Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

শাহবাগ চত্ব্বর। গণজাগরণ, না আওয়ামী লীগের সফল নির্বাচনী ক্যাম্প?

আজ শনিবার। কাল অফিস নেই, হাতে অফুরন্ত সময়। ঘরে বাইরের কাজ সেরে বিছানায় গা এলিয়ে ভাবছিলাম আজ আর লেখালেখির দিকে যাবো না। প্রচুর লিখেছি এক সপ্তাহে। ক্রিকেট দেখে রাত পার করার ইচ্ছাটা নতুন করে মাথায় চাপলো। গিন্নিকে বলতে সে মুচকি হাসলো। বিশ্বাস করলো না আমার কথা। নিশ্চিত ভাবে ধরে নিল রাত জেগে ব্লগ লিখতে যাচ্ছি এবং ক্রিকেটকে অজুহাত হিসাবে ব্যবহার করছি মাত্র। বললেও সে বিশ্বাস করবেনা, তাই তর্কে যেতে মন চাইলোনা। গিন্নিকে নিয়ে এই এক যন্ত্রণা, কিছুতেই বুঝানো যায়না কেন এই লেখালেখি। তার বিচারে ব্লগ নিয়ে আমার এই মাতামাতি এক ধরণের উন্মাদনা। সরল সমীকরণে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মত। তার ভাষায় কৃষকদের কাজ যেমন কৃষিকাজ, রাজনীতির জন্যও আছেন রাজনীতিবিদ। সে বিচারে আমার মত একজন প্রকৌশলীর কাজ হওয়া উচিৎ প্রযুক্তি নিয়ে সময় ব্যায় করা। যুক্তি আছে তার কথায়। উদাহরণ হিসাবে নিজ দেশের রাজনীতিকে যখন সামনে আনে চুপসে যেতে হয়। জন্মভূমির সবটুকু ক্লেদ বিদেশি একজনের সামনে খোলাসা করতে কোথায় যেন বাধে। হোক তা নিজ স্ত্রী। দক্ষিন আমেরিকার দেশ পেরুর রাজনীতির চলার পথ কোন কালেই মসৃণ ছিলনা। ধর্মীয় উন্মাদনার মত সে দেশেও রাজত্ব করতো মাওবাদি সন্ত্রাস। সর্বহারাদের একনায়কতন্ত্র কায়েমের নামে আবেমেইল গুজমানের নেত্রীত্বে মাওবাদী গেরিলারা গোটা দেশকে জিম্মি রেখেছিল বছরের পর বছর ধরে। অবস্থা বদলে দেয় দেশটার গণতান্ত্রিক নির্বাচন। জাপানি ইমিগ্র্যান্টদের প্রতিনিধি আলবের্তো ফুজিমোরে ক্ষমতা হাতে নিয়েই মিশনে নামেন। এবং এ মিশন ছিল দেশকে সন্ত্রাস মুক্ত করা। এ কাজে অভাবনীয় সাফল্য পান তিনি। পেরুর দিগন্তরেখায় উদয় হয় নতুন সূর্যের। বদলে যায় মানুষে জীবন। পেরুভিয়ানরা ফুজিমোরেকে ঠাঁই দেন দেবতার আসনে। এবং সমস্যার শুরুটা এখানেই। ধীরে ধীরে দুর্নীতির কালো বিড়াল গ্রাস করে নেয় এই দেবতাকে। দেশটার গোয়েন্দা সংস্থা প্রধান ভ্লাদিমেরো মন্তেসিনোসের সাথে মিলে শুরু করেন নজিরবিহীন লুটপাট। এক পর্যায়ে মন্তেসিনোস দেশ হতে পালাতে বাধ্য হন। পতন হয় ফুজিমোরে সরকারের। বর্ণিল কাহিনীর শেষে ফুজিমোরে পালিয়ে যান পিতার দেশ জাপানে। কিন্তু পেরুর নতুন সরকারের চাপে জাপান সরকারও বহিষ্কার করতে বাধ্য হন তাকে। চলে আসনে প্রতিবেশী দেশ চিলিতে। চিলি সরকার ফুজিমোরেকে গ্রেফতার করে তুলে দেন পেরুর আলেহান্দ্রো তলেদো সরকারের হাতে। বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হন নতুন পেরুর রূপকার জনপ্রিয় এই প্রেসিডেন্ট। শেষ পর্যন্ত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত হয়ে জীবনের শেষদিন অতিবাহিত করছেন জেলের অন্ধ প্রকোষ্ঠে। গিন্নীর একটাই কথা, তোমাদের দেশে এতই যদি চুরি, বিচার করছো না কেন চোরদের, যেমনটা পেরুর আদালত করেছিল আলবার্তো ফুজিমোরের বেলায়? তাকে কিছুতেই গেলানো যায়না বাংলাদেশের আইন-আদালত, বিচারক অথবা বিচার ব্যবস্থা সবই সরকার প্রধানের আজ্ঞাবহ দাস।

সঠিক সময়েই ফোনটা বেজে উঠলো যেন। ডালাস হতে রেজা ভাইয়ের ফোন। প্রায়ই করেন এবং দেশের ভাল মন্দ নিয়ে মত বিনিময় করেন। এ যাত্রায় অন্য কোন প্রসঙ্গে না গিয়ে সরাসরি জানতে চাইলেন খবরটা আমি জানি কি-না। না বললেও আন্দাজ করতে পারছিলাম কোন প্রসঙ্গ। মেজাজ বিগড়ে গেল বিষয়টা মনে হতে এবং একই সাথে মাথা হতে নেমে গেল ক্রিকেট ভূত। অনেক ভন্ডামি ইগনোর করা যায়, হিউম্যান এরোর হিসাবে মেনে নেয়া যায়। কিন্তু এ ধরণের ভন্ডামি কুত্তার গলায় ঘন্টা ঝুলিয়ে শহর বন্দরে ঢোল পেটালেও যথেষ্ট হবে বলে মনে হয়না। ১১০ খুনের রক্তে রঞ্জিত যার হাত তার হাতেই তুলে দিয়েছে মানবাধিকার রক্ষার পুরস্কার। কাজটা করেছে দেশের এক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। তাও এমন এক সময় যখন সব গুলো লাশের সৎকার পর্যন্ত শেষ হয়নি। গুলি করে মানুষ মারার এ পৈশাচিক মহোৎসবে অনেকটা সাইড লাইনে বসে উপভোগ করেছে দেশের সংবাদ মাধ্যম। যে যতটা লাশ ফেলবে ততটাই নাকি তার বোনাস ও পদোন্নতির নিশ্চয়তা। এ ভাবেই প্রস্তুত করা হচ্ছে দলীয় পুলিশ, রেব, বিজিবি, এমনকি সেনা বাহিনী পর্যন্ত। দেখা মাত্র গুলি, অনেকে ঠাট্টা করে বলছে এ গোপালগঞ্জ সিনড্রোম। জনতার জঙ্গী মিছিল দমন করার একটাই নাকি রাস্তা বিশেষ এলাকার বিশেষ কিছু মানুষের জন্যে, পাখির মত গুলি করে মানুষ মারা। তাদের চোখে যারা মরছে তারা মানুষ না, জামাতী। হঠাৎ বোবা ও কালা বনে যাওয়া দেশের সংবাদ মাধ্যমও সূর মেলাচ্ছে সরকারের সাথে। যেন কিছুই হয়নি, জামাতিরা জঙ্গিপনা করছে, তাই পুলিশ তাদের বধ করেছে। রাস্তার হকার, ঘরের গৃহবধু, উৎসুক কিশোর, কেউ বাদ যায়নি এ তালিকা হতে। জাতি হিসাবে আমরা যদি পশুর কাতারে নাম লিখে না থাকি তাহলে জামাতী জঙ্গিপনার পাশাপাশি সরকারি পশুত্বের ও সমান সমালোচনা হওয়া উচিৎ ছিল। অথচ সমালোচনা দূরে থাক, বিকারগ্রস্ত মানবতার উলঙ্গ প্রদর্শনী হিসাবে খুনি মন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হল মানবাধিকার রক্ষার পুরস্কার। এসব কি ৭১’এর ঘটনার পুনরাবৃত্তি নয়?

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে না ফেরার শপথ নিয়েছে শাহবাগ চত্বরে অবস্থানরত সরকারের বর্ধিত মন্ত্রীসভা। এখানে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, দাবিটা কি? যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি? চলমান বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে যেখানে মন্তব্য পর্যন্ত বেআইনী সেখানে ঘেরাও, হুমকি দিয়ে রায় আদায় কোনভাবেই আইনী প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়েনা। পৃথিবীর কোন আইনেই তা বৈধতা পাবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আদালতের যে কোন রায়ের বৈধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে মাত্র। রায়ের আগে জনতার দাবি বিবেচনায় আনার প্রধানমন্ত্রীর আহবান আদালতকে অনেকটা হাসির পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। দাবি আদায় না করে ব্লগারদের ঘরে না ফেরার দাবি এখন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে না জিতিয়ে ঘরে ফেরার দাবিতে পরিনত হয়েছে। আমরা যারা স্বল্প শিক্ষিত তাদেরও এখন বুঝতে অসুবিধা হচ্ছেনা। নির্বাচনে বিশেষ কোন দলকে সমর্থন ভোটারদের গণতান্ত্রিক আধিকার। এ অধিকার চর্চা শাহবাগ ব্লগারদের বেলায়ও প্রযোজ্য। তাই জাতিকে বিভ্রান্ত না করে ব্লগ এক্টিভিষ্টদের উচিৎ হবে শাহবাগ চত্ত্বরে নৌকা ঝুলিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন করা। তাতে অন্তত নিজামী ও গো আজমদের মত কুখ্যাত খুনিদের বিচার প্রক্রিয়া্র আইনী বৈধতা নিরাপদ থাকবে।

Comments

এখনো কেউ চামচা বা ছাগু বলে গালি দিল না?

কি ব্যপার - দেখলাম ৪৯ জন পড়েছেন; এখনো কেউ চামচা বা ছাগু বলে গালি দিল না?
আমরা কি তবে ভাল হয়ে গেছি না কি সেই মহত মনিষীবৃন্দ এখনো লেখাটি পড়েন নি?

আপনার গিন্নী ঠিকই বলেছেন - যত সত্য কথাই আপনি আমি বলি না কেন - সব অরণ্যে রোদন।
ভাবতে অবাকই লাগে কেমন মানবাধিকার কমিশন এমন অমানবিক উল্লাসের পুরস্কার দেয়? তারা তো তথা কথিত শিক্ষিত মানুষ, পশু নিশ্চয় নয়? ওদের কর্মকান্ড পা চাটা কুকুর বলে প্রবাদকে ও হার মানিয়েছে। ধীক্ ওদের হীন মানসিকতাকে, শত ধীক্ ওদের পশুসুলভ অনুভূতিকে!!

পশুত্ব বাংলাদেশ ষ্টাইল!!! এর

পশুত্ব বাংলাদেশ ষ্টাইল!!! এর কোন আকার নেই, ছায়া নেই, কায়া নেই, ভাষা নেই...আছে কেবল নির্মমতা...

বাড়ছে ছররা গুলির ব্যবহার

ডেস্ক রিপোর্ট : উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে ছররা গুলির ব্যবহার। দাঙ্গা দমনের অজুহাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যথেচ্ছাই ব্যবহার করছেন ছররা গুলি। এসব ছররা গুলি থেকে রেহাই পাচ্ছে না কোমলতি শিশুরাও। ছররা গুলির আঘাতে মাঝেমধ্যেই মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। আবার অস্ত্রোপচার করেও খুব একটা উপকার না পেয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই ছররার যন্ত্রণায় ভুগছেন ভুক্তভোগীরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ছররা গুলি শরীরে থেকে গেলে পক্ষাঘাত, গ্যাংগ্রিন কিংবা মরণঘাতী ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

অস্ত্র ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হিংস বন্যপ্রাণী দমনের উদ্দেশ্যেই তৈরি করা ছররা গুলি এখন নির্বিচারে ব্যবহার হচ্ছে মানুষের ওপর। উন্নত বিশ্বে এই ছররা গুলির ব্যবহার কমে গেলেও আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রতিনিয়তই এগুলো ব্যবহার করছেন। মারাৎদক বিপজ্জনক এসব বুলেট, গুলি শরীরে প্রবেশ করার ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত কোনো কিছুই বোঝা যায় না। তবে এর পরই শুরু হয় তীব্র যন্ত্রণা।

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ সেন্টার (বিডিপিসি)-এর প্রধান নির্বাহী, অস্ত্র বিশেষজ্ঞ শরীফ এ কাফী বলেছেন, সিসা, লোহা কিংবা বিভিন্ন ধাতব বস্তু দিয়ে তৈরি হয় ছররা। শর্টগানে ব্যবহৃত একটি গুলিতে অন্তত ৮-১২টি ছররা থাকে। এগুলো মূলত বন্যপ্রাণী দমনের জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এখন এসব ছররা মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে। কাছ থেকে এসব ছররা শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যুর ঝুঁকিও থেকে যায়। এ ক্ষেত্রে রাবার বুলেট ব্যবহার করতে পারেন পুলিশ সদস্যরা।

তবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যারা সর্বোচ্চ মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে তাদের রুখতে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। এ জন্য ছররা গুলি কেন, প্রতিরোধের সব ব্যবস্থাই নেওয়া হবে। তবে কোনো শিশু কিংবা নারী যাতে ওই সব সন্ত্রাসীর প্ররোচনায় পা না বাড়ায় সে ক্ষেত্রে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

গত ৪ মার্চ ১২৪ নম্বর দক্ষিণ কমলাপুরে নিজ বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশের ছররা গুলিতে গুরুতর আহত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র জোনায়েদ হক তন্ময় (১৩)। তার মুখে, গলায়, হাতে অনেক গুলি বিদ্ধ হয়। তন্ময়ের বাবা শাহিনুর হক শাহিন বলেন, মাঝেমধ্যেই তন্ময় ব্যথায় কুঁকড়ে ওঠে। এরই মধ্যে ১২টি গুলি অপারেশন করে বের করা হয়েছে। চিকিৎসকরা বলেছেন, তন্ময়ের শরীরে অনেক বুলেট রয়ে গেছে। মারাৎদক সমস্যার সৃষ্টি হলে অস্ত্রোপচার করে বের করতে হবে।

গত ৯ ডিসেম্বর ঢাকার গাবতলী এলাকায় বিএনপি নেতা নাজিমউদ্দিন আলমকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পুলিশ। সাতটি বুলেটের মধ্যে দুটি তার লিভারে চলে গেছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী সুশান্ত বিপ্লব। এরই মধ্যে নাজিমউদ্দিন আলমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্র“পডেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সাবেক মহাপুলিশ পরিদর্শক আবদুল কাইয়ূম জানান, সম্প্রতি কক্সবাজারে এক যুবককে শর্টগান ঠেকিয়ে পুলিশ হত্যা করেছে এমন দৃশ্য ইউটিউবে দেখা গেছে। ঐতিহ্যবাহী একটি বাহিনীর সদস্যদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করা যায় না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতিদিনের চিফ ফটো সাংবাদিক আবু তাহের খোকন, নিউএজের চিফ ফটো সাংবাদিক সানাউল হকসহ অনেক সংবাদকর্মী তাদের শরীরে ছররা গুলি বহন করে বেড়াচ্ছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাঝেমধ্যেই তারা তীব্র যন্ত্রণায় ভোগেন।

হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান জানান, ছররা গুলি ব্যবহার করে পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘন করলেও এ ব্যাপারে সরকারের টনক নড়ছে না। এসব ছররা গুলি অনেক সময় ভেঙে রক্তের সঙ্গে মিশে যায়। সেগুলো চিকিৎসকরা বেরও করতে পারেন না। সাধারণ মানুষের ওপর এগুলো ব্যবহার না করে বিকল্প কিছু ভাবা উচিত কর্তৃপক্ষের।

তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশে কি রাবার বুলেট ব্যবহার করে দাঙ্গা দমন করা হয় না আজকের পুলিশ সদস্যরাও তো একদিন সাধারণ মানুষ হবেন। কিংবা তাদের কোনো আৎদীয়স্বজনও তো ছররার শিকার হতে পারেন। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের মানবাধিকার-সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণের তাগিদ দেন তিনি।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আক্তার হোসেন সঞ্জু জানান, চোখ, কান, নাক, জয়েন্ট কিংবা ফুসফুসের মতো স্পর্শকাতার অঙ্গে ছররা ঢোকা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এসব বুলেট শরীর থেকে বের করলেও প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এতে আরও অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। দীর্ঘ দিন শরীরে থাকলে গ্রেনোলমা কিংবা শীল তৈরি হতে পারে, যা কখনো শুভকর নয়।
http://www.amadershomoy2.com/content/2013/03/10/middle0167.htm

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla