Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

WatchDog's blog

শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বাজারী আগুন

বাজার বানিজ্যে আগুন লাগলেই চমৎকার একটা ছবি আমাদের পত্র-পত্রিকার পাতাগুলোকে আলোকিত করে। এই যেমন, গতকাল দেশের সবকটা দৈনিকে বানিজ্য মন্ত্রীকে দেখা গেল কাচা বাজারে হাটাহাটি করতে, দোকানদারদের সাথে মত বিনিম

কুরবানী নিয়ে ভিন্ন চিন্তা

লেখাটার মূল পর্বে যাওয়ার আগে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনার সূত্র টানতে চাই। আশির দশকের শেষ ভাগের কথা, সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায় লেখাপড়া করছি। ইলেকট্রিক্যাল এঞ্জিনীয়ারিং’এ মাষ্টার্স পর্বে ফাইনাল থিসিস লিখছি। স্থানী

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

সময় আসে এবং সময় চলে যায়; সূখ, দুঃখ, হাসি-কান্না আর মায়া-মমতায় জড়ানো কিছু সৃত্মি পেছনে ফেলে সময় হারিয়ে যায় মহাকালের কক্ষপথে। এ নিয়েই বোধহয় মনুষ্য জীবন, সময়ের ঘোড়ায় চড়ে বেচে থাকার মহাযাত্রা। বাংলাদেশেও

রাজনৈতিক প্যাচাল এবং অন্যকিছু!


সঠিক দিন তারিখের কথা মনে নেই, শুধু মনে আছে অনেকগুলো বছর পর দেশে গেছি বেড়াতে । বাংলাদেশে তখন ফুটবলের ভরা বসন্ত। রাজনৈতিক বিভক্তিকরনের পাশাপাশি ফুটবল মাঠেও ছিল বিভক্তির দেয়াল, আবাহনী এবং মোহামেডান! ছাত্রলীগ, যুবলীগের মত আবাহানী ক্রীড়াচক্রকেও মনে করা হত আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠন, এবং একই কথা বলা যেত মোহামেডানের বেলায়। পার্থক্যটা ছিল, মোহামেডানকে নির্দিষ্ট কোন দলের অংগ সংগঠন না বলে বরং আওয়ামী বিরোধী অংগ সংগঠন বললেই বোধহয় সঠিক বলা হত। প্রসংগে ফিরে যাই, ঢাকায় আগা খান গোল্ড কাপ চলছে তখন যার রেশ বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আলোড়ন তুলছে ব্যাপকভাবে। টুর্নামেন্টটা যেহেতু টিম ভিত্তিক তাই ঘরে ঘরে উড়ছিল আবাহনী এবং মোহামেডানের পতাকা।

ভালবাসার সাতকাহন

আপনি কি অলৌকিক কিছুতে বিশ্বাষ করেন?

নেংটা রাজনীতির বেসূরা অটোপসী

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন মইন উদ্দিন আর একজন ফকরুদ্দিনের আগমন কতটা প্রয়োজন ছিল সময়ই তা প্রমান করবে। আজ হিসাবের মারপ্যাচে হাজারো আসমানী সমীকরনে চাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে পতিত রাজনীতির ঘন কালো অধ্যায়কে। গত

জন্ম যখন আজন্ম পাপ

মা যতদিন বেচে ছিলেন ঘন ঘন দেশে যাওয়া হত। বিশেষ করে সিডনীতে যতদিন ছিলাম কারণে অকারনে চলে যেতাম কোন একটা উপলক্ষ পেলেই। ঈদ, বাবার মৃত্যু বার্ষিকী, বিয়ে এ ধরনের যে কোন একটা অনুষ্ঠানের আওয়াজ পেলেই হাতের ব্

গর্বাচভের সাথে কিছুক্ষন

gorbachev
দু’বছর আগের ঘটনা। বসন্তের কোন এক সকালে নিউ ইয়র্কের ল্যা গুয়ারডিয়া এয়ারপোর্টে বসে আছি আটলান্টাগামী ফ্লাইটের অপেক্ষায়। বৃষ্টি পরছে অঝোরে, চারদিক নিকশ কালো অন্ধকারে নিমজ্জিত । আবহাওয়ার কারণে ফ্লাইট দেরী হচ্ছে বারবার। আমাকে আটলান্টা হতে কলম্বিয়ার রাজধানী বগোটার ফ্লাইট ধরতে হবে, স্বভাবতই অস্থিরতা বাড়ছিল। এক পর্য্যায়ে বলা হল পরবর্তী ঘোষনা না দেয়া পর্য্যন্ত নিউ ইয়র্ক হতে কোন ফ্লাইটই ছেড়ে যাচ্ছেনা। মাথায় আকাশ ভেংগে পরল। কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইন্সের বুথে গিয়ে সমস্যার কথা তুলে ধরলাম। জানতাম ওদের কিছু করার নেই, তবু কিছুক্ষন ঘ্যানর ঘ্যানর করলাম।