Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

আসুন স্বাগত জানাই নাম পরিবর্তনের সাংস্কৃতিকে!

Dhaka Airport
ধারণাটা আগের একটা লেখাতেও প্রকাশ করেছিলাম, কাজ হয়নি, পাঠকদের গেলানো যায়নি যেভাবে চাইছিলাম। স্থান, কাল ও চাহিদার কথা ভেবে নতুন করে পানি ঢালতে সাহস করছি পুরানো বোতলে। ব্যাপারটা দেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে নাম বদলের পালাগান নিয়ে। আগের সরকারের মত এ সরকারও ভাল করে ডানা মেলার আগেই গাইতে শুরু করে দিল সেই পরিচিত গান, "এ দেশের যা কিছু সব আমার পিতার, এতদিন যারা ভোগ-দখল করে আসছিল এবার তাদের বিদায়ের পালা"। শোনা যায় বিদায় তালিকা হতে কবর পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছেনা। পালাগানের শুরুটা রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, গরুরহাট ও খেলার মাঠের মত ইন্‌সিগনিফিকেন্ট স্থাপনাগুলো দিয়ে শুরু যা গণশৌচাগার পর্যন্ত গড়াতে বিশেষ লজ্জা ও সময় লাগেনি। যেহেতু দেশের সর্বোচ্চ আদালত শাষনতন্ত্রের ৫ম সংশোধনী অবৈধ ঘোষনা করেছে, তাই অবৈধ হয়ে গেছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের শাষনামল ছাড়া বাকি সব শাষনামল। সুতরাং তালিকা করে অবৈধ ঘোষনা করে হল ’অবৈধ’ শাষনের নেতা-নেত্রীর নামে জাতীয় স্থাপনা সমূহের নামকরন। এর আগেও একই পালাগান গেয়ে জনৈকা স্ত্রী ঘোষনা দিয়েছিলেন, ‘এ দেশের যা কিছু আছে সবই আমার স্বামীর, অবৈধ ভোগ দখলকারীদের এবার উৎখাতের পালা‘। বলতে দেরী কিন্তূ বাস্তবায়নে দেরী হলনা। রাতারাতি বদলে গেল কলেজ, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট, সেতু ও পয়ঃনিস্কাসন সহ তাবৎ স্থাপনার নাম সমূহ। জাতি ধন্য হল ঘন ঘন নামবদলের ঐতিহাসিক স্বাক্ষী হতে পেরে।

যেহেতু গণতান্ত্রিক শাষন ব্যবস্থায় ক্ষমতা চীরস্থায়ী কোন ম্যান্ডেট নয়, আমরা ধরে নিতে পারি ক্ষমতার পালাবদলও রূপকথার অলীক কোন গল্প নয়। শুধু গবেষনার কারণে ধরে নিলাম আগামী নির্বাচনে পিতার মালিকানা কেড়ে স্বামীর মালিকানা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হল অভাগা জাতি। সন্দেহ নেই স্বামীর মালিকানায় নিয়োগপ্রাপ্ত উচ্চ আদালতের বিচারকগনও মহাসমারোহে ৫ম সংশোধনী ফিরিয়ে দিয়ে নিজদের ধন্য করবেন। বৈধতা পেয়ে আবারও নাম বদলের পালাগানে ফিরে যাবে স্বামীর দল। জাতিও নতুন করে স্বাক্ষী হবে পরিবর্তনের ঐতিহাসিক মুহুর্তের। এমনও হতে পারে ৫ বছর অন্তর অন্তর পিতা ও স্বামীর দল পালাবদল করে ক্ষমতার স্বাদ গ্রহন করছে। ঘন ঘন জাতীয় স্থাপনা সমূহের নাম পরিবর্তন খুবই উচ্চমূল্যের প্রকল্প, যার দাম পরিশোধ করতে হয় সেই অভাগা ম্যাংগো পিপলদেরই। এ হতে উত্তরনের বৈজ্ঞানিক উপায় বের করার আগ পর্যন্ত আমি নিজে একটা বাবুরহাটীয় প্রস্তাব করছি।

নির্বাচন কমিশন হতে পারে এ ব্যাপারে কার্য্যকরী যন্ত্র। ধারণাটা খুবই সোজা; নাম পরিবর্তনের সাংস্কৃতিকে আইনগতভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। নির্বাচনী কর্মসূচী হিসাবে প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে আগ বাড়িয়ে ঘোষনা দিতে হবে ক্ষমতায় গেলে দলটি কোন স্থাপন সমূহের নাম পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছে। সাথে জমা দিতে হবে প্রকল্প বাস্তবায়নের সমপরিমান অর্থ। যারা প্রয়োজনীয় অর্থ জমা করতে ব্যর্থ হবে তারা হারাবেন নাম পরিবর্তনের অধিকার। এমন একটা আইন প্রয়োগ করা গেলে দেশে তৈরী হতে পারে বেশ কিছু বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্প, সাথে কর্মসংস্থানের আওতায় লাভবান হতে পারবে বেশ কিছু বেকার স্বদেশী। ’সরকার কা মাল দরিয়া মে ঢাল’ এ জাতীয় বেনিফিট নিয়ে আমাদের রাজনীতিবিদ্‌দের উদর এমনিতেই স্ফীত হয়ে আছে, নাম পরিবর্তনের হা ডু ডু খেলা প্রবর্তন করা গেলে স্ফীত উদরের মেদ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে।

পিতা ও স্বামীর নাম অমর করে রাখার যুদ্ব ম্যাংগো পিপলদের জন্যে হতে পারে খুবই লাভজনক ও এন্টারটেইনিং যুদ্ব যদি এর জন্যে পরিশোধ করা হয় যথাযত মূল্য। তাই আসুন স্বাগত জানাই নাম পরিবর্তনের বাংলাদেশীয় রাজনীতিকে।

Comments

'জিয়া' নামলো, উঠলো 'শাহজালাল'

Photobucket
ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিমানবন্দর থেকে জিয়ার নামফলক সরিয়ে নেওয়ার পর মঙ্গলবার সেখানে হজরত শাহজালালের নামফলক তোলা হয়েছে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার রাতে নামফলক প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের ওপরে স্থাপিত 'জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' এর নামফলক থেকে 'জিয়া' শব্দটি খুলে নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নতুন নামফলক 'হজরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' তোলা হয়।

বাংলা নামফলকটি পরিবর্তনের কাজ শেষ, ইংরেজি ও আরবি ফলকটি পরিবর্তনের কাজ মঙ্গলবার সকালে চলতে দেখা যায়।

বিমানবন্দরের একাধিক পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সরকারি সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে নামফলক পরিবর্তন করার কাজ শুরু হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পাওয়ার পর এ পরিবর্তনের কাজ শুরু হয় বলে তারা জানান।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে ইসলাম প্রচারক শাহজালালের নামে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো, পঞ্চম সংশোধনী নিয়ে আদালতের রায়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এ পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে বিএনপি আমলে বিভিন্ন স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়েকদিন আগে বলেন, তাদের (বিএনপি) 'শিক্ষা' দিতেই বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

জিয়াউর রহমানের গড়া দল বিএনপি বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার প্রতিবাদ সমাবেশও করবে তারা।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক ও দেশের প্রথম সামরিক আইন প্রশাসক জিয়া রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় সেনা অভ্যূত্থানে নিহত হওয়ার পর ১৯৮৩ সালে তার নামে বিমানবন্দরের নাম করা হয়।
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=121144&hb=5

নামফলক থেকে বাদ 'জিয়া'

অবশেষে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামফলক থেকে পুরোপুরি বাদ পড়ল 'জিয়া'। গতকাল রাতে বিমানবন্দরের বাংলা ও ইংরেজি দুটি নামফলক থেকেই 'জিয়া' শব্দটি নামিয়ে ফেলা হয়। অবশ্য এর আগে গত মঙ্গলবার থেকে জিয়া অংশটির বাতি নিভিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব শফিক আলম মেহেদী নামফলক পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গতকালই মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্তের গেজেট নোটিফিকেশনের কপি মন্ত্রণালয়ে আসে। পরে তা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে পেঁৗছানো হয়।

বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে টার্মিনাল-১ থেকে ইংরেজি ও টার্মিনাল-২ থেকে বাংলা নামফলকের 'জিয়া' অংশটি নামানো শুরু হয়। রাত ৯টার দিকে তা শেষ হয়। তবে রাত ১২টা পর্যন্ত বিমানবন্দরের নতুন নাম হযরত শাহজালাল (রহ.) শব্দগুচ্ছের ফলকটি বসানো হয়নি। রাতের মধ্যে অথবা আজ মঙ্গলবার সকালে নামফলকে হযরত শাহজালাল (রহ.) শব্দটি সংযোজিত হওয়ার কথা।

১৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলে 'হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' করা হয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল সম্পর্কিত রায় অনুসারে দেশে কোনো স্বৈরশাসকের নামে কোনো স্থাপনার নাম থাকতে পারে না। তবে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এর প্রতিবাদে নানা কর্মসূচি পালন করছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে ১৯৮১ সালে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করে।

সূত্র: কালের কন্ঠ
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১০

প্রধানমন্ত্রীর ‘শিক্ষা’ কাজে লাগাবে বিএনপি!

বিএনপিকে ‘শিক্ষা’ না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এবং তাঁর দল আওয়ামী লীগ ও এর নেতা-কর্মীদের অতীত থেকে শিক্ষা নিতে বললেন বিএনপির নেতারা। তাঁরা বলেছেন, নাম পরিবর্তনের যে শিক্ষা এই সরকার দিয়েছে, তা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে বিএনপি কাজে লাগাবে।
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় নেতারা এসব কথা বলেন।
এর আগে গত শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও আওয়ামী লীগকে অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান।

গতকালের আলোচনা সভার প্রধান অতিথি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আপনি (শেখ হাসিনার) এবং আপনার দল এখনো অতীত থেকে কোনো শিক্ষা নিতে পারেননি। এখনো সময় আছে বিএনপিকে শিক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে নিজেকে এবং নিজের দলকে শিক্ষা দেওয়ার। তা না পারলে ভবিষ্যতে আপনাদের পরিণতি হবে ভয়াবহ।’ তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করেছিলেন। জনগণ তখন আওয়ামী লীগকে শিক্ষা দিয়েছিল। বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে ভয় পায়। এ জন্য বোকার মতো তারা জিয়ার নাম মুছে ফেলার বৃথা চেষ্টা করছে।

সভার সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে নাম পরিবর্তনের শিক্ষা দিয়েছেন। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া শিক্ষা অনুযায়ী একই কাজ করবে।’ বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধানের শীষে রক্ত জমেছে। স্বাধীনতা সূর্যের চারপাশে কালো মেঘ জমেছে। শকুনেরা বাংলার আকাশে ডানা মেলেছে। তাই এখন একুশের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান, সাংবাদিক সাদেক খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহবুব উল্লাহ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

শিক্ষা দিতেই নাম বদল: বিএনপিকে হাসিনা

বিএনপি-জামাত জোট সরকারের শাসনামলে আওয়ামী লীগ সরকারের তৈরি কমপক্ষে আড়াইশ প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের ফলেই বর্তমানে কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম বদল নিয়ে বিরোধীদলের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, 'আমি জানি, অনেকেই সমালোচনা করেন-কেন এই কাজ করতে গেল? এটা করতে হয়। যারা শেখে না, যারা শিক্ষা পায় না অন্তত তাদের একটু শিক্ষা দেবার দরকার আছে যে আপনি যদি অপকর্ম করেন তাহলে তার জবাব একদিন পাবেন।' এ সময় স্বাধীনতা, জনগণ ও মানবাধিকারের বিরুদ্ধে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মদদদাতাদের সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক হওয়ারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় দেশের মানুষ খুশি হলেও খুনিদের মদদদাতা মহলের মন খারাপ হয়েছে। বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হতে দেয়নি, খুনিদের মদদ দিয়েছে, জন্মদিন না হওয়া সত্ত্বেও খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করে খুনিদের উৎসাহিত করেছে। এসব কারণেই খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর নিয়ে তারা কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'খুনিদের পক্ষে বললে জনগণ মেনে নেবে না সেটা তারা জানে। আর বিপক্ষে বলবে, সেতো মন চায় না, মন মানে না সেটা। কাজেই খুনিদেরকে মদদদানকারী, খুনিদেরকে উৎসাহ দানকারী, বিচারের হাত থেকে রক্ষাকারী-এরা আর যাই হোক জনগণের কল্যাণ করতে পারে না, জনগণের নিরাপত্তা দিতে পারে না, দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। এরা শুধু জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করতে পারে, একুশে আগস্ট ঘটাতে পারে, অস্ত্র চোরাকারবারী করতে পারে এবং দেশের সম্পদ নষ্ট করতে পারে।' এখনো এদেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের চক্রান্ত থামেনি- এ কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে খুনিদের দোসররা বাংলাদেশকে এগুতে দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী চারদলীয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ করেন, বাংলা ভাষার পাশাপাশি বিশ্বের সব মাতৃভাষা নিয়ে গবেষণা করার জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কাজ শুরুর পর চারদলীয় জোট সেই কাজ বন্ধ করে দেয়।

এই দিনতো দিন নয় আরো দিন আছে

হাসিনার কিছু কথায় আমি আশ্চর্য না হয়ে পারি না_
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বি.এন.পি. কিছু বলছে না জন্য তাদের মন খারাপ এদিকে পাহারের যে হত্যাযজ্ঞ ঘটল সে ব্যাপারে আ.লীগ কিছু বলছে না কেন?
খালেদ সরকার তো বঙ্গবন্ধু হাসপাতাল, স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করেনি।
তারা বলে জিয় স্বৈরাচার রাষ্টনায়ক তাই তার নামে কিছু থাকবে না, তবে যে হাচিনা স্বৈরাচার এরশাদের সাথে হাত মিলিয়ে তার কাছ থেকে ভোট কিনে ক্ষমতায় আসলো সেটা দোষের কাজ নয়? আর এ কারনে তাদের কেউ ক্ষমতায় না রাখা উচিত।

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla