Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

একটি গাড়ি ও একজন নিবাস চন্দ্র মাঝির কেচ্ছা

Bangladesh Police

প্রথম প্রেমের মত প্রথম গাড়িটাও ছিল আমার প্রথম প্রেম। যেখানেই যাই ছায়ার মত কাছাকাছি রাখি। পূর্ব উপকূলের শহর নিউ ইয়র্ক ছেড়ে যেদিন আমেরিকার হিংস্র পশ্চিমের দিকে রওয়ানা দেই মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ১৯৯৪ সালের পুরানো সেডান গাড়িটা। বয়সের ভারে নূহ্য, কয়েক হাজার মাইল ড্রাইভ করার মত অবস্থায় নেই। কেনার মত তাৎক্ষণিক গ্রাহক খুঁজে পাওয়াও প্রায় অসম্ভব। আবার রাস্তায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ফেলে দিলে ইন্সুরেন্স এবং রেজিষ্ট্রেশন ওয়ালারা গন্ধ শুকে পিছু নেবে এবং জরিমানা সহ মুখোমুখি করবে হরেক রকম ঝামেলার। তাই জেক্সন হাইটসের এক বন্ধুর কাছে গছাতে বাধ্য হই। তাও এক মাসের জন্য। নতুন জায়াগায় যেনতেন ভাবে খাপ খাওয়ানোর পর ধর্না দিতে বাধ্য হই ফেলে আসা পুরানো প্রেমের দুয়ারে। নতুন জায়গায় পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বলতে দুয়েকটা বাস ছাড়া আর কিছু নেই। গাড়ি ছাড়া এক কদম সামনে যাওয়ার বিকল্প নেই। তাই বড় অংকের ভাড়া গুনে সুদূর নিউ ইয়র্ক হতে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হই গাড়িটাকে। বছর না ঘুরতে ভাগ্যের চাকায় কিছুটা রং লাগার কারণে নতুন গাড়ি কিনতে হল। দিন যায়, বছর ঘুরে আসে এবং পুরানো গাড়িটাকে বাসার সামনে সাজিয়ে রাখি। ইনসুরেন্স ও মোটর ভেইক্যালস কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত টোল খাওয়াই। চাইলেও বিক্রি করতে পারিনা হরেক কারণে। বুক ভরা মায়া তার অন্যতম। একদিন সকালে হঠাৎ করে আবিস্কার করি গাড়িটা জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই। ছাঁৎ করে উঠল বুকটা।

পুলিশকে খবর দেওয়া বাধ্যতামূলক। তাই দিলাম এবং প্রায় এক ঘন্টা পর ওরা এসে দরজায় কড়া নাড়ল। বর্ণনা করার মত তেমন কিছু ছিলনা। শুধু জানালাম আমার প্রথম প্রেম আমাকে ফাঁকি দিয়েছে। পুলিশ শান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করল এবং জানাল ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা একেবারে ক্ষীণ। গাড়ি ও আমার বিস্তারিত নিয়ে এবং যথাসাধ্য চেষ্টা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওরা চলে গেল। পুরানো অনেক স্মৃতি দীর্ঘশ্বাস হয়ে বেরিয়ে এল বুক হতে। বিকেল না হতেই ভুলে গেলাম ১৯৯৪ সালে তৈরী টয়োটা সেডান গাড়ির মালিক ছিলাম আমি। রাত তখন ৮টা। রাতের খাবারের জন্য তৈরী হচ্ছি। অসময়ে ফোন বাজতে বিরক্ত হলাম। অপর প্রান্তে অচেনা গলার সূরের মূর্ছনায় বিমোহিত হলাম। ভাবলাম হয়ত নতুন কোন ইনস্যুরেন্স কোম্পানী পণ্য বাজারজাত করার চেষ্টা করছে। ভুল ভাঙ্গতে দেরি হলনা। বের্ণালিয়ো কাউন্টি পুলিশ অফিস হতে কেউ একজন খুঁজছে আমাকে। নিজের পরিচয় দিতে জানালো এখুনি আসতে হবে ব্রিজ স্ট্রীটের উপর ম্যাগডোনাল্ডসের পার্কিং লটে। পাওয়া গেছে গাড়িটা। দশ মিনিট ড্রাইভ করে শহরের দক্ষিণ প্রান্তে আসতেই দেখা পেলাম পুলিশ বহরের। অসংখ্য গাড়ি। লাল লাইটের ঘূর্ণায়মান আলোতে বিভীষিকার সৃষ্টি করেছে চতুর্দিকে। গোটা এলাকা সীল করা। সামনে এগিয়ে নিজের পরিচয় দিতে জামাই আদরে এসকর্ট করে নিয়ে গেল গন্তব্যস্থলে। ম্যাকডোনাল্ডসের ঝলমল আলোতে ততোধিক ঝলমল করছে আমার লাল রঙের প্রেয়সী। টুয়েন্টি টু ক্যালিবার পিস্তল, হিরোইন, গাজার পুটলি ও কনডম সহ হরেক রকম উপাদান পাওয়া গেল গাড়ির ট্রাংকে। পুলিশ জানাল টের পেয়ে আসামিরা পালিয়েছে। কিন্তু পাকিং লটের সার্ভেলেন্স ক্যামেরায় পাওয়া গেছে ওদের চেহারা যা দেখে পুরানো রেকর্ড হতে সনাক্ত করা গেছে তাদের পরিচয়। ধরা পরাটা এখন সময়ের ব্যাপার। এবং সপ্তাহ না ঘুরতে হাজির করা হল আদালতে।

