Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

ডক্টর মোহম্মদ ইউনুস, একজন নোবেল লাউরিয়টের অকাল মৃত্যু

দেশজুড়ে ইউনুসোফোবিয়ার যে সুনামী বয়ে গেল তাতে জনগণের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। বিশেষ করে ব্লগ দুনিয়ার অংশগ্রহন। এ যাত্রায় ব্লগারদের মত প্রকাশের ভাষা ও তাদের চিন্তাশক্তির গভীরতা অতীতের সবকিছু ছাড়িয়ে এমন এক উচ্চতায় ঠাঁই নিয়েছে যা কেবল থাই অথবা ইন্দোনেশিয়ার সুনামির সাথেই তুলনা করা চলে। আক্ষরিক অর্থেই সুনামি বয়ে গেছে দেশজুড়ে। নরওয়ের অসলোতে সৃষ্ট বানিজ্যিক ঢেউ বাংলাদেশে আছড়ে পরল ব্যক্তি চরিত্রের জলোচ্ছ্বাস হয়ে। আর এই জলোচ্ছ্বাস ভাসিয়ে নিল ডক্টর মোহম্মদ ইউনুস নামের একজন বাংলাদেশির প্রাণ। তবে রেকর্ড ঘাঁটলে দেখা যাবে এটা ডক্টর মোঃ ইউনুসের প্রথম এবং একমাত্র মৃত্যু ছিলনা। এর আগেও একাধিকবার মরতে হয়েছে বেচারাকে।

শুরুটা ভালই ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপকের জন্যে। জোবরার গ্রামের অখ্যাত সুফিয়া না আমিনা নামের কাউকে কিছু টাকা ধার দিয়ে তা ফিরিয়ে নেন লাভ পকেটস্থ করে। বলা হয় এভাবেই নাকি জন্ম নিয়েছিল গ্রামীন দুনিয়ার। জোবরার সাফল্য একসময় বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে স্থান করে নেয় পশ্চিমা দুনিয়ার দেশে দেশে। রবীন্দ্র নাথ আর অমর্ত্য সেনের বাইরে বাংলাদেশি গরুখোর মুসলমানদের কেউ নোবেল পুরস্কার পেতে পারে মংগল প্রদীপ জ্বলানো বুদ্ধিজীবীরা বোধহয় স্বপ্নেও কল্পনা করেন নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাই ঘটল। ডক্টর ইউনুস ছিলেন সে হতভাগা যার কপালে জুটল নোবেল পুরস্কারের বিতর্কিত সন্মান। একজন অর্থনীতিবিদ কেন শান্তিতে নোবেল পায় এর বিশ্লেষণ করতে গিয়ে পণ্ডিতদের অনেকে বোঝালেন সফল অর্থনীতিই জনশান্তির পূর্বশর্ত। যেহেতু শান্তি ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক তাই কোনটার উপর নোবেল পেল তার মৌলিক কোন তফাৎ নেই। ডক্টর ইউনুসের নোবেল প্রাপ্তিতে মানুষ ভাসল খুশিতে আর স্তূতির সমুদ্রে সাতার কাটল দেশের মিডিয়া। সবকিছু চলল সেভাবে যেমনটা আশা করা গিয়েছিল। কিন্তু সমস্যাটার শুরু অন্য জায়গায়। দেশের রাজনীতির ভাগ্যাকাশে ততদিনে দেখা দিয়েছে কালো মেঘের ঘনঘটা। ১/১১ এল ঝড়ের মত। আর এই ঝড় উড়িয়ে নিল রাষ্ট্র ও সরকার যন্ত্রের সাথে জড়িত আমলা ও রাজনীতিবিদের পরিধেয় বস্ত্র। জাতি অবাক হয়ে দেখল লালু ভুলু আর টুলুদের নগ্ন শরীর। ওসমান গনি আর বাকের ভাইদের আলৌকিক উত্থানের সাথে যোগ হল সাজেদা চৌধুরীর মত জাত রাজনীতিবিদ আর শাজাহান সিরাজের মত বাংলাদেশের আর্কিটেক্টদের নাম। এই দুইয়ের কম্বিনেশন বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে এনে দিয়েছিল দুর্নীতিতে হ্যাটট্রিক শিরোপা। সেনাছাউনির সহায়তায় নতুন সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদের বানী শোনাল আমাদের। জাতি ভাবল পরিবর্তন এলো বলে! দেশের রাজনীতি ও আর্থ-সামাজিক সংস্কৃতিতে যে পচন তা বদলাতে প্রয়োজন ছিল নতুন মানুষের, এমনটাই বুঝালেন সেনা সমর্থিত ইন্টেরিম সরকার। মাইনাস টু ফর্মুলা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে উঠে এল ডক্টর মোহম্মদ ইউনুসের নাম। ডক্টর সাহেবও ভাবলেন নোবেল জোয়ারে জাতি যেভাবে তাকে অবগাহন করিয়েছে রাজনীতির মাঠেও বইবে একই জোয়ার। বিশাল আয়োজনে রাজনীতিতে পদার্পণের ঘোষনা দিলেন জোবরা গ্রামের ইউনুস মাষ্টার। আর এখানেই জন্ম নিল নতুন এক ইউনুসের, সুদখোর ইউনুস।

সুদ শব্দটার একটা আত্মঘাতী গন্ধ আছে। এর সাথে ধর্মীয় লোবান মেশাতে পারলে পটাশিয়াম সায়ানাইডের চাইতেও শক্তিশালী মৃত্যুবাণ তৈরী সম্ভব। হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়নশীপের খেলোয়াড়রা তাই করলেন এবং তা ব্যবহার করলেন ডক্টর ইউনুসের বিরুদ্ধে। মৃত্যু হল এই ডক্টরের। নোবেল লাউরিয়ট হতে রাতারাতি মানুষটাকে নিক্ষেপ করা হল সাফল্যের আস্তাকুঁড়ে। আখ্যায়িত করা হল রক্ত চোষা ভ্যাম্পায়ার হিসাবে। সুদের একটা ইংরেজী শব্দ আছে যাকে বলা হয় ইন্টারেস্ট। বিশ্বায়নের পৃথিবীতে টিকে থাকতে চাইলে এই ইন্টারেস্টের প্রয়োজনীয়তা এখন অক্সিজেনের মত। পৃথিবীর সব রাষ্ট্রের ধমনীতে প্রবাহিত হয় ইন্টারেষ্টের লাল নীল রক্ত। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক, ইউ এস এইড, সৌদি তহবিল, কুয়েতি ফান্ড, এ ধরণের গোটা বিশেক ইন্টারেস্টখোর প্রতিষ্ঠানের আষ্টেপৃষ্ঠে আটকে আছে বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্বের সবগুলো দেশের শরীর। এরা ইন্টারেস্টে অর্থ খাটায়, আর আমরা তা খাটতে দেই, যাকে সুদ আখ্যায়িত করতে আমরা কোথায় যেন লজ্জা। কারণ এই টাকায়ই যে জন্ম নেয় একজন তারেক জিয়া, খাম্বা মামুন আর মোচ ওয়ালা শেখ সেলিম। এই টাকার উপরই রচিত হয় মইনুল হোসেন রোড উপাখ্যান, আর এই টাকাই সুদূর ভার্জিনিয়া ও আয়েসের লীলাভূমি ফ্লোরিডায় জন্ম হয় সম্পদের মালিক বড় বড় বিজ্ঞানীদের।

সনাতনী ব্যাংকিং ব্যবস্থার পতন মাইটি আমেরিকার জন্যে বয়ে এনেছে শতাব্দীর ভয়াবহ মন্দা। ব্যাংক অব আমেরিকা আর সিটি ব্যাংকের মত বিলিয়ন ডলারের জায়ান্ট ব্যাংক গুলো জীবন্মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সন্ধান করছে নতুন পদ্ধতির। রুগ্ন লোন আর অনাদায়ী সুদের দফারফা করতে গিয়ে ক্রোক দিচ্ছে আমেরিকানদের বাড়িঘর। বাস্তুহারা আর চাকরিহারা আমেরিকানদের সংখ্যা বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। এমন একটা প্রেক্ষাপটে জোবরা গ্রামের ধারণা পশ্চিমা দুনিয়ার নজড় কাড়বে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ ওরা নতুনের পূজারী। সভ্যতার বিবর্তনে এদের অবদানের জন্যেই আজকের পৃথিবী খুঁজে পেয়েছে নেট দুনিয়ার মত হাজারও আবিষ্কার। দেশের ঘরে ঘরে যখন ইউনুসকে সমাহিত করার অলআউট উৎসব, পৃথিবীর অন্য কোথাও তখন বইছে ভিন্ন স্রোত। মাত্র গতকাল নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম স্বাস্থ্য বিষয়ক এনজিও এম হেলথ তাদের বোর্ডের সদস্য বানিয়েছে ডক্টর ইউনুসকে। রহস্যটা কোথায়? তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তথ্যের ভারসাম্য ধরে রাখতে কি ব্যর্থ হচ্ছে পশ্চিমা দুনিয়া? আমরা যাদের চোর বলছি সন্মান দিয়ে ওরা লুফে নিচ্ছে তাদের, আর ওদের দৃষ্টিতে যারা চোর তাদের আমরা বসাচ্ছি সম্মানের সর্বোচ্চ আসনে। আয়রনী হচ্ছে, দেশ, জাতি ও রাষ্ট্র হিসাবে ওরা সফল, আর আমরা দাড়িয়ে আছি ব্যর্থতার ক্রসরোডে।

ক্ষুদ্র ঋণের জন্যে দেয়া নরওয়ে সরকারের অর্থ গ্রামীন ব্যাংক তার সিস্টার সংগঠনে ট্রান্সফার করেছে ব্যবসায়িক স্বার্থে। ঋণদাতা বলছে এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অভিযোগ মানেই ডক্টর ইউনুস ও তার গ্রামীন সাম্রাজ্যকে দুর্নীতির তকমা লাগানো নয়, এমন একটা নিশ্চয়তাও দিয়েছে অভিযোগকারী। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। বাধ ভাংগা জোয়ারের মত ভেসে গেল অভিযোগের আসল উদ্দেশ্য। পৈশাচিক উন্মত্ততায় বাংলাদেশিরা নেচে উঠল তাদের সন্তান ইউনুসকে কবর দিতে। ব্লগীয় দুনিয়া কেঁপে উঠল ইউনুস নিন্দায়। ব্লগীয় ভাষার সহজ বাংলা করলে এমনটাই প্রতীয়মান হবে যেন ডক্টর ইউনুস শত শত কোটি টাকার লোন লোপাট করে দিয়ে ভূমধ্যসাগরের কোন বিলাসবহুল দ্বীপে সুরম্য প্রাসাদ বানিয়েছেন। আসলেই কি তাই?

নতুন কিছুর সন্ধান না করে জীবন কাটিয়ে দেয়া খুব সহজ। চাইলে ডক্টর ইউনুসও তা পারতেন। গ্রামীন সাম্রাজ্য তৈরী না হলে হয়ত কোন এক নেত্রীর নিবেদিত পূজারী হয়ে নাম লেখাতেন লাল, নীল অথবা সাদা ক্যাম্পে। আর দশটা অধ্যাপকের মতই হয়ত বগলে ফাইল নিয়ে প্রমোশনের আশায় ঘুরে বেড়াতেন রাজনীতির পেছনে। তিনি তা করেন নি। আর তা করেন নি বলেই বিশ্ব মুখ দেখেছে মাইক্রো ক্রেডিট এবং সামাজিক ব্যবসার মত নতুন ধ্যান ধারণার। অনেকের অভিযোগ, বাংলাদেশে এসব তো কাজ করছেই না, বরং সর্ব শান্ত করছে দেশের দরিদ্র জনসমষ্টিকে। হতে পারে তা সত্য। গ্রামীন ব্যাংক দাতব্য চিকিৎসালয় নয় যেখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। ডক্টর মোহম্মদ ইউনুস এমন কোন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলেও জানা নেই। দশ টাকা কেজি চাল আর বিনামূল্যে সার বিতরনের মত ভাওতাবাজীর প্রতিশ্রুতি দিয়েও তিনি এ রাস্তায় আসেন নি। উনার ব্যবসা সুদের ব্যবসা, এবং এ ব্যবসায় জড়িত হওয়ার জন্যে গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষকে নীল চাষের মত বাধ্য করা হয় বলেও জানা নেই। যারা চড়া সুদ নিয়ে উদ্বিগ্ন তাদের উচিৎ গ্রামগঞ্জের গরীব মহিলারা কেন গ্রামীন ব্যাংকের মত সুদখোরদের হাতে ধরা দেয় তার কারণ খুঁজে বের করা। দেশের আবিষ্কার মাইক্রো ক্রেডিট বিদেশে কাজ করলেও দেশে কাজ করবে না, কারণ জোবরা গ্রামে শুধু সুফিয়া আর আমিনাদেরই বাস নয়, এখানে বাস করে পশুলীগ, পশুদল আর পশুশিবিরের মত শত শত হিংস্র পশুর দল।

Comments

US asks govt not to harass Yunus

US officials have told Sheikh Hasina that there will be no further high-level diplomatic interaction between the United States and Bangladesh until the harassment of Muhammad Yunus, founder of the Grameen Bank, ends.

A senior western diplomat, with direct knowledge of these conversations, told New Age that Hasina was warned that her government must not force Yunus out of the Grameen bank and that he should be allowed to leave the bank gracefully and be given reasonable time to find a successor.

Mohammed Yunus, Bangladesh’s first Nobel Peace laureate, has been under sustained attack from the Bangladesh government and sections of the country’s media since the broadcast of a Norwegian documentary in December 2010 alleging that Yunus had ‘quietly tapped’ the Grameen Bank for $48 million of Norwegian aid money.

Although the Norwegian government found that this allegation was false, the Bangladesh prime minister, Sheikh Hasina, described Yunus as a ‘blood sucker’ and set up a wide-ranging inquiry into the bank.

Three criminal cases involving defamation, fraud and food adulteration have also been filed against him although the High court in the past week stayed the adulteration case for six months.

Hasina was told directly by US officials that a possible visit to Bangladesh early April by the US secretary of state, Hilary Clinton, following her trip to Delhi, was contingent on a resolution of this high-profile crisis.

Hasina, who is planning to visit Washington in April to take part in the World Islamic Forum, has also been informed that she will not be given a meeting with the US president, Barack Obama, unless Yunus is personally agreeable to the terms of any compromise.

The prime minister’s press secretary Abul Kalam Azad said that he could not comment since he was unaware that these conversations had taken place. He added that he did not know that there was a possibility that Hilary Clinton might come to Bangladesh.

While many countries share US concerns about the Bangladesh government’s handling of the Grameen bank, no other country is known to have come close to the US in imposing these kinds of sanctions in support of Muhammad Yunus.

The government’s attack on Yunus has already resulted in the loss of some US financial support.

The US Millennium Challenge Corporation, an independent US foreign aid agency funded by the US congress, decided in January against putting Bangladesh on its ‘threshold’ programme where countries must ‘demonstrate a commitment to just and democratic governance, investments in the people of a country, and economic freedom.’

Humayun Kabir, who until 2009 was the ambassador to the United States, told New Age, ‘Maintaining high-level contacts is important for both the countries as these are building blocks to the relationship which is a very important one for Bangladesh. United States is one of the country’s most important trading partner and a partner in security.’

Although Hasina has shown no signs of relenting, it is understood that discussions between Muhammad Yunus, the finance minister, Abul Maal Abdul Muhith, and former Grameen Bank chairperson Rehman Sobhan, took place in Delhi over the last few days where they all attended the same conference.

‘Muhith has been told what the Grameen Bank wants. It is now in the minister’s hands,’ said a person privy to the conversations.

Even if Hasina gives Yunus time to leave the organisation, a likely stumbling block to any agreement, however, concerns the position of Muzammel Huq, the new chairperson of the Grameen Bank, appointed in January by the Bangladesh government.

Formerly, the general manager of the bank, Muzammel was fired by Yunus more than 10 years ago. The New York Times recently reported that he said that Yunus had a ‘small heart’ and could not ‘give credit to anyone but himself.’

Another contentious issue is whether Yunus will be allowed to continue at the bank in some advisory or honorary role

On Monday, the Grameen Bank will hold its first board meeting under Muzammel’s new chairmanship. The board comprises three government appointees – including the chairperson - and nine others elected by the borrower-shareholders.

The western diplomat told New Age that the finance ministry was going to use the board meeting as an opportunity to send a dismissal letter to Yunus on the basis that his previous extension to his employment had not been sanctioned by the Bangladesh Bank.

However, it is understood that the government, under pressure, decided not to do this.

The government may have to come to a quick decision on whether to change tack

Yunus is due to go to the United States in early March where he is likely to meet Hilary Clinton. The western diplomat told New Age that what Yunus tells Clintion about any change in the government stance towards him and the bank will influence any plans Clinton may have about coming to Bangladesh.

The Bangladesh government is also likely to be aware that the argument over Yunus is impacting badly on the US Congress which has recently awarded Yunus a Congressional Gold Medal.

The Congress decides, each year, the level of money that the United States Agency for International Development will provide to Bangladesh. It will also ultimately consider whether Bangladesh’s apparel sector should be included in the Generalised System of Preferences that would reduce the tax on imported Bangladesh garments – a long standing demand of the country’s apparel sector.

While in the weeks after the initial press reports, civil society actors in Bangladesh showed little support for Yunus, in recent days this has changed, with increasing number of people signing statements against the government’s ‘harassment’ of Yunus.

His greatest high-level support however comes from outside Bangladesh, with Mary Robinson, the former president of Ireland, recently setting up a Friends of Grameen, which includes the former president of the World Bank James Wolfensohn.

Robinson alleged that Yunus and the Grameen Bank were the victims of a ‘campaign of misinformation.’
News Source:
The New Age

চাপ দিয়ে আমাকে গ্রামীণ থেকে সরানো যাবে না : ইউনূস

Photobucket
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, কোনো চাপের মুখেই তাকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরানো যাবে না। গতকাল বার্তা সংস্থা এএফপিকে এক ই-মেইল বার্তায় তিনি বলেন, 'আমরা গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছি একটি বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে। এ ব্যাংক পরিচালিত হয় কিছু বিশেষ বিধিমালা অনুযায়ী। সে অনুযায়ী (গ্রামীণ ব্যাংকের) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে আমার বর্তমান মেয়াদ সম্পূর্ণ বৈধ। তিনি আরও বলেন, '(গ্রামীণ ব্যাংকের) বোর্ডে সরকারের তিনজন প্রতিনিধি রয়েছেন। তারাও সর্বসম্মতভাবে এসব বিধি অনুমোদন করেছেন।' ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী ৭০ বছর বয়সী ড. ইউনূস বলেন, সরকার চাপ প্রয়োগ করে তাকে তার প্রতিষ্ঠা করা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরাতে পারবে না। তিনি বলেন, ৮০ লক্ষাধিক ঋণগ্রহীতার কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় এ ব্যাংকে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটাতে হবে অত্যন্ত সতর্কভাবে। গ্রাহকের সবাই এ ব্যাংকের অন্যতম অংশীদার। ই-মেইল বার্তায় ড. ইউনূস বলেন, 'সময় এলে যে কোনো প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে হবে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে এবং ভেতর-বাইরের অংশীদারদের সমর্থন নিয়ে। যেন এটা নিশ্চিত থাকে যে, দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নিয়ে আমাদের মিশন সম্পন্ন করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।'
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত সোমবার ড. ইউনূসকে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলা অবস্থায় গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
অর্থমন্ত্রী বিবিসিকে বলেন, বিধি অনুযায়ী বেসরকারি ব্যাংকের নির্বাহীদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর। কাজেই ড. ইউনূসকে এখনই গ্রামীণ ব্যাংক ছাড়তে হবে। কারণ তার বয়স অবসরের বয়সসীমার চেয়েও ৫ বছর বেশি। অর্থমন্ত্রী বিবিসিকে আরও বলেন ড. ইউনূসের ব্যাপারে সরকারের পদক্ষেপ মোটেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়।
গত ডিসেম্বরে নরওয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে 'ক্ষুদ্রঋণের ফাঁদে' শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই ড. ইউনূসের ব্যাপারে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ওই প্রামাণ্যচিত্রে বলা হয়, ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে তার অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে বিপুল পরিমাণ টাকা সরিয়েছেন। এ নিয়ে সরকারিভাবে তদন্তও শুরু হয়েছে। তবে গ্রামীণ ব্যাংক এ অভিযোগ অস্বীকার করে। পরে নরওয়ে সরকার এক বিবৃতিতে জানায়, বিষয়টি আগেই মীমাংসা হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে অভিযোগ করেন, ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংককে ব্যক্তিগত সম্পদ মনে করেন এবং এ ব্যাংকের মাধ্যমে গরিবের রক্ত চুষে খাওয়া হচ্ছে। এরপর থেকে বাংলাদেশের তিনটি স্থানে দায়ের হওয়া মামলায় ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সমন জারি হয়।
ড. ইউনূসের পক্ষে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ
গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তাকে রাজনৈতিক হিসেবে অভিহিত করেছেন সাবেক আইরিশ প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসনের নেতৃত্বাধীন কয়েক আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ও বেসরকারি সংগঠনের সমন্বয়ের গঠিত 'ফ্রেন্ডস অব গ্রামীণ' নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। নবগঠিত এ সংস্থা বুধবার প্যারিস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, অধ্যাপক ইউনূস ও তার গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে_ এর প্রতিবাদ জানাতেই তারা সংগঠনটি তৈরি করেছেন। ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক ওয়েবসাইট মাইক্রো ফাইন্যান্স ফোকাস সূত্রে জানা গেছে, ফ্রেন্ডস অব গ্রামীণ গত ১১ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে। ৫০টি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা এবং বেশ কয়েকজন খ্যাতিমান ব্যক্তিকে নিয়ে ফরাসি আইনের অধীনে সংস্থাটি গঠিত হয়। সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরিন রবিনসন। কমিটিতে আরও রয়েছেন ভারতের সাবেক প্রধান বিচারপতি জগদীশ শরণ ভার্মা, বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেমস ডি উলফেনসন প্রমুখ। ফ্রেন্ডস অব গ্রামীণের বিবৃতিতে মেরি রবিনসন বলেন, তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব হচ্ছে ড. ইউনূসের সম্মান ও গ্রামীণ ব্যাংকের স্বাধীনতা রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া।
ফ্রেন্ডস অব গ্রামীণের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে বিবিসি জানায়, সংস্থার মূল উদ্দেশ্য ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক কর্মকাণ্ড আরও উৎসাহিত করা। সে দৃষ্টিকোণ থেকেই তারা গ্রামীণ ব্যাংক এবং এর সহযোগী সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহ দিতে আগ্রহী।
http://www.shamokal.com/

প্রধানমন্ত্রীর পাশে অমর্ত্য আদালতের কাঠগড়ায় ইউনুস

সাকিব ফারহান
৩ ফেব্রুয়ারি কালের কণ্ঠের প্রথম পাতায় একটি রঙ্গিন বক্সের ভিতর ছবিতে দেখা যাচ্ছে নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেনের সঙ্গে কথা বলছেন পত্রিকাটির সম্পাদক আবেদ খান। উপরে লেখা রয়েছে ‘একান্ত আলাপচারিতা’। ছবির নিচে শিরোণাম করা হয়েছে শতাব্দীর অসামান্য ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যে। এর নিচে স্টোরি শুরু হয়েছে। উপরে নাম লেখা রয়েছে আবেদ খানের। লিখেছেন, ‘ফলবান বৃক্ষ ফলভারে নত হয়- এই সত্যটি অন্তর দিয়ে অনুভব করলাম নোবেল বিজয়ী বাঙ্গালি অমর্ত্য সেনের সঙ্গে কাটানো ৪৫ মিনিটের পুরটা সময়। মানুষ এত বিনয়ী, এত নিরহংকারি, এত অসাধারণ রকমের সাধারণ হতে পারেন তা কাছ থেকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।’ এভাবে পশ্চিম বঙ্গেরর এই নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদকে বিশেষায়িত করলেন।

এরপর লিখেছেন, ‘আমাকে এই দুর্লভ সৌভাগ্যের অধিকারী করেছেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শ্রদ্ধাভাজন শামসুজ্জামান খান। তার কাছে আমার কৃতজ্ঞাতার অন্ত নেই। অমর্ত্য সেন বাংলা একাডেমীতে এসেছিলেন বুধবার দুপুর বারটা নাগাদ। বিকেলেই বাংলাদেশ ছাড়বেন। শামসুজ্জামান ভাই তাকে বাংলা একাডেমীতে এনেছিলেন আমার ধারণা প্রধানত আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য।’ এই অংশে তিনি সম্মানিত করেছেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালককে। এরপর তিনি তুলে ধরেন নিজের গুরুত্ব। বাংলা একাডেমীর পরিচালক তাকে এতটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন যেজন্য অমর্ত্যকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য তাকে রীতিমতো নিয়ে আসলেন বাংলা একাডেমীতে। শুরুতে তিনি অমর্ত্যকে যেভাবে তুলেছেন ফলে তিনি কি কিছুটা পড়ে গেলেন না।

এরপর অমর্ত সেনের বক্তব্য তুলে ধরেছেন তিনি। এই নোবেল বিজয়ী বললেন তিনি কোনো পত্রিকাকে সাক্ষাৎকার দেন না। কারণ যা তুলে ধরলেন তাতে আবেদ খান লজ্জিত হলেন বলেন মনে হল না। পত্রিকাগুলো তার বক্তব্য বিকৃত করে ফেলে। তাই তিনি কাউকে সাক্ষাৎকার দেন না। তাই দিবেন না আবেদকেও। তার স্টোরিটি এরপর এগিয়ে যায় স্ত্রী সহযোগে আসা অর্মত্য চলতে ফিরতে কি বলবেন। এসব কথোপকথন কতটা সারগর্ভ সেসব স্তুতি দিয়ে।

এর আগের দিন অমর্ত্যকে সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় ছবিটি ছাপলো ইত্তেফাক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে অমর্ত্য ও তার স্ত্রী এবং এক ভারতীয় লেখক। পিছন থেকে হাসিমুখে উকি মারছেন হাসিনার ক্যবিনেট মন্ত্রীরা। ছবিটি ইত্তেফাকের প্রথম পাতার ডানপাশে উপরে তিন কলামে ছাপা হয়েছে। নিচেই দুই কলামের শিরোনাম। অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে শিরোণাম হয়েছে। পত্রিকাটি লিখেছে, বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্য সেন। বাংলা একাডেমীর সভাপতি অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা একাডেমীর বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সামনে সারিতে দেখা গেল পশ্চিম বঙ্গের সব লেখক সাহিত্যিকদের।

বাংলাদেশের বইমেলায় যখন অমর্ত্য সেনকে অতি মর্যাদায় সিক্ত করা হচ্ছে ঠিক সেই সময় বাংলাদেশের একমাত্র নোবেল বিজয়ী ডক্টর ইউনুস আদালতের সামনে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে তার বিরুদ্ধে আনা নানা অভিযোগ থেকে নিস্কৃতি চাইছেন। তার অপরাধ তিনি রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি তার কোম্পানির ‘শক্তি’ দইয়ে ভেজাল দিয়েছেন। নোবেল যারা দিয়েছেন তারা নিশ্চয় হতবাক হচ্ছেন একজন ভেজাল খাদ্য বিক্রেতা কিভাবে কোন ফাকে তাদের কাছ থেকে নোবেল হাতিয়ে নিলেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশে ডাকসাইটে পত্রিকার বিশাল সম্পাদক তাদের দেয়া নোবেল বিজয়ী অন্য বাংলাভাষী ভারতীয় অমর্ত্য সেনের সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে তারপরও প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নোবেল কমিটি নিশ্চই গর্বে বুক ফোলাবে।

নোবেল পুরস্কার নানান ধরনের আলোচনা সমালোচনা রয়েছে। নোবেল পুরস্কারের মাধ্যমে তৃতীয় বিশ্বে কিছু ফিগার তৈরি করা হয়। যাদের দিয়ে বিশেষ করে আমেরিকানরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করে। এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা অনেক ক্ষেত্রেই পাওয়া যায়। তৃতীয় বিশ্বে কেউ যখন হঠাৎ করে নোবেল পায় একেবারে সাড়া পড়ে যায়। তারা অনেক সময়ে চলে আসেন ক্ষমতার কাছাকাছি।

Dipu meets diplomats on Grameen Bank

The foreign minister, Dipu Moni, held an emergency meeting with ambassadors and senior diplomats in Dhaka to justify the Bangladesh government’s decision to hold an inquiry into the Grameen Bank, diplomats have told New Age.

The meeting at the foreign ministry was held on January 9 just over a week after Ellen Goldstein, the World Bank’s Bangladesh country representative, had sent a letter to the finance minister raising concerns on behalf of bilateral and other international donors about how the government was dealing with the Grameen Bank.

At the briefing, Dipu Moni explained to diplomats that the government considered the Grameen bank to be an ‘organ of the state’ and that there were many alleged irregularities which needed investigation.

Three days later, the government announced the formation of a five member inquiry team led by AK Monowar Uddin Ahmed of Dhaka University to look into the affairs of the Grameen Bank.

New Age can also reveal that a few days before the diplomatic briefing, Dipu Moni’s office phoned up the Asian University of Woman to inform it that the prime minister would only speak at the university’s international conference in Dhaka, which was to be held later that month, if Muhammad Yunus was removed from the programme.

Yunus had been invited by Cherie Blair, one of the university’s patrons and wife of former UK prime minister Tony Blair, to give a ‘keynote’ speech at the end of the conference.

The university has also asked him to be part of a special day of celebrations honoring 25 students who were daughters of Grameen Bank borrowers.

Following the intervention of Dipu’s office, Yunus’s agreed involvement in the conference was cancelled.

Omar Shareef, the university’s chief operating officer, denied that Yunus’s absence had anything to do with the government. ‘There was scheduling conflicts and that was the reason why Muhammed Yunus could not attend,’ he said.

A Grameen Bank statement to New Age however said, ‘Professor Yunus was scheduled to preside over the closing plenary of the conference. There was also a programme planned with the AUW Muhammad Yunus’ scholars at the Grameen Bank headquarters. These programmes were set for many months. We were informed by the university authorities at the last moment that due to unavoidable circumstances these programmes could no longer take place. They were therefore cancelled.’

A spokesperson at the foreign minister’s office said that he was unable to comment as Dipu Moni, was outside the country.

On the morning of January 9, all embassies in Dhaka received a letter inviting ‘ambassadors and high commissioners’ to a briefing later that day at the foreign ministry.

‘The foreign minister started by saying that the country was facing a lot of challenges,’ one diplomat present at the meeting told New Age. ‘Dipu Moni went on to say that the government would be happy if all it had to deal with was terrorism and food prices, and the war crimes trial but sometimes things come along requiring the government to respond and Grameen Bank was one of them.’

‘Dipu Moni then said that the government was aware of the concerns from friendly countries which was why she wanted to dispel misconceptions about what kind of entity the Grameen Bank was,’ the diplomat continued, reading from contemporaneous notes taken at the meeting.

‘She then went on for 30 minutes to read out from a thick dossier she had in front of her. She mostly read out long chunks from the 1983 Grameen Bank Ordinance, but also the constitution and the 1940 lenders act.’

‘Her basic point was that the notion that the Grameen Bank is independent of the government is a complete non-starter. It is a statutory public authority and therefore an instrument of the state, she said. Sometimes she also referred to the Grameen Bank as an “organ of the state” to be governed by the government. She emphasised that the government determines everything about the bank, what work it does, the scope of capital and the authority to wind it up.’

‘The foreign minister referred a number of times to the fact that since 1990 the government has helped out Grameen when its capital had been short.’

Continuing to quote from notes taken at the meeting, the diplomat said Dipu Moni listed a number of issues that would be examined by the inquiry.

These included whether Grameen Bank was lending to people not entitled to get loans (‘not the landless poor’); whether Yunus was in office beyond his compulsory retirement age; claims that changes of the terms of employment of staff were unlawfully gazetted in the name of Muhammed Yunus; and the allegation that companies had been formed which were ‘not authorised by law.

‘She also raised questions about the guarantees that were furnished, the levels of interest rates and the methods of collection,’ the diplomat said.

Other diplomats confirmed the accuracy of this diplomat’s recollection.

The meeting lasted for about half an hour.

Monowar Uddin Ahmed, the chair of the review committee set up to look into the Grameen Bank’s affairs, told New Age that its inquiry would be objective.

It would look at the ‘overall functioning of the Grameen bank and suggest how to improve functions of the bank in the future and in that context look at all legal economic social dimensions of the bank,’ he said

‘There is also a provision for a special audit of the Grameen Bank by the Bangladesh Bank which will be a supplementary to the review. The committee has also been asked to make s list of sister organisations of the Grameen Bank and find out the relationship of the Grameen Bank to these sister organisations and to review all the news flashed into the media particularly about the Norwegian programme and to assess whether there was any transfer of funds to a sister organisation.’

On being asked to comment on Dipu Moni’s comment to the diplomats, the Grameen Bank firmly rejects the argument that it is a government body.

In a written statement to New Age it points out that the 1983 Grameen Bank Ordinance states that the government only ‘owns 25 per cent of the bank’ and is allowed to nominate only 3 of the 12 directors.

It states that although the bank was a ‘statutory body,’ under the provisions of the ordinance, ‘the board of the Grameen Bank is given autonomous power to manage the bank and make all policies, and rules.’

The statement goes on to say that as of 2009 the government in fact only owns 3.4 per cent of the bank. ‘The government has not put additional money in, while the poor people’s share in the bank has been going up steadily. [The poor people] are owners of the bank and share in its profits.’

In relation to the other matters raised by Dipu Moni at the meeting, Grameen Bank statement said that the ‘Grameen Bank has always operated within the law and denies all allegations of wrong doing.’

It notes that the 1983 ordinance ‘lists many objects of Grameen Bank, besides lending money to the poor.’

Specifically in relation to the allegation that Muhammad Yunus should by law have retired, the Grameen Bank statement to New Age says: ‘Sixty is the normal retirement age of the Grameen Bank’s employees… [T]he terms and conditions of the managing director are set by the board. There is no question of the managing director being past the retirement age. His tenure is decided by the board.’
News Source:
The New Age

ফ্রান্সের প্রভাবশালী ল মঁদ-এ ইউনূস প্রসঙ্গ

শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১১

মানবজমিন ডেস্ক: গত ৩রা ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সের সবচেয়ে প্রভাবশালী দৈনিক ল মঁদ প্রফেসর ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের সামপ্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে একটি প্রতিবেদন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে পত্রিকাটির বিশেষ সংবাদদাতা ফ্রেডেরিক ববিনের ঢাকা থেকে প্রেরিত জবানিতে। এর শিরোনাম দেয়া হয়েছে ‘ক্ষুদ্রঋণের জনক ২০০৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ইউনূস বাংলাদেশে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন, এখানকার সরকার তাঁর সুখ্যাতিতে বিরক্ত’।

প্রতিবেদনের প্রাসঙ্গিক অংশগুলো নিচে দেয়া হলো:
প্রথম দর্শনে স্বাভাবিক মনে হলেও কয়েক বছর ধরে মনে হয়েছে তিনি (প্রফেসর ইউনূস) কারও কারও ঈর্ষার কারণ ঘটিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে সামপ্রতিক আক্রমণ শুরু হয় দেশের সরকারের কোন মহলের নিপুণ আয়োজনে। গত ২৮শে জানুয়ারি প্রফেসর ইউনূস ডাভোসে (ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে) অংশগ্রহণ করতে পারেননি, কারণ ও সময় তাঁকে ঢাকার একটি আদালত সমন জারি করেছিল জনৈক পৌর স্বাস্থ্য পরিদর্শকের অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগটি হলো গ্রামীণ ডেনোন কোম্পানির পুষ্টিসমৃদ্ধ দইয়ে ভেজাল পাওয়ার। গ্রামীণ ডেনোন ফ্রান্সের ডেনোন কোম্পানি এবং গ্রামীণ কোম্পানিসমূহের একটির মিলিত সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগ। এর আগে ১৮ই জানুয়ারি তাঁকে যেতে হয়েছিল ঢাকা থেকে ১০০ কিলোমিটার উত্তরে এক আদালতে হাজিরা দিতে, যেখানে বর্তমান সরকারের সহযোগী ক্ষুদ্র একটি বামপন্থি দলের এক সদস্য তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। ২০০৭ সালে প্রফেসর ইউনূস (ফরাসি বার্তা সংস্থা) এএফপি-কে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে বাংলাদেশের রাজনীতি টাকা বানানোর উপায় বৈ নয়। এই সাধারণ মন্তব্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের ওই নেতা নিজের মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। মনে হচ্ছে এসব প্রফেসর ইউনূসকে হয়রানি করার প্রকৃষ্ট উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর এক বন্ধু শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ‘স্পষ্টত একটি রাজনৈতিক আক্রমণ কর্মকাণ্ড চলছে (তাঁর বিরুদ্ধে)।’
পুরো ঘটনাটির সূত্রপাত হয়েছিল ২০১০-এর ৩০শে নভেম্বর নরওয়েজিয়ান এনআরকে চ্যানেলে এক ডকুমেন্টারি দেখানোর মাধ্যমে। এতে সাধারণভাবে ক্ষুদ্রঋণকে এবং বিশেষভাবে গ্রামীণ ব্যাংককে সমালোচনা করা হয়েছিল, এবং বলা হয়েছিল যে ১৯৯৬ সালে বেআইনিভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থ গ্রামীণের আরেকটি তহবিলে সরানো হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের রাজধানীতে প্রায় সবারই ধারণা, এই ডকুমেন্টারিতে উত্থাপিত বিতর্ককে এখানে পুরনো প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে সাধারণ মত হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন বড় শত্রু মনে করেন প্রফেসর ইউনূসকে যার কারণ ব্যক্তিগত ঈর্ষা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা এবং অকৃতজ্ঞতা। ১৯৮৩ সালে সরকারের সমর্থন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও, সরকারের নানা কর রেয়াত ও প্রশাসনিক সুবিধাদি ভোগ করলেও গ্রামীণ ব্যাংক সফল হওয়ার ও প্রফেসর ইউনূসের জন্য সুখ্যাতি বয়ে আনার বিষয়ে সরকারের ভূমিকার জন্য যথেষ্ট কৃতজ্ঞতা ইউনূস প্রকাশ করেননি এমন একটি ধারণাও রয়েছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এ বিষয়ে যথেষ্ট রেগে রয়েছেন। জনৈক বিদেশী পর্যবেক্ষকের মতে, ‘যখনই একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ বিদেশে যান তাঁকে শুনতে হয়-তাঁরা কত সৌভাগ্যবান যে প্রফেসর ইউনূস তাঁদের দেশেরই সন্তান’। ২০০৬ সালে নোবেল পুরস্কার বিজয় এই ব্যাপারটিকে একটি নতুন তুঙ্গে নিয়ে এসেছে। ঢাকার লোক বলাবলি করে যে শেখ হাসিনার নিজেরও অসলোর এই পুরস্কার পাওয়ার স্বপ্ন ছিল।

প্রফেসর ইউনূসের কীর্তিকে ক্ষতি করার প্রচেষ্টায় (প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দল) আওয়ামী লীগ দু’টি বিষয়ের সুযোগ নিচ্ছে। প্রফেসর ইউনূসের কাজের লক্ষ্য হচ্ছে পল্লী অঞ্চল, শহুরে মানুষের কাছে এর আবেদন কম। যদিও ক্ষমতার অনুগ্রহপ্রত্যাশী ধনকুবের মালিকদের নিয়ন্ত্রিত স্থানীয় পত্রিকার তাঁর প্রতি বৈরী ভাবটির কারণ বোধগম্য, এ দেশের সুশীল সমাজের বুদ্ধিজীবীদের নীরবতাটি বেশ পীড়াদায়ক। দ্বিতীয় যে সুযোগটি নেয়া হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণ মডেলটি নিয়ে বর্তমান তাত্ত্বিক সঙ্কট। একসময় সর্বত্র ধন্বন্তরি মনে করা হলেও এর কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা এখন প্রকাশ পাচ্ছে। ভারতে কিছু কিছু ক্ষুদ্রঋণ নামধারী আগ্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড অনেক ঋণ জর্জরিত দরিদ্র মানুষকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র্রঋণ সিস্টেমে এমনটি ঘটেনি, তবুও সন্দেহের দৃষ্টি এখানেও।
তা হলে এখন কি হবে? ঢাকায় বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়ার জন্য সম্ভাব্য সব কিছু করবেন যদিও সরকারের রয়েছে এতে স্বল্প শেয়ার; আর প্রফেসর ইউনূসকে এর প্রধানের পদ থেকে সরাবে। পশ্চিমা জগতে এর প্রতিক্রিয়া কি হয়েছে? শেখ হাসিনাকে ফোন করে এ বিষয়ে তাঁর উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের কাছে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমরা একটি ব্যানানা রিপাবলিক নই।’ (ভাবখানা যেন) ইউনূস বিরোধী ষড়যন্ত্রের ফলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা হলে কি এসে যায়?

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি নোবেল কমিটির সমর্থন

নরওয়ের নোবেল কমিটি ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি তাদের জোরালো সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে নরওয়ের একটি টেলিভিশনে প্রচারিত প্রামাণ্যচিত্র ‘ক্ষুদ্র ঋণের জালে’ এবং বাংলাদেশে প্রকাশিত নানা সংবাদে কিছু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নোবেল কমিটি তাদের এই অবস্থান জানায়।
গতকাল মঙ্গলবার মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার নোবেল কমিটির বিবৃতির কপিসহ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নোবেল কমিটির এই সমর্থনকে আমরা সাদরে স্বাগত জানাই। আমাদের এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে নোবেল কমিটির এই ঘোষণা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংকের মর্যাদা নিশ্চিত করার ব্যাপারে সহায়ক হবে।’
নোবেল কমিটির সচিব গেইর লুন্ডেস্টাড গত ২৭ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলেন, ২০০৬ সালে প্রফেসর ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংককে নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করার আগে কয়েক বছর ধরে তাঁদের যোগ্যতার বিষয়টি দেখা হচ্ছিল। নোবেল পুরস্কারের বেলায় অন্যদের ব্যাপারে যেভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়, একই প্রক্রিয়া তাঁদের ব্যাপারেও অনুসরণ করা হয়। তিনি বলেন, ‘নোবেলের গোপনীয়তার ৫০ বছরের রীতি মেনে বিস্তারিত বর্ণনায় না গিয়ে আমি হলফ করে বলতে পারি, সাধারণত যেভাবে যাচাই করা হয়, এদের ব্যাপারে তার চেয়ে অনেক বেশি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ কমিটি বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক ও নরওয়েজিয়ান বিশেষজ্ঞের সঙ্গে মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে পরামর্শ করেছে বলেও জানান সচিব।
নোবেল কমিটির চিঠিতে বলা হয়, যখন একটি ব্যাংকের ৭০ থেকে ৮০ লাখ ঋণগ্রহীতা থাকে, তখন তার মধ্যে কিছু বিচ্ছিন্ন নেতিবাচক উদাহরণ পাওয়া যেতে পারে। মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের বিষয়ে বিস্তারিত এবং খুবই ইতিবাচক চিত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নোবেল কমিটি পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-02-02/news/128272

আবারও নিউ ইয়র্ক টাইমসে ডক্টর মো ইউনূস

নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তাড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার একজন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিশ্চিহ্ন (বষরসরহধঃব) করতে চাইছেন। ২৯শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ‘মাইক্রোক্রেডিট পাইওনিয়ার ফেসেস অ্যান ইনকুয়ারি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক রিপোর্টে এমন মন্তব্য করা হয়েছে। ওই রিপোর্টটি লিখেছেন লিডিয়া পোলগ্রিন। তিনি লিখেছেন- আবার কোন সেনাসমর্থিত সরকার অথবা সামরিক সরকার এসে ড. ইউনূসকে তাদের শিখণ্ডী করুক- এ ভয়েই শেখ হাসিনা তার ইমেজ ধূলিসাৎ করতে চান। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে এ তথ্য জানিয়েছেন শেখ হাসিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন এমন একজন অবসরপ্রাপ্ত পদস্থ কর্মকর্তা। নাম প্রকাশিত হলে তাকেও রোষানলে পড়তে হবে- এমন আশঙ্কায় তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসকে অনুরোধ জানিয়েছেন তা গোপন রাখতে। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ১৯৯৬ সালের গোড়ার দিকেই শেখ হাসিনার মনে হয় যে, ড. ইউনূসের জনপ্রিয়তা যেভাবে বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে এক সময় তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতে পরিণত হবেন। এ আশঙ্কা থেকেই গ্রামীণ ব্যাংক এবং তার প্রতিষ্ঠাতার স্বাধীনতা সঙ্কুচিত করতে চান তিনি। ব্যাংকের নেতৃত্বে পরিবর্তন দেখতে চান। অবসরপ্রাপ্ত ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০০৬ সালে ড. মুহম্মদ ইউনূস নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তার প্রতি শেখ হাসিনার হিংসা চরম আকার ধারণ করে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি বিভক্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ায় শেখ হাসিনা তাঁকে বড় ধরনের একজন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতে থাকেন। তাকে বিবেচনা করতে থাকেন গুরুতর রাজনৈতিক হুমকি হিসেবে। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ডের দাভোস-এ অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে’র সম্মেলনে এবার উপস্থিত হতে পারেননি ড. ইউনূস। কারণ, তাকে সে সময় কোর্টে হাজিরা দিতে হয়েছে। গ্রামীণ ড্যানোনের শক্তি দই ভেজাল করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন এক রাজনীতিক। ওই মামলায় তাকে কোর্টে হাজিরা দিতে হয়। আরও বলা হয়েছে, ৩৪ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর ব্যাপক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। নরওয়ে টিভিতে একটি প্রামাণ্যচিত্রে গ্রামীণকে দেয়া নরওয়ে সরকারের তহবিল অন্য একাউন্টে স্থানান্তরের অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর ড. ইউনূসের ব্যাপারে অনেকে নানা মন্তব্য করেন। যদিও নরওয়ে সরকার বিষয়টির স্পষ্ট ব্যাখ্যাও দিয়েছে। তারা বলেছে, অন্য একাউন্টে অর্থ সরানো হলেও তাতে অপচয় ঘটেনি। এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুদ্রঋণের ধ্যান-ধারণার বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মন্তব্য করেন, দারিদ্র্য বিমোচনের নামে গরিবদের রক্ত চোষা হচ্ছে। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়, ড. ইউনূসের বয়স ৭০ ছুঁয়েছে, এখন তার অবসরে যাওয়ার সময়। তবে এমন কাউকে তিনি দায়িত্ব দিয়ে যেতে চান যিনি তার কাজটি করতে পারবেন। কিন্তু তেমন কাউকে পাচ্ছেন না। এতে আরও বলা হয়েছে, গ্রামীণ ব্যাংকের ৮৩ লাখ সদস্য রয়েছে যারা প্রতি বছর ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিচ্ছেন। এত বিপুলসংখ্যক মানুষের একটি প্রতিষ্ঠান ক্রমে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ক্ষুদ্রঋণের বিশেষজ্ঞরা শঙ্কায় রয়েছেন যে, গ্রামীণ ব্যাংকের দায়িত্ব যদি সরকারের হাতে চলে যায় তাহলে সেটি রাজনৈতিক স্বার্থোদ্ধারের হাতিয়ারে পরিণত হয়ে এক পর্যায়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। ড. ইউনূস বলেছেন, তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চান। তবে তিনি চাইছেন দায়িত্ব হস্তান্তরের বিষয়টি খুবই যত্নের সঙ্গে সম্পাদিত করতে; যেন ঋণগ্রহণকারী সদস্য এবং ব্যাংকের কর্মচারীদের মধ্যে কোন আতঙ্ক সৃষ্টি না হয়। এমন কাউকে দায়িত্ব দেয়া উচিত হবে না যার মধ্যে গ্রামীণের ধ্যান-ধারণার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই অথবা আন্তরিকতার সঙ্গে সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী নন। তিনি বলেন, আমি খুব সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভাবছি।

http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&view=article&id=1881:...

দাতাগোষ্ঠীর সাথে দূরত্ব বাড়ছে সরকারের

নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূসের প্রতি বৈরী আচরণ, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন মানবাধিকার-পরিপন্থী তৎপরতা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অগণতান্ত্রিক আচরণে সরকারের সাথে দাতাগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত উন্নয়ন সহযোগীদের দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে। এ অবস্খা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশকে প্রদেয় বৈদেশিক সহায়তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। একই সাথে অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের অর্থায়নও। ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদাররা এখানকার উন্নয়নের জন্য নানামুখী তৎপরতার সমন্বিত কৌশলকে যথাযথ মনে করে। এ কারণে উন্নয়ন সহযোগীরা সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে যেমন আর্থিক সহায়তা দেয়, তেমনিভাবে ক্ষুদ্রঋণ দান ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং দরিদ্র পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সহায়তা দিয়ে আসছে। কয়েক দশক ধরে এ কৌশল বাস্তবায়নে তাদের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ ব্যাংক ও এর প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বৈরী আচরণ শুরু হয়। নরওয়ের একটি টিভি স্টেশনে প্রচারিত প্রামাণ্য চিত্রকে সামনে রেখে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের আইনি ব্যবস্খা নেয়ার কাজ শুরু হয়। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে তাকে সরিয়ে দেয়ার ব্যাপারেও উদ্যোগ নেয়া হয়। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তাদের সামনে ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে ১৬ দফা অভিযোগও দেয়া হয়েছে। একই সাথে দেশে শীর্ষস্খানীয় এনজিও ব্যক্তিত্ব এবং এনজিও’র কার্যক্রমের ওপরও নজর রাখা হচ্ছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে, সরকারের গ্রামীণ ব্যাংক ও অন্যান্য এনজিও-বিরোধী অবস্খানের ব্যাপারে নিজস্বভাবে অনুসìধান করে এর সত্যতা পাওয়ার পর বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে উন্নয়ন সহযোগী শক্তি। পশ্চিমের পুঁজিতান্ত্রিক দেশগুলোর উন্নয়ন কৌশলের সাথে ক্ষুদ্রঋণ ও এনজিও কার্যক্রমের বিশেষ যোগসূত্র থাকায় বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে নেয় তারা।
এ দিকে সরকারের জনপ্রিয়তা নিুমুখী হওয়ার সাথে সাথে শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আরেকটি ‘ওয়ান-ইলেভেন’ আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। সরকারেরর শীর্ষ ব্যক্তির নির্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমণি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের কর্তাদের এ ব্যাপারে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে সফল হননি। বরং গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপে আমেরিকান প্রভাবশালী সিনেট ও প্রতিনিধি সভার সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করতে থাকেন। নিউইয়র্ক টাইমস ও ইকোনমিস্টের মতো পত্রিকায় এ ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী মহলে এতটাই আলোড়ন ওঠে যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সরাসরি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফোনে কথা বলেন। এ আলোচনার পরও গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূসের ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হওয়ায় উভয় দেশের মধ্যে সার্বিক সম্পর্ক কী হবে তা নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, গ্রামীণ ব্যাংক ও মানবাধিকার ইস্যুতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রই উদ্বিগ্ন এমন নয়, বিষয়টি নিয়ে স্খানীয় কনসালটেটিভ গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। গ্রুপের পক্ষ থেকে বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে সরকারের কাছে একটি চিঠিও হস্তান্তর করা হয়। এই চিঠিতে বাংলাদেশের বহুপক্ষীয় উন্নয়ন কৌশলের ব্যাপারে উন্নয়ন সহযোগীদের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্তের আগে বিষয়টি বিবেচনায় আনার জন্য বলা হয়।
জানা গেছে, ইস্যুটি নিয়ে অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ কয়েকজন নীতিনির্ধারক বেশ চিন্তিত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর অনমনীয় মনোভাবের জন্য তাদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। সূত্র মতে, এই ইস্যু নিয়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর সাথে যে টানাপড়েন শুরু হয়েছে, তা দূর করতে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাজ্য সফরে চেষ্টা করা হবে। এরপর তিনি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা করছেন। প্রধানমন্ত্রী মনে করছেন­ জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদবিরোধী অবস্খানের জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর সামনে বাংলাদেশে তার সরকারকে সহায়তা করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। অন্য একটি সূত্র অবশ্য বলছে, বাংলাদেশে বিরোধী দলের ব্যাপারে সরকার যে নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে রাজনৈতিক কোনো পক্ষ সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারবে না। এ অবস্খায় সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ আসতে পারে সুশীলসমাজ বা এনজিও ঘরানার শক্তি থেকে। এ কারণেই এ শক্তির ব্যাপারে ব্যবস্খা নেয়ার এটিই উত্তম সময় বলে মনে করছে সরকারের শীর্ষ নীতি নির্ধারক মহল।
এ দিকে সরকারের সাথে পশ্চিমা দেশগুলোর টানাপড়েনের প্রভাব পড়ছে প্রকল্প সাহায্যের ওপর। সরকার ইতোমধ্যে উন্নয়ন কর্মসূচি কাটছাঁট করেছে বিদেশি সাহায্যের স্বল্প অবমুক্তির কারণে।
উন্নয়ন সহযোগীদের স্খানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকার বর্তমান নীতি থেকে সরে না এলে পদ্মা সেতুর মতো বড় কোনো প্রকল্পে সহায়তা দানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।
http://www.dailynayadiganta.com/fullnews.asp?News_ID=all&sec=1

"ডঃ মোহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত"-

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্ট গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর এক সচিত্র প্রতিবেদন ছেপেছে। নয়া দিল্লি থেকে এমিলি ওয়েক্স প্রেরিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টিগেটিং ব্যাংক ফাউন্ডেড বাই মাইক্রো-ফাইন্যান্স আইকন অ্যান্ড নোবেল লরিয়েট’ শিরোনামের এই প্রতিবেদনটি ছাপা হয় ১৫ জানুয়ারি। এতে বলা হয়, একসময় বিশ্বে বৈপ্লবিক এবং অনুকরণীয় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত ক্ষুদ্রঋণ মডেলের ওপর বাংলাদেশ সরকার গত সপ্তাহে তদন্তকাজ শুরু করেছে, যা ‘গ্লোবাল মাইক্রো-ক্রেডিট ইন্ডাস্ট্রি’র ওপর সর্বশেষ এক আঘাত। নরওয়ে সরকারের তদন্তে কোনো প্রকার দুর্নীতি পাওয়া না গেলেও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তদন্ত তাতে ক্ষান্ত হয়নি এবং সত্তর বছর বয়স্ক ড. ইউনূস ‘সত্যকে যথাসত্বর জনসমুক্ষে তুলে ধরতে’ স্বাগত জানিয়েছেন।

তবে প্রতিবেদনটি পর্যবেক্ষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত তদন্ত উদ্যোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেহেতু ২০০৭ সালে এই অর্থনীতিবিদ নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠনে প্রয়াসী হন, যদিও ১৪ কোটি জনগোষ্ঠীর চড়াই-উতরাই মুখর রাজনীতির দেশে সে উদ্যোগ তিনি পরিত্যাগ করেন। প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ক্ষুদ্রঋণের অতীত-সমর্থক শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে জনসমুক্ষে বলেছেন, ক্ষুদ্র ঋণদাতারা ‘দারিদ্র্যবিমোচনের নামে গরিব মানুষের রক্ত শুষে নিচ্ছে’।

ড. ইউনূসকে ১৮ জানুয়ারি আদালতে হাজিরের নির্দেশ

শান্তিতে নোবেল জয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহম্মদ ইউনূসকে আগামী ১৮ জানুয়ারি সশরিরে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে অশালীন উক্তি করার অভিযোগে দায়ের করা মানহানির মামলায় এ নির্দেশ দেয় আদালত। আজ ময়মনসিংহের ১নং আমলি আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এ নির্দেশ দেন। ২০০৭ সালের ১৭ জানুয়ারি গ্রামীণ ব্যাংকের সদর দপ্তরে বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ড. মুহম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা কেবল অর্থের জন্য রাজনীতি করে। এখানে আদর্শের কোন ব্যাপার নেই। তার এ মন্তব্য পরদিন ১৮ জানুয়ারি সকল দৈনিক পত্রিকা ও মিডিয়ায় প্রচার হয়। জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু অশালীন মন্তব্যের জন্যে ওই বছরের ২১ জানুয়ারি মানহানি মামলা দায়ের করেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে। ওই মামলার শুনানি শেষে আজ এ আদেশ দেন বিচারক।

উনাদের মান আছে তা আবার হানিও হয় তা তো জানতাম না!

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla