Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

রাজার দেশে দুই রাজপুত্র...

Tareq Zia and Wajed Joy
’একখণ্ড হীরা’, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান বিরোধী দলের নেত্রী খালেদা জিয়ার জোষ্ঠ্য ছেল তারেক রহমানকে এমন একটা উপমায় ভূষিত করলেন বিএনপির প্রথমসারির নেতারা। ১/১১ সরকার কর্তৃক তারেক রহমানকে গ্রেফতারের ৩য় বার্ষিকী পালন উপলক্ষে ঢাকার ’মহানগর নাট্যমঞ্চে’ বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনায় সভায় বক্তারা আরও বলেন, দেশবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এই মহান নেতার রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের। ‘হীরার আলোর মত দ্যুতি ছড়িয়ে দেশকে নেত্রীত্ব দেবেন এই প্রতিভাবান নেতা, এবং কোন অপশক্তি তা আটকাতে পারবেনা’, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান টি এইচ খান আলোচনায় সভায় এমনটাই মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক জিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে। এই আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা খন্দকার মোশারফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, ফজলুল হক মিলন সহ আরও অনেকে।

কদিন আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও প্রায় একই কায়দায় বরন করে নিল দলনেত্রীর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়কে। শুরুটা রংপুর হতে। দলের প্রাথমিক সদস্যপদ দিয়ে জনাব জয়ের জন্যে দেশীয় রাজনীতির দুয়ার খুলে দেয় তার পিতৃভূমি রংপুর।

গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় রাজনীতির দুয়ার সবার জন্যে সমানভাবে খোলা থাকে এবং এ খোলা পথে যে কেউ প্রবেশ করার অধিকার রাখে। এ অর্থে তারেক জিয়া ও সজিব ওয়াজেদ জয়ের রাজনীতিতে প্রবেশ উল্লেখ করার মত কোন ঘটনা হওয়ার কথা ছিলনা। কিন্তু বাস্তবতা হল এরা শুধু রাজনীতিতে ই প্রবেশ করেনি, বরং প্রবেশ করেছে ক্ষমতার রাজনীতিতে। গত ৩৯ বছর ধরে দেশীয় রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য চরিত্র ব্যরিস্টার মওদুদের মত ব্যক্তিরা যখন সেমিনার বসে তারেক জিয়াকে হীরার টুকরা হিসাবে আখ্যায়িত করতে বাধ্য হন আমার মত ম্যাংগো পিপলদের ধরে নিতে হবে গোলমাল হচ্ছে কোথাও।

এবার আসুন গোলমালের দিকে চোখ ফেরানোর চেষ্টা করি। ঢাকার ৬৭ নং পুরানা পলটন লাইনে রাজপ্রাসাদের মত বিশালকায় একটা বাড়ি। ৫ কোটি টাকা নগদ মূল্যে ক্ষমতা হারানোর মাত্র ক'মাস আগে ক্রয় করে নেন দেশীয় রাজনীতির কথিত হীরার টুকরা তারেক জিয়া। এই সেই তারেক জিয়া যার পিতা জেনারেল জিয়ার মৃত্যুর পর জিয়া পরিবারের সততা আর অসহায়ত্বের হূদয় বিদারক কাহিনী প্রচার করে জাতিকে চোখের পানিতে ভাসানো হয়েছিল। হতে পারে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপি বিরোধী প্লাটফর্ম মিথ্যাচার করছে তারেক জিয়ার সততা নিয়ে, কিন্তু এই লেখক চ্যালেঞ্জ দিয়ে প্রমান করবে উল্লেখিত বাড়ি ক্রয়ে ক’বছর আগের এতিম জিয়া পরিবারের সংশ্লিষ্টতা। রাজনীতিতে কি এমন গুপ্তধন লুকানো থাকে যা দিয়ে এতিম হতে কোটিপতি বনতে এক দশক সময়ও অপেক্ষা করতে হয়না? চুরি? অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে রাজনীতিবিদ নামের একদল প্রফেশনাল চোর তাদের চুরির সাম্রাজ্য ফিরে পাওয়ার নতুন ধান্ধা হিসাবে বেছে নিয়েছে তারেক জিয়া নামের নতুন পীর। ভণ্ড পীরের ভণ্ড মুরীদ্‌দের মুখেই হীরা উপমা শোভা পায়, এতে অবাক হওয়ার বিশেষ কিছু নেই।

মার্কিন দেশে বসবাসরত আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার তনয় সজীব ওয়াজেদ জয়ের পাবলিক রেকর্ডও এমন কোন সার্টিফিকেট দেবেনা, যা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইমাম মেহেদী হিসাবে আবির্ভূত হওয়া যাবে। প্রোব রিপোর্টের মতেঃ

- ১৪ই জুন, ১৯৯৮ সালে জয়কে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের টারান্ট কাউন্টিতে গ্রেফতার করা হয় বিনা লাইসেন্সের হ্যান্ডগান ও মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্যে। শাস্তি হিসাবে তাকে ১২০ দিনের জেল, ২৪ মাসের প্রবেশন এবং ৫০০ ডলার জরিমানা করা হয়।

- ৬ই ফেব্রুয়ারী, ২০০০ সালে জয়কে পুলিশ গ্রেফতার করে অনিয়ন্ত্রিত গাড়ি চালানোর জন্যে।

- মার্চ ১৯, ২০০০ সালে জয়কে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে গ্রেফতার করা হয় মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্যে। তাকে ৩০ দিনের সাসপেন্ডেড জেল, ১২ মাসের প্রবেশন এবং ৪০০ ডলার জরিমানা করা হয়।

মা শেখ হাসিনার প্রথম টার্মে জনাব জয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওয়াজেদ কনসালটিং ও সিম গ্লোবাল সার্ভিস নামে দুটি কোম্পানী খুলে ছিলেন, যেগুলোর বাৎসরিক টার্নওভার ছিল যথাক্রমে ৬১,০০০ ও ৩৫,০০০ ডলার। এই ব্যবসাকে সাইনবোর্ড বানিয়ে এই ’বিজ্ঞানী’ ভার্জিনিয়ার ফলস্‌ চার্চের ৩৮১৭ বেল মেনর কোর্ট রোডে ১ মিলিয়ন ডলার দিয়ে নিজের নামে সম্পূর্ণ নতুন একটা বাড়ি ক্রয় করেন। এ ছাড়া একই এলাকার ৪৮২৫ মার্টিন ষ্ট্রীটে ৭ লাখ ৪৯ হাজার ডলার মূল্যে আরও একটি বাড়ি ক্রয় করেন স্ত্রীর সাথে যৌথনামে।

মার্কিন দেশে মাতাল হয়ে গাড়ি চালানো এবং ছিঁচকে অপরাধে শর্ট টার্ম জেল ও জরিমানা বিশাল কোন অপরাধ নয়। এগুলো মদ ও যৌনাচার আক্রান্ত টিপিক্যাল মার্কিনি চরিত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জয় ওয়াজেদ মাতালামীর কারণে মার্কিন জেলে গেলে বাংলাদেশ রসাতলে যাবে এমনটা ভাবার নিশ্চয় কোন কারণ নেই। কিন্তু একই জয়'এর বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রবেশ নিয়ে যারা আনন্দ জোয়ারে ভেসে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন উপরের তথ্য গুলো তাদের জানা থাকলে বোধহয় ভাল হবে।

১৫০ কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশকে পরিচালনা করতে যদি তারেক জিয়ার মত প্রফেশনাল চোর আর ওয়াজেদ জয়ের মত লম্পট যুবকদের আমদানি করতে হয় তা হলে আমরা ধরে নিতে পারি গোটা একবিংশ শতাব্দী জুড়েই বাংলাদেশ বিশ্ব চুরি ও ব্যর্থ রাষ্ট্রের প্রতিযোগীতায় চ্যাম্পিয়ন হতে বাধ্য থাকবে।
http://amibangladeshi.org/node/503

Comments

চামচা কাহাকে বলে...

জয়ের নামে অভিযোগ সম্পর্কে সৈয়দ আশরাফ
সাত দিনের মধ্যে প্রমাণ দিতে না পারলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবেরাফ

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের কাছে সাত দিনের মধ্যে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ভিওআইপি ব্যবসা নিয়ে তোলা অভিযোগের তথ্যপ্রমাণ দাবি করেছেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুকের উদ্দেশে বলেন, ‘সাত দিন সময় দিলাম। এর মধ্যে তথ্যপ্রমাণ ও আলামত দিতে হবে। প্রমাণ দিতে না পারলে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট ঘরে বসে থাকবে না। দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।’

সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আমরা সহনশীল, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সংসদে আমরা বলিষ্ঠ বিরোধী দল চাই। কিন্তু মিথ্যা কথা বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।’ গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানসংলগ্ন গোলারটেক মাঠে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে মহানগর ১৪ দল আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

জয়নাল আবদিন ফারুক গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার অভিযোগ করেন। সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ নেতার এ বক্তব্য সম্পর্কে জয়নাল আবদিনের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। জয়নাল আবদিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে, তা এখনো জানি না। বক্তব্য শুনে কথা বলব।’

সজীব ওয়াজেদ জয়কে ‘শিক্ষিত, বিনয়ী, মার্জিত ও রুচিসম্মত মানুষ’ উল্লেখ করে আশরাফ আরও বলেন, ‘তিনি দেশে বসবাস করেন না। কীভাবে তিনি অবৈধ ভিওআইপির ব্যবসা করবেন?’

সৈয়দ আশরাফ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সমর্থনে পাড়ায়-মহল্লায় কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। জামায়াতে ইসলামী ছাড়া কোনো আলেম তাদের পক্ষে নেই।’ মির্জা আজমের সংবাদ সম্মেলন: এদিকে গতকাল সরকারদলীয় হুইপ এবং আওয়ামী লীগের নেতা মির্জা আজম ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে এভাবে মিথ্যাচার চলতে থাকলে রাজনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মির্জা আজম এ অভিযোগ ভিত্তিহীন, কল্পিত ও বানোয়াট মন্তব্য করে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, ‘প্রমাণ থাকলে জাতির সামনে উপস্থাপন করুন, নতুবা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

মির্জা আজম বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের লাখ লাখ তরুণের আদর্শ। তাঁরা জয়ের মতো সত্, শিক্ষিত ও আধুনিক মানুষ হতে চায়। মির্জা আজম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা থাকার উল্লেখ করে তারেক ও কোকোসহ সবার তীব্র সমালোচনা করেন।

ফারুকের বহিষ্কার দাবি: ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা গতকাল এক বিবৃতিতে সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে জয়নাল আবদিনকে সংসদ থেকে বহিষ্কারের দাবি করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেন লিয়াকত শিকদার, নজরুল ইসলাম বাবু, বলরাম পোদ্দার, শাহজাদা মহিউদ্দিন, সাইফুজ্জামান শিখর প্রমুখ।

সূত্র: প্রথম আলো

EHUDI CHRISTINE JOY !!!!!!!!!

JOI IS NOT BANGLADEHI NATIONAL. HOW HE WILL BE INVOLVED WITH
LOCAL POLITICS? HE IS A GTRAND SON OF BANGLADESHI FERAWOON AND SON OF A AWAMI PROPHET SAITANDER NETREY MAA KAALI HASINA.
HE MARRIED FIRST A HINDU SHIKH GIRL THEN CHRISTIAN CHRITINE.
HE HELP A EHUDI WROTE A BOOK AGAINST ISLAM AND NOW HASINA AND HER PARTY AND MINISTERS TOTALY AGAINST ISLAM AND BANGLADESH. SHE IS WORKING FOR ONLY INDIA AND FOR INDIA. SHE IS GOZOB FROM ALLAH AND IF FERAWOONS FAMILY IS ACTIVE IN THE POLITICS IN BANGLADESH THEN OUR MOTHER LANDWILL NEVER BE DEVELOPE AND PEACEFUL COUNTRY. SHE CAN DO ANY THING FOR POWER AND HER FATHEWR NAME. SHE ALREADY DESTROY OUR ARMY, BDR, POLICE, EDUCATION,GOVERNMENT ORGANISATIONS, ISLAM, EVERY THING....SHE DID. BUT SHE IS LUCKY SHE GOT SOME PAPPETS AND NASTIK POROJIBY AND BLIND SUPPORTERS, THESE SUPPORTERS LIKE HER MORE THAN GOD.
BUT INSHALLAH BANGLADESHI INOCENT GENERAL PEOPLE WILL TEACH THIS FERAWOONS FAMILY.

জয়কে এখনই সক্রিয় রাজনীতিতে দেখতে চান না শেখ হাসিনা

সজীব ওয়াজেদ জয়কে হঠাৎ করে দলের প্রাথমিক সদস্য করায় অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের কাছে তিনি তাঁর এ মনোভাবের কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি নিজেও চান না, জয় এ মুহূর্তে সক্রিয় রাজনীতিতে আসুক। প্রাথমিক সদস্যপদ পাওয়ার পর থেকে বিরোধীদলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার ছেলে এবং বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে জয়ের তুলনা করা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে_এটা মানতে পারছেন না শেখ হাসিনা। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় জয়কে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয়। জয়ের পক্ষে সদস্য ফরম পূরণ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

সদস্য পদ প্রাপ্তির পর জয় বলেছিলেন, 'আমি কিছুই জানতাম না। তবে যেহেতু দল আমাকে সদস্য বানিয়েছে, সে জন্য দলের প্রতি কৃতজ্ঞ, আমি গর্বিত।' জয় নিজেও বলেছিলেন এক্ষুনি সক্রিয় রাজনীতিতে আসছেন না তিনি। বরং পাশে থেকে মাকে সার্বক্ষণিক সাহায্য এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান তিনি।

জয়ের সদস্য পদ প্রাপ্তির ব্যাপারটা আগে থেকে জানতেন না খোদ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং দলের নীতি-নির্ধারকদেরও কেউ। দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়া বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও শেখ হাসিনার একমাত্র ছেলেকে কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সদস্য পদ দেওয়ার ঘটনায় দলের সর্বোচ্চ ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীর একাধিক সদস্যসহ কেন্দ্রীয় কমিটির বড় অংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভ্যন্তরীণ এ অসন্তোষের কারণে জয়কে প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়ার বিষয়ে এ পর্যন্ত কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাই মুখ খোলেননি। সভাপতিমণ্ডলীর একাধিক সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামও এ ঘটনায় মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছেন। গত শনিবার দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা শেষে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, 'জয়ের সদস্য পদ প্রাপ্তির বিষয়ে আমরা অবহিত নই', এই বলে তিনি প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, জয় যেভাবে দল ও সরকারকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে, সেভাবেই সহযোগিতা করে যাবে। এ মুহূর্তে এর বেশি চিন্তা করছে না জয়। মতিয়া চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল দেশ গড়ার লক্ষ্যে জয় যে সার্ভিস দিচ্ছে, সেটাই অনেক। এ মুহূর্তে কোনো ভবনমার্কা রাজনীতিতে জড়াবে না সে এবং তাতে সে বিশ্বাসও করে না।

দলের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরাধিকারী হিসেবে জয় রাজনীতিতে আসবেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাঁর মতো ব্যক্তিত্বকে দলের সদস্য পদ দেওয়ার আগে নীতি-নির্ধারণী ফোরামে আলোচনাসহ কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানানোর প্রয়োজন ছিল। জয়কে সদস্য পদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়ভাবে আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নীতি-নির্ধারণী মহল এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। তবে রংপুরের ছেলে হিসেবে রংপুরের তৃণমূল নেতারা আবেগের বশবর্তী হয়ে এটা করেছেন বলেও মনে করেন অনেক নেতা।

এ বিষয়ে মাহাবুব-উল আলম হানিফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান না জয় সক্রিয় রাজনীতিতে আসুক এবং এ মুহূর্তে জয়কে দলের সদস্য করাও ঠিক হয়নি। তাঁকে প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়ার ব্যাপারে দলের পূর্ব সিদ্ধান্ত ছিল না বলেও তিনি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের চাপে জয়কে সদস্য পদ দিতে তিনি বাধ্য হয়েছেন।

মাহাবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য যে কেউ হতে পারে। পদ দেওয়ার বিষয়টি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সদস্য পদ প্রাপ্তির প্রেক্ষাপটে জয় দেশে ফেরার পর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগসহ একাধিক সংগঠন তাঁকে সংবর্ধনার প্রস্তুতি নিয়েছে। তবে জয় এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
http://www.khabor.com/news/bangladesh/03/bangladesh_news_03052010_000000...

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla