Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

পেপ্পি কিভিনিয়ামির ভারত যাত্রা!

Hasina's visit to India
আমার দাদাবাড়িতে ট্রাডিশনটা অনেকদিন পর্য্যন্ত চালু ছিল, গ্রামের এক বাড়িতে নেমতন্নের ব্যবস্থা থাকলে গ্রামের কোন বাড়িতেই সে দিন চুলা জ্বলতনা। পরিবারের একজনকে দাওয়াত দিলে সেজেগুজে বাকি সবাই হাজির হত লাজ লজ্জা চুলায় ঠেলে। যারা ভোজ পর্বের আয়োজন করত তাদেরও জানা থাকত কি হতে যাচ্ছে, তাই ঐ গ্রামে দাওয়াত পর্বের আয়োজন করতে সহজে কেউ সাহষ করতনা। প্রসংগটা টানছি অন্য একটা কারণে। পেপ্পি কিভিনিয়ামি নামের কেউ একজন সহ ১২৪ জনের বিশাল বাহিনী নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভারত গেছেন সরকারী সফরে। শোনা যাচ্ছে নয়া দিল্লির হীম শীতল বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেও সে দেশের সরকার শেখ হাসিনার জন্যে আয়োজন করেছে উষ্ণ সম্বর্ধনা। ধন্যবাদ জানাতে হয় ভারত সরকারকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেড়াতে আসলেও বোধহয় ভারত সরকারকে এতটা মনযোগী দেখাত না, এ জন্যে শেখ হাসিনা বিশেষ কৃতিত্ত্ব দাবী করতে পারেন।

প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, শেখ হাসিনার মাঝে ভারত সরকার এমন কি খুঁজে পেয়েছে যার জন্যে তাকে খুশী করার এত আয়োজন? শেখ হাসিনা প্রতিবেশী একটা দেশের সরকার প্রধান মাত্র, যে দেশের সাথে ভারতের রয়ে গেছে সীমান্ত সমস্যা, পানি সমস্যা, বানিজ্য ঘাটতি, সর্বোপরী পারস্পরিক বিশ্বাষে ব্যাপক দৈন্যতা। অবশ্য এ ধরনের জামাই(?) আদর পাওয়ার প্রেক্ষাপট তৈরী করেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী পা রাখছেন ভারতের মাটিতে। আসামের বিচ্হন্নতাবাদী দল উলফার ডকসাইটের নেতাদের বাংলাদেশী আস্তানা গুড়িয়ে দিয়ে তাদের তুলে দিয়েছেন ভারত সরকারের হাতে। ভারত সরকার পুরস্কার সরূপ হাসিনা সরকারকে কি দিতে যাচ্ছে তা জানার জন্যে আমাদের বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবেনা। এখানেও অনেকের মনে দ্বিধা রয়েছে, ভারত সরকার আসলে কাকে পুরস্কৃত করতে যাচ্ছে, হাসিনা সরকার না ব্যক্তি হাসিনাকে? সরকারকে পুরস্কৃত করতে গেলে ভারতকে একগাঁদা ছাড় দিতে হবে; সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা বন্ধের নিশ্চয়তা, গ্রহনযোগ্য পানি বন্টন চুক্তি, টিপাইমূখী বাধ নির্মান বন্ধের গ্যারান্টি, বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে সহনীয় পর্য্যায়ে আনার চুক্তি সহ আরও অনেক কিছু। ভারত কি প্রস্তূত এতগুলো কন্‌শেসন একসাথে হজম করতে? অতীত অভিজ্ঞতা কিন্তূ অন্য কথা বলে, কথার ফুলঝুড়িতে প্রতিপক্ষকে বেলুনে চড়িয়ে খালি হাতে ফেরত পাঠাতে দেশটার কোন তুলনা নেই। স্বভাবতই সন্দেহের তীর ধাবিত হবে দ্বিতীয় সম্ভাবনার দিকে, অর্থাৎ ব্যক্তি হাসিনাকে পুরস্কৃত করা। আর এই ঐতিহাসিক পুরস্কার পর্বের কালজয়ী স্বাক্ষী হওয়ার জন্যেই কি প্রধানমন্ত্রী পেপ্পি কিভিনিয়ামিকে সফর সংগী বানিয়েছেন? কে এই পেপ্পি কিভিনিয়ামি? আমাদের কে বলা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্নে বৌ। ভাগ্নে বৌ'এর সময় যাতে ভাল কাটে তার জন্যেই হয়ত সফর সংগী হিসাবে নেয়া হয়েছে যথাক্রমে, প্রধানমন্ত্রীর সিবলিং শেখ রেহানা, পুত্র জয় ওয়াজেদ, পুত্রবধূ ক্রিষ্টিনা ওয়াজেদ, নাতনী সুফিয়া ওয়াজেদ, ভাগ্নে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, ভাগ্নি আজমিনা সিদ্দিক প্রমূখ। ও হ্যাঁ, পেপ্পি হচ্ছেন বেগম রাদওয়ান সিদ্দিক, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্নে বধূ। সফরটা সরকারী সফর না হলে বোধহয় কথা উঠতনা; প্রশ্ন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সফরে প্রধানমন্ত্রীর ডানে বায়ে এসব পেপ্পীদের প্রয়োজন কি জন্যে? এদের খরচই বা সরকার বহন করছে কোন যুক্তিতে? দেশে ফিরলে প্রধানমন্ত্রীকে এ ধরনের প্রশ্ন মোকাবেলা করতে হবে সন্দেহ নেই। আবশ্য এসব প্রশ্নের উত্তরের জন্যে প্রধানমন্ত্রীর রয়ে গেছে বিশাল এক মন্ত্রী বহর, প্রয়োজনে মহাশক্তিধর ছাত্রলীগকে ব্যবহার করা হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা।

শেখ হাসিনা হয়ত একটা কথা ভূলে গেছেন, উনার চীর প্রতিপক্ষ বেগম খালেদা জিয়া ইতিমধ্যে তৈরী হয়ে আছেন বিমান বন্দর হতে শহর পর্য্যন্ত কাটা বিছিয়ে ফেরার পথ কন্টকাকীর্ন করার জন্যে। সফরের ফলাফল যাই হোক না কেন, বাংলাদেশ সরকারের হয়ে এই পেপ্পী বেগমের ভারত সফর বেগম জিয়ার কাটা বিছানো মিশনে স্ফূলিংগ হিসাবে কাজ করেবে তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।

Comments

Last Tarm 1996-2001 She went

Last Tarm 1996-2001 She went US for 25 Days resone of her her doughter was pragnant. She went familly tour by govt Expenses. so dont warry. it is HASINA............................!

প্রধানমন্ত্রী, কন্টকাকীর্ন পথের জন্যে তৈরী থাকুন

শোনা যাচ্ছে এ যাত্রায় দ্বিপক্ষীয় সমস্যার ৩টি 'অতি গুরুত্বপূর্ন' সমস্যা সমাধানের জন্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছেঃ

১) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাষবাদ রোধ
২) অপরাধী হস্তান্তর
৩) মাদকদ্রব্য পাচার রোধ

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাষবাদ রোধে বিভিন্ন দেশের মধ্যে মতৈক্য এবং চুক্তি স্বাক্ষর আজকের দুনিয়ায় একটি জনপ্রিয় ও গৎবাধা চুক্তি। এ ধরনের চুক্তি অবশ্যই জরুরী কিন্তূ ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কন্নোয়নে এ মুহুর্তে তা কতটা জরুরী তা নিয়ে প্রশ্ন করা যেতে পারে। তবে এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশের মাটিতে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিরাপদ অবস্থান যে কঠিন হয়ে পরবে তাতে সন্দেহ নেই।

অপরাধী হস্তান্তর ভারতের জন্যে খুবই জরুরী, কারন উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে হস্তান্তর করা যাচ্ছেনা এ ধরনের চুক্তির অনুপুস্থিতির কারনে। বাংলাদেশ যদি এ চুক্তির আওতায় তার সন্ত্রাষীদের ভারত হতে ফিরিয়ে আনে তা হবে খাল কেটে কুমীর আনা। রাজনৈতিক দলগুলো নিজ প্রয়োজনেই বাংলাদেশে সন্ত্রাষী লালন পালন করে। বিএনপি পন্থী সন্ত্রাষীদের ধরে আনা হলে ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সন্ত্রাষীরা বীর বিক্রমে জেল হতে বের হয়ে আসতে পারবে। একই কথা বলা যায় আওয়ামী সন্ত্রাষীদের বেলায়।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পথে মাদকদ্রব্য পাচার রোধ করতে হলে দুই দেশের নিয়মিত সেনাবাহিনীর সবটাই হয়ত নিয়োগ করতে হবে। এটা যে সম্ভব নয় তা জেনেই নিশ্চয় ভারত এ চুক্তি করে থাকবে।

কোথায় সীমান্ত চুক্তি? কোথায় পানি চুক্তি? কোথায় বানিজ্য ঘাটতি কমানোর চুক্তি? এ সব ফেলে ভারতীয়দের স্বার্থ রক্ষার্থে কতগুলি গতবাধা চুক্তি করার জন্যেই কি প্রধানমন্ত্রী পরিবারের আন্ডা বাচ্চা সহ ১২৪ জনের বিশাল বহর নিয়ে ভারতে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন? পিকনিক শেষ, এখন দেশে ফেরার পালা। তবে খালেদা জিয়া ট্রাক ভর্তি কাটা নিয়ে ইতিমধ্যে ঢাকার রাজপথ কন্টকাকীর্ন করার কাজ শুরু করে থাকলে অবাক হবনা।

ভারতের সঙ্গে তিন চুক্তি স্বাক্ষর!

Mon, Jan 11th, 2010 10:17 pm BdST

নয়া দিল্লি থেকে সুমন মাহবুব ও স্থানীয় প্রতিনিধি

ঢাকা, জানুয়ারি ১০ (বিডিনিউজ টোায়েন্টিফোর ডটকম)- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অপরাধ দমন বিষয়ে পূর্বঘোষিত তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

নয়া দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে সফররত শেখ হাসিনা ও মনমোহন সিংয়ের শীর্ষ বৈঠক এবং দুদেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনার পর এগুলো স্বাক্ষরিত হয় বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ।

চুক্তিগুলো হলো- অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি, দণ্ডাদেশ পাওয়া অপরাধীদের হস্তান্তর চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার রোধ চুক্তি।

এছাড়া বিদ্যুৎ খাতে যৌথ বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুল আলোচিত সফরে রোববার নয়াদিল্লি যান। দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তার প্রথম ভারত সফর।

সফরে তুলনামূলক জটিল বিষয়, বিশেষ করে এশিয়ান হাইওয়ে, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, ভারতের প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ অথবা সমুদ্র সীমা বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে তেমন কোনো চুক্তি হবে না বলে আগে থেকেই আভাস বা ঘোষণা ছিল ।

বিডিনিউজ টোায়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/এএল/এসকে/২২১৪ঘ.

মন্তব্যঃ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাষবাদ? অপরাধী হস্তান্তর? অবৈধ মাদক পাচার রোধ? - এগুলোই কি ভারতের সাথে এ মুহুর্তে সব চাইতে জরুরী সমস্য??

শীতকালীন ভ্যাকেশন

এটা শেখ পরিবারের শীতকালীন ভ্যাকেশন। দেশকে নি্য়ে চিন্তা করতে করতে ওনারা ক্লান্ত। আর তাই বাংলাদেশের জনগনের পয়সায় এই সামান্য পারিবারিক ট্যুর। পাশের দেশ ভারতেই তো গেছে, হাওয়াই বা প্যারিস তো আর যায়নি!!!

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla