Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

আব্বাহুজুরে নিকট ২৫ তম পত্র

আমার পরম পুজনীয় আব্বাহুজুর
আপনার চরন ধুলা কপালে মাখিয়া সিকি শততম পত্রখানা সুদুর লন্ডন হইতে লিখিতে বসিয়াছি।আমার মনে হইতেছে আপনি হয় আমাকে ভুলিয়া গিয়াছেন নয়তো জান্নাতের টিকেট পাইয়া চরম আনন্দের মাঝে থাকিয়া আমাকে আর লিখিবার সুযোগ পাইতেছেন না।আব্বাহুজুর আপনাকে কি নরকের অগ্নিকুন্ড হইতে ঈশ্বর ট্রান্সফার করিয়া স্বর্গে প্রেরন করিয়াছেন?তাহা হইলে তো আপনার কপাল খুলিয়াছে বলিতে হইবে।তাহা না হইলে তো দুনিয়াতে রাখিয়া যাওয়া পুত্রদ্বয় এবং পরিনীতা বধুকে ভুলিয়া যাইতেন না।আমার মনে হইতেছে আপনি স্বর্গের অপ্সরিদের সাথে রঙ ঢং করিয়া সময় কাটাইতেছেন।আপনার গুফের নীচে শিকারী বিড়ালের যে চিহ্ন রহিয়াছে তাহাতে স্বর্গের অপ্সরীদের ও যে আপনি শান্তিতে থাকিতে দিতেছেন না তাহা আমি আন্দাজ করিতে পারিতেছি।

আব্বাহুজুর আমার দেলোয়ার আঙ্কেল বাংলাদেশ হইতে এই মুহুর্তে একটি ট্রাঙ্কল করিয়াছেন।ইহা অত্যন্ত জরুরী বিধায় আপনার কাছ হইতে ক্ষনিকের জন্য বিদায় নিতেছি।বেয়াদবি মনে না করিয়া পরবর্তী অংশের জন্য অপেক্ষা করিবেন।আমি অতি তাড়াতাড়ি ফিরিয়া আসিতেছি,ততক্ষনের জন্য আল্লাহ হাফেজ।
আই এম ব্যাক আব্বাহুজুর।প্রথমে দেলোয়ার আংকেলের ট্রাংকলের কথা বলিয়া অন্য কথায় যাইতেছি।দেলোয়ার আংকেল আমাকে ট্রাংকলে জানাইয়াছেন খালাম্মাহুজুর নাকি একটা চমৎকার বাজেট দিয়াছেন।এই বাজেট বাস্তবায়ীত হইলে নাকি আওয়ামিলিগের কদর জনগনের কাছে বাড়িয়া যাইবে।তাই এখনই যাহা করার করিতে হইবে।জনগন তো আর বাজেট পড়িয়া দেখে না বা বাজেট বুঝার মত জ্ঞান বুদ্ধি তাহাদের নাই।আমরা কি জনগনকে এই কথা বুঝাইতে পারি না যে এই বাজেট গরীবের জন্য কল্যান মুলক নহে বা ইহাতে জনগনের অনেক ক্ষতি হইয়া যাইতে পারে?তিনি এই কথা ও জানিতে চাহিলেন এই ফাঁকে কোন আন্দোলনের কথা চিন্তা করা যায় কিনা।তাহা ছাড়া অনেক দিন হরতাল এবং ভাংচুর হইতেছে না।এই মুহুর্তে হরতাল বা ভাংচুরের কর্মসুচী দিলে মানুষ হয়তো লুফিয়া নিবে এবং অনেকদিন পর তাহাদের মন একটু চাঙ্গা হইবে।ট্রাংকলের জবাব দিতে গিয়া গত রাতে আপনার চিঠি কমপ্লিট করিতে পারি নাই।

আব্বাহুজুর খালাম্ম হুজুর যে ইতরামী শুরু করিয়া দিয়াছে তাহাতে মনে হইতেছে আমাদেরকে ঘায়েল করার সব প্রক্রিয়া শুরু হইয়া গিয়াছে।মাবুদে এলাহিই বলিতে পারিবেন এই খেলা ৫ বছরে গিয়া কোথায় ঠ্যাকিবে।ততদিনে হয়তো বাংলাদেশের মানুষ আপনার গড়া দলটির নাম ভুলিয়া যাইতে বসিবে।
আপনি হয়তো ১২০০ টিভিতে খালাম্মার কিছু আলামত দেখিতে পাইতেছেন,অবশ্য হুর হুজুরানদের নিয়া অতিশয় ব্যাস্ত থাকিলে অন্য কথা (হি হি হি)।বিডিআর ম্যাসেকারে তিনি আমাদের দলকে জড়াইবার চেষ্টা করিতেছেন।ইহাতে মনে হইতেছে আমাদেরকে দুনিয়া হইতে ভেনিষ করার প্রচেষ্টা চলিতেছে।আমার জাদরেল সাগরেদ পিন্টুকে নিয়া খালাম্মাহুজুর জব্বর খেলা শুরু করিয়াছেন।পিন্টুই নাকি বিডিআরের ঘটনায় একমাত্র মদদ দাতা!কি রকম মিথ্যাবাদী আমার খালাম্মাহুজুর এইবার বুঝুন।ঐ ঘটনায় আমাদের লোক জড়িত ছিল এই কথা জনগনের নিকট বলা হইতেছে অথচ তিনাদের লোকজন যে কতটুকু কি করিয়াছে তাহা সকলেই দেখিয়াছে।আমি লন্ডনে বসিয়া এইসব দেখিতেছি আর নিজের মাথার চুল নিজেই ছিড়েতেছি।আমি এই সময়ে বাংলাদেশে থাকিলে এইসবের প্রতিবাদ করিতে পারিতাম আর খালাম্মাহুজুরের খেলার জবাব খেলার মাধ্যমে দিতে পারিতাম।এইখানে থাকিয়া ও আমি চাল চালিয়া যাইতেছি।আমার চালে ভুল না হইলে খালাম্মার টিকা কতটুকু সহজ হইবে তাহাই দেখিবার বিষয়।

আবার বাজেটের কথায় ফিরিয়া আসি।আপনি হয়তো দেখিয়াছেন আমার মুহিত আংকেল কালো টাকাকে সাদা করিবার ঘোষনা দিয়াছেন।উনাদের ইতরামীর অর্থ কি আমরা বুঝি না বলিয়া ভাবিয়াছেন?আব্বাহুজুর খালাম্মার দলের লোকেরা কোটি কোটি টাকা লুটপাট করিতেছেন আর সেইসব টাকার না আছে কোন হিসাব,না আছে কোন ট্যাক্সের বালাই।এই করিয়া দেশের অর্থ কিভাবে অনর্থ পথে চলিয়া যাইতেছে তাহা জনগন বুঝিতে পারিতেছে।আব্বাহুজুর আমার পোলাপাইন বয়সে যে টাকা জমাইয়াছি আমার আংকেলরা বুড়া হইয়া গিয়াও সেই টাকার কিয়দংশের মুখও দেখিতে পাইবেন বলিয়া মনে হইতেছে না।আমার টাকা যে কোন পথে আসিতেছে তাহা আমি নিজে ও জানি না।দরদর করিয়া টাকা আসিতেছে আর লন্ডনে বসিয়া হরহর করিয়া খরচ করিতেছি।এই না হইলে আর আমার নাম মোহাম্মদ তারেক?হে হে হে ---।

আম্মাহুজুরকে ইদানীং খুবই বিমর্ষ দেখাইতেছে।জানি না কি কারনে আম্মাহুজুরের চেহারা মলিন হইয়া গিয়াছে।উনাকে আগের মত হাসি হাসি খুশী আর উৎফুল্ল দেখাইতেছে না।আমি লন্ডনে বসিয়া উনাকে ফোনে ধরিতে পারিতেছি না।কি কারনে আম্মাহুজুর আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করিয়া দিয়াছেন তাহা বোধগম্য নহে।শুনিতেছি টাকা পয়সা নিয়া ফালুর সাথে উনার কিছুটা গোলমাল পাকাইয়াছে।রংপুরের গেদু চাচা আর একটু বাড়াইয়া বলিলেন যাহা কিঞ্চিৎ শ্রুতিকটু বটে।উনি বলিলেন যৌবন ফুড়াইয়া গেলে মৌমাছি নাকি আর কাছে ভিড়ে না।যাউক গা এইসব কথা।

আমার ছোট ভাইটি সিঙ্গাপুরে আসিয়া আরো বখাটে হইয়াছে।বউ ঘরে রাখিয়া নাকি বিভিন্ন আজে বাজে জায়গায় রাত কাটাইতেছে।সিঙ্গাপুরের ছোট ছোট হেরেমখানায় ছেমরিদের সাথে লটর ফটর করিতেছে আর দুই হাতে টাকা পয়সা উড়াইতেছে।আমি শুনিয়াও না শুনার ভান করিতেছি কেননা এই আলুর দোষ তাহাকে ছোটবেলা হইতেই পাইয়া বসিয়াছে।তাহা ছাড়া আমিই বা তাহাকে শাষন করি কি করিয়া?আমি নিজেও তো এই জীবনে কম কিছু করি নাই।আমার কথা হইল বউকে সন্তুষ্ট রাখিয়া কোন কিছু করিলে তাহাতে দোষ কি?আর খেয়াল রাখিলেই হইল কোন সংক্রামক রোগ যেন আক্রমন করিতে না পারে।এইডস এর প্রকোপের কথা মনে রাখিলে সমস্যা তো থাকারই কথা নহে।কি বলেন ঠিক বলি নাই আব্বাহুজুর?

আব্বাহুজুর বিডিআরের বলি আমার চাচ্চুদের সাথে আপনার এখন পর্যন্ত কি দেখা হয় নাই?তাহারা কিভাবে ঐ জগতে তশরিফ আনিলেন তাহা কিন্তু আপনি আমাকে জানাইতে ভুলিয়া গিয়াছেন।আশা করি এই পত্রের জবাবে তাহা খোলাসা করিবেন।

আপনার খবর জানাইয়া সুখী করিবেন।আমি,সায়মা,সায়মার আম্মা সকলেই ভাল আছি।আবারো কদমবুচি জানাইয়া আজকের মত বিদায় নিতেছি।আল্লাহ হাফেজ।
আপনার চরন তলে আমার জান্নাত
ইতি তারেক

Comments

Funny &..

Funny but painful truth..carry on!

হা হা হা...

এই লেখাটা নিয়ে একটা প্যাকেজ নাটক হইলে ভালই হইত!

আদরের দুলাল, পরম প্রিয় পুত্রের ২৫তম পত্রের জওয়াব

হে ১৫ কোটি ’মূর্খ’ মানুষের স্বপ্নের রাজপুত্তুর!

ভুলিতে চাহিলেই কি ঈশ্বর তোমাকে ভূলিতে দিবে বলিয়া মনে করিতেছ? তোমার জন্ম আমার আজন্ম পাপের ফসল এবং এই পাপের ফসল আমাকে ঘরে তুলিতে হইবে শত এমনকি সহস্রাব্দি ধরিয়া। পুত্রের বেগানা পাপের পাপমোচন পিতাকেও করিতে হইবে ঈশ্বরের এহেন লীলাখেলার বলি হইয়া আমি অংগার হইতেছি, অংগার হইতেছি আর মাথার চুল পায়ে বাধিয়া উলংগ মাতম করিতেছি। যতদিন নরকের অবিনশ্বর আগুনে আমি শুটকি হইতে থাকিব তুমি, তোমার আম্মাহুজুর এবং তোমার সিফিলিসাক্রান্ত ভাই ভূত হইয়া আমাকে তাড়াইয়া বেড়াইবে। আমার বেদনার নোনা জলে নরকের অগ্নিবলয়দের ভূলানো সম্ভব হইলেও তোমার অস্তিত্বকে ভূলানো সম্ভব হইবেনা। তোমাকে ভূলি নাই ব্যাটা।

কেমন আছ পুত্রধন? বসন্তের মৃদুমন্দ বাতাস কি তোমার কলুষিত অন্তরে কিছুটা হইলেও উথাল-পাতাল তুলিতেছে? টেমস নদীর মোহনায় খাম্বা হইয়া দাড়াইও, গভীর নিশ্বাষে চোখ বন্ধ করিয়া ফিরিয়া যাইও জন্মভূমিতে। কি দেখিতেছ, পিতার রাখিয়া যাওয়া পৈত্রিক সম্পত্তির অবার লীলাভূমি? সাহারা মরুভূমিতে সাকি, সূরা আর মহোৎসবের জলকেলি? নিয়মিত গঞ্জিকা সেবন করিলে উহার সাক্ষাৎ পাওয়া দৈব বলিয়া প্রতীয়মান হইবেনা। বাস্তবতা হইল, আমাদের জন্মভূমি তোমার মত নরাধমের জন্মের হাজার বছর পূর্ব হইতে ইহলোকে সগর্বে টিকিয়া ছিল। আমি, তুমি, তোমার আম্মাহুজুর এবং আমাদের ১৫ গুষ্টি সূজলা সূফলা এই দেশটাকে হালাকু চেংগিস খা’র মহাপ্রলয়ের মত দলিত মথিত করিয়াছি, পচনশীল প্রজন্মের বংশবিস্তারে ততোধিক পচনশীল শুক্রকীট বপন করিয়াছি। টেমসের মোহনায় হয়ত সে পচনের ঢেউ আছড়াইয়া পরিবেনা, শুনিতে পাইবেনা একটা জাতির পতনের পদধ্বনি। অন্তরের সবকটা অলিন্দ খুলিয়া কান পাতিয়া শুনিও, একটা সূস্থ সবল জাতির শিরায় উপশিরায় আত্মহননের যে বিষ আমরা অনুপ্রবেশ করাইয়াছি তাহার নৈশব্দিক যাত্রার পদ্‌ধ্বনি শুনিয়া ধন্য হইও।

শুধু দেলোয়ার কেন সবাই তোমার আংকেল হইয়া থাকিবে যতদিন ক্ষমতার সরোবরে অবগাহন করিবার চাবি তোমাদের কোমরে বাধা থাকিবে। সে চাবি যেদিন পাখির মত ফুরুৎ করিয়া উড়াল দিবে, দেলোয়ারের দল তোমাদের দেখিয়াও দেখিবেনা, শূনিয়াও শুনিবেনা। আমার মত তোমার লাশকেও যদি গামছায় করিয়া কুড়াইতে হয় সে লাশ লইয়া নতুন নতুন দেলোয়াররা মাতম করিবে, নিজে কাদিবে আর দেশকে কাদাইবে। কান্নার জলপ্রপাতে নাইতে নামিবে তোমার বিবি সাথে নাইবে তোমার সন্তান। শুরু হইবে নতুন এক উপাখ্যান, ততদিনে তুমি আর আমি অন্য এক সরোবরে নাইতে শুরু করিব, পাপের সরোবর, আগুনের মহাসমুদ্র!

তুমি কি মানিকগঞ্জের দেলোয়ার চোরার ফোন পাইয়া আমাকে পত্র লেখায় ব্যবচ্ছ্যাদ ঘটাইয়াছিলে? ইহা যে আমাকে জুতামারার শামিল তাহা একবারও কি তোমার মাথায় আসে নাই? ধিক! দেলোয়ারকে তোমরা ইংলিশ রোডের কোন বাক হইতে জোগাড় করিয়াছ জানিনা, কিন্তূ এই মানুষটার শরীর মন কায়া সবটা জুড়িয়া আছে চুরির উল্কি, নেংটা করিয়া দেখিয়া লইও। রাজনীতির নামে তোমাদের কি এতটাই হীনমন্যতার পচা পানিতে নামিতে হয়, যাহা মানিকগঞ্জের দেলোয়ার চোরাকে দলের সাধারণ সম্পাদক বানাইতে বাধ্য করে? আবারও ধিক! সে চোর, তার ছেলেমেয়েরা মহাচোর, এই সেই দেলোয়ার যে কিনা ব্যবহার করা কন্ডম পানিতে পরিস্কার করিয়া বাড়ি লইয়া যায় পূনঃব্যবহারের জন্য! চাল, ডাল, তেল, লবন আর আসবাবপত্র চুরির কথা নাই-বা উল্লেখ করিলাম। সে তোমার সহিত বাজেট লইয়া আলোচনা করিয়াছে, ইহা শুনিয়া আমি কি হাসিব, না কাদিব বুঝিতেছিনা। তোমরা দুই চোর বাজেটের আগে পেছনে ধান্ধাবাজি করিয়া টাকা কামাইতে অভ্যস্ত, বাজেট ভাল কি মন্দ তাহা বুঝিতে তোমাদের পূনঃজন্ম দরকার হইবে, সুতরাং এই সব ফালতু কথা বলিয়া আমার ধৈর্য্য পরীক্ষা করিবানা।

বাজান, আমরা বন্দুকের মানুষ, আমাদের রাজনীতির ভিত্তি হইল এম্যুনেশন। লেখাপড়া নাই বলিলেই চলে, সুতরাং আমাদের মুখে বাজেটের মত জটিল কুটিল বিষয় লইয়া আলোচনা সমালোচনা একেবারেই বেমানান। এইসব লইয়া হাবিয়ার অন্যান্য অসন্মানিত বাসিন্দাদের সামনে আমাকে প্রায়ঃশই শরমিন্দা হইতে হয়। বাজেট লইয়া বিশ্ব মালখোর তোমার মুহিত মাল আংকেলকেই মুন্ডুপাত করিতে দাও, ইহা লইয়া বিশেষ উৎপাত না করাই তোমারদের জন্য উত্তম হইবে। মনে রাখিও, বেহুলা যেমন লখিন্দরকে ভেলায় ভাসাইয়া সর্পদর্শন হইতে আরোগ্য লাভে সফল হইয়াছিল, তেমনি এইসব মাল মুহিতদেরও হাসিনা দংশন হইতে আরোগ্য লাভের জন্য ভেলায় ভাসাইতে হইবে, অপেক্ষায় থাক, ধৈর্য্য ধর। সবুরে মেওয়া ফলে!

তোমাকে হয়ত তোমার পদলেহনকারী ইয়ারের দল খবরটা পৌছায় নাই, আমিই করিতেছি সেই কাজটা। তুমি কি জান বরেন্য ফালুর সহিত তোমার আম্মাহুজুরের খন্ডকালীন বিবাহের কাবিননামা/নিকাহ্‌নামা এখন তোমার ধর্মখালার শয়নকক্ষে? ইহা হস্তগত করিয়া তিনি ইষৎ হাসিতেছেন, বুঝিয়াও না বুঝিতেছেন এবং পাশাপাশি তোমার আম্মাহুজুরানকে চরমবার্তা পাঠাইতেছেনঃ আন্দোলনে যাইবেন ত দৈনিক ভোরের কাগজের প্রথম পাতায় শোভা পাইবে এই নিকাহ্‌নামা! সুতরাং বুঝিতেই পারিতেছ, আমার নামের মাহফিল জমইয়া তোমাদের ভান্ডারে নতুন কিছু জমা করিবার দিন এখন ইতিহাস। রূপকথার সেই যাদুকরকে যেমন পাখীর গলা টিপিয়া ধরিলে তাহার গলায় আঘাত আসিত, তেমনি তোমার আম্মাহুজুরানের জানপ্রাণ এখন সূধা সদনের চৌহাদ্দিতে আটক, যখনই ইচ্ছা হইবে তোমার ধর্মখালা সূয়োরানী হাসিনা তাহার টুটি চাপিয়া ধরিবে, তোমার আম্মাহুজুরান সে আঘাতে দংশিত হইবে।

তোমার বিডিআর চাচুদের ভিসা এখনও এনওসি পায় নাই, ঈশ্বর উনাদের বিশ্বাষ করিতে পারিতেছেন্‌না, বিধায় নো ম্যানস্‌ ল্যান্ডে আটকাইয়া রাখিয়াছেন অনেকটা কিউবার গুয়ানতানাম বে’র কায়দায়। সময় হইলে সব পাপীদের মিলন মেলা বসিবে, তোমাকে সেই মেলা হইতে সানাই বাজাইয়া শোনাইব।

আজ শেষ করিতেছি। ডায়াবেটিক কায়দায় ঘন ঘন পত্র বিনিময় আমার মনে বিরক্তির উদয় করে, তাই পত্রালাপ সীমিত করিলে ভাল লাগিবে। শুনিতেছি তোমার আম্মাহুজুরান তোমাকের আলীবাবা ৪০ চোরের সাধারণ সম্পাদক বানাইতে যাইতেছে, মোচে তৈলমর্দন শুরু কর, উপভোগ কর বিলাতের বসন্ত। কে জানে, আগামী বসন্ত হয়ত হাবিয়ার পুতুল কলিতে কাটাইতে হইতে পারে।

ধন্য রাজার ধন্য রাজপুত্তুর, ভাল থাকিও। আজ বিদায়। কপোলে চুম্বন রহিল!

পিতা, জেনারেল জিয়া
পুতুল কলি, দোজখ-এ-হাবিয়া।

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla