Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

এক মাঘে শীত যায়না জনাবা...শীত যায়না!

Bangladeshi
ধর্ম মতে আমাদের সৃষ্টিকর্তার একাধিক নাম। অনেকের মতে ৯৯টা (ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী)। আমরা যারা সমসাময়িক নই তাদের অনেকের নাম এই ৯৯টা নামের মধ্যে সীমাবদ্ধ। যেমন ধরুন রহিম, করিম, ইত্যাদি। এই নামগুলোকে যদি কাগজে লিখতে বলা হয় আমরা কজন তা শুদ্ধভাবে লিখতে সক্ষম হব? নিশ্চয় কেউ না কেউ ভুল করবো। শিক্ষা দিক্ষাকে দায়ি না করে শুধু হিউম্যান ফ্যাক্টর বিবেচনায় আনলে এ ধরনের ভুল স্বভাবিক মনে হবে। মানুষ মাত্রই ভুল করে। এমনটাই হয়ে আসছে অনাদিকাল ধরে। খোদ সৃষ্টিকর্তার ভান্ডারেও ভুলের জন্যে ক্ষমা বরাদ্দ থাকে। এই যেমন আদম হাওয়া নিষিদ্ধ ফল খাওয়া অধ্যায়। আসমানি দুনিয়ায় যা বরাদ্দ থাকে অনেক সময় মাটির দুনিয়ায় তা অসম্ভব। এই যেমন বাংলাদেশের প্রবাদ পুরুষ শেখ মুজিবের নাম। সব ভুলের ক্ষমা আছে কিন্তু এ নেতার নাম লিখায় ভুল করলে তা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এমনই এক অপরাধে চাকরী হতে বহিষ্কৃত হলেন বাংলাদেশের দুই শিক্ষক। নামের আসল অংশ লিখতে ভুল করলে কথা ছিল, ভুলটা ছিল উপাধি নিয়ে। ’বঙ্গবন্ধু’ না লিখে লিখেছিলেন 'বাঙ্গবন্ধু'। গোলমালটা একটা ’আকার’ নিয়ে এবং তাতেই খেলা ফাইনাল। সৃষ্টিকর্তার নাম লেখায় ভুল করে এ দুনিয়া হতে কেউ বহিষ্কৃত হয়েছে কিনা তা হাশরের ময়দানেই জানা যাবে, কিন্তু এ দুনিয়ায় শেখ মুজিব নামের ভুল যে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ তা জানতে আমাদের বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। ধরে নিতে হবে শেখ মুজিবের স্থান খোদারও উপরে। অন্তত বর্তমান সরকারের দৃষ্টিতে। নাকি এ ভুলও ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে বিরোধী দলীয় ষড়যন্ত্র?

নাটোরের মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা এ বিবেচনায় নিজেদের ভাগ্যবান মনে করতে পারেন।

Comments

শেখ ফজিলাতুন্নেছার নামে গাজীপুরে হাসপাতাল হবে

ঢাকা, নভেম্বর ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- গাজীপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ নির্মাণে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সঙ্গে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গণভবনে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ট্রাস্টের পক্ষে সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সচিব কামরুন নেসা খানম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ ফজিলাতুন্নেছার নামে বিশেষায়িত এ হাসপাতালটি গাজীপুরে নির্মাণ করা হবে। এটি বঙ্গবন্ধু ট্রাস্ট্রের একটি প্রকল্প হলেও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, দুইশ ৫০ শয্যার এ হাসপাতাল এবং ৫০ আসনের নার্সিং কলেজ (বিএসসি) প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে এ বছরের শেষে। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ২১৫ কোটি টাকা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/এমএইচসি/পিডি/২১২৬ ঘ.

সচিবালয়ে দুই গ্রুপ মুখোমুখি ছেয়ে গেছে নানা রঙের পোস্টার, ব্যানার

Sunday, 31 October 2010

দীন ইসলাম: সচিবালয়ে দুই গ্রুপ এখন মুখোমুখি। দু’পক্ষই সরকারের আস্থাভাজন হতে চাইছে। এক গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন গত ২৫শে অক্টোবর থেকে এলপিআর ভোগরত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী মো. আরজ আলী। অন্য গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন নিজামুল ইসলাম ভূঁইয়া মিলন। তবে দুই পক্ষই সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের ব্যানারে প্রচার-প্রপাগান্ডা চালাচ্ছেন। আরজ আলী গ্রুপ বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি’র নাম দিয়েও তাদের প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন। এ অবস্থায় গত দুই দিন সচিবালয়ের কর্মচারীদের দুই পক্ষ প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ খায়রুল ইসলামের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে তার বাসায় বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে মুখোমুখি অবস্থা ফেরাতে কিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ওদিকে দেশের এক শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা সচিবালয়ের কর্মরত কর্মচারীদের কোন গ্রুপই সরকারের পক্ষে কাজ করছে না বলে মত দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে তারা কর্মচারী গ্রুপগুলোর দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখার জন্য বলেছে। এরপর থেকেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কর্মচারী সমিতিগুলোর দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে। সুদৃশ্য ডিজিটাল ব্যানার
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্পর্শকাতর সব ভবনে ডিজিটাল ব্যানার টাঙিয়েছে আরজ আলী গ্রুপ। ওই সব ডিজিটাল ব্যানার টাঙানো হয়েছে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি ও বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের নামে। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি ও সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি হিসেবে নাম রয়েছে মো. আরজ আলীর। তবে চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি’র মহাসচিব হিসেবে মো. জাহাঙ্গীর আলম ও সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের মহাসচিব হিসেবে মো. রুহুল আমিনের নাম রয়েছে। মহাসচিব হিসেবে দুই জনের নাম থাকলেও আদতে দুই সংগঠনেরই কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন মো. আরজ আলী। গতকাল সরজমিন বিভিন্ন ভবনের সামনে গিয়ে দেখা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দু’টি, ছয় নম্বর ভবনের সামনে তিনটি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংযোগ রাস্তায় তিনটিসহ বিভিন্ন ভবনে অসংখ্য ডিজিটাল ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এর মধ্যে সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের পক্ষ থেকে টাঙানো ব্যানারে বলা হয়েছে, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ পদক পাওয়ায় সচিবালয়ের সর্বস্তরের কর্মচারীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি’র ব্যানারেও একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে বলা হয়েছে, বিশ্ব শান্তির পতাকা হাতে তুমি দৃপ্ত অভিযাত্রী- জয় হবেই তোমার, সারা বিশ্ব তোমার সহযাত্রী। ওদিকে সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের অন্য কমিটি’র সভাপতি নিজামুল ইসলাম ভূঁইয়া মিলন ও মহাসচিব আতিকুল ইসলাম ভূঁইয়া সুমন। এ গ্রুপটি সচিবালয়ে কোন ব্যানার টাঙায়নি। তবে নিজেদের কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে। এসব ব্যানার টাঙানো সম্পর্কে জানতে চাইলে দু’টি সংগঠনেরই সভাপতি মো. আরজ আলী মানবজমিনকে বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানারগুলো টাঙানো হয়েছে। এটা দোষের কিছু নয়। তবে মিলন এ কথার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যানার টাঙানো যায় না। এটা যারা টাঙিয়েছে তাদের জিজ্ঞেস করেন। সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

পোস্টারের ছড়াছড়ি

সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবনের লিফট ও ফ্লোরগুলোতে চার রঙের বিভিন্ন পোস্টার শোভা পাচ্ছে। গতকাল সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, ছয় নম্বর ভবনের লিফটগুলোর সামনে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সামনে চার রঙা পোস্টারগুলো শোভা পাচ্ছে। আরজ আলীর নেতৃত্বাধীন সংগঠন দু’টোর ব্যানারেই পোস্টারগুলো সাঁটানো হয়েছে। বিশ্ব শ্রমিক দিবসের শুভেচ্ছা উল্লেখ করে পোস্টারে তারা লিখেছে, দিন আসবেই, দিন আসবেই, দিন সমতায়। ওদিকে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির ব্যানারে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাঝখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

হাজার হাজার টাকা খরচ করে সচিবালয় কর্মচারীদের এক গ্রুপ ডিজিটাল ব্যানার ও পোস্টার লাগাচ্ছে। কোন কোন কর্মচারীর অভিমত, এসব অর্থের উৎস কোথায়? মো. আরজ আলী গ্রুপের একটি পোস্টারের নিচে লেখা রয়েছে, সৌজন্যে জুঁই মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড। এ কোম্পানিটি সচিবালয় ও মহানগরীতে বিভিন্ন জায়গায় টাঙানোর জন্য অনেক পোস্টার সৌজন্য হিসেবে দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের সঙ্গে বৈঠক: সমঝোতার চেষ্টা

সচিবালয়ে কর্মচারীদের দুই গ্রুপের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ খায়রুল ইসলাম সমঝোতার চেষ্টা করছেন। গত ২৯শে অক্টোবর নিজামুল ইসলাম ভূঁইয়া মিলন বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের সঙ্গে। বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে নিজামুল ইসলাম ভূঁইয়া মিলন বলেন, আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরে বক্তব্য দিয়েছি। আরজ আলী ২৫শে অক্টোবর এলপিআরে গেছেন। তাই কোন কর্মচারী সংগঠনের নেতা থাকতে পারেন না তিনি। এরপর গতকাল মো. আরজ আলীর নেতৃত্বাধীন গ্রুপটিও প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের সঙ্গে বৈঠক করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। ওই বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানিয়েছেন, আরজ আলী এলপিআরে যাওয়ায় সহসাই বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ ও সচিবালয় বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের কমিটিতে পরিবর্তন আসছে। ফলে দুই গ্রুপের মুখোমুখি অবস্থান ফিরবে কিনা এমন নানা প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে।

শেখ ফজিলাতুন্নেসাকে নিয়ে ওয়েবসাইট

শেখ ফজিলাতুন্নেসাকে নিয়ে ওয়েবসাইট

ঢাকা, অক্টোবর ২১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের আদর্শ তুলে ধরতে বঙ্গমাতা নামে একটি ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গভবনে এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান এই ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন।

বঙ্গমাতা পরিষদের এই ওয়েবসাইটের ঠিকানা হলো www.bangamata.com।

রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ওয়েবসাইটটি উদ্বোধন করে বলেন, "বঙ্গবন্ধুর পাশে ছিলেন ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে বঙ্গমাতাই আওয়ামী লীগকে প্রয়োজনীয় নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন।"

রাষ্ট্রপতি বঙ্গমাতা ওয়েবসাইট গঠনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক, বঙ্গমাতা পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ রাজিয়া মতিন চৌধুরী, উপদেষ্টা মোজাফফর হোসেন পল্টু ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বক্তব্য দেন।

'গাড়িতে মন্ত্রী আছেন'

Friday, 22 October 2010

কাজী সোহাগ: গাড়ির সঙ্গে গাড়ির ধাক্কা লাগায় বেত দিয়ে পেটানো হয়েছে এক চালককে। এ ঘটনায় পথচারীরা স্তম্ভিত। নারায়ণগঞ্জের এমপি সারাহ বেগম কবরীর দেহরক্ষীর এ ঘটনা গতকালের। ঘটনার সময় উৎসাহীরা কেন প্রহার করা হচ্ছে জিজ্ঞেস করলে কবরীর দেহরক্ষী বলেন, গাড়ির মধ্যে মন্ত্রী রয়েছেন। সকাল সাড়ে ১১টায় বাড্ডা-গুলশান লিংক রোডে এ ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদপুরগামী ওয়ান লাইনের (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-২৩১৭) গাড়িটির সঙ্গে কবরীর (প্রাডো, গাড়ি নং-ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৭৫৬) নং গাড়ির সামান্য ধাক্কা লাগে। এরপরই কবরীর দেহরক্ষী ও গাড়ির চালক মোটা বেত নিয়ে গাড়ির হেলপার হারুনের ওপর চড়াও হয়। প্রথমে গাড়ির মধ্যেই তাকে বেদম প্রহার করা হয়। কয়েক যাত্রী এর প্রতিবাদ করেন। তারা বলেন, দোষ তো আপনাদের। ওভারটেক করতে গিয়েই তো এই দুর্ঘটনা হয়েছে। অযথা ওকে পেটাচ্ছেন কেন। এরপরই দেহরক্ষী যাত্রীদের বলেন, এটা মন্ত্রীর গাড়ি। ভেতরে তিনি বসে আছেন। কোন মন্ত্রী প্রশ্ন করা হলে ওই দেহরক্ষী বলেন, এতকিছু জেনে আপনাদের লাভ কি। এরই মধ্যে ওয়ানলাইনের গাড়ির চালক মো. জাবেদকে টানাহেঁচড়া করে গাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রকাশ্যে তাকে চড় থাপ্পড় মারেন ওই দেহরক্ষী। একই সময় কবরীর গাড়িচালক রাস্তার ওপরেই বেত দিয়ে পেটাতে থাকে হেলপারকে। এতে আশপাশের এলাকায় ভিড় ও যানজট সৃষ্টি হয়। দুজনকে পেটানোর পর ক্ষতিপূরণ বাবদ চালকের কাছ থেকে নগদ এক হাজার টাকা আদায় করেন দেহরক্ষী। এ সময় ওই এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট মুনীর আহম্মেদকে কবরী তার গাড়ির কাছে ডাকেন। তাকে ধমক দিয়ে গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেন। এরপরই সার্জেন্ট দুর্ঘটনা সংক্রান্ত অপরাধ ও নিরাপত্তাহীন অবস্থায় গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ এনে মামলা করেন। মামলার একটি কপি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। প্রতিবেদকের সামনেই এ ঘটনা ঘটে। এদিকে মামলার বিবরণীতে সার্জেন্ট তার দেয়া নোটে উল্লেখ করেন- এমপি সারোয়ার/ কবরী স্যারের গাড়িকে লিংক রোড বাড্ডায় বেপরোয়াভাবে চালাইয়া আঘাত। আগামী ৫ই নভেম্বরের মধ্যে ডিসি ট্রাফিক কার্যালয়ে ওয়ান লাইনের গাড়ির চালককে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এ সময় বাসে থাকা যাত্রীরা বিষয়টি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। তারা বলেন, এ কি ধরনের বর্বরতা। প্রকাশ্যে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হলো, টাকা আদায় করা হলো, আবার মামলাও করানো হলো।
http://202.79.16.19/index.php?option=com_content&task=view&id=14278&Item...

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla

JUST VIEWED

Last viewed: