2026

আম্বিয়ার মায়রে রাইতের অন্ধাইরে ধর্ষণ করতে গিয়ে ধরা খাইসে...পাব্লিক তারে গণপিটুনি দিয়া পুলিশের কাছে দিসে। কয়দিন পর হাতে হাতকড়া পরাইয়া আদালতে তুলসে... ।
কেল্লাহ ফতে! খেলা ফাইনাল!!!
বিশেষ দলের বিশেষ মিডিয়া হাউত করে উঠল...৭১'এর বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যাটারী আলমের হাতে হাতকড়া পরিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ অপমান করসে পাকি দালালরা।
শেয়ালদের হুক্কা হুয়া ডাকের মত পৃথিবীর সব প্রান্তে গর্তে লুকানো বিশেষ দলের সিম্পেথাইজাররা হুক্কা দিয়ে উঠল...দেশ গেল! জাত গেল...মুক্তিযুদ্ধ গেল...ইজ্জত গেল!
তবে আম্বিয়ার মার বলাকা ব্লেডে ব্যাটারি আলমের নুনুর আগ্রভাগ যে খোয়া গেসে সেটা নিয়া টু শব্দটি নাই!

নিম চন্দ্র ভৌমিক নাকি বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাই আমাদের নবী রসুলদের নাম নেয়ার আগে যেমন হযরত বলা বাধ্যতামূলক তেমনি ভৌমিক বাবুর নামের আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা বলাটাও জরুরি। ভাল কথা! তবে কবে কোন ফ্রণ্টে যুদ্ধ করে বাবু বীর যোদ্ধার উপাধি পেয়েছেন সেটা জানাও আমাদের জন্যে জরুরি। কারণ...

দেশের তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার শতকরা ৬০ জনই নাকি ভূয়া। অনেকে মতে ভুয়ার প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি, প্রায় ৮৮ ভাগ। সরকারী চাকরি পাওয়ার লোভ, চাকরিতে পদোন্নতি ও লুটপাটের বখরা পাওয়া, মন্ত্রীমিনিষ্টার হওয়ার লালসায় আওয়ামী আমলে অনেকে নাম লিখয়েছিল এ তালিকায়। ঐ সরকারের জনৈক মন্ত্রী ৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করে স্বঘোষিত বীর উপাধি নিয়েছিলেন। তাই বাবু নিম চন্দ্র ভৌমিক ৭১'এ দেশ হতে পালিয়ে গিয়ে যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন নাকি আওয়ামী নেতাদের মত সোনাগাছি পতিতালয়ে সময় কাটিয়েছেন এ প্রশ্ন থেকেই যাবে। ক্রান্তিকালে দেশ ত্যাগ করলেই যেমন মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যায়না, তেমনি যুদ্ধে নাম লেখালেই বীর হওয়াটা ম্যাণ্ডেটরি না।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মত উগ্র মৌলবাদি সংগঠনের সভাপতি ছিলেন আমাদের নিম ভৌমিক। বিশ্বস্ত সৈনিক হিসাবে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করার পর দলীয় কোটায় শেখ হাসিনা নেপালে চুক্তিভিত্তিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বানান ভৌমিক বাবুকে। এবং এখানেই উন্মোচিত হয় বাবুর আসল বীরত্ব!

দেশের দুর্নীতিকে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রমোট করা শুরু করেন। নেপালি ছাত্রদের বাংলাদেশে স্কালারশিপ দেয়ার কথা বলে শুরু করেন ঘুষ নেয়া। ঐ দেশে সন্ধান শুরু করেন আম্বিয়ার মা'দের। মদ মাগিবাজিতে নিজের বীরত্ব প্রমাণ করেন সন্দেহাতীতভাবে। কাম উত্তেজনায় তাড়িত হয়ে পিছু নেন নেপালের বলিউড তারকা মনিষা কৈরালার। উত্যক্ত শুরু করেন এক সময়ের জনপ্রিয় এই নায়িকাকে। বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত মহিলা কর্মাচারীদের যৌণ নিপিড়নেরও অভিযোগ আছে এই 'বীরের' বিরুদ্ধে। নিজ গুরুত্বে ওজন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারী গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা খুলে সেখানে উড়িয়ে দিতেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দেশ ভারতের পতকা।

কোথাকার কোন ব্যাটারি আলম নিম ভৌমিক মারা গেছেন এ নিয়ে শোরগোল তোলার কেমন কোন কারণ নেই। তবে আম্বিয়ার মা'র ধর্ষক এই ব্যাটারি বাবুকে যখন বীর বানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পতাকায় সমাহিত করার চেষ্টা হয় প্রতিবাদ করাটা আমাদের জন্যে জরুরি।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন