অবস্থাদৃষ্টে মন হচ্ছে আওয়ামী লীগ মরিয়াও মরে নাই। তাহারা এখন বিদেশের মাটিতে নিজেদের পরিচয়ে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করিতেছে। পলাতক থাকুক আর মুক্ত থাকুক আওয়ামী লীগের কাজ আওয়ামী লীগ করিয়াই চলিবে। ওরা মারিবে, ধরিবে, খুন করিবে, ধর্ষণ করিবে, লুটিবে, চাটিবে, তবেই না সে খাঁটি আওয়ামী লীগার! দলের ত্যাগী নেতা!! ...মাঠ পর্যায়ের বীর কর্মী হইতে চাহিলে এইসব অপকর্মের কোন বিকল্প নাই।
ওয়াজ নসিহত করে আওয়ামী লীগকে সুপথে আনার কোন চেষ্টাই সাফল্যের মুখ দেখবে না। শুধু ইতালি কেন, এন্টার্কটিকায় গেলেও ওরা আওয়ামী লীগই থেকে যাবে।
খুন খারাবিকে তারা নেত্রীর পদতলে উৎসর্গ করে থাকে। এই উৎসর্গই একসময় সফল বিনিয়োগ হয়ে ফিরে আসে। মাঠ পর্যায়ে রক্তারক্তির হোতাদের নেত্রী মূল্যায়ন করেন দলীয় পদ লিল্লা দিয়ে। ক্ষমতার মধুমাসে নেত্রীর লিল্লা জনিত মূল্যায়ন নিশ্চিত করে চাঁন্দাবাজি, টেন্ডারবাজির নিরাপত্তা।
ইতালিতে যা ঘটে গেছে তার সবটাই ছিল লিল্লার হাড্ডি নিয়ে একদল কুকুরের কামড়া কামড়ি।
প্রবাসে লিল্লা নিয়ে কামরা কামড়ি থামানো বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সম্ভব না। থামানোর চেষ্টা করাও উচিৎ না। কারণ এসব অপরাধের স্থান সরকারী জুরিডিকশনের বাইরে। তবে প্রতিঘাত হিসাবে সরকার যা করতে পারে তা হল:
দেশে মানবতা বিরোধী ট্রাইব্যুনালকে শক্তিশালী করা।
বিচারের মুখোমুখি হওয়া অপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা।
ফ্লাড লাইটের আলোতে মধ্যরাতে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামীদের একে একে রশিতে ঝুলিয়ে দেয়া।
সাজা পাওয়া আসামীদের বাড়ি-ঘর ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রোক করে তা নিলামে উঠয়ে দেয়া।
প্রবাসে বসে যারা আওয়ামী ব্যানারে আক্রমণ চালায় তাদের:
ন্যাশনাল আইডি সহ পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করা
দেশের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করা
স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক দিয়ে তা নিলামে উঠানোর ব্যবস্থা করা
হে প্রবাসী আওয়ামী লীগের বীর সেনানীরা,
যে যেখানে আছ খেলারামের খেলা খেলে যাও। কেউ কিছু বলবে না। তবে তোমাদের কর্মের মূল্য যদি মাতৃভূমিতে দেশীয় মুদ্রায় পরিশোধ করতে হয় অবাক হইওনা।