Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

WatchDog's blog

হে নাগরিকত্ব, তোমাকে ত্যাজ্য করলাম

Bangladeshi Citizenship

নেশা জাতীয় কিছু খাইয়ে কাউকে ধর্ষন করা খুব সহজ। বেহুসদের হুস থাকেনা। তাদের গায়ে হাত দেয়া যেমন সহজ তেমনি সহজ পরনের কাপড় সরিয়ে ঝটপট জৈব লালসা মিটিয়ে নেয়া। ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন ছিল লালসা মেটানোর তেমনি একটা উৎসব। ৩০ লাখ এবং ২ লাখ, মোট ৩২ লাখ। সংখ্যাটার ভৌতিক, যৌগিক ও রাসায়নিক নীরিক্ষার পর ফিনিশড প্রোডাক্ট হিসাবে বাজারে যা ছাড়া হয়েছে তার নাম দেয়া হয়েছে, চেতনা'৭১...ফেন্সি ও ইয়াবার মত চেতনা'৭১ও নেশা ধরায়...

অপেক্ষায় থাকবো নয় বছর

গায়ের জোর, অস্ত্রের জোর আর গোয়েবলসীয় মিথ্যাচারে ১৫ কোটি মানুষকে তামাশার পাত্র বানিয়ে ওরা উল্লাস করছে। সাথে যোগ দিচ্ছে নতুন নতুন সামাদ পরিবার। আবারও টিটকারি, হুমকি আর আস্ফালন করে ঘোষনা দেয়া হচ্ছে দশকের পর দশক ধরে ক্ষমতা ধরে রাখার। ৭১ সালের প্রথম দিকে সময়টা ছিল তাদের। বিজয় ছিল তাদের পায়ের তলে। দেশ ছিল মুঠোয়। আজ এত বছর পর দেশের মাটিতে আবারও শোনা যাচ্ছে হায়েনাদের পদধ্বনি। নটা মাস ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছিল পশুদের শেষ দেখার জন্য। আজকের হিসাবে নয় মাস তেমন কোন সময় নয়, বরং দরকারে নয় বছর অপেক্ষায় থাকবো...

ম্যাসেজ ইন এ বটল্‌

Bangladesh Election 2014
আমার এ লেখাটা হার ম্যাজেষ্টি দ্যা কুইন অব বাংলাদেশের জন্য নয়। কারণ তিনি এখন আন্ধা, কালা, বোবা, বয়রা, নির্লজ্জ, বেহায়া। এক কথায় জীবন্ত উপকথা। লেখাটা বরং উনার মায়ের পেটের খালাত বোন বেগম জিয়ার জন্য। ভোট নামের তামাশা এ জাতি বর্জন করেছে আপনার ডাকে অথবা সমর্থনে ভেবে থাকলে ভুল করবেন। বরং তা ছিল রাজনীতিবিদ্‌দের প্রতি জনগণের বার্তা। ভোট ও ভাত নিয়ে ছিনিমিনি খেললে এ দেশের মানুষ কাউকে কোনদিন ক্ষমা করেনি। অতীতে আইয়ুব, ইয়াহিয়াদের যেমন করেনি এ যাত্রায় শেখ হাসিনাও বাদ যাননি...

এক দলা থুথু, নির্বাচন ও শেখ হাসিনা

Autocracy and Sheikh Hasina
মানুষের মৌলিক অধিকার দলিত মথিত করে নির্বাচন নামের যে পরিহাস জাতিকে উপহার দিয়েছেন তার বাজার মূল্য এখনো নির্ধারিত হয়নি। একদিন হবে এবং সঠিক মূল্য দিয়েই কেনা হবে আপনার পরিহাস। জেল, হাজত, দলন, মথন আর বালুর বস্তা দিয়ে হয়ত আটকানো গেছে বিশেষ দল ও জোটের কাফেলা। কিন্তু দলের বাইরেও এ দেশে কোটি কোটি মানুস বাস করে। আপনি আটকাতে পারেননি তাদের হূদয়। সে হূদয়ের প্রতি কনায় আপনার জন্য জমা হচ্ছে রাশি রাশি ঘৃনা...

ওয়াস্তাগফেরুল্লাহ বিন মহম্মদ জাফরুল্লাহ ও কতিপয় চেতনা ব্যবসায়ী

Bangladesh Awami LEague
শেখ পাড়ার বাঁক হইতে বালু ভর্তি একখান টেরাক আসতে দেখিয়া আমি তাল গাছের মত লম্বা আর তেজপাতার মত পাতলা হইয়া গেলাম। কওন তো যায়না, যা দিনকাল পরছে! টেরাকের পিছে থানার ওসি সাবকে দেখলাম মোডর সাইকেলে চইড়া কই যেন যাইতাছেন। আমি সেলাম দিলাম। তিনি সেলাম নিলেন। জিগাইলেন মজিদ মিয়ার বাড়ির মজমায় যামু কিনা। খুব বড় মজমা। চেতনার মজমা। গতরাইতে শুরু হইছে। যারা যারা আগের রাইতে হাজির ছিল সবার ছোট মিয়া নাকি কারনে অকারনে নাচানাচি করছে। চাইরদিকে হৈ চৈ পইরা গেছে...

আসুন হায়েনা বিদায় করি

একদল নেশাগ্রস্ত চেলা চামুন্ডা নিয়ে বুঝাতে চাইছে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল শেখ পরিবারের আজীবন দাসত্বের জন্য। নাকে কাদির মোল্লার লাশ ঝুলিয়ে তিনি জাতিকে গাধা বানিয়ে সওয়ার হয়েছেন ক্ষমতা নামক ভবদরিয়া পাড়ি দেয়ার লালসায়। গোটা দেশকে জিম্মি করেছেন। নির্বাচনকে বানিয়েছেন রাস্তায় ডাং-গুলি খেলার উপকরন। পায়রিয়া-ডায়রিয়া আক্রান্ত মুখ হতে অনর্গল বের করে চলছেন মিথ্যাচারের কলেরা। বিরোধী দল মানেই নাকি রাজাকার, তাই তাদের নিশ্চিহ্ন করার মিশনে পাগলা কুকুরের মত লেলিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রের সবকটা বাহিনী...

টিক্কা খানের আসনে আওয়ামী লীগ

Awami League
পাকিস্তানী সামরিক স্বৈরশাসক, ৭১’এর ইয়াহিয়া-টিক্কা চক্র, এরশাদ চক্রের নয় বছর হতে মুক্তির লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ ছিল অগ্রপথিক। কিন্তু একজন মহিলা তছনছ করে দিল এ ঐতিহ্য। নিজের ইচ্ছা, পারিবারিক স্বার্থ আর প্রতিবেশী দেশের তাবেদারি করতে গিয়ে খেয়াল খুশিমতো দলকে ব্যবহার করলেন এবং টেনে আনলেন এমন একটা অবস্থায় যেখান হতে দলীয় পরিচয়ে নেতা কর্মীরা জনগণের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে। কারণ তাদের জন্য দেশের অলিগলিতে পাতা আছে মৃত্যু ফাঁদ...

পেচ্ছাবের PSI

ক্ষমতার পাঁচ বছরে সাংসদ মো. আসলামুল হকের ঘোষিত সম্পত্তিই (জমি) বেড়েছে ৩৪ গুণের বেশি। একই সঙ্গে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বেড়েছে চার ধাপ। নির্বাচন কমিশনে ঢাকা-১৪ আসনের সরকারদলীয় এই সাংসদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য মিলেছে। তিনি ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া হলফনামায় বলেছেন, তিনি ও তাঁর স্ত্রী মাকসুদা হক ৪ একর ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ জমির মালিক। এসব জমির দাম দেখিয়েছেন ২০ লাখ ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা। আর দশম সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১ ডিসেম্বর জমা দেওয়া হলফনামায় বলেছেন, আসলামুল হক ও তাঁর স্ত্রী এখন ১৪৫ দশমিক ৬৭ একর (১৪ হাজার ৫৬৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ) জমির মালিক। জমির দাম উল্লেখ করা হয়েছে এক কোটি ৯২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা...