Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

পেপ্পি কেভিনিয়ামি্র নিউ ইয়র্ক যাত্রা এবং ..

পাঠক, পেপ্পি কেভিনিয়ামি নামের একজন ভিনদেশি মহিলার কথা কি মনে আছে আপনাদের? নামটা যাদের কাছে অপরিচিত তাদের একটু ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ করব। এই ফাঁকে একটা খবর বলে নেই, এ যাত্রায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন না এই মহিলা। তন্নতন্ন করে খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না। ১০১ জনের তালিকায় ঠাঁই হয়নি এ যাত্রায়। কারণ ছাড়াই মনটা খারাপ হয়ে গেল। বাংলায় একটা কথা আছে, বন্যরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে। সদ্য জন্ম নেয়া শিশুকে যেমন মায়ের কোলে বেশি মানায় তেমনি পেপ্পিকেও চমৎকার মানায় দেশীয় মিছিলে। আফটার অল রাজতন্ত্রের তিনিও যে উত্তরাধিকারীনি! গভীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকব দেশের বিচার ব্যবস্থার দিকে। আশা করব অনেক কিছুর মত ভদ্রমহিলার প্রতি এই অকাল বৈষম্যও হাল্কাভাবে নেবেন না ’মহামান্য’ বিচারকগণ। এবার আসছি তাদের কাছে যারা কেভিনিয়ামি নাম নিয়ে ত্যানা প্যাঁচানো শুরু করে দিয়েছেন ইতিমধ্যে। জাতিতে ফিন, অর্থাৎ ফিনল্যান্ডের বাসিন্দা। প্রাসঙ্গিক ভাবে একটা কথা বলে রাখা ভাল, বাংলাদেশ যদি চুরি-চামারিতে পর পর চার বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে জাতির মুখ ’উজ্বল’ করে থাকে, ফিনল্যান্ড নামের দেশটাও অচুরি-অচামারি প্রতিযোগীতায় অনাদিকাল ধরে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিন জাতিকে গভীর হতাশায় ডোবাচ্ছে। যেভাবেই দেখি না কেন, তালিকার দুই মেরুতে অবস্থান আমাদের। ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক পকেট পূর্তির টেকনোলজিতে আমাদের অবস্থান বিপরীত মেরুতে হলেও হৃদয়ঘটিত ব্যাপারে এসব যে খুব একটা সমস্যা তৈরী করেনা তার প্রমাণ এই পেপ্পি। হ্যা, পেপ্পি কেভিনিয়ামি ব্রিটেন প্রবাসি বাংলাদেশি নাগরিক (নাকি বৃটিশ!) রেদোয়ান সিদ্দিকের স্ত্রী। জনাব সিদ্দিকের আরও একটা পরিচয় আছে, উনি যেন তেন বাংলাদেশি নন, দেশীয় সিংহাসনের সেকেন্ড ইন কমান্ড জনাবা শেখ রেহানার সন্তান। রেহানার সন্তান ফিনিশ না নাইজেরিয়ান ললনা বিয়ে করবে এ নিয়ে আমার মত হাভাতে জনগণের মাথা ঘামানোর কথা নয়। আসছি সে প্রসংগে।

১০১ জন সহযাত্রী নিয়ে নিউ ইয়র্ক যাচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। উদ্দেশ্য জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ। ১০১ জনের মধ্যে যেমন আছেন কবি-সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ তেমনি আছেন প্রফেশনাল খুনি। তবে এদের সবাইকে যে জাতিসংঘ ভবনে যেতে হবে তার কোন বাধ্য বাধকতা নেই। নেত্রীর পূজার প্রতিদান, এভাবেই বর্ণনা করলেন পরিচিত এক আওয়ামী নেতা। এক বন্ধু ফোন করে জানাল তার শ্বশুর বাড়ির কেউ একজন আসছেন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে। আমেরিকায় নাকি এই প্রথম, তাই যথাযোগ্য আয়োজনের অনুরোধ করেছেন। আমি নিশ্চিত যারা আসছেন তাদের সবারই কেউ না কেউ আছেন এ দেশে এবং অতিথি আপ্যায়নে ত্রুটি করবে না প্রবাসী বাংলাদেশিরা। একই কাজে খালেদা জিয়া শেষবার যখন নিউ ইয়র্ক এসেছিলেন খুব কাছ হতে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল নেত্রীর সফরসূচির কিয়দংশ। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর এক ক্যাপ্টেন ছিল আমার আত্মীয়। এখানে এসেই বায়না ধরল শহর দেখানোর জন্যে। কথা ছিল নেত্রীর ভাষণ পর্ব সমাপ্তির রাতে ঘুরতে বের হব। আরও দুই বন্ধু সহ নির্ধারিত সময়ে হাজির হলাম হোটেলে। হোটেল লবিতেই চোখে পরল দৃশ্যটা। শত শত স্বদেশি চীৎকার করছে, হাতাহাতি করছে, ঠেলাঠেলি করছে। স্থানীয় পুলিশ বাহিনীও ব্যর্থ হচ্ছে জনতার ঢল সামাল দিতে। সবার গন্তব্য নেত্রীর কক্ষ। কথা ছিল রাত ১১টার দিকে বেরিয়ে পরব আমরা। কিন্তু সকাল ১টার দিকেও লাইন কমার কোন লক্ষন দেখা গেলনা। নেত্রীর রুমের ঠিক ২টা রুম পর আমরা তিন জন অপেক্ষায় আছি, অপেক্ষা করছি আর মাথার চুল ছিঁড়ছি। আত্মীয় নিজেও বিব্রত। চীৎকার শুনে রুমের বাইরে আসতেই চোখে পরল দৃশ্যটা, নিরাপত্তা বাহিনীর সবাই মিলে বেধড়ক পেটাচ্ছে অপেক্ষমান জনতাকে। জনতাও কম যায়না, তারও প্রতিরোধ করছে এবং উচ্চস্বরে শ্লোগান দিচ্ছে। পাঁচতারা হোটলে মধ্যরাতে এমন এক দৃশ্যের অবতারণা হল যা ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ NYPD তলব করতে বাধ্য হল। রাত একটার দিকে আত্মীয় এসে জানাল জনৈক ভিজিটর প্রধানমন্ত্রীর পা জড়িয়ে কান্নাকাটি করছে, কোনভাবেই সড়ানো যাচ্ছে না। রাত দুটার দিকে শেষ হল এ সার্কাস। আত্মীয় এসে জানাল প্রধানমন্ত্রী এখন ফ্রি, চাইলে আমরা দেখা করতে পারি। খালেদা জিয়াকে দেখা অথবা তার সাথে কথা বলার কারণ খুঁজে পেলাম না। আত্মীয়কে জানাতে সে একটু অবাক হল। শেষ পর্যন্ত তিনটার দিকে বের হলাম আমরা। পরদিন জ্যাকসন হাইটসে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সভা হল, শ্লোগান দিল।

একটা ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসার দাবি রাখেন, ১২৪ জন সহযাত্রী নেন নি এ যাত্রায় যেমনটা নিয়েছিলেন ভারত সফরের সময়। এ হিসাবে বেশকিছু অর্থ বাচিয়ে অসীম যোগ্যতার প্রমান দিলেন তিনি। ঐতিহাসিক ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সংগী হয়েছিলেন যারা তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বোন রেহানা, পুত্র জয় ওয়াজেদ, পুত্রবধু ক্রিষ্টিনা ওভেরমায়ের, নাতনি সুফিয়া জয়, ভাগ্নি আজমিনা সিদ্দিক, ভাগ্নে রেদওয়ান সিদ্দিক এবং অবশ্যই ভাগ্নে বৌ পেপ্পি কেভিনিয়ামি। জাতিসংঘে বাংলাদেশের কেস তুলে ধরার জন্যে এ যাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগী হয়েছেন শেখ রেহানা, জয় ওয়াজেদ, ক্রিস্টিনা জয়, খন্দকার মনসুর হোসেন (রাজাকারের দৌহিত্র), কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং ভাগ্নি আজমিনা সিদ্দিক সহ আরও ৯৫ জন। প্রধানমন্ত্রীর নাতনি নাবালিকা সুফিয়া এবং ভাগ্নে বৌ ফিনল্যান্ডের নাগরিক পেপ্পিকে কেন বাদ দেয়া হল তার কোন কারণ প্রকাশ করেনি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। আওয়ামী ঘরানার জনৈক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেল শেখ ডাইনাস্টির পরবর্তী নেতা হিসাবে প্রধানমন্ত্রী আপন কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে সামনে আনতে চাইছেন। রাজাকার পরিবারের গৃহবধূ সায়মা ওয়াজেদ নাকি বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের চিন্তা করছেন এবং হাতে কলমে প্রধামমন্ত্রীত্বের তালিম নেয়ার জন্যে তৈরী হচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাচ্ছি মার্কিন মুলুকে। আর যারা নেত্রী পুজার ঢালি সাজিয়ে ইতিমধ্যে ধ্যানে বসে গেছেন তাদের তলপেট বরাবর কষে একটা লাথি রইল। প্রধানমন্ত্রী আসছেন পরিবার নিয়ে বনভোজন করতে। এ ধরনের বনভোজনে অনাহূত অতিথির অত্যাচার কতটা বিরক্তিকর হতে পারে তা আশাকরি নিউ নিউইয়র্কবাসীদের নতুন করে বুঝাতে হবেনা। আফটার অল নিউ ইয়র্ক বনভোজনের শহর। আর যারা সুফিয়া জয় ও পেপ্পি কেভিনিয়ামিকে সহযাত্রী বহরে না দেখে আমার মত কষ্ট পেয়েছেন তাদের জন্যে খবর হল, এটা নিশ্চয় শেষ সফর নয়! ১০০ বছর পরে আছে সামনে।

Comments

প্রধানমন্ত্রীর ডিপিএস শাকিল স্ট্যান্ড রিলিজ দেশে ফেরত

নিউজ ওয়ার্ল্ড, নিউ ইয়র্ক থেকে: প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব (ডিপিএস) মাহবুবুল হক শাকিলকে নিউ ইয়র্ক থেকে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। মাতাল অবস্থায় মধ্যরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মহিলা কর্মকর্তার রুমে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টাকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের অন্যতম প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদের মন্তব্য জানতে বার বার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে শাকিলের দেশে ফেরার বিষয়টি স্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিউ ইয়র্ক সিটির গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে পরিচালক হিসেবে কর্মরত শাহনাজ গাজীর রুমে মাতাল শাকিল জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেন। তিনি রুমে ঢুকেছিলেন কিনা সে বিষয়ে মুখ খুলছেন না কেউ। বিষয়টি নিরাপত্তা বিভাগকে জানানোর পর তারা তাকে অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের নির্দেশ দেয়। কূটনৈতিক সুবিধার কারণে শাকিলকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অন্যথায় এধরনের ঘটনায় যৌন হয়রানির জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইনে। গ্র্যান্ড হায়াত হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর বলে অভিহিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের বিষয় বিবেচনায় রেখে তারা বিষয়টি এখনও তদন্ত করছেন। গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের একজন মুখপাত্র ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। এজন্য তারা বাংলাদেশ মিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

সূত্রমতে ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রীর কানে গেলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শাকিলকে দেশে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ মিশন বা পররাষ্ট্র সচিব কেউ মুখ খুলছেন না। পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েসকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি এ বিষয়ে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত একে আবদুল মোমেন বলেন, আমি এ ধরনের কোন ঘটনা শুনিনি।

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে এটাই এখন আলোচনার শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর একজন সফরসঙ্গী এই ঘটনাকে ইতিহাসের অন্যতম বিব্রতকর ঘটনা বলে অভিহিত করেন। জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ১৯শে সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে নিউ ইয়র্কে আসেন মাহবুবুল হক শাকিল। শাকিল এক সময় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। শাকিল নিউ ইয়র্কের একটি অভিজাত স্টোর থেকে ৩০০০ ডলার দিয়ে হীরার অলঙ্কার কিনেছিলেন বলে জানা যায়। এর আগে তিনি রোম থেকে ৫০০০ ডলার মূল্যের পোশাক কিনেছিলেন।
http://202.79.16.19/index.php?option=com_content&task=view&id=11519&Item...

তালিকা...

কুটনৈতিক রিপোর্টার: জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আজ সকালে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের এ অধিবেশনে ২৭শে সেপ্টেম্বর বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষণে থাকবে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববাসীকে একযোগে কাজ করার আহ্বান।
জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্ব অর্থনীতি বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা, অভিবাসী শ্রমিকের অধিকার আদায় এবং দারিদ্র্য দূরীকরণে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরা এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান। ২৮শে সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন। জাতিসংঘের এ সম্মেলনে ১০১ সদস্য প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন রেহানা সিদ্দিক, সজীব ওয়াজেদ জয়, ক্রিস্টিনা জয়, খন্দকার মনসুর হোসেন, সায়মা ওয়াজেদ হোসেন, আজমিনা সিদ্দিক। ৩ জন মন্ত্রীর মধ্যে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনি। ডেলিগেশন সদস্য হিসেবে আরও যাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী এমপি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা প্রফেসর ড. গওহর রিজভী, এম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে রয়েছেন, নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা, মোহাম্মদ সামাদ, এজেডএম আবদুল আলী, ফজিলাতুন নেসা, সাদেক কুরায়েশী, এডভোকেট মো. আজমত উল্লাহ খান, চন্দন কুমার পাল, ইকবাল হোসেন মিয়া, আনোয়ার হোসেন, মো. আখতার হোসেন, শেখ বজলুর রহমান, মো. শাহ আলম, মো. মইনুল হোসেন খান, মো. শাহজাহান মিয়া। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রয়েছেন প্রধান সেক্রেটারি মো. আবদুল করিম, স্পেশাল সহকারী আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, প্রাইভেট সেক্রেটারি মো. নাজমুল ইসলাম খান, মিলিটারি সেক্রেটারি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সালাউদ্দিন মিয়াজি, পিএসসি, ব্যক্তিগত সহকারী চিকিৎসক মেজর নীলিমা আক্তার, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. মাহবুবুল হক শাকিল, এডিসি মেজর এম. ইমরান হামিদ, এডিসি লেফটেন্যান্ট নেসার আহমেদ (এঙ) বিএন, সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ড. সৈয়দা সুরাইয়া আকবর, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মারজোনা স্নাল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস, প্রটোকল বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ খান, এনডিসি, পিএসসি, মহাপরিচালক (জাতিসংঘ) সাদিয়া মুনা তাসনিম, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস জিসনু রয় চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক শাহানাজ গাজী, প্রটোকল বিভাগের ডেপুটি চিফ নাঈম ইউ আহমেদ, সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি (ভ্রমণ) মো. আলিমুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারি (ভ্রমণ) সায়েম আহমেদ। নিরাপত্তা বাহিনীর এসএসএফ ডাইরেক্টর জেনারেল মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন, বিবি, পিএসসি, পিজিআর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ মোহাম্মদ আমান হাসান, কমান্ড্যান্ট, এসএসএফ জেনারেল ডাইরেক্টর কর্নেল কাজী শরিফ কায়কোবাদ, পিএসসি, এসএসএফ ডেপুটি ডাইরেক্টর মেজর মো. শাহান সাদি, পিএসসি, এসএসএফ ডেপুটি ডাইরেক্টর মেজর শরিফ উল্লাহ, পিএসসি, এসএসএফ ডেপুটি ডাইরেক্টর স্কোয়াড্রন লিডার মো. রফিকুল ইসলাম, এসএসএফ অ্যাসিসটেন্ট ডাইরেক্টর ক্যাপ্টেন জাহিদা পারভীন, এসএসএফ অ্যাসিসটেন্ট ডাইরেক্টর ফ্লাইট লে. আরমান নুর মেরাজ, এসএসএফ অ্যাসিসটেন্ট ডাইরেক্টর ফ্লাইট লে. শারমীন আরা, পিজিআর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুরুল হাসান খান। প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়ার মধ্যে রয়েছেন ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ বেতার ডেপুটি কন্ট্রোলার (নিউজ) মো. আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের এঙিকিউটিভ প্রডিউসার (নিউজ) মুন্সি মো. ফরিদুজ্জামান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সিনিয়র ক্যামেরাম্যান এম. আফজাল হোসেন, বাসস-এর সিনিয়র রিপোর্টার আমিনুল ইসলাম মির্জা, ইউএনবি’র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ফরহাদ ফেরদৌস, ডিএফপি অফিসিয়াল ক্যামেরাম্যান লুৎফর রহমান ও পিআইডি অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার এবিএম কামরুজ্জামান। সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের নিউজ এডিটর খন্দকার মোহাম্মদ খালেদ, দৈনিক জনকণ্ঠের সিটি এডিটর ওবায়দুল কবির মোল্লা, যায়যায়দিনের রিপোর্টার সোহেল হায়দার চৌধুরী, বাসস-এর বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, দৈনিক যুগান্তরের চিফ ফটোগ্রাফার এসএম গোরকি ও রেডিও টুডের রিপোর্টার শরিফ মুজিবর রহমান। ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট এ কে আজাদ, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের জাহিদ মালেক, রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট নজরুল হামিদ, এমপি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান কাজী আকরামুদ্দিন আহমেদ, সাউথ-ইস্ট ব্যাংক লিমিটেড-এর সাবেক চেয়ারম্যান ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমজার, বিজেএমইএ’র সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট খন্দকার মশিউজ্জামান, বায়রা প্রেসিডেন্ট আবুল বাশার, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রেসিডেন্ট মোস্তাফা জব্বার, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর প্রেসিডেন্ট আফতাব-উল-ইসলাম, এফসিএ, সামিট পাওয়ার লিমিটেডের ফিন্যান্স ডাইরেক্টর আয়েশা আজিজ খন্দকার, জিএমজি এয়ারলাইন্স ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সাহাব সাত্তার, ডিএসই সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান, লায়ন সিনেমা’র মির্জা আবুল খালেকি, মেসার্স খোকা এন্টারপ্রাইজের সাবেদুর রহমান, কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের রাজীব প্রসাদ সাহা, রিহ্যাব সেক্রেটারি ইনচার্জ মুরাদ ইকবাল চৌধুরী, এনবিআর চেয়ারম্যান শেকিল চৌধুরী, এফবিসিসিআই ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, এফবিসিসিআই ডাইরেক্টর মো. মমতাজুদ্দিন, এফবিসিসিআই ডাইরেক্টর নিজামুদ্দিন, এফবিসিসিআই ডাইরেক্টর আলহাজ সামসুল হক, এফবিসিসিআই ডাইরেক্টর মো. হেলালুদ্দিন, বেঙ্মিকো টেঙটাইল ডিভিশন পরিচালক (ফিন্যান্স) শায়ান এফ রহমান, ডিএসই প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, ডিএসই সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল হক ও জামালপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট মো. রেজাউল করিম।

বাংলা দৈনিক হতে সংকলিত।

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla