Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Enough is enough!

Enough is enough
It’s been going for almost a decade and there is no sign of end to this. I’m talking about the cycle of religious madness which utterly and disgracefully dividing our precious world. It was implanted in the minds of few twisted rich Arabs and later blossomed throughout the world. Jihad in the name of Islam, what good did it bring to ordinary Muslims? Did it help to put extra food on our tables or did it bring ray of hope to resolve any of the burning issues like Palestinian freedom or poverty in Somalia? I believe time has come to ask these questions to ourselves and look for the answers.

The event of 9/11, London bombing, Madrid train bombing, ocean of blood in Iraq, Afghanistan, Pakistan and many other places throughout the world didn’t achieve anything other than demonizing ourselves in the eyes of the rest of the world. Muslim identity is becoming a dire burden to the civilized world, we’re becoming irrelevant to the newly established global world order, even people in the deep jungle of Amazon don’t feel comfortable to be with is, to travel together with us. Suspicion, mistrust and disrespect this is what you get as a Muslim thanks to so-called Jihad.

Time is running out and we need to speak up against barbarism of Jihad. Islam never supported and never should support killings of innocent people regardless of their race, color, ethnicity or religious identity. In the past our ancestors used to lead this word for the betterment of mankind, and look where we’re now?

Comments

বাংলাদেশী সাদেকীর সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে জড়িত হওয়ার অজানা কাহিনী

এনা, নিউইয়র্ক থেকে

যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার দায়ে দীর্ঘ মেয়াদি কারাদন্ডে দন্ডিত বাংলাদেশী বশোদ্ভূত আমেরিকান এহসানুল ইসলাম সাদেকী এবং পাকিস্তানী-আমেরিকান সাঈদ হারিস আহমেদ কীভাবে এফবিআইয়ের গোচরে পড়েছিল এবং কীভাবে তাদের বিরুদ্ধে তথ্য-উপাত্ত তৈরী করা হয় ইত্যাদি উপস্খাপন করেছে এফবিআই। উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষায় সর্বাদিক জনপ্রিয় ঠিকানা পত্রিকার চলতি সংখ্যা (১ জানুয়ারি, শুক্রবার)য় তা প্রকাশ করা হয়েছে।

আটলান্টার মিড টাউনে অবস্খিত মসজিদে সাক্ষাৎ ঘটে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এহসানুল ইসলাম সাদেকীর সাথে পাকিস্তানী-আমেরিকান সাঈদ হারিস আহমদের। হারিস জন্মেছে পাকিস্তানে এবং ১২ বছর বয়সে ইমিগ্র্যান্ট হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছে। হারিস পড়ছিল জর্জিয়া টেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। অপরদিকে সাদেকীর জন্ম হয়েছে ভার্জিনিয়ায় এবং আটলান্টায় একটি অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংস্খায় সে কাজ করতো। বাস করতো আটলান্টার উপকন্ঠ রজওয়েলে মা এবং বোনের সাথে। মসজিদে পরস্পরের মধ্যে বন্ধুত্ব ভাব গড়ে উঠার পরই তারা উভয়ে একই মনোভাবাপন্ন বলে প্রতিয়মান হয়। জিহাদে অংশ নেয়ার ব্যাপারেও উভয়ে একইমত পোষণ করে। তারা অনলাইনে চ্যাটিংয়ে অনেক সময় ব্যয় করে। সে সময় তারা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সাথে পরিচিত হয় এবং কীভাবে সন্ত্রাসী গ্রুপে ভর্তি হওয়া যায়-সে ব্যাপারেও যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইনে। সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন হামলার ভিডিও প্রদর্শন করে এবং কীভাবে টার্গেটে ঝাপিয়ে পড়তে হয় সে ব্যাপারেও জ্ঞার্নাাজনে সচেষ্ট থাকে। শুধু তাই নয়, একইধরনের মনোভাবাপন্নদের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হওয়ার জন্যেও তারা উদগ্রিব থাকে।

এভাবে যতদিন অতিবাহিত হয় ততই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে জেহাদে সরাসরি অংশগ্রহণের ব্যাপারে। তারা টেররিজমের ওয়েবসাইটে চষে বেড়ায় এবং যতবেশী সম্ভব ধারণা অর্জন করতে থাকে। সাদেকী এবং হারিস পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হয় এবং তারা অঙ্গিকারাবদ্ধ হয় যে জীবনে-মরনে কেউ কারো বিপক্ষে যাবে না।

২০০৪ সালের শেষার্ধের কথা, তারা জর্জিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল ভ্রমণ করে। আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যদের যেভাবে অস্ত্র পরিচালনার যাবতীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, তা তারা উভয়ে শিখে নেয় ঐ এলাকা থেকে। এর পরের বছরের মার্চে তারা গ্র্যাহাউন্ড বাসে উঠে কানাডায় যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে এমন ৩ জেহাদীর সাথে তারা কানাডায় মিলিত হয় এবং সপ্তাহখানেক কানাডাতে অবস্খান করে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে যাবতীয় শলাপরামর্শ করে। কানাডা সংসদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্খাপনায় বোমা হামলার ষড়যন্ত্র করার দায়ে কানাডা পুলিশ কর্তৃক পরবর্তিতে গ্রেফতার হওয়া ১৮ জনের একজনের সাথেও তারা দীর্ঘ বৈঠকে মিলিত হয়। কানাডায় সন্ত্রাসী হামলার ঐ ষড়যন্ত্র ফাঁস হয় ২০০৬ সালে।

২০০৫ সালের এপ্রিল, সাদেকী এবং হারিস আটলান্টা থেকে পিকআপ ভ্যানে করে ওয়াশিংটন ডিসিতে যায়। সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ স্খাপনার ভিডিও ধারণ করে তারা। এর মধ্যে ক্যাপিটল হিল, হোয়াইট হাউজ এবং পেন্টাগণও রয়েছে। কমপক্ষে ৬০টি স্খাপনার ভিডিও করে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের হামলায় বিশেষ সহায়তার উদ্দেশ্যে। পরবর্তিতে সাদেকী সেগুলো প্রেরণ করে ইউনূস টিসোলি ওরফে ইরহাবি০০৭ এবং আবিদ হুসেন খানের কাছে। ইউনূস টিসোলি হচ্ছে আল ক্বায়েদার ওয়েবমাস্টার, আলক্বায়েদাতে ভর্তির মূল ব্যক্তি এবং আল ক্বায়েদার অভিযানের সপক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্যে বিভিন্ন প্রচারণা চালানোর প্রধান সংগঠক। অপরদিকে আবিদ হুসেন খান হচ্ছে পাকিস্তান ভিত্তিক দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সহায়তাকারী। ওরা দুজনই যুক্তরাজ্যে সন্ত্রাসী তৎপরতায় লিপ্ত থাকার দায়ে বর্তমানে জেল খাটছে।

২০০৫ সালের গ্রীষ্মে সাদেকী এবং হারিস বিদেশ সফরে বের হয়। হারিস যায় পাকিস্তানে এবং সেখানে মিটিংয়ে মিলিত হয় আবিদ হাসান খানের সাথে। তার মাধ্যমে হারিস জিহাদী প্রশিক্ষণের ক্যাম্পে যেতে চায়। তবে এসব বিষয় পাকিস্তানে তার নিকটাতীয়দের কেউই জানতেন না। অপরদিকে সাদেকী চলে যায় বাংলাদেশে। ঢাকায় সে মিলিত হয় সন্ত্রাসী টিসোলি এবং সুইডেনের সন্ত্রাসী মিরসাদ বেকটাসেভিচের সাথে। তারা ৩ জনের পরামর্শ করে ইউরোপে জিহাদী গ্রুপ গঠনের ব্যাপারে। সুইডেনভিত্তিক এ সংগঠনের নাম হবে আল ক্বায়েদা ইন নর্দার্ন ইউরোপ (এজন্যে সাদেকী আগেই সুইডেনের ভিসা সংগ্রহ করেন)। এর কদিন পরই মিরসাদ গ্রেফতার হয় বসনিয়া-হারজেগভিনার রাজধানী সারাজেভতে। তাকেও জেল দেয়া হয়েছে সন্ত্রাসে লিপ্ত থাকার দায়ে।

অনলাইনে চ্যাটিংয়ের সময় সাদেকী এবং হারিসের মধ্যে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসে অংশগ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবার সময়েই এফবিআইয়ের নজরে আসে উভয়ে। কিন্তু এটি তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারেনি।

২০০৫ সালের গ্রীষ্মে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ জানতে পারে যে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিদেশে তদন্তরত উচ্চ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তার সাথে ই-মেইল যোগাযোগ স্খাপিত হয়েছে আটলান্টার জনৈক ব্যক্তির। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট টেররিজম টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে আদালতের নির্দেশ নিয়ে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেয়া হয়। কর্তৃপক্ষ জানতে পারেন যে, ১৯ বছর বয়েসী আমেরিকান ঐ যুবকের নাম এহসানুল সাদেকী। সাদেকীর সাথে বিদেশ থেকে এফবিআইয়ের ঐ কর্মকর্তার নিয়মিত ই-মেল যোগাযোগ চলতে থাকে, কিন্তু সাদেকী জানতে পারেনি যে সে এফবিআই অফিসারের খপ্পড়ে পড়েছে। সে ই-মেলের সময়েই সাদেকীর সাথে ২০ বছর বয়েসী জর্জিয়া টেকের ছাত্র সাঈদ হারিস আহমেদের যোগাযোগের তথ্য প্রকাশ পায়। সে সময় এফবিআইয়ের ঐ কর্মকর্তার ছদ্মনাম ছিল ‘নর্দার্ণ এক্সপোজার।’ ঐ দুজনের মধ্যেকার ই-মেইল মেসেজ থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করা হয় কেন সাদেকী সন্ত্রাসী হিসেবে সন্দেহযুক্ত ব্যক্তিদের ব্যাপারে এত উদগ্রীব। সে সময় সাদেকী এবং হারিসের ব্যাপারে আরো বেশী খোঁজ-খবর নেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অবস্খানরত এফবিআইকে সম্পৃক্ত করা হয়। তারা দুজন কখন কোথায় যাচ্ছে, তাদের আয়ের উৎস এবং কোথায় তারা যোগাযোগ করছে ইত্যাদির উপর মনিটরিং শুরু হয়। খুব দ্রুত দুটি ব্যাপার জানতে পারে এফবিআই। প্রথমত জানা যায় যে বিশ্বে বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসবাদে লিপ্তদের সাথে তারা যোগাযোগ স্খাপন করেছে এবং দ্বিতীয়ত: এসব যোগাযোগ চলছে ইন্টারনেটে। এ অবস্খায় এফবিআই চেষ্টা করে আরো বেশী তথ্য সংগ্রহ করার মাধ্যমে এহেন ষড়যন্ত্রে লিপ্তদের গ্রেফতারে। তবে এ নেটওয়ার্কে জড়িত সকলকে গ্রেফতার করতে চায় ফেডারেল প্রশাসন একইসাথে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কর্মরত সহকর্মীদের পরামর্শকেও গুরুত্ব দেয়া হয়। এক পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয় যে সাদেকী ও হারিস তাদের প্রাথমিক কাজ সমাপ্ত করেছেন এবং চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়ার জন্য তারা সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে যাবার পরিকল্পনা নিয়েছেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন বহির্বিশ্বে কর্মরতরা। তারাও সাদেকী ও হারিসের সাথে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্রের গভীর সম্পর্কের তর্থ্য উদ্ঘাটনে সক্ষম হন।

২০০৬ সালের মার্চে এফবিআই সাদেকীর মুখোমুখী হয়। তারা সাদেকীর সহায়তা চায় এহেন ষড়যন্ত্রের মূলোৎপাটনে। তবে সাদেকী অস্বীকার করেন এ ধরনের নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার ব্যাপারে। এ সময় হারিস এফবিআইয়ের সাথে কথা বলে তদন্তে সহায়তার জন্য। একইসাথে গোপনে জানিয়ে দেয় সাদেকীকে সতর্ক থাকতে। এরপরই হারিস আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। এর পরের মাসেই বাংলাদেশ থেকে গ্রেফতার করে আনা হয় সাদেকীকে।

এফবিআইয়ের ডমেস্টিক টেররিজম স্ট্র্যাটেজিক অপারেশন সেকশনের প্রধান মার্ক জুলিয়ানোর স্মৃতিচারণে আরো বলা হয়েছে, সাদেকী এবং হারিসের ষড়যন্ত্র উদঘাটনকালে বিভিন্ন দেশ থেকে আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়া যায় এবং গ্রেফতার করা হয় অন্তত্ ৪০ জনকে-যারা যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য স্খানে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা নিয়েছিল। সাদেকী এবং হারিস কখনোই বন্দুকে ট্রিগার টিপেনি কিংবা বোমাও ফাটায়নি। কিন্তু তারা সারাবিশ্বে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিতদের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী হামলার জন্যে যাবতীয় কর্মপন্থা অবলম্বন করেছিল। এ কথা বলেছেন আটলান্টাস্খ এফবিআইয়ের স্পেশাল এজেন্ট।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ১৪ ডিসেম্বর আটলান্টাস্খ ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ উইলিয়াম এস ডাফি জুনিয়র প্রদত্ত রায়ে এহসানুল ইসলাম সাদেকী (২৩) কে ১৭ বছরের জেল এবং এ দন্ডভোগের পর আরো ৩০ বছর কর্তৃপক্ষের মনিটরিংয়ে কাটাতে হবে। একইসাথে সাঈদ হারিস আহমেদ (২৫) কে ১৩ বছরের জেল এবং এরপর ৩০ বছর মনিটরিংয়ে থাকতে হবে।

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla