২১শে ফেব্রুয়ারী!
গায়ে গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবী...গলায় লম্বা মাফলারের মত একটা কিছু...। দুপা খালি... হাতে ফুলের তোড়া... মুখে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১শে ফেব্রুয়ারির করুণ সূর...। জানা না থাকলে মনে হবে এ যেন সাক্ষাৎ দেবদূতদের মিছিল!
গায়ে গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবী...গলায় লম্বা মাফলারের মত একটা কিছু...। দুপা খালি... হাতে ফুলের তোড়া... মুখে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১শে ফেব্রুয়ারির করুণ সূর...। জানা না থাকলে মনে হবে এ যেন সাক্ষাৎ দেবদূতদের মিছিল!
বাংলাদেশের রাজনীতি ও তার দুবৃত্তায়ন নিয়ে লেখালেখিতে একসময় এতটাই obsessed ছিলাম শয়নে স্বপনে এদের কচুকাটা করে গায়ে লবণ মরিচ লাগাতে নেশাগ্রস্ত হয়ে থাকতাম। ভাবতাম হয়ত এখান হতেই শুরু হবে কাঙ্ক্ষিত বিদ্রোহ। সে বিদ্রোহ, যার আগুনে পুড়ে কয়লা হবে দেশ এবং তার ছাই হতে জন্ম নেবে নতুন এক আরব বসন্ত...
জুলাই, ২০১৬ সাল। লন্ডন। প্রতিবারের মত সেবারও পর্যটকরা ভীড় জমাচ্ছে টেমস পাড়ের ঐতিহাসিক নগরীতে। চারদিকে মানুষ আর মানুষ। বিরামহীন সে মনুষ্য স্রোতকে আসুন অক্সোফোর্ড স্ট্রীট ও পিকাডেলি সার্কাস গড়িয়ে নিয়ে যাই আপস্কেল এলাকার একটা শুঁড়িখানায়। খদ্দেরদের ভীড় সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে বার কর্তৃপক্ষ। বারের এক কোনায় নিভু নিভু আলোতে দুজন সাদা খদ্দের খুব নীচু গলায় কিছু একটা আলাপ করছে।
সকাল গড়িয়ে দুপুর নামতে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার জন্য কষ্টটা গভীর হতাশায় পরিণত হল। হাজার হলেও এক সময় এই গায়িকার অন্ধভক্ত ছিলাম। মহিলার দাবিটা মগজের কোথায় যেনে গেঁথে গিয়েছিল। তাই চাইলেও সড়াতে পারছিলাম না "...বাংলাদেশকে হিজাব মুক্ত করতে হবে" - এমন একটা দাবি এর আগে কেউ কখনো করেছিল কিনা জানা ছিলনা। তাই অবাক হয়েছিলাম।
বিশ্রী একটা স্বপ্ন দেখে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি সকাল প্রায় ৬টা। ইচ্ছা করেই টেবিল ঘড়ির সময় ৫ মিনিট এগিয়ে রাখি। সকালে কাজে যেতে সুবিধা হয়। মনটা খারাপ করে আলো ফোটার আগেই হাইওয়ে ধরে কাজের উদ্দেশ্যে রওয়ান দিলাম। সত্যি হয় কিনা জানিনা, তবে ভয়টা যে সারাদিন তাড়া করে বেড়িয়েছে তাতে সন্দেই ছিলনা।
খবরে প্রকাশ অল্প সময়ে দেশ হতে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হওয়া ৪৫০ কোটি টাকা উদ্ধারে নেমেছে বর্তমান সরকার। এই উদ্দেশ্যে ঐ দেশের তিনটি ল-ফার্মের সাথে চুক্তি করেছে। আমরা যারা চুরির হাতি-ঘোড়ার সাথে পরিচিত তাদের কাছে ৪৫০ কোটি টাকা গুলিস্তান বাসষ্ট্যান্ডে ভিক্ষুকদের একদিনের ভিক্ষার অংকের সমান মনে হতে...
গোটা ব্যপারটাই হচ্ছে made in Bangladesh তৈলমর্দন উপাখ্যান। যত-বেশি মর্দন ততবেশি জাহাঁপনার সুদৃষ্টি আকর্ষণ, ততবেশি উন্মুক্ত সরকারী খাজাঞ্চিখানার বন্ধ দুয়ার। যে শিশু শেখ মুজিবের ছবি আকলো সে স্বেচ্ছায় ভালবাসার ভরা বর্ষায় সাতার কেটে ছবি এঁকেছিল, একেবারে ডাহা মিথ্যা।
খায়েশ প্রকাশ করতে খুব একটা সময় নেননি প্রায়ত মেয়রের ছেলে। প্রধানমন্ত্রী চাইলে নাভেদুল হক সাহেব রাজধানী-বাসীর সেবা করতে প্রস্তুত, এমনটাই জানিয়েছেন লাশ দাফনপূর্বক সংবাদ সম্মেলনে। চাইলে অনেক প্রশ্নই করা যায়। তবে সদ্য বাবা হারানো সন্তানকে কাঠগড়ায় দাড় করানোর সঠিক সময় এটা নয়।
গিট্টু ফসকে যাওয়ায় থলের বেড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। বর্ণবাদী বিগট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রুশ কানেকশন নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে একদিকে রবার্ট মালার কমিশন, অন্যদিকে হাউস ও সিনেট জুডিশিয়ারি কমিশন। ইতিমধ্যে ট্রাম্পের ক্যম্পেইন ম্যানেজার পোল ম্যানফোর্টকে হাউজ এরেস্ট করা হয়েছে।
বিশ্বজিত হত্যাকাণ্ডের উপর নিম্ন আদালত যেদিন রায় দিল সেদিন যেন বিপ্লব ঘটে গেল গোটা বাংলাদেশে। দালাল মিডিয়া, পোষ্য বুদ্ধিজীবী আর উচ্ছিষ্ট-খোর দলীয় নমশূদ্রের দল চেতনার পটকা ফুটিয়ে দেশবাসী বুঝাতে চাইলো জালিয়াতি ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করলেও দেশের আদালতসমূহ এখন স্বাধীন।