Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

হ্যালো সেনাবাহিনী, সামনে আসুন।

Bangladesh

পেন্ডুলামের আওয়াজ কি ছাউনি পর্যন্ত পৌছায়নি? পেশি শক্তির ঝনঝনানি কি কানে বাজেনি? তাহলে অপেক্ষা কেন? বেরিয়ে আসুন ছাউনি হতে। ট্যাংক আর কামানের গুড় গুড় আওয়াজে প্রকম্পিত করে ফেলুন রাজপথ। দেশ আজ যুদ্ধাক্রান্ত। ক্ষমতার মসনদ নিয়ে ১৬ কোটি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে দেশের রাজনীতিবিদগণ। সাথে যোগ হয়েছে ধর্মীয় উন্মাদনা। চতুর্দিকে যুদ্ধের দামামা। মানুষ মরছে পাখির মত। পশুত্বের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে মনুষ্যত্ব। স্বাভাবিক জীবন আজ নির্বাসিত। জাতির ক্রান্তিলগ্নে হায়েনা রাজনীতিবিদদের হাতের পুতুল হয়ে ছাউনিতে বসে থাকার জন্য আপনাদের লালন করা হয়নি। সৈনিকের স্থান যুদ্ধের মাঠ। দেশের প্রতিটা গলি আজ যুদ্ধের মাঠ। দাউ দাউ করে জ্বলছে জনপদ। সময় এখন আপনাদের। জাতি কান পেতে অপেক্ষায় আছে আপনাদের বুটের আওয়াজের। সামনে আসুন... প্রকম্পিত করুন রাজপথ, মাটির সাথে মিশিয়ে দিন রাজনীতি নামের এ পৈশাচিকতা... নেংটা করুন রাজনীতিবিদ নামের এসব লুটেরাদের নোংরা, গন্ধযুক্ত পশ্চাৎদেশ।

Comments

যাত্রীদের পণ্য চুরি : বিমানের

যাত্রীদের পণ্য চুরি : বিমানের ১৫ কেবিন ক্রু বরখাস্ত
ভোরের কাগজ : মঙ্গলবার, ৭ মে ২০১৩
কাগজ প্রতিবেদক : হিথ্রো বিমানবন্দরে চোরাচালানের মালামালসহ ধরা পড়ায় বাংলাদেশ বিমানের একজন চিফ পার্সারসহ ১৫ জন বিমানকর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেভিন স্টিলের নির্দেশে তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়।

বরখাস্ত প্রসঙ্গে কেভিন স্টিল বলেন, লন্ডন থেকে ফেরার পরপরই তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। তারপরও অপেক্ষা করা হচ্ছেÑ লন্ডন থেকে কী ধরনের রিপোর্ট আসে তা দেখার জন্য। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই তদন্তপূর্বক আরো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ জাতীয় অপরাধ করে কেউ পার পাবে না।

এদিকে এক সঙ্গে এতো কর্মকর্তা বরখাস্ত হওয়ায় গোটা বিমানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে কখনই এ জাতীয় অপরাধের অভিযোগে তাৎক্ষণিকভাবে এতো বেশি সংখ্যক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অবশ্য বিমানের মহাব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর এ ধরনের ঘটনা ঘটলেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কাউকেই রেহাই দেয়া হয়নি। বরখাস্তকৃতরা হলেন চিফ পার্সার তোজাম্মেল হোসেন খান, দিলরুবা, তাহের, রিনি, জলি, সিনথিয়া, ঐশী, মনির, তৌফিক, আমিন, ইফতেখার, ফারজানা, দিপ্তি, মারুফ ও আমিন। বিমানের প্রশাসন শাখা থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

জানা গেছে, গত ১ মে লন্ডনের ফ্লাইটে কর্তব্য পালনের সময় বরখাস্তকৃতরা অবৈধভাবে ফ্লাইটের খাবার, সিগারেট ও মদ নিয়ে যাওয়ার সময় হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়েন। পরে তাদের আর্থিক জরিমানা ও সতর্ক করে ছেড়ে দেয় হিথ্রোর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে হিথ্রোতে সৃষ্টি হয় তোলপাড়। হিথ্রো বিমানবন্দরে কর্মরত বিমানের যাত্রী সেবার দায়িত্বে নিয়োজিত বাবুল চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, বিষয়টির সমাধান হয়ে গেছে। তবে কেবিন ক্রুরা বুঝতে পারেননি ওইদিন তাদের এভাবে হাতেনাতে ধরে ফেলা হবে।

হিথ্রো বিমানবন্দরে কর্মরত বিমানের একজন কর্মকর্তা জানান, ১ মে বিজি ০১৫ ফ্লাইটটি সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ফ্লাইটটি হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন মুনির পাইলটদের জন্য সরংক্ষিত গেট দিয়ে বের হয়ে যান। এরপর চিফ পার্সার তোজাম্মেলের নেতৃত্বে বের হয়ে আসেন কেবিন ক্রু দিলরুবা, তাহের, রিনি, জলি, সিনথিয়া, ঐশী, মনির, তৌফিক, আমিন, ইফতেখার, ফারজানা, দিপ্তি, মারুফ ও আমিন।

তাদের হাতে নিজস্ব লাগেজ ছাড়াও ছিল ছোট পলিথিনের ব্যাগ। তাদের হাতব্যাগের সাইজ দেখে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। এরপর লাগেজ ও হাতব্যাগ তল্লাশি করে তাতে অস্বাভাবিক পরিমাণে সিগারেট ও শুকনো খাবার খুঁজে পান কর্মকর্তারা। পরে কাস্টমস কর্তারা নিশ্চিত হন এসব ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা ভোগ্যপণ্য। এ ব্যাপারে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এ সময় তোজাম্মেল পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে মদ, সিগারেট ও খাবার উদ্ধার করা হয়। পরে ডেকে আনা হয় ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন মুনিরকে। তিনিও তাদের কা- দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। উপায়হীন হয়ে তিনি অভিযুক্তদের পক্ষে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে আর এমনটি ঘটবে না বলে মুচলেকা দেন। তবে এজন্য হিথ্রো বিমানবন্দরে প্রায় ৬ ঘণ্টা কাস্টমসের সঙ্গে দেনদরবার চলে।

ওই ফ্লাইটের একজন যাত্রী জানান, ঢাকা থেকে লন্ডনের দীর্ঘ যাত্রাপথে ফ্লাইটের ভেতরে যাত্রীদের চাহিদা মতো প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পানীয় ও সিগারেট দিতে কার্পণ্য করা হয়। অথচ ফ্লাইট থেকে নেমে যাবার সময় কেবিন ক্রুরা ব্যাগ ভরে সেগুলো নিয়ে যান। তারা লন্ডনের হোটেলে থাকার সময় এসব খাবার খান। অথচ বিমান থেকে খাবার ও অন্যান্য খরচ বাবদ তাদের ঘণ্টাপ্রতি ১৮ মার্কিন ডলার দেয়া হলেও তারা সেটা সাশ্রয় করার জন্য বিমান যাত্রীদের খাবার নিয়ে যান। একই ভাবে ডিউটি ফ্রি পণ্য হিসেবে বিমানবন্দর থেকে এক কার্টন সিগারেট ১৬ ডলার দিয়ে কিনে লন্ডনে বিক্রি করে দ্বিগুণ দামে। এ জন্য তারা প্রত্যেকেই কয়েক কার্টন সিগারেট নিয়ে থাকেন। কেবিন ক্রুরা দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনৈতিক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এবার তারা হাতেনাতে ধরা পড়ে যাওয়ায় তোলপাড় শুরু হয় হিথ্রো বিমানবন্দরে। জানতে চাইলে বিমানের এমডি কেভিন স্টিল বলেন, এ ঘটনা শোনার পর লন্ডনের দুজন স্টেশন ম্যানেজারের সঙ্গেই কথা বলেছি। তারা সেখানকার কাস্টমস বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। তাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি ওই ফ্লাইটের ক্যাপ্টেনের কাছ থেকে কিছুই পাওয়া যায়নি। তবে দুজন কেবিন ক্রুর কাছে ৮ কার্টন সিগারেট ও একজনের কাছে সফট ড্রিংকস পাওয়া যায়। ব্রিটিশ কাস্টমস রুলস অনুযায়ী একজন যাত্রী বা কেবিন ক্রু মাত্র এক কার্টন সিগারেট নিতে পারেন।
http://www.bhorerkagoj.net/new/blog/2013/05/07/115987.php

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla

JUST VIEWED

Last viewed: