Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

rajakar

গোলাম আযম কুরবানী

Golam Azam
৯৬ বছরের এক বৃদ্ধের জন্য ৯০ বছর কারাদণ্ড। সমস্যাটা কোথায়? সমস্যাটা আসলে সরকার-জামায়েত আতাত অথবা বয়সের প্রতি দুর্বলতা প্রদর্শন নয়। যে কোন বিচারে ৯০ বছর কারাদণ্ড উপযুক্ত শাস্তি, অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের চাইতেও চরম দন্ড...

শাহবাগ চত্ব্বর। গণজাগরণ, না আওয়ামী লীগের সফল নির্বাচনী ক্যাম্প?

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে না ফেরার শপথ নিয়েছে শাহবাগ চত্বরে অবস্থানরত সরকারের বর্ধিত মন্ত্রীসভা। এখানে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, দাবিটা কি? যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি? চলমান বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে যেখানে মন্তব্য পর্যন্ত বেআইনী সেখানে ঘেরাও, হুমকি দিয়ে রায় আদায় কোনভাবেই আইনী প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়েনা। পৃথিবীর কোন আইনেই তা বৈধতা পাবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আদালতের যে কোন রায়ের বৈধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে মাত্র। রায়ের আগে জনতার দাবি বিবেচনায় আনার প্রধানমন্ত্রীর আহবান আদালতকে অনেকটা হাসির পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে...

তুতসি হুতুদের রুয়ান্ডা ও শহবাগ সরকারের বাংলাদেশ

sheikh hasina and rajakar
কথা ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। সে উদ্দেশ্যে ট্রাইবুনাল বসানো হল। বিচারক নিয়োগ দেয়া হল। ঢাক ঢোল পিটিয়ে শুনানির আয়োজন করা হল। মাসের পর মাস চললো সে শুনানি। অথচ রায়ের জন্য বসানো হল শাহবাগী সরকার। আদলতকে জিম্মি করে রায় বের করার নাম আর যাই হোক বিচার হতে পারেনা। এ শ্রেফ ভাওতাবাজি, এক অর্থে রাজনৈতিক ক্রসফায়ার...

সন্দেহের বীজ হতে বিশ্বাসের অংকুর...প্রসঙ্গ প্রজন্ম চত্বর।

Rajakar in Bangladesh
প্রজন্ম চত্ত্বরে জনগণের অংশগ্রহন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। এ নিয়ে তেনা পেঁচানোর কিছু নেই। আস্তিক-নাস্তিক তর্কের অবতারণা ঘটিয়ে জনগণের ইচ্ছাকে ধরাশায়ী করার অপচেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য। বাস্তবতা হচ্ছে ক্রাইসিস জনগণকে রাস্তায় নামায়। আমাদের ইতিহাসও এ পথে আবর্তিত হয়েছে। এ যাত্রায় খুব কৌশলে জাতিকে গেলানো হয়েছে কাদের মোল্লার রায়ও ছিল ক্রাইসিস...

প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলন ও কয়েকটি প্রশ্ন

যে কোন আন্দোলনের দুটা পক্ষ থাকে। যথা শোষক ও শোষিত, বঞ্চিত ও বঞ্চনাকারী, লাঞ্চিত ও লাঞ্ছনাকারী এবং এ জাতীয় অনেক কিছু। অধিকার আদায়ে একপক্ষ যখন মাঠে নামে তাদের সামনে থাকে খোলা চেহারার প্রতিপক্ষ। দুই পক্ষের ঘাত প্রতিঘাত, দর কষাকষি ও অভিযান ও পালটা অভিযানের অপর নামই বোধহয় আন্দোলন। ৫২, ৬৯ এবং ৭১’এ আমরা তাই দেখেছি। এ বিবেচনায় আমার প্রশ্ন, শাহবাগ আন্দোলনের প্রতিপক্ষ কে?...

জোয়ারের এখনই সময়

Rajakar in Bangladesh
গোলাম আজম অধ্যায়ই আমাদের একমাত্র পাপের অধ্যায় নয়। আমাদের পাপ গোটা শরীরে। এ পাপ নদীর পানিতে, এ পাপ রেলের বগিতে, বিদ্যুতের আলোতে, ব্যাংকে, বীমায়, শিক্ষাঙ্গনের প্রতি বাঁকে। স্বাধীনতার অর্থ কেবল রাজাকারের ফাঁসির দাবি হতে পারেনা। কজন অপরাধীর অপরাধের মাঝে থেমে থাকেনা আমাদের জীবন। আমাদের চলতে হয়। বেঁচে থাকার জন্য আমাদের নদীতে নামতে হয়, রেলে উঠতে হয়, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়। ৭১’এর হায়েনার মত এসব পথে এখন নব্য হায়েনাদের অবাধ চলাফেরা...

বার্নি মেডোফ ও কাদির মোল্লা, বাগানের এক মালি দুই ফুল

Rajakar
কাদের মোল্লাকে যাবত জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। কিন্তু এই দন্ড কাউকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ক্ষোভে রাগে অনেকে রাস্তায় পর্যন্ত নেমে আসতে বাধ্য হয়েছে। রায় ঘোষনার পূর্ব মুহূর্তে মোল্লার চেহারা ছিল সাদা, ফ্যাকসা, অনেকটা সদ্য মৃত লাশের মত। কিন্তু রায় শোনার পর বদলে যায় তার চেহারা। দু আঙুল উচিয়ে ভিক্টরি সাইন দেখিয়ে প্রকারান্তে নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন...

সাকা চৌধুরী গ্রেফতার, চাঁদের অন্য পীঠ

Rajakar Salauddin Kader
ভার্চুয়াল পৃথিবীর ভাষা দুদিন ধরে অস্বাভাবিক গরম। হা-মীম গার্মেন্টেসের মতই যেন জ্বলছে। শোনা যায় আশুলিয়ার ঐ কারখানায় পানি থাকা সত্ত্বেও আগুন নেভাতে তা ব্যবহার করা হয়নি রহস্যজনক কারণে। ব্লগের আগুনে অবশ্য কোন রহস্য নেই। এ আগুন দহনের আগুন নয়, আনন্দের আগুন, উৎসবের আগুন। সরকারের একজন ওজনদার মন্ত্রী বলেছেন সাকা চৌধুরী গ্রেফতার ছিল বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির জন্যে সরকারের বিশেষ উপহার। হরেক রকম উপহারের সাথে আমাদের পরিচয় আছে। হিন্দী সিনেমায় ওমরেশ পুরীরকে লাশ পর্যন্ত উপহার দিতে দেখেছি। সে বিবেচনায় সাকা চৌধুরী...