অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ

অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ। কথাটা আমার নয়, মুনি ঋষিদের। লেখার খাতিরে বিজ্ঞজনেরা লিখেন আর আমরা ম্যাংগো পিপলরা এর মুখোমুখি হই চড়া মূল্য দিতে। কে কাকে ভক্তি করবে এবং কতটা করবে তা একান্তই একজনের ব্যাক্তিগত ব্যাপার। এ নিয়ে ত্যানা পেঁচানোর পরিধি তাত্ত্বিক অর্থে সীমিত থাকার কথা। বাস্তবতা হল, তা সীমিত থাকে না, বিশেষ করে বাংলাদেশিদের বেলায়। পৃথিবীর গড় আবেগ উচ্ছ্বাসের তুলনায় আমাদের মাত্রাটা বোধহয় একটু বেশি। এর পেছনে জেনেটিকসের কোন কারণ থাকলে তা এ লাইনের বিশেষজ্ঞরাই ভাল বলতে পারবেন। তবে আমরা যারা মোটা মাথার ডাল-ভাতের বাংলাদেশী তাদের কাছে ব্যাপারটা বোধহয় রহস্য হয়েই থেকে যাবে। কোত্থেকে আসে এত আবেগ, প্রেম? ভালবাসা? সন্মান? শ্রদ্ধা অথবা কৃতজ্ঞতা?
১৫ই আগস্ট হতে আমাদের দূরত্ব এখন কেবল ঘন্টায়। সহস্রাব্দের সেরা বাঙালিকে হারানের ৩৫ বছরের শোক ঘন্টার ব্যবধানেই ভুলে যাবে এতটা অকৃতজ্ঞ জাতি নিশ্চয় বাংলাদেশিরা নয়। পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন আর সভা-সমিতির প্লাবনে একদিনের জন্যে হলেও থেমে গিয়েছিল দৈনন্দিন জীবন। শোকের ব্যাপ্তি এতটাই বিশাল ছিল যার প্রভাবে বাংলাদেশ পরিনত হয়েছিল মৃত্যুপুরীতে। মৃত্যুর ৩৪ বছর পর নিজের পিতাকে কজন স্মরণ করে তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু কোটি কোটি মানুষ মুজিব হত্যার শোক প্রকাশে সামান্যতম কার্পণ্য করেনি। অন্তত বাইরে হতে তাই মনে হতে পারে। তবে বাংলাদেশের মানুষকে যারা কাছ হতে জানে তাদের জন্যে এ দিনটা হতে পারে গবেষণার বিষয়, পিএইচডিতে থিসিস লেখার লোভনীয় উপাদান। আলোকিত পিঠের বিপরীতে চাঁদের আরও একটা পীঠ আছে যেমন আছে আমাদের সার্বজনীন শোকে। আসুন সে পিঠে কিছুটা সময় ব্যায় করে আসি। অন্ধগলিতে হাঁটাহাটি আমার লেখার অন্যতম প্রেরণা। অনেকেরই অপছন্দ হতে পারে, কিন্তু এমনটাই আমি। নামের কাছে আমার এ পছন্দ বিকিয়ে দেব এতটা আবেগি মানুষ আমি নই।
শেখ মুজিবের মত বিশাল একজনের চরিত্র হনন আমার লেখার উদ্দেশ্য নয়। এমন কাজে বাংলাদেশে লেখকের অভাব নেই। আমার কৌতুহল মূলত ১৫ই আগষ্টের শোক নিয়ে। ’কাঁদো বাঙালি কাঁদো’ - শোকের এমন হূদয়বিদারক আহ্বানে স্বদেশবাসী কতটা আন্তরিক লেখার প্রতিপাদ্য এটাই। সালটা মনে নেই তবে ঘটনাটা মনে আছে। নওগাঁ হতে ঢাকা ফিরছি বগুড়া হয়ে। শহরের কাছাকাছি আসতেই চোখে পড়ল পরিবর্তনটা। আকাশ দেখা যাচ্ছে না। চারদিকে মহা আয়োজন। ব্যানার আর তোরণের সমুদ্রে চাপা পড়ে গেছে মা বসুমতি। রাস্তার দুপাশে স্কুল ছাত্রীদের লম্বা লাইন। তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি। সবাই উদগ্রীব হয়ে তাকাচ্ছে ঢাকার দিকে। ব্যনারের ভাষা হতে জানা গেল তিনি আসছেন। তিনি আর কেউ নন, ওয়ান & ওনলি তারেক জিয়া। তোষামোদী সাহিত্যে বাংলা ভাষা এতটা উন্নত বগুড়ায় না আসলে বোধহয় জানা হত না। হাজার রকম শব্দে হরেক রকম স্তুতি। না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। যে বানী জনতার কাছে পৌছানো হচ্ছিল তা হল, ’হাসো বাঙালি হাসো, তিনি আসছেন’। তারেক জিয়ার বগুড়া অভিযানে কার মুখে শেষ হাসি ফুটেছিল তার গভীরে যাওয়ার আগে বলে নেই আমার সহযাত্রী ২ শিশু আর ১ বৃদ্ধা বাসের ভেতর মলমূত্র ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তোষামোদী সাহিত্যের অন্তিমে কোথাও না কোথাও উল্লেখ থাকে এসবের আসল তরিকা, স্পনসরের নাম। আনন্দ আর শোকের চাইতেও নাকি বড় এই নাম। এমনটাই আমাকে বুঝিয়েছিলেন সহযাত্রী একজন। কে কতটা গভীরতা নিয়ে তোষামোদি করল এর উপর নাকি নির্ভর করে অনেক কিছু। সংসদ, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় নমিনেশন পাওয়ার প্রাথমিক ক্রাইটেরিয়া এই তোষামোদী। টেন্ডার বাণিজ্যও নাকি এর বাইরে নয়। এই এরাই হাসে শোক দিবসের শেষ হাসি।
শোক মানে শক্তি। এমনটাই জেনে এসেছি ছোটকাল হতে। শেখ মুজিবের শোক আমাদের শোকাতুর জাতির জন্যে কতটা শক্তি নিয়ে আসতে পারে তার ২/১টা উদাহরণ দিলেই বেরিয়ে আসবে এর রহস্যঃ
- শোক দিবস পালন করতে গিয়ে রংপুর মেডিকেল হাসপাতাল বিএমএ দু’গ্রুপের মারামারি। খবরে প্রকাশ, এক গ্রুপের উপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পন করতে যায়। বাংলাদেশের বেলায় যা স্বাভাবিক তাই হল এ যাত্রায়, ঝাপিয়ে পড়ল প্রতিপক্ষের উপর। রক্ত ঝরিয়ে বাস্তবায়ন করল হাইকোর্টের রায়, সন্মান দেখাল শোক দিবসের প্রতি।
- যশোরের শর্শা থানার সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন থানার ওসিকে পিটিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিলেন। খুনের মামলায় সাংসদের অনুমতি না নেয়ায় এই হামলা।
- শোক দিবসের ছুটি না পেয়ে গাজীপুরের পোশাক তৈরীর কারখানায় ব্যাপক ভাংচুর।
শোক কি শুধু বাগাড়ম্বরতা? গলাবাজি? মাজারে ফুল দেয়া? ব্যানারে ফেস্টুনে আকাশ ঢেকে দেয়া? যদি তাই হয় তবে এবারের ১৫ই আগস্টের শোক ছিল পৃথিবীর অন্যতম সফল শোক পালন। গোটা জাতির কথা না হয় বাদ দিলাম, অন্তত এ মাসটায় কি আওয়ামী সেনারা পারত না কথা ও কাজের বৈপরীত্য পরিহার করতে? গোটা আগস্ট মাসকে ঘোষনা দেয়া হয়েছে শোকের মাস হিসাবে। মাস জুড়ে জাতিকে কাঁদার আহ্বান জানিয়ে নিজেরা কাঁদা দূরে থাক, বরং কাঁদতে বাধ্য করানো হয়েছে স্বামীহারা স্ত্রীকে, সন্তানহারা মাকে। এটাই কি তাহলে আমাদের আসল চরিত্র? তা হলে শোক নিয়ে আর মাতম কেন? নাকি জাতিকে বিভ্রান্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার নতুন মন্ত্র এই ভুবন মাতানো শোক? ’অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ’ - এটা বোধহয় আমাদের রক্তে মিশে আছে।
- Tag this post:
- WatchDog's blog
- 769 reads
-
JUST VIEWED
Last viewed:
- বন্দর খেকো নগরপিতা মহিউদ্দিন চৌধুরী উপাখ্যান....
- 'মহামান্য' আদালতের কেনিয়ান ম্যারাথন...
- Happiest Nations on Earth
- এই দুনিয়া মায়ার জালে বান্ধা...বান্ধা রে
- আত্মহত্যা নয়, এ হত্যা...
- ৩-ডি বাংলাদেশের ইতিবৃত্ত...
- The Face of Digital Bangladesh
- ৯/১১ এবং ফ্লোরিডার গেইনসভিল চার্চ
- ব্লগীয় দামামা...প্রসঙ্গ পাকিস্তান ও রাজাকার।
- সত্যের উপর দাঁড়িয়ে থাকুক আমাদের ইতিহাস
- Black Hawk Down - প্রসঙ্গ চট্টগ্রাম মেয়র নির্বাচন
- আমার খোয়াবনামা...
- ষড়যন্ত্রের নাও পাহাড় বাইয়্যা যায়...
- একটি রাস্তার ইতিকথা
- একজন শেখ মুজিব এবং আমাদের স্বাধীনতা...
Latest Blogs
- লুটের টাকায় বেশ্যা নাচে...
- আমেরিকার রুক্ষ্ম পশ্চিমের গল্প...
- মৃত্যুর আগাম শোক...
- হাতে রক্ত, আঙ্গিনায় লাশ আর মুখে গণতন্ত্র...পাকিস্তানি ভণ্ডামির আওয়ামী সংস্করণ!
- দ্যা ডে আফটার
- ক্যু আর্কিটেক্টদের মোবারকবাদ
- ছ্যারছ্যার আলীর দিনরাত্রি ও একটি খুনের গল্প
- ডিজিটাল কফিনে দিন বদলের দাফন। তথ্যই কথা বলে...
- Theory of সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিং...
- দেবতা বনাম উর্দিওয়ালা...নতুন পর্ব!
Recent Comments
- মুহূর্তেই ছিন্ন স্নেহের বাঁধন...
1 week 2 days ago - আমিও
3 weeks 3 days ago - about canada immigration
4 weeks 3 days ago - ঘুষ না পেয়ে মুক্তি দেননি বিচারক
4 weeks 5 days ago - কোটি কোটি রুহুল আমিন কী চায়?
4 weeks 5 days ago - হুম!
5 weeks 1 day ago - ধন্যবাদ...
5 weeks 1 day ago - Its really a great invention.
5 weeks 3 days ago - গুপ্ত হত্যার শেষ শিকার..., একটি রম্য রচনা
6 weeks 1 day ago - Not fair!
6 weeks 3 days ago





Comments
Sheikh Kamal, Jamal to be honoured as FFs
The government has decided to confer freedom fighter certificates on Sheikh Kamal and Sheikh Jamal posthumously, 35 years after their assassination along with Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and most of the family members on August 15, 1975.
Advertisement
"The government has decided to confer on them the freedom fighter certificates in the interest of highlighting the records of the liberation war," Liberation War Affairs Secretary Uzzal Bikash Dutta told BSS Sunday.
He said two other 1971 veterans, Sheikh Fazlul Haque Moni and Abdur Rab Serniabat, the nephew and brother-in-law of Bangabandhu respectively, would also be conferred the certificates acknowledging their heroic role during the liberation war.
"The Liberation War Affairs Ministry is expected to hand over the certificates to Prime Minister Sheikh Hasina, the eldest sister of the assassinated brothers tomorrow (Monday) as one of the two surviving family members of the family," Dutta said.
"The decision was taken to highlight the fact that Bangabandhu's family members also had an active role in 1971 and they took part in the war instead of staying indoors in safety."
Sheikh Kamal and Sheikh Jamal were in captivity along with other members of the family in Dhaka under the custody of Pakistani troops during the war, while Bangabandhu was faced with trial in a Pakistani jail.
Kamal managed to flee the captivity and joined the war, obtained commission in Bangladesh army and subsequently was appointed the military aide-de-camp or ADC to the commander in chief of the Liberation Forces General MAG Osmany.
Following the footsteps of the elder brother Sheikh Jamal also escaped the captivity, crossed over to a liberated zone and joined the War of Liberation. The London-based Sunday Times carried a photograph of Jamal in the warfront at the fag end of the war.
Their mother Begum Fazilatunnessa Mujib, elder sister Sheikh Hasina and her husband Dr Wajed Mian, younger sister Sheikh Rehana and younger brother Sheikh Russel remained in captivity in Dhaka.
দেশে এমনিতেই তেলের দাম বেশি। তার উপর যদি এর এত অপব্যবহার হয় চলবে কেমন করে?
সরকারি পুকুর ভরাট করতে বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার!
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা সদরের একটি খাসপুকুর ভরাটের কাজ চলছে। সরকারদলীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি পুকুর ভরাটের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। জায়গার বরাদ্দ নিয়ে অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সাংসদ জানিয়েছেন, পুকুরের জায়গায় নির্মাণ করা হবে ‘বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেট’।
ভূমি কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া মৌজার জেএল নম্বর ২১, দাগ নম্বর ১৬৫১, খতিয়ান নম্বর ১-এর পুকুরটিতে জমির পরিমাণ দেড় একর। এর দেখভালের দায়িত্ব উপজেলা সহকারী কমিশনার (এসি ল্যান্ড) কার্যালয়ের। পুকুরটি ভরাট বা ভোগদখল করার জন্য কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। দুই সপ্তাহ আগে পুকুরটি ভরাট করা শুরু হয়। ভরাট কাজে বালু সরবরাহকারী হানিফ জমাদ্দার জানান, পৌর মেয়রের সঙ্গে পুকুর ভরাটের বিষয়ে তাঁর চুক্তি হয়েছে। ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এক লাখ ১৪ হাজার ঘনফুট বালু পুকুরে ফেলা হয়েছে। দুদিনের মধ্যে ভরাটের কাজ শেষ হবে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (পদ স্থগিত) আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেন, ভরাট করা জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য পৌর মেয়র বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা নিয়েছেন। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন্ন হচ্ছে। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান জানান, পুকুর ভরাটের বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সমন্বয় সভায় অভিযোগ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া শহরের কোথাও আগুন লাগলে ওই পুকুরের পানি খুবই জরুরি হয়ে পড়ে। মঠবাড়িয়া পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিউদ্দিন আহম্মেদ ফেরদৌস জানান, ২০০১ সালে মার্কেট করার জন্য পুকুরটি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। তখন সরকার এটি পৌরসভাকে বরাদ্দ না দিয়ে এসি ল্যান্ডের বাসভবন হিসেবে৭ নামজারি করায়। তিনি বলেন, বর্তমানে স্থানীয় সাংসদ আনোয়ার হোসেন ওই নামজারি বাতিল করে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত করার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি (ডিও) দিয়েছেন। পুকুর ভরাট ও জায়গার বরাদ্দ নিয়ে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভরাট ঠিক নয়, বালু দিয়ে লেভেল করা হয়েছে। জমি কাউকে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বা দেওয়ার জন্য কারও কাছ থেকে টাকাও নেওয়া হয়নি।’
আওয়ামী লীগের স্থানীয় সাংসদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ডিও দেওয়ার পর ভূমি মন্ত্রণালয় ওই জায়গার নামজারি বাতিল করে। বর্তমানে এ জমি ডিসিআর-এর প্রক্রিয়া চলছে। জমিতে বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসায়ীদের বন্দোবস্ত দেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেন জানান, কয়েক মাস আগে পুকুরে দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রের সাইনবোর্ড টানানো হয়েছিল। তখন তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘বরাদ্দ যারাই নেবে, তারাই সরকারকে টাকা দেবে, অসুবিধা কোথায়।’ পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশালের উপ-পরিচালক (সদ্য অবসরে যাওয়া) কায়সার আহম্মেদ জানান, পুকুর বা জলাশয় ভরাট সম্পূর্ণ বেআইনি। ভরাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে অভিযোগ আনা যায়।
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-08-19/news/87639
Post new comment