নাম নিবাস চন্দ্র মাঝি হলেও ভদ্রলোক কাজে মাঝি নন। জন্ম মেঘনা পাড়ের চাঁদপুরে। অবশ্য মেঘনা নদীতে নাও (নৌকা) বাওয়ার প্রয়োজন হয়নি কোনদিন। কারণ তিনি সিলেট মেট্রো পুলিশের বড় কর্তা, কমিশনার। কমিশনার অনেক বড় মাছ, বাংলাদেশ পুলিশের সাধারণ সিপাহিদেরও প্রয়োজন হয়না গা গতরে কামলা দেয়ার। কারণ পুলিশ বাহিনী মাস্টার অব দেয়ার ওউন ডোমেইন, ভাগ্য গড়ার অলৌকিক কারখানা। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আরোহন মাত্রই ধর্মণিরপেক্ষতার ধারক বাহক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিশেষ একটা ধর্মের প্রতি অনুরক্ত হয়ে পরে। যার প্রতিফলন দেখা যায় প্রশাসনে। ঐ বিশেষ ধর্মের নাগরিকদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে কুড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত করা হয় প্রশাসনের হোমরা চোমড়া পদে। হতে পারে দল ও নেত্রীর প্রতি শর্তহীন আনুগত্যই এনে দেয় এসব ’সাফল্য’। সেই সুবাদে নিবাস চন্দ্রদের এখন ভরা যৌবন। মেট্রো পুলিশের হাল ধরতে বাবু নিবাস চন্দ্রকে যেদিন সিলেটে হিজরত করানো হয় সেদিন হতেই শুরু হয় শহরের আইন শৃংখলা ইতিহাসের নতুন অধ্যায়। এর আগে তিনি ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি। সেখানের ইতিহাস আরও ’গৌরবময়’। আইন শৃংখলার ডিজিটাল অর্থ নাকি পকেট শাসন, বলা হয় ব্যাখ্যাটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত জনৈক আইটি বিজ্ঞানীর বহুদিনের গবেষণার ফসল। সে যাই হোক, কমিশনারের কাজ যদি কমিশন খাওয়া হয় বাবু নিবাস চন্দ্র মাঝি সাফল্যের সাথে পালন করে যাচ্ছেন নিজ দায়িত্ব। তিনি বদলি বাণিজ্যের বাজার খুলেছেন থানায় এবং এক লাফে তিন গুন করেছেন রেট। মাল দিয়ে পকেট সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হলে সাথে সাথে ব্যবহার করেন বদলি অস্ত্র। এবং এ অস্ত্রের খড়গ হতে বাঁচতে সাব-ইন্সপেক্টরের দর ঠিক করেছেন মাথাপিছু দেড় লাখ ও কনস্টেবলের ত্রিশ হতে পঞ্চাশ হাজার। অবশ্য এসব দরের অনেকটাই নির্ভর করে ফাঁড়ি ভেদে। একেক ফাঁড়ির দর একেক রকম। মোটর সাইকেল বানিজ্য বলতে একটা খাত আছে তা প্রথম ইন্ট্রুডিওস করেন সিলেট মেট্রোতে। যাকে পাও তাকে ধর এবং জামাতি কানেকশন অথবা ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে লুটে নাও, এমনকি ১০০ টাকা হলেও - মোটর সাইকেল বাণিজ্যের এমনটাই মৌলিক ধর্ম। শোনা যায় বাবু নিবাস চন্দ্র স্থানীয় ডাকাতদের সাথে আঁতাত করে ডাকাতি প্রতি কমিশন ভক্ষণ করেন। যার কারণে সিলেট শহরের আইন শৃংখলা পরিস্থিতিতে ঘটছে ডমিনো এফেক্ট।

বাবু নিবাস চন্দ্রের বস জনাব মখা আলমগীর এবং জনাব মখা আলমগীরের বস জনাবা শেখ হাসিনা। আমরা সবাই জানি শেখ হাসিনার নির্দেশ ও আদেশ ছাড়া দেশের একটা পিঁপড়াও পা ফেলার অধিকার রাখেনা। এই তিনিই দাবি করছেন, আমেরিকা ও ইউরোপ সংসদ এবং মন্ত্রিসভা সচল রেখে নির্বাচন করতে পারলে আমরাও পারব। কারণ তাদের মত আমরাও নাকি গণতন্ত্রের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছি। আমার মত ম্যাঙ্গোদের একটাই প্রশ্ন, কোন গণতন্ত্র, নিবাস চন্দ্রের গণতন্ত্র? মাতৃভূমিকে উলঙ্গ করে সিরিয়াল ধর্ষকের ভূমিকায় নামা এসব নিবাস চন্দ্রদের হাত ধরেই কি জনাবা হাসিনা আজীবন প্রধানমন্ত্রীর স্বাদ আহলাদ পূরণ করার স্বপ্ন দেখছেন?

http://www.mzamin.com/details.php?nid=NzM1MzI=&ty=MA==&s=MTg=&c=MQ==

Comments

সুশাসনের নাও পাহাড় বাইয়্যা

সুশাসনের নাও পাহাড় বাইয়্যা যায়-...

মন্ত্রী, সাংসদ ও তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা কনটেইনারবাহী ৩২টি জাহাজের লাইসেন্স (অনুমতিপত্র) নিয়ে দুই বছরেও জাহাজ নামাননি। কেউ কেউ গোপনে লাইসেন্স বিক্রি করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ আছে। আর সময়মতো জাহাজ না আসায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে।
জাহাজের অনুমতিপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় আছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদের স্ত্রী নূরান ফাতেমা। এই দুজন এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারের অনুমতিপত্রও নিয়েছিলেন। মহীউদ্দীন খান আলমগীর ব্যাংক (ফারমার্স ব্যাংক) ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ) অনুমোদনও পান। জাহাজের লাইসেন্স পাওয়ার তালিকায় আরও আছেন প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই ও বাগেরহাটের সাংসদ শেখ হেলালউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর ফুফাতো ভাই সাবেক সাংসদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, সংরক্ষিত কোটার মহিলা সাংসদ বেগম নাজমা আক্তারের স্বামী এবং চট্টগ্রামের সাংসদ শামসুল হকের ছেলে। শেখ হেলাল এর আগে মাছ ধরার ট্রলারের লাইসেন্সও পেয়েছিলেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও টার্মিনালে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য কনটেইনারবাহী এসব জাহাজের অনুমোদন দিয়েছিল সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর। কিন্তু অনুমোদন নিয়ে কেউ জাহাজ তৈরি বা আমদানি করেননি। এখন টার্মিনাল চালু করার জন্য বাধ্য হয়েই তিনটি ব্যবহূত (রিকন্ডিশনড) জাহাজ কিনেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। তিনটি জাহাজের দুটি এ মাসেই চট্টগ্রামে এসে পৌঁছাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, জাহাজ না আসায় দুই বছর ধরে পানগাঁও টার্মিনাল অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে। এতে বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু প্রভাবশালী বলে তাদের অনুমোদনও বাতিল করা সম্ভব হয়নি।
কনটেইনারবাহী জাহাজের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। লাইসেন্স পাওয়া বেশির ভাগ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জাহাজ পরিচালনায় কোনো অভিজ্ঞতা নেই। নিয়ম ভেঙে কাউকে একাধিক জাহাজের লাইসেন্সও দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর জোবায়ের আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা জাহাজের লাইসেন্স পেয়েছেন, এটা ঠিক। কিন্তু এতে কোনো অনিয়ম হয়নি। আসলে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এত টাকা বিনিয়োগ করার আগে দেখতে চান, এই ব্যবসা কতটা লাভজনক।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্যবাহী কনটেইনার সড়ক বা রেলপথে ঢাকায় আনতে নানা ঝক্কি-ঝামেলা। এতে খরচও বেশি। নৌপথে কনটেইনার এলে খরচ কম হবে—এমন ভাবনা থেকে কেরানীগঞ্জের পানগাঁও এলাকায় একটি কনটেইনার টার্মিনাল স্থাপনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ১৭৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এই টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শেষ হয় ২০১১ সালে। এরপর চট্টগ্রাম থেকে টার্মিনালে কনটেইনার পরিবহনের জন্য বেসরকারি জাহাজের অনুমতির জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর। এতে ৮০টির বেশি প্রতিষ্ঠান আবেদনপত্র জমা দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ৩২ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জাহাজের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়।
অভিযোগ আছে, লাইসেন্স নেওয়ার পর কেউ কেউ তা বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু অনুমোদনের শর্তানুসারে মালিকানা হস্তান্তরের বিধান না থাকায় তাঁরা কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। তবে প্রথম আলোর কাছে তাঁরা ভিন্নভাবে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি, বড় ধরনের বিনিয়োগ তাঁরা করছেন কোম্পানির মাধ্যমে, এতে কোম্পানির সব পরিচালকেরই শেয়ার থাকতে পারে।
সূত্র জানায়, বাগেরহাটের সংরক্ষিত কোটার সাংসদ বেগম নাজমা আক্তার তাঁর স্বামী খাদেমুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল বিজনেসের নামে লাইসেন্স নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে নাজমা আক্তার বলেন, ‘আমি না, আমার সাহেব ও তাঁর পার্টনার এই লাইসেন্স পেয়েছেন। আমাদের অভিজ্ঞতা না থাকলেও ওর পার্টনারদের অভিজ্ঞতা তো আছে।’
শেখ হাসিনার সাবেক বিশেষ সহকারী আওলাদ হোসেন একটি জাহাজের লাইসেন্স পান। তাঁর প্রতিষ্ঠান আর অ্যান্ড আর ইন্টারন্যাশনাল থেকে তিনি নিজেই আবেদন করেছিলেন। জানতে চাইলে আওলাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি তো ভাই ব্যবসা বুঝি না। কী করব। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী জহুর আহমেদ চৌধুরীর ছেলের কাছে সব বিক্রি করে দিলাম।’
হাছান মাহমুদের স্ত্রী নূরান ফাতেমার প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ মেরিন সার্ভিসের নামে দেওয়া হয়েছে একটি জাহাজের অনুমোদন। জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নুরুদ্দিন বলেন, ‘আমাদের জাহাজ নির্মাণের পর্যায়ে আছে। চট্টগ্রামের এফএমসি ডকইয়ার্ডে এর নির্মাণকাজ চলছে।’
http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/54249/%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E...

তবে অশান্তিতে নোবেল দেয়ার

তবে অশান্তিতে নোবেল দেয়ার জন্য প্রস্তাব করা যেতে পারে...

শেখ হাসিনাকে নোবেল শান্তি

শেখ হাসিনাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের সুপারিশ

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিপুল উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়ে নোবেল ফাউন্ডেশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ওয়ার্ল্ড ওয়েলফেয়ার স্টেটস মুভমেন্ট।
ওয়ার্ল্ড ওয়েলফেয়ার স্টেটস মুভমেন্টের চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ল্ড পোয়েট্রি অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি বিশিষ্ট কবি সমরেশ দেবনাথ নরওয়ের নোবেল ফাউন্ডেশনের সভাপতির কাছে ই-মেইলে পাঠানো চিঠিতে বলেন, পশ্চাৎপদ ও জঙ্গি আক্রান্ত একটি জাতিকে মাত্র পাঁচ বছরে শেখ হাসিনা যেভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তার পুরস্কার হিসেবে তাকে অবশ্যই নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করতে হবে। শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকেও এগিয়ে নিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রেখেছেন বলে তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন। গত ৪ অক্টোবর এ চিঠি পাঠানো হয়।
http://www.samakal.com.bd/print_edition/details.php?news=17&action=main&...

পদার্থে নোবেল

পদার্থে নোবেল পেলেন হিগস-বোসনের দুই বিজ্ঞানী। অপদার্থে কি কোন নোবেল আছে? থাকলে শেখ হাসিনাকে কি দেয়া যায়?

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla