Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

পদ্মা সেতুর ৪%, সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার কত?

 Padma Bridge Corruption by Awami League
কথিত রাজনৈতিক হট্টগোলের আশংকায় প্রাক্তন মন্ত্রী আবুল হোসেনকে আসামী করছেনা দুর্নীতি দমন কমিশন। দু একজন রাঘব বোয়ালকে সাময়িক মেহমান বানানো সম্ভব হলেও ষড়যন্ত্রের মূল হোতা মিঃ ৪% কে ধরা যাচ্ছেনা। কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে এই মহান দেশপ্রেমিককে গ্রেফতার করা হলে গোটা বাংলাদেশ অচল হয়ে যাবে, শুরু হবে রাজনৈতিক হট্টগোল। একদল চোরের সর্দারকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছেনা বিদেশিদের প্রশ্নের উত্তরে অনেক কারণের পাশাপাশি এমন একটা কারণও উল্লেখ করেছে দুদক। কারণটা গেলানো যায়নি প্রশ্নকর্তাদের। সচিব মোশারফ হোসেন ভূইয়াকে গ্রেফতার ও সাময়িক বরখাস্তের মাধ্যমে দুদক তার নখের ধার প্রমাণ করতে চাইলেও ভেতরের কাহিনী নাকি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সচিবকে খাঁচায় ভরা হয়েছে অন্য কারণে। সরকারের উঁচু মহল সন্দেহ করছে সময় মত এই হাই-প্রোফাইল আমলাকে আটকানো না হলে মুখ হতে বেফাস কথা বেরিয়ে আসতে পারে। এ বিবেচনায় মন্ত্রী আবুল & আবুল ও প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় নিক্সন চৌধুরী অনেকটাই নিশ্চিত। অন্তত এ সরকারের আমলে ধরা হচ্ছেনা তাদের। কথায় বলে কান টানলে মাথা চলে আসে। এই তিন চোরার কান ধরে টানলে যাদের মাথা আসবে তাদের চেহারা জাতিকে থমকে দিতে পারে। এবং এখানেই জন্ম নেবে হট্টগোল। দুদকের বুক ফেটে গেলেও মুখ ফাটেনি, তাই তারা বলতে পারেনি ঘটনার আসল কাহিনী। বাস্তবেই দেশে হট্টগোল শুরু হবে। তবে তাতে দেশের সাধারণ মানুষ জড়িয়ে পরবে এমনটা ভাবার কারণ নেই। যারা জড়াবে তাদের আমরা সবাই চিনি। ছাত্রলীগ নামের এই ন্যাশনাল ডিসগ্রেস নিজেদের চামড়া বাঁচানোর জন্যেই মাঠে নামতে হবে। কারণটা মুখ খুলে বলতে পারছেনা দুদক। পদ্মাসেতু সমীকরণের ফলাফল কি হবে তা কিছুটা হলেও আঁচ করতে পারছি আমরা। বলাই বাহুল্য অর্থ ছাড় করতে যাচ্ছেন বিশ্বব্যাংক। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে পশ্চিম গোলার্ধের বাকি অর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলোকে প্রভাবিত করতে যাচ্ছে তারা।

কালকিনির আবুল হোসেনের চেহারা চরিত্রে এমন কি যাদু আছে যা দিয়ে শেখ হাসিনার মত আয়রন লেডিকে পর্যন্ত বশ করা গেছে? মন্দ জনের কথায় কান দিলে অনেক বাজে কথা বিশ্বাস করতে হবে। এই যেমন আবুলের মালিকানা প্রসঙ্গ। বলা হয় আবুল হোসেনকে মন্ত্রী বানানো হয়েছে ক্ষমতা নিয়ে দুই বোনের লড়াইয়ের মধ্যস্থতা হিসাবে। এই মন্ত্রীর আসল মালিক দেশের মালিকানা ইন লাইনের সেকেন্ড ইন কমান্ড শেখ রেহানা। আমার মত রাজনীতির প্রতি বীতশ্রদ্ধ অনেক ম্যাঙ্গো বলছে আবুল বড় অংকে ক্রয় করেছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। আশা ছিল পদ্মা সেতুর মাধ্যমে লাভ সহ উঠিয়ে আনবেন রাজনৈতিক বিনিয়োগ। তার উপর মেট্রোরেল সহ আরও অনেক লাভ ঝুলছিল পাইপ লাইনে। ব্যাপারটা ছিল অনেকটা এ-রকম, আমি খাব, ওরা খাবে এবং তা হবে মিলেমিশে। বাংলায় একটা কথা আছে চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা, যদি না পর ধরা। আবুল হোসেনের মত কাতল মাছ প্রকল্পের শুরুতেই ধরা পরবে এমনটা বোধহয় স্বপ্নেও কেউ কল্পনা করেনি।

ক্ষমতার চার বছর চলে গেছে অথচ সরকারী খাজাঞ্জিখানায় বড় ধরণের দাও মারা যায়নি এখন পর্যন্ত। পশ্চিম গোলার্ধের ডক্টর মোহম্মদ ইউনূসের বন্ধুদের পকেট মারার দুয়ার বলতে গেলে বন্ধ হয়ে গেছে হাই প্রোফাইল চোরদের জন্য। এখানেই সামনে আসছে রাশিয়া প্রসঙ্গ। কথায় বলে ভ্রমরে ভ্রমর চেনে। চরিত্রহীন রুশদের বিজাতীয় চরিত্রহীনতার কাহিনী বলতে গেলে হাজার রজনীর আরব্য উপন্যাস লেখা যাবে। ১২ বছর খুব কাছ হতে জানার সূযোগ হয়েছিল এ জাতিকে। উঁচু লেভেলে বড় ধরনের দাও মারার উত্তম স্থান আজকের রাশিয়া। স্বার্থের জন্য ওরা একে অপরকে বিক্রি করতে নূণ্যতম কুণ্ঠাবোধ করেনা। সাড়ে আট কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনার যৌক্তিকতা কি তার সামান্যতম ধারণা দেওয়া হয়নি জাতিকে। অনেকটা গোপনে ছেলে মেয়ে, বোন, বোনের দুই সন্তানকে নিয়ে সরকার প্রধান মস্কো হাজির। ক্রেমলিনের দেয়া অর্থে চড়া সুদে তাদেরই অস্ত্র কেনার অভিনব চুক্তি করে এসেছেন। বলছেন বিশ্বজয় হয়ে গেছে। আজকের দুনিয়ায় রাশিয়া আমাদের মতই তৃতীয় বিশ্বের একটা দেশ। তাদের অস্ত্র পানিপথের মত যুদ্ধের জন্যও কেউ ব্যবহার করেনা। সিরিয়ার শাসকদের মত কসাইরা হচ্ছে রুশ অস্ত্রের আসল ক্রেতা। সেই রাশিয়া হতে চড়া সুদে আমাদের মত দরিদ্র দেশের জন্য সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার অস্ত্র কেনার আসল রহস্য নিশ্চয় বিশ্বব্যাংক। রাশিয়া দুর্নীতির এমন একটা সেইফ হেভেন যেখানে বিশ্ব ব্যাংকের লম্বা হাত প্রসারিত হবেনা। চাইলেই তারা আবুলদের বলির পাঠা বানাতে পারবেনা।

পশ্চিমাদের সাথে রুশদের বৈরিতা কেবল আদর্শিক নয়, বরং বাজার ভিত্তিকও। দেশের মানব সম্পদ রফতানি ও পোষাক শিল্পের অনেকটাই নির্ভরশীল আমেরিকা ও পশ্চিম ইউরোপের উপর। তাদের পাশ কাটিয়ে রুশদের সাথে বিতর্কিত অস্ত্রচুক্তি এসব দেশের সাথে দ্বিপক্ষিয় সম্পর্কে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে বাধ্য। সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার অস্ত্রচুক্তির মিঃ ৪%কে চিনতে আমাদের বোধহয় কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। আসুন ধৈর্য্য ধরে দেখতে থাকি এ ধ্বংসাত্মক খেলা। এ ছাড়া আর কি-বা করার আছে আমার মত ম্যাঙ্গোদের।

Comments

নির্যাতিতা কাশফিয়াকে সোমবার হাইকোর্টে হাজির করার নির্দেশ

গাজীপুরের কাপাসিয়ার সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠ ও এপিএস পরিচয়দানকারী সাইফুল হাকিম মোল্লা ওরফে কাজল মোল্লার নির্যাতনের শিকার গৃহপরিচারিকা ‘কাশফিয়া’কে (ছদ্মনাম) সোমবার সকালে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পুলিশের মহাপরিদর্শক, গাজীপুরের ডিসি, এসপি ও কাপাসিয়ার ওসিকে এ নির্দেশনা পালন করতে হবে। আদালতের এ আদেশ সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মোখলেছুর রহমানকে বলেছেন হাইকোর্ট।

রোববার মহিলা আইনজীবী সমিতির করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ ও অ্যাডভোকেট সালমা আলী। সালমা আলীর পক্ষে অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মোখলেছুর রহমান। শুনানিতে আদালত আবেদনকারীদের কাছে জানতে চেয়েছেন, মেয়েটি এখন কোথায় আছে? জবাবে সালমা আলী বলেন, ‘মেয়েটা কোথায় আছে সে ঘটনা জানতে আমরা কাপাসিয়ায় গিয়েছিলাম। স্থানীয় সাংবাদিক ও প্রশাসনের কাছে কোন তথ্য পাইনি। এক পর্যায়ে থানায় গিয়েছি জিডি করার জন্য। আমাদের পক্ষ থেকে অ্যাডভোকেট সোহেল রানা আকন্দ থানায় যান। থানায় বসে জিডিটি লেখা হয়। থানার ওসি ও সেকেন্ড অফিসার জিডি তালিকাভুক্ত না করে টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে আধা ঘণ্টা বসিয়ে রাখেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি শহীদুল ইসলাম থানায় হাজির হন এবং অ্যাডভোকেট সোহেলকে ধমক দেন। শহীদুল ইসলাম সোহেলকে হুমকি দিয়ে বলেন, কার অনুমতি নিয়ে জিডি করতে আসেন। এরপর অবস্থা বেগতিক দেখে ভয়ে ফিরে আসেন সোহেল রানা।’ তিনি বলেন, ‘মেয়েটিকে আমরা খুঁজে পাইনি। তবে শনিবার রাতে চ্যানেলটুয়েন্টিফোর টিভি সংবাদ দিয়েছে, মেয়েটিকে অভিযুক্তরা একটি মোটরসাইকেলে করে বাসায় পৌঁছে দিয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ এবং চিকিৎসার প্রয়োজন।’ এরপর আদালত তাকে হাজির করার নির্দেশ দেন এবং রুল জারি করেন।
এ ঘটনায় দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গাজীপুর জেলা দুস্থ নারী কল্যাণ সমিতি ও গাজীপুর জেলা আইন সহায়তা কেন্দে র উদ্যোগে গাজীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে একটি মানববন্ধন করেছে। রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুর জেলা প্রশাসক মোঃ নুরুল ইসলাম ও গাজীপুরের পুলিশ সুপার আবদুল বাতেন নির্যাতিত কিশোরীর বাড়িতে যান। কিশোরীকে রাতেই থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। গতকাল দিনভর মহিলা যুবলীগ নেত্রী কানিজ ফাতেমা রুহিতা একটু পরপর কিশোরীটিকে নানা ধরনের হুমকি দিয়েছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।

গতকাল দুপুরে সরেজমিন কাপাসিয়া ইউনিয়নের বড়টেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নির্যাতিত ও ধর্ষিত কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ভিড় করে আছে। বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, টেকের ঢালের মাঝে একটুখানি জমিতে জরাজীর্ণ একটি মাত্র ঝুপড়ি বসতঘর ও খুপরি রান্নাঘর রয়েছে। অতিশয় দরিদ্র একটি পরিবার। পরিবারে কিশোরীর পিতা নুরুল ইসলাম, মা ও ছোট এক ভাই রয়েছে। অপর বড় দুই বোনের বিয়ে হয়েছে অনেক আগেই। গত ৪-৫ দিন ধরে পরিবারে কোন রান্না হয়নি। অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে পরিবারটি। দরিদ্র পিতা অন্যের মাটিকাটা কাজ করেন। মা পার্শ্ববর্তী বাড়িঘরে কাজ করেন। ছোট ভাই একটি ভাঙা রিকশা চালিয়ে আয় রোজগার করে। এ সময় এ প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সংবাদকর্মী ও কাপাসিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার উপপুলিশ পরিদর্শকের উপস্থিতিতে ধর্ষিত কিশোরী অনেকটা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে এবং প্রথমে কিছুই বলতে রাজি হয়নি। পরে তাকে অভয় দিলে সাংবাদিক ও পুলিশের কাছে তার নির্যাতনের ঘটনা বর্ণনা করেন।

ধর্ষিত কিশোরী বলেন, প্রায় দুই মাস আগে কাজল মোল্লার ঢাকার উত্তরা বাসায় একই গ্রামের যুবলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদের মাধ্যমে গৃহপরিচারিকা হিসেবে যায়। কাজে যোগদানের পর থেকেই তার ওপর বিভিন্ন সময় কাজল মোল্লা ও তার স্ত্রী রেখা বিভিন্ন অজুহাতে শারীরিক নির্যাতন করত। গত কোরবানির ঈদের সময় বাসার অন্য কাজের মেয়ে তানিয়া পিঠা খেতে আবদার করলে সে রাতে গোপনে তাকে পিঠা দেয়। তা জানতে পেয়ে গৃহকর্ত্রী রেখা পরদিন সকালে নির্যাতিত কিশোরীর দুই হাত গরম তেলে চুবিয়ে ঝলসে দেয় এবং দুই পায়ে মরিচ বাটার পুতা দিয়ে থেঁতলে দেয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন করে। এরই মধ্যে শনিবার সকালে গৃহকর্ত্রী সন্তানদের নিয়ে স্কুলে গেলে বাসায় একা পেয়ে গৃহকর্তা কাজল মোল্লা কিশোরীকে জোর করে বিছানায় নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর থেকেই সে মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তাকে কাজল মোল্লা ড্রাইভার দিয়ে কাপাসিয়ার বড়টেক গ্রামের এক ঝোপে ফেলে চলে যায়। পরে তার গোংগানি শুনে প্রতিবেশী এক চাচী বাড়ি পৌঁছে দেন। পরের দিন তাকে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেল ডাক্তাররা প্রথমে ভর্তি করলেও পরে কাজল মোল্লার নির্দেশে যুবলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ দলবল নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়। পরে প্রায় ১৫ দিন যাবৎ কিশোরীটি বিনা চিকিৎসায় তার বাড়িতে ধুঁকছে। এ শিরোনামে বৃহস্পতিবার একটি জাতীয় দৈনিকে ঘটনাটি প্রকাশিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে ওইদিন বিকালে কাজল মোল্লা উপজেলা মহিলা যুবলীগ আহ্বায়ক ও ইউপি সদস্য কানিজ ফাতেমা রুহিতা কিশোরীটিকে বাড়ি থেকে তুলে এনে কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাকে দিয়ে ঘটনাটি মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। পরে কিশোরীটিকে আর তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়নি। প্রশাসনের চাপে শনিবার দুপুরে ওই মেম্বার কানিজ ফাতেমা রুহিতা নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে কিশোরীটিকে বাড়িতে ফেরত দেয়। কাপাসিয়া থানার ওসি মোঃ দেলওয়ার হোসেন বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ পেয়ে আমরা ওই কিশোরীকে থানায় নিরাপত্তা হেফাজতে নিয়ে আসি।
http://www.jugantor.us/2013/01/21/news0526.htm

কিশোরীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, প্রস্রাব পানে বাধ্য

ডেস্ক রিপোর্ট : ঘটনাটি বর্বরতম, পৈশাচিকতম! রাজধানী ঢাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেই ক্ষ্যান্ত হননি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমির এপিএস কাজল মোল্যা। ওই কিশোরীকে দুই মাস ধরে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব পর্যন্ত পান করতে বাধ্য করেছেন কাজল মোল্যা ও তার স্ত্রী।
মিরপুরের বাসায় কাজল তার গৃহপরিচারিকা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। আর এ ঘটনা কিশোরী কাজলের স্ত্রীকে জানানোর পরেই তার ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতনের খড়্গ।

রোববার চ্যাঞ্চলকর এই খবর প্রকাশ করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ২৪’। টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই কিশোরীকে ধর্ষণ, গরম তেলে হাত-পা ঝলসে দেয়া, শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ থেঁতলে দেয়া ছাড়াও তাকে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব খেতে বাধ্য করা হয়েছে। কিশোরী টিভি চ্যানেলটিকে বলেন, ‘একদিন খুব খারাপ লাগছিল। আমি আন্টির (কাজল মোল্যার স্ত্রী) কাছে পানি চাই। এরপর তিনি প্রস্রাব করে তা এনে আমাকে খেতে বাধ্য করেন।’

এখানেই থেমে থাকেননি কাজল মোল্যা ও তার স্ত্রী। গরম তেল দিয়ে তার হাত ও পা ঝলসে দেয়া হয়। কিশোরী জানান, ‘গরম তেলে হাত ও পায়ে ফোঁসকা পড়ে। কিন্তু চিকিৎসা না করে আমাকে দিয়ে ঘর মোছা থেকে কাপড় ধুইতে বাধ্য করে।’ কিশোরী আরও বলেন, ‘রাতে আমাকে ঘরে শুইতে দিত না। বাথরুমেই রাত কাটাতাম।’

উল্লেখ্য, সিমিন হোসেন রিমি মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের কন্যা। রিমি গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরআগে এই আসনে তার ভাই তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ জয়ী হয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের সাথে মতপার্থক্যের জেরে তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়িও গাজীপুরে। কাপাসিয়া উপজেলার বড়টেক গ্রামের দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান কিশোরীকে গৃহপরিচারিকা করে মিরপুরের বাসায় আনেন রিমির এপিএস কাজল মোল্যা।
এরপর তাকে দিয়ে কাজল লালসা মেটাতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী এ ঘটনা কাজলের স্ত্রীকে জানালে তার ওপর উল্টো আরও নির্যাতনের খড়্গ নেমে আসে। কিশোরী বলেন, ‘স্যার একদিন আমাকে মোটা রডের পাইপ দিয়ে মারতে থাকেন। এ সময় আমি আনটির পা জড়িয়ে ধরে কাকুতি-মিনতি করি। তারা তখন আমার হাত-পা বেঁধে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে এভাবেও তৃপ্তি না পেয়ে ফ্লোরে শুইয়ে পেটাতে থাকেন।’

এভাবে নির্যাতনে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েকদিন আগে রাতের আঁধারে কাপাসিয়ার বড়টেকের জঙ্গলে ফেলে রেখে আসে কাজল মোল্যার অনুগতরা। ঘটনা আড়াল করতে অনুগতদের দিয়ে ওই কিশোরীকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। আর তার বাড়িতেও পাহারা বসান কাজল, যাতে অন্যরা বিষয়টি না জানতে পারে। এরপরও লোকমুখে ঘটনা জানাজানি হলে কাজল মোল্যা ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরীর কাছ থেকে মিথ্যে জবানবন্দি নেন।

এ বিষয়ে কিশোরী টিভি চ্যানেল- কে বলেন, ‘একদিন ওসি আসেন। আমি তাকে বলতে বাধ্য হয়েছি যে, আমার হাতে-পায়ে একজিমা হয়েছে। এটা চিকিৎসায় স্যারেরা আমাকে ক্রিম কিনে দিয়েছেন। চিকিৎসাও করিয়েছেন।’ তিনি আরও জানান, ‘এ সময় কাজল স্যারের লোকেরা আমাকে হুমকি দেন- যদি তুমি এ ঘটনা তোমার মা-বাবাকে জানাও তাহলে তোমাকে গ্রাম ছাড়া করব।’ নির্যাতিতা কিশোরীর পিতা টিভি চ্যানেল- কে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিনি থানায় গেলে পুলিশ কাজল মোল্যার নাম শুনে তাকে কোনো সহায়তা করেননি। উল্টো নানা রকম হয়রানি করেছেন।’ এখন কাজল মোল্যা ও তার অনুগতদের ভয়ে বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বন্দি জীবন-যাপন করছেন বলেও জানান নির্যাতিতার পিতা।
নির্যাতিতা ওই কিশোরী তার ওপর নির্যাতনের ঘটনায় কাজল মোল্যা ও তার পরিবারের সস্যদের বিচার দাবি করেছেন।

স্থানীয় সময় : ২০৪০ ঘণ্টা, ২০ জানুয়ারি, ২০১৩
http://www.amadershomoy2.com/content/2013/01/20/middle0727.htm

রাজনৈতিক হট্টগোলের ভয়ে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হয়নি

পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানের সঙ্গে মামলার এজাহারে পুরোপরি মিল নেই। অনুসন্ধানে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের সংশ্লিষ্টতার কথা জানা গেলেও এজাহারে তা লুকানো হয়। কৌশল করে মন্ত্রীর অংশটুকু বাদ দিয়েই মামলা করেছে দুদক। বিশ্বব্যাংকের নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ দল ৯ জানুয়ারি দুদককে একটি দীর্ঘ চিঠি লিখেছে। সেই চিঠিতে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের বিবরণ দেওয়া আছে। পাশাপাশি তারা দুদকের করা মামলার এজাহারও বিশ্লেষণ করেছে। বিশেষজ্ঞ দলটি এরপর চিঠিতে লিখেছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে পরিষ্কারভাবে বলা যায়, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীসহ চারজন সরকারি কর্মকর্তা দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত এবং চারজনের বিরুদ্ধেই মামলা হওয়া উচিত ছিল। দুদক সূত্রে পাওয়া চিঠিতে মন্ত্রীকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ার দুটি কারণের কথা বলা হয়েছে। এর একটি হচ্ছে দুদক বাংলাদেশের প্রচলিত আইন বিকৃত করে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছে। অন্য কারণ হলো, সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হলে রাজনৈতিক সমস্যা বা হট্টগোল দেখা দেবে। দুদকের এই ব্যাখ্যায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ দল। বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান লুই গ্যাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পোর সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, যে রাজনৈতিক পরিচয়ই হোক না কেন, তাঁকে ছাড় দেওয়া হলে তদন্তকে মোটেই সম্পূর্ণ ও নিরেপেক্ষ বলা যাবে না।

দুদককে তদন্তকাজে সহায়তা দিতে গত ১৩ নভেম্বর বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল কানাডার প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের কর্মকর্তাদের কিছু ই-মেইল বার্তা। এসব বার্তায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী-সংক্রান্ত কথাবার্তা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়নি। সেই বার্তার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে বিশেষজ্ঞ দলের চিঠিতে। এ নিয়ে দুদককে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, পরামর্শক নিয়োগে দরপত্রের আর্থিক মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে চলে আসে এসএনসি-লাভালিন। মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সময় এসএনসি-লাভালিনের পরিচালক ইসমাইল হোসেন কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব করতেন। এসএনসির এই কর্মকর্তার মতে, সচিব ও মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। ২০১১ সালের ১৪ মার্চ এসএনসি-লাভালিন ইন্টারন্যাশনালের ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ জানতে চান, প্রকল্পের কাজ পেলে ‘পিসিসি কস্ট’ কত দিতে হবে। এখানে পিসিসি কস্ট বলতে এসএনসি-লাভালিন বুঝিয়েছে কত ঘুষ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ পরামর্শক গোলাম মোস্তফা ভিন্ন ভিন্ন তিনটি পরিস্থিতিতে দাবি করেছেন, সচিব ভূঁইয়া এসএনসির ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেসের কাছ থেকে ফোন পাবেন বলে প্রত্যাশা করছিলেন। তিনি (পরামর্শক) ওয়ালেসকে এটা বোঝান যে প্রকল্পের কাজ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হলে তাঁর বাংলাদেশে আসা প্রয়োজন। কেননা, সচিব ভূঁইয়ার চেয়েও বড় কেউ একজনের এ ক্ষেত্রে স্বার্থ আছে। ওই পরামর্শক লেখেন, প্রধান কর্তাব্যক্তিটি কানাডার কোনো সাদা মানুষকে দেখতে বা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান।

বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দলের চিঠিতে এরপর লেখা আছে, ২০১১ সালের ২৯ মে কেভিন ওয়ালেস ও রমেশ শাহ বাংলাদেশ সফরে যান। তাঁরা বৈঠক করেন সচিব ভূঁইয়া এবং মন্ত্রী হোসেনের সঙ্গে। বৈঠকের পর তাঁর নোটপ্যাডে ‘পদ্মা পিসিসি’ শিরোনাম দিয়ে তার নিচে লেখেন, ‘৪% মন্ত্রী,...১% সচিব...’। এর কয়েক দিন পর ২০১১ সালের ১৩ জুন বিশ্বব্যাংকে মূল্যায়ন প্রতিবেদন দাখিল করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। এতে এসএনসি-লাভালিনকে কাজ দিতে সুপারিশ করা হয়। এসএনসি-লাভালিন এই যে বিশেষ সুবিধা পেল, তা স্বীকার করল তারা এভাবে, ‘আমাদের কর্মকর্তাদের জীবনবৃত্তান্ত পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন ছাড়াই কাজের চূড়ান্ত সুপারিশ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।’ স্থানীয় ওই পরামর্শক ই-মেইলে কর্মকর্তা ফেরদাউস সম্পর্কে লেখেন, ‘বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ পাঠালেও তাদের তথ্যপ্রমাণ (যাচাই-বাছাই) দরকার হবে...অনুগ্রহ করে এই বিষয়গুলো একটু দেখেন, তা না হলে ফেরদাউস ঝামেলায় পড়বে।’

অথচ এ বিষয়ে এজাহারে বলা হয়েছে, রমেশ শাহর একটি লিখিত ডায়েরি এবং এসএনসি-লাভালিনের বিভিন্ন কম্পিউটার পরীক্ষা করে তাদের ই-মেইল রেকর্ড উদ্ধার করে এবং সেগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, এসএনসি-লাভালিনকে অবৈধভাবে পরামর্শকের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে দরপত্র মূল্যায়নের সময় মূল্যায়ন কমিটির সদস্য কাজী মো. ফেরদাউস ও মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ষড়যন্ত্র করেছেন। ২০১১ সালের মে মাসের শেষার্ধে এবং জুন মাসের শুরুতে আদান-প্রদান করা ই-মেইল থেকে দেখা যায়, ১৯ জুন এসএনসি-লাভালিনের স্থানীয় পরামর্শক মোহাম্মদ মোস্তফা কেভিন ওয়ালেসকে জানান, জীবনবৃত্তান্ত যাচাই করার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ শর্ত পূরণ ছাড়াই সেতু কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সুপারিশ পাঠিয়েছে। এরপর ২৯ জুন রমেশ শাহকে গোলাম মোস্তফা জানান, ‘যদিও সেতু কর্তৃপক্ষ তাদের সুপারিশ প্রেরণ করেছে, তথাপি রেকর্ড সংরক্ষণের স্বার্থে জীবনবৃত্তান্ত তাদের প্রয়োজন...দয়া করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিন, তা না-হলে ফেরদাউস বিপদের সম্মুখীন হবে।’

এজাহার অনুযায়ী, রমেশ শাহের নোটবুকে কাজ পাওয়ার পর পদ্মা পিসিসি (প্রজেক্ট কমার্শিয়াল কস্ট/প্রজেক্ট কমিটমেন্ট কস্ট) হিসাবে দরপত্র মূল্যের বিভিন্ন পার্সেন্টেজ প্রদানের হিসাবে তাদের বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। তবে, আলোচ্য ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনে আবুল হাসান চৌধুরী ও সৈয়দ আবুল হোসেনের ভূমিকা রাখার বিষয়ে অপরাপর সাক্ষীদের সাক্ষ্য বা পরিপূরক সাক্ষ্য অনুসন্ধানকালে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। অপরাধ সংঘটনে আবুল হাসান চৌধুরী ও সৈয়দ আবুল হোসেনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তকালে খতিয়ে দেখা হবে। বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দল এজাহারের এই বক্তব্য গ্রহণ করেনি। চিঠিতে তারা বলেছে, তথ্যপ্রমাণ এবং ঢাকা সফরের অভিজ্ঞতা থেকে প্যানেল মনে করে, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীসহ সরকারের অন্তত চার ব্যক্তির নাম এজাহারে থাকা উচিত ছিল। সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীকে অভিযুক্তদের বাইরে রাখার পক্ষে দুদক যেসব যুক্তি দিয়েছে, তার কিছু কিছু তথ্যপ্রমাণের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আবার তা বাংলাদেশের আইনের বিকৃত ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করেও করা হয়েছে। দুদকের প্রতিনিধিরা স্বীকার করেছেন, মন্ত্রীর কার্যক্রম স্বচ্ছ ছিল না, তাঁর বিরুদ্ধেও সন্দেহের কিছু আছে। কিন্তু তাঁরা এটা বলেছেন যে ‘তদন্ত শুরু করার জন্য শুধু সন্দেহ যথেষ্ট নয়।’ তবে বাংলাদেশি আইন অনুযায়ী, তদন্ত শুরুর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নয়, ‘যুক্তিসংগত সন্দেহ’ যথেষ্ট।

সবশেষে চিঠিতে বলা হয়েছে, দুদক যুক্তি দিয়েছে এজাহারে মন্ত্রী আবুল হোসেনের নাম যোগ করা হলে রাজনৈতিক হট্টগোল সৃষ্টি হবে। দুদকের এই যুক্তিতে বিশেষজ্ঞ দল খুবই মর্মাহত। তারা মনে করে, যেখানে তদন্ত করা উচিত সেখানে তদন্ত শুরু না করার দায় থেকে দুদক মুক্তি পেতে পারে না। সতর্ক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যদি এটা প্রতীয়মান হয় যে যুক্তিসংগত সন্দেহ করার মতো কিছু আছে, তাহলে তিনি যে রাজনৈতিক ব্যক্তিই হোন না কেন বা রাজনৈতিক হট্টগোলের যত সম্ভাবনাই থাকুক না কেন তদন্তে অগ্রসর হওয়া তখন দুদকের উচিত। তা না-হলে তদন্ত সম্পূর্ণ এবং স্বচ্ছ বলে বিবেচিত হবে না।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-16/news/321811

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla