Calling all Bangladeshis from Teknaf to Tetulia, North to South America, Europe to Australia and from the burning sun of Middle East to the freezing cold of Arctic to join this group. Our goal is to unite all Bangladeshis and revisit our culture, tradition, heritage, history, and share our thoughts and stories to build a solid foundation for an ambitious dream - a dream of A HAPPY, PROSPEROUS and CORRUPTION-FREE BANGLADESH.
-A +A

Calling all Bangladeshis...

শীতের আমেজ শেষে প্রকৃতিতে আসে বসন্তের পালা, তারপর গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরত, হেমন্ত এবং ঘুরে ফিরে আবারও সেই শীত। কালের এ চক্রের যেন বিশ্রাম নেই, বিরতি নেই, ঘড়ির সাথে পাল্লা দিয়ে পাগলা ঘোড়ার মত ছুটছে দিন, মাস এবং বছরগুলো। দেখতে দেখতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টারও বয়স এক বছর হয়ে গেল। মাতৃভূমির প্রবাহমান ঘটনার সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে অনেকের মত আমরাও ক্লান্ত, বিপর্য্যস্থ এবং আশাহত। গত এক বছরে পদ্মা-মেঘনার পানি অনেকদূর গড়িয়েছে, বয়স ১৮মাস হতেই বিদায় নিয়েছে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে ফিরে পেয়েছে হারানো ক্ষমতা, সচল হয়েছে গণতন্ত্রের চাকা। আশা ছিল মাতৃভূমির পূবাকাশে নতুন সূর্য্যের উদয় হবে, দোয়েল-কোয়েল পাখির গানে আবার মুখরিত হয়ে উঠবে গ্রামবাংলা। পাঠক, আজন্ম লালিত স্বপ্ন হতে বাংলাদেশ কত ক্রোশ দূরে মুখ থুবড়ে পরে আছে তা বিচারের ভার আপনাদের উপরই ছেড়ে দিলাম।

একটা সূস্থ জাতির প্রতিদিনের জীবনে রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গলা ফাটাতে হয়না, রাজনীতি মিশে থাকে কথা এবং কাজে। এর অস্তিত্ত্ব অজান্তেই মিশে যায় আমাদের শিরা-উপশিরায়। রাজনীতিকে হাত দিয়ে ছুতে হয়না, একে উপলদ্বি করতে হয়। কিন্তূ কেন জানি এমনটা হতে পারছেনা আমাদের জীবনে, না চাইলেও রাজনীতি হানা দিচ্ছে আমাদের অন্দর মহলে। ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিক সহ সমাজের সবাইকে রাজনীতির কাছে আত্মসমর্পন করতে হচ্ছে অসহায়ের মত। জ্বলছে শিক্ষাংগন, পুড়ছে জনসম্পদ, বন্ধ হচ্ছে শিল্প-কারখানা, জ্যামিতিক হারে বাড়ছে জনসংখা, বাড়ছে বেকারত্ব। শৃখলতার লৌহবলয়ে বেড়ে উঠা রাইফেল বাহিনীর পৈচাশিকতায় লন্ডভন্ড হচ্ছে মানবতার নূন্যতম মূল্যবোধ। পাশাপাশি নেতা-নেত্রী এবং দলীয় পূজার মন্ডপে হুমড়ি খাচ্ছে তথাকথিত দেশ সেবকের কাফেলা। তাহলে জাতি হিসাবে আমরা কি পূরোপূরিই দেউলিয়া হয়ে গেছি? ধাবমান কালের চক্রই বলে দেবে আমরা এখন কোথায় এবং চলছি কোন কক্ষপথে।

পাঠক, আপনি যদি প্রবাসী হয়ে থাকেন কষ্ট করে পর্দা সড়িয়ে জানালাটা খুলে দিন, বাইরের আকাশটার দিকে তাকিয়ে বুকভরে নিশ্বাষ নিন এবং দু’চোখ মেলে উপভোগ করুন জানালার বাইরের বয়ে চলা জীবন। যতদূর চোখ যায় কোথাও কি দেখছেন উন্মত্ত ছাত্রদের পৈচাশিক তান্ডব? রাস্তা আটকিয়ে কেউ কি সভা করছে নেত্রী পূজার বন্দনার? পুলিশ কি আপনাকে ধাওয়া করছে কিছু অর্থের আশায়? আমি নিশ্চিত এ ধরনের দুঃসহ অভিজ্ঞতার কোনটাই আপনাকে স্বাগত জানাবেনা। এবার চোখ বুজে চলে যান প্রিয় মাতৃভুমির কোন এক অজানা শহরে। প্রতি পদে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করবে মনুষ্য সৃষ্টি কদর্য্যতার নগ্ন বাস্তবতা।

কেন এমনটা হবে? পাকিস্থানী শোষকদের নাগপাশ হতে মুক্তি পেতে রক্তের যে সমুদ্র বয়ে গিয়েছিল তার শেষ ঠিকানা কি তবে ছিল এই নর্দমা? নিশ্চয় না, আসুন আমরা কথা বলতে শিখি, প্রতিবাদের ভাষা রপ্ত করতে শুরু করি। দেখতে দেখতে অনেক বেলা হয়ে গেছে, অপেক্ষা এবং ধৈর্য্যের ঠেলা গাড়িতে চড়তে গিয়ে আমাদের বিকলাংগ অবস্থা প্রায়। চলমান বিশ্বে নিজদের অবস্থান নির্ধারণ করার এটাই সময়, তার জন্যে চাই নতুন ভাষা, একবিংশ শতাব্দির ভাষা, নেত্রী অথবা দল পূজার ভাষা নয়।

ছোট হলেও আমাদের প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাব, কথা বলে যাব নষ্ট রাজনীতির নষ্টামীর বিরুদ্বে। আমাদের সাফল্য এবং ব্যর্থতার বিচার করার সময় যেদিন আসবে আমরা আপনাদের দুয়ারে কড়া নাড়ব। ততদিন আপনাদের পাশে পাওয়ার আশা করব।

যেখানেই থাকুন ভাল থাকুন, সূস্থ থাকুন।

শেখ হাসিনার খাবারে বিষ মেশানো হয়েছিল

সাজেদা চৌধুরীর চাঞ্চল্যকর তথ্য

সূত্র: যায় যায় দিন

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে কারাগারে থাকার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিষ মেশানো খাবার দেয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। খবর বিডিনিউজ ২৪.কম
প্রয়াত জাতীয় নেতা এ এইচ এম কামরুজ্জামানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার চার নেতা পরিষদের এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

সাম্প্রতিক রাজনীতি ভাবনা

লেখক: সজল শর্মা

আমি সাধারণত রাজনীতি নিয়ে কোন কথা বলি না। মাঝে মাঝে দু’এক জায়গায় মন্তব্য করি। এই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে আমি নিজেকে নিরপেক্ষ বলেই পরিচয় দেই। কারণ এমন কোন দল নেই যাকে আমি মনে প্রাণে পূর্ণ সমর্থন দিতে পারি। আজকে কেন জানি মনে হল- রাজনীতি নিয়ে একটু নিজের মতামত ব্যক্ত করি। সেই কারণেই এই লেখার অবতারণা। বর্তমান কিছু বিষয় নিয়েই কথা বলব।

বানিজ্য মন্ত্রীর অবাধ বানিজ্য

সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত বানিজ্য মন্ত্রীর আসল কাজটা কি? বাংলাদেশের বর্তমান বানিজ্যমন্ত্রীর কথাবার্তা যারা কাছ হতে মনিটর করছেন তাদের কাছে এ এক মহা রহস্য বলে মনে হতে বাধ্য। মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পেয়ে এ ভদ্রলোক বোধহয় খূশী এবং কৃতজ্ঞতায় হিতাহীত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন, মুখে যা আসছে তাই বলে যাচ্ছেন বাচাল শিশুর মত। শুক্রবার শিশু একডেমিতে বংগবন্ধু শিশু একডেমির সপ্তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে...

Dhaka train accident caught on tape...

কালো টাকা সাদা এবং ১০% শুভংকরের ফাকি...

দেশীয় রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে চুরি এবং এই চুরিকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে ক্ষমতাসীন এবং ক্ষমতাহীন রাজনীতি। আমি মনে করি শুধু কালো টাকা সাদা নয় বরং চুরিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়ে এ পথে আয়কৃত অর্থকে দেশীয় অর্থনীতিতে স্থায়ীভাবে স্বাগত জানালে এক ঢিলে অনেক পাখী মারা সম্ভব হবে। প্রথমত, রাজনীতিবিদ্‌রা চুরি চামারি শেষে দিনান্তে বাড়ি ফিরে শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন, ১/১১'র দুঃস্বপ্ন তাদের তাড়িয়ে বেড়াবেনা। দ্বিতীয়ত, আমাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা ভূত হয়ে বিদেশে পাড়ি জমাবেনা। তৃতীয়ত, আমাদের মাথাপিছু বার্ষিক আয় উত্তরমূখী যাত্রা শুরু করবে। এ ধরনের অর্থ বাজারে বিনিয়োগ হলে সমাজে চরম বৈষম্য এবং নৈরাজ্যের পাশাপাশি আইন শৃখংলা পরিস্থিতীর ব্যাপক অবনতি হবে এবং তা দেখভাল করার জন্যে পুলিশ সহ অনেক দপ্তরে ব্যপক চাকরীর সম্ভাবনা তৈরী হবে। পুলিশ মানেই লারেলাপ্পা মার্কা চুরি, আর চুরি মানেই নতুন নতুন চাকরী...দেশে জ্যামিতিক হারে কমতে থাকবে বেকারত্ব।

Syndicate content