Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

রাজনীতির ইফতার বনাম ইফতার রাজনীতি।

Ifter Culture
আগস্ট মাসকে রাজনীতিমুক্ত মাস ঘোষনা করলে কেমন হয়? যদিও আমার নিজস্ব ভাবনা তবুও পাঠকদের অনুরোধ করব বিষয়টা নিয়ে ভেবে দেখতে। শোক আর জন্মদিন নিয়ে রাজনীতির মাঠ এমনিতেই গরম থাকে এ মাসে, তার উপর এ বছর যোগ হয়েছে রোজা। অতীতে এ নিয়ে অনেক তর্ক হয়েছে, বিতর্ক হয়েছে, হাতাহাতি হয়েছে, কিন্তু রাজনীতিকে নির্বাসনে পাঠানোর মত তেমন কোন অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছিল বলে মনে করতে পারছি না। রোজার কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছরের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। সিয়ামের মাস এটা। সত্য বলা, সৎ পথে চলা এবং পারস্পরিক সহনশীলতা এ মাসের অন্যতম দাবি। রাজনীতি করতে গেলে মিথ্যা বলতে হয়, এ শুধু বাংলাদেশের বাস্তবতা নয় বিশ্ব রাজনীতির প্রতিষ্ঠিত বাস্তবতা। তবে দেশীয় রাজনীতির মূল স্তম্ভের অনেকটাই দাঁড়িয়ে থাকে এ অপ্রিয় সত্যটার উপর। রোজা উপলক্ষে অন্তত এক মাসের জন্যে হলেও কি রেহাই দেয়া যায় না রাষ্ট্রীয় পাপাচার হতে? আফটার অল ধর্মপ্রাণ মুসলমান দেশের নাগরিক আমরা।

রোজা-রাজনীতির প্রথম ট্রামকার্ডটা ব্যবহার করেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। প্রতিপক্ষের নেত্রীকে পঞ্চম রোজার ইফতারীর দাওয়াত দিয়ে বল ছুঁড়ে দিয়েছেন কথিত ইসলাম প্রেমী দল বিএনপির কোর্টে। বল ফিরিয়ে দিতে এতটুকু দেরি করেননি বিরোধী দলীয়নেত্রী। পালটা দাওয়াত দিয়ে জানিয়ে দিলেন খেলাধুলায় তিনিও কম যান না। এক কথায় সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। যারা বাংলাদেশের দুই পরিবারের দুই কর্ণধারের ব্যাক্তিগত সম্পর্ক সাইড লাইনে বসে দেখতে অভ্যস্ত নন তাদের কাছে এই ইফতার রাজনীতি মহানুভবতার অনন্য উদাহরণ মনে হতে বাধ্য। আসলেই কি তাই?

সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে চমৎকার একটা কারণ দেখিয়ে। রাস্তাঘাটের যানজট সহনীয় পর্যায়ে রাখতেই নাকি এই পদক্ষেপ। প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, দেশের ট্রাফিক সমস্যা কি কেবল রমজান মাসের সমস্যা? বিদ্যুৎ নিয়ে ফুঁসছে বাংলাদেশ। দেশের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো মাঝে মধ্যেই ’উপভোগ’ করছে জনতার মার্সিলেস তাণ্ডব। ঢাকার সাংসদরা ভয়ে আছেন শহরের দেড় কোটি বাসিন্দার অনির্ধারিত জনরোষের। তাদের অনুরোধেই নাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। মার্কিনীদের সাহায্যপুষ্ট পল্লী বিদ্যুতায়ন প্রকল্প দেশে চালু হয় ৮০ দশকের প্রথম দিকে। ঐ সময়টায় আমেরিকান বিশেষজ্ঞ কর্তৃক উপস্থাপিত বেশ কিছু ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং উপাত্ত দিয়ে আমাদের বুঝানো হয়েছিল বিদ্যুতহীনতা বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে জনবিস্ফোরণ কতটা ভূমিকা রাখে। সরকার রমজান মাসটা ছাত্রদের ঘরে থাকতে বলছে। এতে যানজট কতটা কমবে জানিনা, তবে রাজনীতির বদৌলতে নষ্ট হওয়া ছাত্র চরিত্রের বিষ্ফোরন কিছুটা হলেও উপভোগ করবে দেশের আম জনতা। বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাস হতে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার মত জায়গা এ মুহূর্তে বাংলাদেশে নেই। সরকারের নিশ্চয় তা জানা থাকার কথা।

ইফতার দাওয়াত ধর্মীয় সাংস্কৃতির অংশ এবং তা নিশ্চয় ভাল কিছু। দেশের মালিকানা নিয়ে দুই পরিবারের লড়াইয়ের নাম যদি রাজনীতি হয় তবে এ রাজনীতিতে এ মুহূর্তে ইফতারের বাইরে আরও কিছু দাওয়াত যোগ হওয়া আবশ্যক। আপনারা একে অন্যকে দাওয়াত দিন এবং কথা বলুন দেশ নিয়ে। কথা বলুন কি করে ছাত্রলীগ আর ছাত্রদল নামের হিংস্র হায়েনাদের খাঁচায় বন্দী করা যায়। কথা বলুন বিদ্যুৎ নিয়ে, গ্যাস নিয়ে, পানি নিয়ে। কথা বলুন কি করে ১৫ কোটি মানুষের এ দেশটায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়, গণতন্ত্রের ভীত শক্ত করা যায়। মৃত্যু দিবসের বিপরীতে জন্মদিন পালন করে গৃহপালিত ভৃত্যদের বিভ্রান্ত করা গেলেও ১৫ কোটি মানুষের সবাইকে করা যাবে এমনটা ভেবে থাকলে ভুল করবেন স্বশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত গৃহবধূ-কাম-নেত্রীর দল।

Comments

খালেদার ইফতার পার্টিতে যাননি আ. লীগ নেতারা

ঢাকা, অগাস্ট ১৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার ইফতার পার্টিতে যোগ দেননি ক্ষমতাসীন দলসহ ১৪ দলের নেতারা।

তবে এইচ এম এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, মোস্তফা জামাল হায়দার ও সাংসদ সালমা ইসলাম এতে যোগ দেন।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি চেয়ারপারসন এই ইফতার পার্টির আয়োজন করেন। তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে ইফতার করেন।

ইফতারের আগে বিরোধী দলীয় নেতা রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে দোয়া মাহফিলে মোনাজাত শেষে ইফতার করেন সবাই।

সোমবার গণভবনে রাজনীতিবিদদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ইফতার পার্টিতে খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনিসহ দলের কেউ তাতে যোগ দেননি।

এ ইফতার পার্টিতে যোগ দিতে গত ৯ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠান খালেদা জিয়া। তার একান্ত সচিব সালেহ আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ সেলিমা হোসেনের কাছে খালেদার ওই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।

খালেদার ইফতার পার্টিতে অন্যান্যের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আবদুর রাজ্জাক ও নির্বাহী পরিষদের সদস্য মাওলানা আবদুস সোবহান, খেলাফত মজলিশের চেয়ারম্যান মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধানসহ চার দলীয় জোটের নেতারা যোগ দেন।

এছাড়া জাসদের আ স ম আবদুর রব ও কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইবরাহিম উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, দলীয় সাংসদ ও কেন্দ্রীয় নেতারা ইফতার পার্টিতে অংশ নেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/এইচএ/২০০০ ঘ.

শার্শায় ওসিকে পেটালেন সরকারি দলের এমপি ‘আজ জানে মারলাম না’

অনুমতি না নিয়ে হত্যা মামলা নেয়ায় থানার ওসিকে ডেকে নিয়ে পিটিয়েছেন যশোরের শার্শা উপজেলার সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন। ঘটনার এখানেই শেষ না, সংসদ সদস্যের সামনে তার এক ক্যাডার ওসিকে জামার কলার ধরে বেধড়ক পেটান। রুমের মেঝেতে ফেলে দিয়ে ওসিকে কিল-ঘুষি, লাথি, থাপ্পড় মারতে থাকে এমপি’র পালিত ক্যাডাররা। ওসি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তার পিছু নেয় তারা। এ সময় এমপি বলতে থাকেন ‘আজ জানে মারলাম না, সামনে আমার কথামতো কাজ না করলে মেরেই ফেলব’। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওসিকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতেও নির্দেশ দিয়েছেন শেখ আফিল উদ্দিন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রোববার বিকেলে শার্শায় এমপি’র চেম্বারে। শার্শা থানার ওসি মো: এনামুল হক বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন।
জানা গেছে, শনিবার রাতে শার্শার লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের পারুইঘুপি গ্রামের বিএনপি কর্মী আবদুল হামিদ খুন হন। এ ব্যাপারে থানায় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে আসামি করে মামলা হয়। পুলিশ ওই মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করে। গতকাল বিকেলে এমপি আফিল উদ্দিনের পিএ আসাদ শার্শা থানার ওসি এনামুল হককে ডেকে নিয়ে যান। সাথে নিয়ে যেতে বলেন মামলার এজাহার। তিনি শার্শা বাজারের অদূরে আফিল উদ্দিনের জুট মিলে পৌঁছলে এমপি ওই এজাহারের কপি দেখে ওসিকে থাপ্পড় মারেন। এ সময় সেখানে উপস্খিত তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মুছা মাহমুদ ওসি এনামুল হকের জামার কলার ধরে কিল-ঘুষি, লাথি, থাপ্প্ড় মারতে থাকেন।
এ ব্যাপারে ওসি এনামুল হক জানান, বাসা থেকে ডেকে এনে এমপি আফিল উদ্দিন তার কক্ষে ফেলে আমাকে প্রথমে দু-তিনটি থাপ্পড় মারেন। আর এমপি’র ক্যাডার ঝিকরগাছার মুছা মাহমুদ আমার ইউনিফর্মের কলার চেপে ধরে তলপেটে দু-তিনটি লাথি মারে। এ সময় আমি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে মুছা লাথি মারতে মারতে ঘরের বাইরে নিয়ে আসে। তখন এমপি বলেন, ‘এই শুয়ারের বাচ্চাকে ঘরের মধ্যে নিয়ে আয়। তখন মুছা মাহমুদ আমাকে পুনরায় লাথি মারতে মারতে ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। তখন এমপি চেয়ার থেকে উঠে আমার গালে আরো তিন-চারটি থাপ্পড় মারেন। তিনি বলেন, শুয়ারের বাচ্চা আজই তোরে খুন করে ফেলতাম। কিন্তু করলাম না। কাল সকালের মধ্যে যশোর ছাড়বি, নইলে তোরে খুন করে লাশ পুঁতে ফেলব। ওসি বলেন, আমার ওপর এই হামলার ঘটনায় উপস্খিত সবাই হতভম্ব হয়ে যায়। আমার সাথে সেখানে উপস্খিত এসআই আসাদ এ সময় এমপিকে লক্ষ্য করে বলেন, স্যারের ওপর এই ধরনের নির্যাতন করছেন কেন? তখন মুছা মাহমুদ তাকেও মারতে উদ্যত হয়। এ সময় অবস্খা বেগতিক দেখে এসআই আসাদ আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে থানায় আসেন। ওসি আরো বলেন, এমপি সাহেব মারধরের সময় বলতে থাকেন, ‘জনগণ তোর বাপরে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছে না? তার অনুমতি ছাড়া আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছিস কেন? তোর এত বড় সাহস কে দিয়েছে।’ সাংবাদিকদের সামনে কাঁদতে কাঁদতে ওসি বলেন, এর আগেও শার্শায় দু’টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রকৃত আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও দিয়েছে। আদালতে চার্জশিটও দাখিল করা হয়েছে। এই চার্জশিটে আওয়ামী লীগের কারো কারো নাম ঢুকেছে বলে অভিযোগ এমপি’র। ওসি বলেন, এর পর থেকেই তার ওপর চটে আছেন শেখ আফিল উদ্দিন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ সুপার দিদার আহমেদকে জানিয়েছেন। রাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় যশোরের একজন সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাস্খলে পৌঁছেছেন। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি নথিভুক্ত হয়েছে।
এ ব্যাপারে এসআই আসাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যা শুনেছেন সবই সত্য। সরকারি দলের এমপি’র হাতে যদি এভাবে মারধরের শিকার হতে হয় তাহলে কিভাবে চাকরি করব তাই ভাবছি। পুলিশ সুপার দিদার আহমেদ বলেন, ওসি এনামুল হকের কাছে শুনেছি এমপি মহোদয় তাকে ডেকে ওই বিষয়ে জিজ্ঞাসার সময় বকাঝকা করেছেন। তবে মারধর করেছেন বলে তার কাছে কোনো খবর নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের আইজি নূর মোহাম্মদ জানান, ওসিকে এমপি’র পেটানোর খবর তিনি জানতে পেরেছেন। এ ব্যাপারে ব্যবস্খা নেয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, যত ক্ষমতাধর ব্যক্তি হোক না কেন, পোশাকধারী পুলিশের গায়ে এমপি হাত তুলতে পারেন না। সরকারি কর্মচারীকে মারধর করার অভিযোগে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্খা নেয়া হবে। যশোরের পুলিশ সুপার দিদার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শার্শা থানার ওসিকে একটি সাধারণ ডায়েরি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্খা নেয়া হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ওসিকে পেটানোর অভিযোগ ঠিক নয়। তবে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার জন্য বিকেলে ওসিকে চেম্বারে ডেকেছিলেন তিনি। এমপি বলেন, এটি অপপ্রচার। তিনি বলেন, গত শনিবার রাতে বিএনপি’র এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। তার নামে বহু মামলা রয়েছে। কিন্তু ওসি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাসহ একাধিক নিরীহ কর্মীর নামে মামলা রেকর্ড করেছেন। এলাকার আওয়ামী লীগের নেতারা এসে তাকে বিষয়টি জানালে তিনি ওসিকে ডেকে এর কারণ কী জানতে চান। এর বেশি কিছু সেখানে ঘটেনি।
http://www.dailynayadiganta.com/fullnews.asp?News_ID=all&sec=1

রংপুর মেডিকেলে শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বিএমএ দুগ্র“পের হাতাহাতি

শোক দিবসের অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিএমএ দুগ্র“পের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে হাসপাতাল ও কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিএমএ রংপুর জেলা শাখার ডা. দেলোয়ার হোসেন ও ডা. অনিমেশ গ্র“পের কমিটির সব ধরনের কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু সেই আদেশ উপেক্ষা করে গতকাল রোববার ডা. আনিসুল করিম, ডা. চন্দন ও ডা. পিন্টু বিএমএ রংপুর মেডিকেল কলেজ শাখার ব্যানার নিয়ে কলেজ শহীদ মিনারে পুষ্প্যমাল্য অর্পণ করতে গেলে বিএমএ অপর গ্র“পের নেতাকর্মী এবং সাধারণ ডাক্তাররা বাধা দেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ব্যাপারে বিএমএ এক গ্র“পের নেতা ডা. মির্জা নজরুল ইসলাম জানান, ৬ মাসের জন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ওই গ্র“পের নেতাকর্মীরা ফুল দিতে গেলে সাধারণ ডাক্তাররা বাধা দেন।

বিএমএ অপর গ্র“পের নেতা ডা. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এখনো পাইনি।
http://www.bhorerkagoj.net/content/2010/08/16/news0264.php

শার্শায় ওসিকে পিটিয়ে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন এমপি

০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট

অনুমতি না নিয়ে হত্যা মামলা নেয়ার অপরাধে ওসিকে ডেকে নিয়ে থাপ্পড় মারলেন যশোরের শার্শার সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন। এখানেই শেষ না, সংসদ সদস্যের সামনে তার এক ক্যাডার ওসিকে জামার কলার ধরে বেধড়ক পিটিয়েছে। ওসি দৌড়ে পালানোর সময় তার পিছু নেয় ক্যাডাররা। এ সময় এমপি বলতে থাকেন; আজ জানে মারলাম না, সামনে আমার কথামত কাজ না করলে মেরেই ফেলব। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওসিকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতেও নির্দেশ দিয়েছেন শেখ আফিল উদ্দিন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রবিবার বিকালে শার্শায় এমপির চেম্বারে। শার্শা থানার ওসি মো. এনামুল হক বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন।

পুলিশের মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ ইত্তেফাককে এ প্রসঙ্গে বলেন, ওসিকে এমপির পেটানোর খবর তিনি জানতে পেরেছেন। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, যত ক্ষমতাধর ব্যক্তি হোক না কেন, পোশাকধারী পুলিশের গায়ে হাত তুলতে পারেন না। সরকারি কর্মচারীকে মারধর করার অভিযোগে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যশোরের পুলিশ সুপার দিদার আহমেদ বলেন, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শার্শা থানার ওসিকে একটি সাধারণ ডায়েরী করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন ইত্তেফাককে বলেন, ওসিকে পেটানোর অভিযোগ ঠিক নয়। তবে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার জন্য বিকালে ওসিকে চেম্বারে ডেকেছিলেন বলে তিনি স্বীকার করেন। এমপি এ ঘটনাকে ‘অপপ্রচার’ বলে মন্তব্য করেন।

ভুক্তভোগী শার্শা থানার ওসি এনামুল হক বলেন, শনিবার রাতে শার্শায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা হামিদ (৪০) নামে এক বিএনপি কর্মীকে পায়ের রগ কেটে খুন করে। এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই খালেক বাদি হয়ে ১৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্ত জহির মোল্লা নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এমপি শেখ আফিল উদ্দিন তাকে চেম্বারে ডেকে পাঠান। ওসি বলেন, তিনি এমপির চেম্বারে ঢোকার সময় থানার অপারেশন অফিসার বাইরে ছিলেন। এমপির কক্ষে প্রবেশ করা মাত্রই তিনি উঠে এসে তাকে থাপ্পড় দেন এবং বলেন, ‘জনগণ তোর বাপরে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছে না? তার অনুমতি ছাড়া আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছিস কেন? তোকে এত বড় সাহস কে দিয়েছে?’ এরপর সেখানে উপস্থিত থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মুসা তার জামার কলার ধরে পেটাতে থাকে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ সময় এমপি ২৪ ঘন্টার মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য তাকে নির্দেশ দেন। সন্ত্রাসী মুসার হাত থেকে পালিয়ে দৌড় দিলেও সন্ত্রাসীরা তার পিছু নেয় বলে ওসি জানান। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন ওসি।

ওসি এনামুল হক আরো বলেন, এর আগেও শার্শায় দুইটি হত্যাকান্ড ঘটেছে। এই দুইটি ঘটনায় প্রকৃত আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। আদালতে চার্জশিটও দাখিল করা হয়েছে। এই চার্জশিটে আওয়ামী লীগের কারো কারো নাম ঢুকেছে বলে অভিযোগ এমপির। এরপর থেকেই তার ওপর চটে আছেন শেখ আফিল উদ্দিন।

রাবিতে ছাত্রলীগ কর্মীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়েছে অপর গ্রুপ

০০ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংবাদদাতা

ইফতারের টোকেন নেয়াকে কেন্দ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ্ মখদুম (এসএম) হলে ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা গতকাল রবিবার দুপুরে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের এক কর্মীকে দোতলা থেকে নিচে ফেলে দিয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাসরুল্লাহ্ নাসিম নামের ওই কর্মীকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র, বাড়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুই কর্মীকে আটক করেছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী এসএম হলের ছাত্ররা জানান, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে হলগুলোতে বিশেষ ইফতারির আয়োজন করা হয়। বেলা ১২টার দিকে সভাপতির সমর্থক সমাজকর্ম বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র জাহিদ হল কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েকটি টোকেন বেশি দাবি করে। বিরোধিতা করে সাধারণ সম্পাদকের সমর্থক নাসিমসহ কয়েকজন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দোতলায় গিয়ে জাহিদ, মশিউর জহিরুল, রুহুল আমিন, তৌফিকসহ ৮/১০ কর্মী নাসিমকে হাতুড়ি দিয়ে মারধর করে দোতলা থেকে নিচে ফেলে দেয়। নাসিম বুক, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত পায়। পরে সাধারণ ছাত্ররা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানান।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নাসিমের সঙ্গে থাকা তাঁর বন্ধু জসীম উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন জানান, নাসিমের নাক-মুখ দিয়ে অনবরত রক্ত বের হচ্ছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। রবিবার বিকেল পর্যন্ত তাঁর জ্ঞান ফিরেনি। তাঁরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ এসএম হলে তল্ল­াশী করে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে একই হলের ছাত্র ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মাস্টার্সের সাইদ ও চতুর্থ বর্ষের রুহুল আমিনকে আটক করেছে।

স্থগিত কমিটির সভাপতি আউয়াল কবির জয় দাবি করেন, যারা নাসিমকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়েছে তারা ছাত্রলীগের কেউ নয়। তিনি এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এসএম হলের প্রাধ্যক্ষ দুলাল চন্দ রায় ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. জাকারিয়া বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতিহার থানার ওসি আবুল খায়ের বলেন, ক্যাম্পাসের হল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। তবে এনিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলিতে এক কর্মী গুলিবিদ্ধসহ ১০ কর্মী আহত হয়। ওই ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুইটি মামলা হয়। কেন্দ ীয় ছাত্রলীগ ওই দিনই রাবি ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিত করে। পুলিশ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদককে গ্রেপ্তার করে। সে বর্তমানে কারাগারে আছে ও সভাপতি পলাতক আছেন।

 ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকায় শেখ হাসিনা অসন্তুষ্ট’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি শেখ হাসিনার তীব্র অসন্তোষ রয়েছে। কারণ তিনি মনে করেন, তাঁর বাবার হত্যাকাণ্ডে হয় যুক্তরাষ্ট্রের হাত ছিল, নচেৎ তারা আগেভাগেই জানত। কিন্তু তারা ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ মন্তব্য করেছেন স্টিফেন আইজেনব্রাউন। তিনি পঁচাত্তরের আগস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে কর্মরত বাংলাদেশ ডেস্ক কর্মকর্তা ও পরে দুবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে পলিটিক্যাল অফিসার (’৭৬-৭৮) ও পলিটিক্যাল কাউন্সেলর (’৯৬-৯৮) ছিলেন। বর্তমানে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্ষিক মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রণয়নসংক্রান্ত কার্যক্রমের প্রধান সম্পাদক...

সূত্র: প্রথম আলো
তারিখ: ১৬-০৮-২০১০

সূত্র

শোক দিবসে ছুটি না পেয়ে ভাংচুর, সড়ক অবরোধ

গাজীপুর, অগাস্ট ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- জাতীয় শোক দিবসে রোববার কারখানা বন্ধ না রাখায় গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মুলাইদ গ্রামের এমসি বাজার এলাকার হাসিম সোয়েটার কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও ভাংচুর করেছে।

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা সকাল ৮ টার দিকে কারখানা সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বেশ কিছু গাড়ি ভাংচুর করে। এর ফলে ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।

পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শ্রীপুর থানার ওসি নাজমুল হক ভুঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, জাতীয় শোক দিবসে ছুটি না দেওয়ায় শ্রমিকরা সকাল ৮টার দিকে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে কারখানার জানালার কাঁচ এবং কারখানা সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বেশ কয়টি গাড়ির কাঁচ ভাংচুর করে। পরে কর্র্তৃপক্ষ কারখানা ছুটি ঘোষণা করলে শ্রমিকরা চলে যায়।

ওদিকে জুলাই মাসের বেতনের দাবিতে টঙ্গী বাজার সংলগ্ন ডায়না কম্পোজিট কারখানার শ্রমিকরা সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি শুরু করে।

টঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুরুল হক জানান, জুলাই মাসের বেতন গত মঙ্গলবার দেওয়ার কথা থাকলেও মালিক পক্ষ তা রোববারও না দেওয়ায় শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করে ও বিক্ষোভ করতে থাকে।

পুলিশের সহায়তায় কারখানা কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে শ্রমিক প্রতিনিধিদের বৈঠকে দুপুর পৌনে একটার দিকে সমঝোতা হওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে এবং শ্রমিকরা কাজে যোগ দেয়।

সমঝোতা অনুযায়ী কারখানা কর্তৃপক্ষ রোববারই দুলাখ টাকা বেতন বাবদ পরিশোধ করবে। বাকী টাকা আগামী ২৫ আগস্ট পরিশোধ করবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/আরএ/কেএমএস/১৩৪২ ঘ.
http://ittefaq.com.bd/content/2010/08/16/news0919.htm
http://ittefaq.com.bd/content/2010/08/16/news0908.htm
http://ittefaq.com.bd/content/2010/08/16/news0909.htm
http://ittefaq.com.bd/content/2010/08/16/news0905.htm

বিদ্যুতের এক শ্রেণীর কর্মচারীরা সেহরি ও ইফতারের সময় লোডশেডিং করছ

শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া অভিযোগ করে বলেছেন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এক শ্রেণীর কর্মচারীরা ইফতার ও সেহরির সময় অন্তর্ঘাতমূলক লোডশেডিং করছে। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে বলেও তিনি জানান। গত ক’দিন আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গণমিছিলে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ওয়াসা থেকেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক অংশ নিয়েছিল। তারাই জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলার লক্ষ্যে এ ষড়যন্ত্র করছে।

সামারাই কনভেনশন সেন্টারে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক ঈদ উৎসব ও মিনা বাজারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গতকাল তিনি এ কথা বলেন। মাদার তেরেসা সংগঠনের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন অব. মকসুদুর রহমানের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিদেশিরা বাংলাদেশে তাদের পণ্যের পশরা নিয়ে আসতে শুরু করেছে। এটি সরকারের বড় সফলতা। মন্ত্রী বলেন, একটি টিউবওয়েলে চাপ দিলে যেভাবে পানি বের হয়, সেভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন করতে সময় লাগবে। তিনি আরো বলেন, সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তের কারণে রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রয়েছে।

মেলায় ভারত, পাকিস্তান, চায়না, থাইল্যান্ড, ইরান, ভুটানসহ বাংলাদেশ ৭২টি স্টল রয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।

Give me a break!!!!

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla