Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

WatchDog's blog

সমস্যার ডিজিটাল সমাধান, বাংলাদেশের বিভক্তি

Awami League and BNP
প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থাকাটা অতীব জরুরি। ১৬ কোটির ৮০ ভাগ জনগণ যা বুঝতে অক্ষম তা তিনি বুঝে গেছেন সবার আগে। তাই প্রধান বিচারপতিকে দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছেন তত্ত্বাবধায়ক নামক ভয়াবহ ’কলেরা’ হতে। এহেন মৌলিক কৃতকর্মের জন্য আগামীতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবি উঠলেও অবাক হওয়ার থাকবেনা। উন্মাদ প্রায় এই মহিলা যে সব কথাবার্তা বলছেন তার তাৎক্ষণিক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে রাজপথে। প্রতিদিন মানুষ মরছে। মরছে আগুনে, মরছে পুলিশের গুলিতে, মরছে যত্রতত্র। কিন্তু মহিয়সী এই নারীর বিচারে গণতন্ত্র শাসনতন্ত্র এমনসব আসমানী কিতাব যার দিকে তাকানোও অপরাধ। সে অপরাধ হতে জাতিকে রক্ষা করার একক পাহারাদার সেজেছেন তিনি...

খুনের সমালোচনা খুনিদের মুখে শোভা পায়না, বরং অপেক্ষা করুন...

Awami League and Hasina
খুনের সমালোচনা খুনিদের মুখে শোভা পায়না। শোভা পায় মান+হুস ওয়ালা মানুষের মুখে। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদগণ মানুষ নন, উনারা চোর, খুনি, সভ্যতার বাই-প্রোডাক্ট। নোংরামির এ দৌড়ে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ বাকি সবার চাইতে দশ ক্রোশ এগিয়ে। তাই দলকানা নেত্রীদাসদের অনুরোধ করব অবরোধের বলি হয়ে যারা লাশের মিছিলে নাম লেখাচ্ছে দয়া করে তাদের ছবি ছাপিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করবেন না। কারণ যাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এসব করছেন তারা পশুত্বের জন্মদাতা, খুন ও খুনির পিতামহ...

বিশ্ববেহায়া হতে থুতু এরশাদ...অভিনন্দন হোসেইন মোহম্মদ এরশাদকে!!!

Hussain Muhammad Ershad
হোসেন মোহম্মদ এরশাদ জাতিকে আবারও চমক উপহার দিয়েছেন। সদলবলে মহাজোটের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে নতুন করে প্রমান করেছেন বাংলাদেশের রাজনীতির প্রায় সবটাই বেশ্যাবৃত্তি এবং এ লাইনের তিনি সফল দালাল। এরশাদ কোন দলে যোগ দেবেন, কার সঙ্গে জোট বাঁধবেন আর কার সঙ্গ ত্যাগ করবেন তা একান্তই তার নিজস্ব ও দলীয় ব্যাপার। এসব সিদ্ধান্ত নেয়ার মাঠ রাজনীতিবিদদের জন্য কেউ বন্ধ করেনি। কিন্তু এ পথে হাঁটার জন্য এরশাদ যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা একান্তই একজন দেহপসারিনী দালালের পথ। বিশ্ব বেহায়া উপাধি হতে অনেকটাই নিরাপদে ছিলেন নিজের পার্টনার-ইন-ক্রাইম শেখ হাসিনার কারণে...

"বাকশালীদের দিন শেষ, তারেক জিয়ার বাংলাদেশ"

তারেক জিয়ার অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলার রায় বেরিয়েছে। অনেকের জন্য এ রায় ছিল বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত। হয়ত খোদ তারেক জিয়ার আইনজীবীরাও এমনটা আশা করেননি। যার প্রমান রায়ের আগে বিবাদী পক্ষের প্রতিবাদের প্রস্তুতি। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা এবং এর উচ্চ নিম্ন আদালত সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সরকার প্রধান এবং উনার লেফটেন্যান্টদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার কাজে আদালত ক্ষমতাসীনদের সাথে কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করে থাকে...

পিছু হটার এখনই সময়

India and Bangladesh
১৭৩ দিন হরতাল, শত শত মানুষ খুন এবং নিজেদের জরায়ুতে তত্ত্বাবধায়ক নামক সরকারের জন্ম দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার স্বাদ নিয়েছিলেন। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে ঠেলে দিয়ে উদ্বার করেছিলেন প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ। পাচ বছর ধরে রাষ্ট্রকে নিবিড় লুটপাটের পর দেশের মানুষ উনাদের জন্য এখন মোহম্মদী বেগের মত। তাই বাঁচার জন্য আবারও দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় গনিকাদের দুয়ারে। এবং তাদের ঔরস হতেই জন্ম নিয়েছে গণতন্ত্র রক্ষার নতুন হযরতে আলা, শেখ হাসিনা। এসব ভন্ডামি, নষ্টামির সাথে এ দেশের মানুষ অনেকটাই এখন পরিচিত...

জরোনামো...জরোনামো...উই গট বোথ গ্রামীন এন্ড মোহম্মদ ইউনূস!!!

Dr. Yunis
সন্ধ্যা নামতেই অতিথির পদভারে মুখরিত হয়ে উঠল গণভবন। শুভ্রপীর সালমান, সেতুখেকো আবুল, কালো বিড়াল সুরঞ্জিত সহ অনেকেই দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রীর সাথে। প্রধানমন্ত্রী উৎফুল্ল হয়ে সবাইকে আপ্যায়ন করলেন। ডিনার শেষে পদ্মাসেতুর উপর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দিলেন। গ্রামীন ব্যাংক অর্থায়ন করবে পদ্মাসেতু। বিদায়ী আবুল হোসেন হবেন সেতু বিষয়ক মন্ত্রি। সেতু অর্থায়ন কমিটির প্রধান হবেন বাবু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, উপদেষ্টা হিসাবে থাকবেন জনাব মোদাসসের হোসেন। পাশাপাশি গ্রামীন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান ও চেয়ারম্যান হিসাবে খুব শীঘ্র যোগ দেবেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব সালমান এফ রহমান...

কলোম্বিয়ার পথে পথে। পর্ব-২

Columbia
রুটিন বিহীন জীবন জানতাম মন্থর হয়। ঘড়ির কাটার সাথে পাল্লা দিয়ে সময় কাটানোর অভ্যাস করতে হয়। কিন্তু সান্তা মার্তার অলস সাতটা দিন কিভাবে চলে গেল বুঝাতে পারলাম না। বিশেষ কোন পরিকল্পনা নিয়ে এখানে আসিনি। শহরে দেখার মতও তেমন কিছু ছিলনা। তাই কোন কিছুতে তাড়া অনুভব করিনি। তাড়া ছিলনা ঘড়ির এলার্মের সাথে বিছানা ছাড়ার, না ছিল রুটিন করে বিছানায় যাওয়ার তাগাদা...

বেগম জিয়ার ক্ষমা তত্ত্ব ও কিছু প্রশ্ন

Awami League and BNP
৫৭ জন সেনা অফিসারকে বাঁচানোর জন্য একটা বুলেট খরচ করতে যিনি বাধ সেধেছিলেন সেই তিনি হেফাজতিদের নিরস্ত্র মিছিলে পাগলা কুকুরের মত লেলিয়ে দিয়েছিলেন সরকারের সবকটা বাহিনী। আমরা দেখতে চাই এ জন্যে কেউ না কেউ আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াচ্ছে, কেউ ফাঁসিতে ঝুলছে। লাখ লাখ বিনিয়োগকারীকে পথের ভিখিরি বানিয়ে সম্পদের পাহাড়ের উপর যারা ঘোড়া দাবাচ্ছে তাদের ক্ষমা করার জন্য জনগণ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী বানাবে না..l.

JUST VIEWED

Last viewed: