Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

উত্তর চাই! ...কাঠগড়ায় খালেদা জিয়া।

Two corrupt families in Bangladesh
দুই সিপাহশালারের দুই রকম বক্তব্য! ঠিক কার কথা বিশ্বাস করবো এবং কেন করবো এর কোন আগা মাথা খুঁজে পাচ্ছি না। পাঠক, আপনারা যারা সময় নষ্ট করে লেখাটা পড়বেন তাদের কারও কাছে এই বৈপরিত্যের সমাধান থাকলে দয়া করে শেয়ার করার অনুরোধ করবো। খয়ের খাঁ পত্রিকাওয়ালাদের খবর বিশ্বাস করে বহুবার ঠকেছি, নতুন করে প্রতারিত হওয়ার ইচ্ছা হচ্ছে না! লেখক-পাঠক যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ব্লগ দুনিয়া, সুযোগটা নেয়ার জন্যেই এ লেখার অবতারণা। পানি ফার্দার ঘোলা হওয়ার আগে আসুন ভাল করে জেনে নেই পুরো ঘটনাটা।

বিতর্কের সূত্রপাত প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক একটা মন্তব্য নিয়ে। শেখ হাসিনা দু’দিন আগে কোন এক পাবলিক গেদারিং’এ অভিযোগ করেছেন ভাংগা সুটকেস আর ছেড়া গেঞ্জির পরিবার কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে আবারও প্রমান করেছে তাদের আসল চরিত্র। বাংলাদেশের মালিক এই দুই পরিবারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উঠলে সাধারণত যা হয় তাই হল এ যাত্রায়। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের কেউ মুখ খোলার আগেই গর্জে উঠল উজির নাজির কোতয়ালের মুখ। তবে এ যাত্রায় শুরুটা সিপাহশালারদের দিয়ে। রাজনীতির পশ্চিম দিগন্তে অস্তমান হারিকেন, মানিকগঞ্জের হাবলু-ডাবলুর পিতা দেলোয়ার হোসেন গর্জে উঠে প্রতিবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগের। উনি যা বলেছেন তা উনার নিজের মুখ হতেই শোনা যাকঃ "সরকার নিজেদের পর্বত সমান ব্যর্থতা ঢাকতে সব দোষ এখন বিরোধী দলের উপর চাপাচ্ছে। খালেদা জিয়া কালো টাকা সাদা করেননি। খালেদা জিয়াকে খাটো করার জন্যই শেখ হাসিনা মিথ্যাচার করছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার কাছ থেকে এ কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য জাতি আশা করে না।" পদ ধরে রাখতে পদলেহনকারী কুকুরের দল মনিবের হয়ে ঘেউ ঘেউ করবে তাতে নতুনত্ব কিছু ছিলনা। কিন্তু এ যাত্রায় নতুনত্ব একটা ছিল এবং তার জন্ম দিয়েছেন রাজনীতির পূব দিগন্তে উদীয়মান সূর্য বিএনপির নতুন সিপাহশালার মির্জা ফখরুল ইসলাম ’বৈরাগী’। দেশের মালিকানার চতুর্থ ওয়ারিশ সর্বজনাব তরিক জিয়ার একান্ত গৃহপালিত সেনাপতি এ সম্পর্কে যা বলেছেন আসুন উনার নিজ মুখ দিয়েই শোনা যাকঃ "নিয়মতান্ত্রিকভাবে আইন অনুযায়ী কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। আইন সবার জন্য সমান। একে ভিন্ন চোখে দেখার অবকাশ নেই।"। একজন বললেন উনি মোটেও কালো টাকা সাদা করেন্‌নি, দ্বিতীয়জন বললেন যা হয়েছে তা নিয়মের ভেতর দিয়েই হয়েছে। দেলোয়ার না বৈরাগী? কোনটা বিশ্বাস করবে আমার মত ম্যাংগো জনতা? ম্যাংগোর সিজনে এ কোন জটিল ম্যাংগো উপহার দিল আলী বাবা ৪০ চোরের দল!

মুয়া-ফুয়ার তত্ত্বাবধায়ক সরকার কি আরব্য উপন্যাসের বিস্মৃত সময়ের কোন কাহিনী? ২০০৬-২০০৮’এর কথা কি হাজার হাজার বছর আগের কথা? তাই যদি না হয়, আমাদের মনে করতে খুব কি কষ্ট হবে আপোষহীনা নেত্রীর কালো টাকা সাদা করার আপোষকামীতার উপাখ্যান? দুদকের ধরপাকড়ে রাজনীতিবিদ্‌দের তখত-তাউস খান খান হওয়ার সময় তখন। সিসিম ফাঁকের মত ফাঁক হচ্ছে উনাদের গুপ্তধনের ভান্ডার। তেমনি এক সময় ততা সরকার সূযোগ দিল চুরির টাকা অচুরির বানাবার। অনেকেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করলো যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন কথিত আপোষহীনা দেশনেত্রী এবং উনার খাজাঞ্চীখানার বিশ্বস্ত পাহারাদার জনাব সাইফুর রহমান। এই সেই সাইফুর রহমান যিনি জাতিকে বার বার অভিযুক্ত করেছিলেন ট্যাক্স না দেয়ার জাতি হিসাবে। আপোষহীনার সঠিক অংকটা মনে না থাকলেও (কোটি টাকার কাছাকাছি একটা সংখ্যা) এমন একটা লন্ড্রিং অধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এ ব্যাপারে দলীয় কোন ম্যাংগোগীরি কাজ দেবে বলে মনে হয়না।

একটা দেশের নেতা-নেত্রী কতটা নির্লজ্জ, ভাওতাতাবাজ আর বেহায়া হলে চুরির টাকা প্রকাশ্যে ধোলাই করার পরও রাজনীতিতে সগৌরবে বিচরন করতে পারে তার কলঙ্কজনক প্রমান বাংলাদেশের খালেদা জিয়া! অবাক হই কেন বাংলাদেশকে বিশ্ব বেহায়া দেশের চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসাবে ঘোসনা করা হচ্ছে না। শুধু চুরি-চামারিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আমাদের জন্যে যথেষ্ট হতে পারে না।

শেখ হাসিনা তার ’কুত্তালীগের’ যন্ত্রণায় এমনিতেই কোণঠাসা, তার উপর দেশনেত্রী হুমকি দিচ্ছেন ’দুনিয়া কাপানো’ আন্দোলনের। সরকারের ব্যর্থতাকে পুঁজি করে বিরোধী দল আন্দোলনে নামবে, গণতান্ত্রিক রাজনীতির এটা ফান্ডামেন্টাল রাইট। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম হওয়ার কথা নয়। কিন্তু বাংলাদেশের সদ্য ক্ষমতাহারা বিরোধী দলের কালো ইতিহাস কি আমাদের এত সহজে ভুলে যেতে হবে? এই কি সেই বিএনপি নয় যাদের নখের থাবায় দেশের প্রতিটা প্রতিষ্ঠান ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল? বিএনপি কি সেই বিএনপি নয় যাদের ছত্রছায়ায় ছাত্রদল নামের আরেক ’কুত্তার দল’ বাংলাদেশের প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ যাবতীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির নামে ধর্ষণ করেছিল?

খালেদা জিয়ার পথকে মসৃন করছে শেখ হাসিনার ’কুত্তালীগ’ এবং অবাক হবনা যদি সামনের নির্বাচনে এই আওয়ামী লীগকে জনগণ পশ্চাদ্দেশে লাথি মেরে ক্ষমতা হতে বিদায় করে। সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ, নেতা-নেত্রীরা এই বাস্তবতাটা হয়ত অনেক সময় ইচ্ছে করেই ভুলে যান। খালেদা জিয়াও হয়ত ভুলে থাকবেন। তবে ম্যাংগো পিপলদের হয়ে কিছু অমিমাংসিত ইস্যুর মিমাংশা দিলে আমরাও যোগ দেব ’কুত্তালীগের’ মরণ মিছিলে। প্রশ্নগুলো বাতাসে ঘুরে বেড়ায় এবং উত্তর চাইবার বুকের পাটাও অনেকটা সংকুচিত উজির নাজিরদের রক্তচক্ষুর কারণে।

ইস্যু সমূহঃ

১) জনাবা খালেদা জিয়া, আপনার স্বামীর মৃত্যুর পরপর জাতিকে ঘটা করে গেলানো হয়েছে পুঁজি বলতে প্রয়াত জেনারেল আপনাদের জন্যে কিছুই রেখে যায়নি (পরচুলা পরিহিত টিভি উপস্থাপক ফজলে লোহানী দ্রষ্টব্য)। জাতির আবেগকে পুঁজি করে জেনারেল এরশাদ আপনাদের উপহার দিয়েছিল শত কোটি টাকার সম্পদ। জাতি হাসি মুখে মেনে নিল এই সম্প্রদান। কি এমন আলাউদ্দিনের প্রদীপ পেলেন যা দিয়ে আপনি এবং আপনার গুণধর ছেলেরা রাতারাতি কোটিপতি বনে গেলেন?

২) আপনি নিজকে স্ব শিক্ষিতা বলে দাবি করতে ভালবাসেন। দয়া করে বলবেন কি, একজন জেনারেলের গৃহবধূ হয়ে কি এমন স্বশিক্ষা পেয়েছিলেন যার কারণে নিজকে সমস্যা সংকুল একটা দেশের সরকার প্রধান হওয়ার যোগ্য মনে করেন?

৩) আপনি জন্মদিন নিয়ে মিথ্যাচার করছেন কোন সমীকরণের উপর ভিত্তি করে?

৪) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহন করার অল্প কদিনের ভেতর যৌথ বাহিনী মোসাদ্দেক হোসেন ফালুর বাসায় অভিযান চালিয়ে এমন একটা কাবিননামা আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করে যাতে আপনারও নাম ছিল বলে জানা যায়। দয়া করে পরিষ্কার করবেন কি এ ব্যাপারে আপনার অবস্থান? কারও ব্যাক্তিগত জীবন বিতর্কের বিষয় হওয়ার কথা নয়। আপনি ব্যক্তি নন, একটা প্রতিষ্ঠান, তাই ঘুরে ফিরে এ প্রশ্ন আসতে বাধ্য। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা থাকা গণতন্ত্রেরই অংশ। এ প্রশ্নের উত্তর হতে পিছলানো হবে এক ধরনের প্রতারণা।

প্রশ্নগুলোর সঠিক জবাব দিয়ে খালেদা জিয়া আন্দালনের ডাক দিলে কে জানে হয়ত এই ওয়াচডগও যোগ দিতে আগ্রহী হবে। কিন্তু এর আগে নেত্রীর মুখে দেশকে অচল করে দেয়ার হুমকি একজন ক্রিমিনালের হুমকির মতই শোনাবে।

দুই পরিবারের দুই নেত্রীর গ্যাঁড়াকলে আমাদের ভাগ্য দলিত মথিত হতে থাকবে, আর আমরা কেরামত উল্লার হজমি দাওয়াই সেবন করে তা হজম করে যাব অনন্তকাল ধরে, তা কিন্তু ঐশ্বরিক কোন সিদ্ধান্ত নয়। সময়ই তার যোগ্য জবাব দেবে। আশাকরি নেত্রীদ্বয় তৈরী থাকবেন ইতিমধ্যে।

Comments

খালেদার সাদা টাকা সাদা করার ব্যাখ্যা চেয়েছে আওয়ামী লীগ

বিএনপির চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া কালো টাকা নয়, সাদা টাকাই সাদা করেছেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে যে দাবি করা হয়েছে, তার ব্যাখ্যা চেয়েছে আওয়ামী লীগ।
আজ মঙ্গলবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ এ ব্যাখ্যা দাবি করেন।
মাহাবুবুল আলম হানিফ অভিযোগ করেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়া এবং তাঁর দুই ছেলে যে পরিমাণ অর্থ লুটপাট করেছেন, তার সামান্যই কালো থেকে সাদা করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ফেডারেল কোর্টে মামলা চলছে।

পাঠকের মন্তব্য
দৈনিক প্রথম আলো

BANI AMIN
২০১০.০৫.১১ ১৮:৫৮
I have no idea how some one need to white money make white

Raisul
২০১০.০৫.১১ ১৯:১০
এই রাজনেতিক নেতা গুলোর খেলা যে কবে শেষ হবে আললাহ ভাল জানে।
তাদের কাল টু সাদা এবং সাদা টু সাদার খেলা আমরা অনেক আগেই জানি। তার জন্যই ওরা সংসদের বাহিরে, আপনারা বলুন বিগত ১৮ মাসে আপনারা কি করেছেন???
বাই বেচে গেছেন শুধু জবাবদিহিতা নেই বলে।

prodip
২০১০.০৫.১১ ১৯:২৯
I do not know how white money needs to make further white?? before making this money white,it is black or not shown.That can be a logic.I do not know why her lawer is persuading and misguiding us telling this childish comment.
২০১০.০৫.১১ ১৯:৩৩
Should we believe a prime minister(ex) forgot to pay her tax ?? Even her lawer is unknown about this issue to pay off tax in proper schedule??? But they are trying to establish this insane argument ??
২০১০.০৫.১১ ১৯:৪২
We want to see that these people have been brought to justice soon. We want no more cat and mouse game. Also, we want all the public money if looted by these people to be returned to public fund. Although we heard at the beginning that their looted money will be brought back from foreign countries but there is no more talk on that. Are these news only for public eye-wash? People will love this govt. more should they see that this govt. is truly for justice and democracy.

Rezaul Karim
২০১০.০৫.১১ ১৯:৫০
This is very unfortunate for the nation. The two times prime minister has black money and needed to make it white to escape punishment. So, what kind of law and justice they will establish to the public. The funniest thing is now that prime minister claims that she whiten her white money!!! I just do not understand why did she need to white her white money unless it was black. I have a question for these politicians:

Do you think general public idiot and dumb like your so called paid workers who follows you even if claim "sun rises in the west".

kazishakawat
২০১০.০৫.১১ ২০:০৫
Our luck is too bad,thats why we got like this kind of leader.Now our population near 18core.I think 5% are not in politics but other 95% Can't do anything.If i tell something BNP they will call me "indiar dalal" if i tell something(true) AL they will call me "paki dalal".I think Nobody(politician) is BANGLADESHI dalal.Cause they don't care about this country.They love own Pocket.Great ALLAH will save us,I belive that.
২০১০.০৫.১১ ২০:১৫
Crime speaks for itself, a criminal leaves behind a clue definitely. We all know what the Hawa Bhaban and its main patron, the ex-PM did. A VERY VERY negligible portion of the booty that is being talked about now. How about the HUGE amount plundered by this gang?
২০১০.০৫.১১ ২০:৩৩
We know that Khaleda, Hasina and Ershad has black money. All three looted money from the treasury in various ways. All three are corrupt this way are other and gone above the law. Public do not trust them. We also know that in Bangladesh to remain in politics you need money beyond your means. All three has money abroad and go to collect money now and then.ll!

nurul absar hussain
২০১০.০৫.১১ ২১:০৬
Khaleda, s income tax lawyer and bnp leaders fighting in loosing war. Even they lie for rest of their life they can not feed the people khaleda did not whiten black money.
২০১০.০৫.১১ ২১:১৫
Mr. Hanif & Mr. Delwar u both parties dont have any National agenda for Poor People? better u both come to the National Stadium and show to people how masule power have? Both parties have lot of Idiots.
http://prothom-alo.com/detail/news/62582

খালেদা জিয়া কালো টাকা নয়, সাদা টাকার ট্যাক্স দিয়েছেন ঃ বিএনপি

গতকাল সোমবার বিএনপির এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়েছে, কালো টাকা নয়, সাদা টাকার ওপর কর দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, আমাদের নেত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করতে ও জনগণকে বিভ্রান্ত করতে হানিফ সাহেব অসত্য তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, হানিফ সাহেব কালো টাকা ও অপ্রদর্শিত অর্থের মধ্যে তফাৎ জানেন না। এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাত মনে করেন, অপ্রদর্শিত আয় এবং কালো টাকার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। কারণ যে টাকা সরকারী নথিভুক্ত নয় অর্থাৎ আয়করের আওতায় যে টাকা বিকশিত হয়নি, সেটাই কালো টাকা। আইনী খাতে বেআইনী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থনীতিতে কালো টাকা সৃষ্টি হয় বলে জানান তিনি। কালো টাকা সাদা টাকার তফাৎ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে আবুল বারকাত উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট আহমেদ আজম খান বলেন, হানিফ সাহেবের তথ্য অসত্য। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তার বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত অপ্রদর্শিত অর্থের ওপর কর দিয়েছেন। ২০০৭ সালের আগস্টে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী তিনি এ কর প্রদান করেন। ওইসব অর্থ কোনোভাবেই কালো টাকা নয়। অপ্রদর্শিত অর্থের মধ্যে আছে- প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পেনশন ও গ্র্যাচুয়িটি বাবদ সরকার থেকে প্রাপ্ত ১০ লাখ টাকা। এছাড়া এফডিআর হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা যা গুলশানে সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া বাড়ির ভাড়া থেকে প্রাপ্ত। এক প্রশ্নের জবাবে আজম বলেন, ব্যাংকে অর্থ গচ্ছিত থাকলে তা থেকে বছর শেষে ১০ ভাগ হারে কর কেটে নেয়া হয়; কিন্তু ওই অর্থ ঘোষণা করে আলাদাভাবে কর দেয়ার বিধানটি নেত্রী জানতেন না বলেই তা দীর্ঘসময় অপ্রদর্শিত অর্থ হিসেবে গচ্ছিত ছিলো। একে কোনোভাবেই কালো টাকা বলা যাবে না। কারণ কালো টাকার কোনো উৎস থাকে না। আওয়ামী লীগের নেতারা এ বিষয়টি জানেন না বলে এমন অভিযোগ তুলছেন। তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি টাকাও কালো নেই। তাই কালো টাকা সাদা করার প্রশ্নই উঠে না। আজম খান অভিযোগ করে বলেন, আয়কর একটি গোপনীয় বিষয়। এটা প্রকাশ করা যায় না। অথচ রাজস্ব বোর্ড থেকে খালেদা জিয়ার প্রাপ্ত আয়করের হিসাব হানিফ সাহেব প্রাকাশ্যে এনে সাংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। তবে তিনি হানিফ সাহেবের দেয়া বছরওয়ারি হিসাবটি সঠিক বলে জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, দপ্তর সম্পাদক রিজভী আহমেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন উপস্থিত ছিলেন।
http://ittefaq.com.bd/content/2010/05/11/news0413.htm

উনাকে চিতায় জ্বালালেও চিতা অপবিত্র হবে!

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কালো টাকা সাদা করার তথ্য প্রকাশ করল আওয়ামী লীগ। আজ রোববার ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এ তথ্য প্রকাশ করেন। মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, খালেদা জিয়া ২০০২-০৩ অর্থবছর থেকে ২০০৬-০৭ পর্যন্ত এক কোটি ৩৩ লাখ ১৪ হাজার ৭১০ টাকা কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত আয় সাদা করেছেন। এ টাকা সাদা করতে গিয়ে তিনি জরিমানাসহ কর দিয়েছেন ৩৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

২০০৭ সালের ৬ আগস্ট খালেদা জিয়া জরিমানা দিয়ে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করেন বলে হানিফ জানান। তিনি বলেন, বিএনপির শাসনামলে অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানও জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেন। হানিফ বলেন, সাধারণ নাগরিক হয়তো ভুল করতে পারে। তারা সময়মতো কর না দেওয়ায় অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করে নিতে পারে। কিন্তু খালেদা জিয়া ও সাইফুর রহমানের মতো ক্ষমতাবান ব্যক্তি, যারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা ভুল করবেন, এটা কারও বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না। কেউ মেনে নেবে না।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরগুনার এক জনসভায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ করেন। পরে বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন খালেদা জিয়া এক টাকাও সাদা করেননি বলে দাবি করেন। আজকের সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুল আলম হানিফ খালেদা জিয়ার কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) প্রকাশ করে কালো টাকা সাদা করার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন।
http://prothom-alo.com/detail/date/2010-05-09/news/62106

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla