Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Hasina

বিশ্ববেহায়া হতে থুতু এরশাদ...অভিনন্দন হোসেইন মোহম্মদ এরশাদকে!!!

Hussain Muhammad Ershad
হোসেন মোহম্মদ এরশাদ জাতিকে আবারও চমক উপহার দিয়েছেন। সদলবলে মহাজোটের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে নতুন করে প্রমান করেছেন বাংলাদেশের রাজনীতির প্রায় সবটাই বেশ্যাবৃত্তি এবং এ লাইনের তিনি সফল দালাল। এরশাদ কোন দলে যোগ দেবেন, কার সঙ্গে জোট বাঁধবেন আর কার সঙ্গ ত্যাগ করবেন তা একান্তই তার নিজস্ব ও দলীয় ব্যাপার। এসব সিদ্ধান্ত নেয়ার মাঠ রাজনীতিবিদদের জন্য কেউ বন্ধ করেনি। কিন্তু এ পথে হাঁটার জন্য এরশাদ যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা একান্তই একজন দেহপসারিনী দালালের পথ। বিশ্ব বেহায়া উপাধি হতে অনেকটাই নিরাপদে ছিলেন নিজের পার্টনার-ইন-ক্রাইম শেখ হাসিনার কারণে...

ভগবান রজনীশের নিউ ইয়র্ক অভিযান

Hasina in New York
গ্যাটের পয়সা খরচ করে সার্কাস দেখা যাদের পক্ষে সম্ভব হয়না তাদের জন্য সূবর্ণ সুযোগ। নিউ ইয়র্ক, প্রতিবেশী নিউ জার্সি, কানেটিকাট এবং পেনসিলভানিয়ায় বাসরত প্রবাসি বাংলাদেশিরা চাইলে নিতে পারেন এ সুযোগ। সন্তান সন্ততি সহ এখুনি বেরিয়ে পড়ুন। কষ্ট করে চলে আসুন জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কাছাকাছি গ্রান্ড হায়াত হোটেলে। ভেতরের গ্রান্ড শো'তে ঢোকার সুযোগ না পেলেও অসুবিধা নেই...

ভ্যালা রে প্রধানমন্ত্রী, বেঁচে থাকুন চিরকাল

Awami terrorism
১৭৩ দিনের হরতাল, গান পাউডার দিয়ে বাসে আগুন লাগিয়ে মানুষকে জীবন্ত কবর দেয়া, লগি-বৈঠার তান্ডবে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করে লাশের উপর ব্রাজিলিয়ান সাম্বা নাচ, বঙ্গ ভবনের পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেশের প্রেসিডেন্টকে ভাতে মারার হুমকি, এসব কি তাহলে হাজার বছর আগের আরব্য উপন্যাস হতে নেয়া? জাতি হিসাবে আমরা কি এতটাই পঙ্গু যে এত তাড়াতাড়ি এসব ভুলে যাব? নাকি কেবল শেখ হাসিনার প্রয়োজনে মনে করব, আবার শেখ হাসিনার প্রয়োজনেই তা ভুলে যাব?...

পঞ্চম একজন, একটি ফোন কল ও পদ্মা সেতুর করুণ পরিণতি

Padma Bridge and Abul Hossain
৩৮০ কোটি টাকার ১০%, ৩৮ কোটি টাকা। ’যৎ সামান্য’ এই অংকের জন্যেই ফেঁসে গেছে পদ্মাসেতু। এসএনসি-লাভালিন নামের যৌথ কোম্পানী কাজ পাওয়ার জন্যে এমন একটা অংকই ’উপহার’ দিতে চেয়েছিলেন সেতু মালিকদের। অবশ্য বিশ্বব্যাংক বলছে অন্য কথা, ৩৮ কোটি টাকার বিনিময়ে মন্ত্রী আবুল হোসেনের ’গ্যাং অব সিক্স’ নিজেরাই নাকি বিক্রি করতে চেয়েছিল সেতুর উপদেষ্টা কাজ। চুক্তির দেনদরবার ও লেনাদেনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল দেশপ্রেমিক সার্টিফিকেট প্রাপ্ত মন্ত্রীর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান সাকো...

নদীর নামে নাম...নাম তার পদ্মাসেতু

Padma Bridge Crruption
যে হারে যোগানদাতার আবির্ভাব ঘটছে তাতে পদ্মা সেতু নিয়ে সরকার বোধহয় নতুন এক ঝামেলা পাকাতে যাচ্ছে। খবরে প্রকাশ, কেবল আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিরাই ৩০০ কোটি ডলার অর্থ সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রায় একই সময় ১০০ কোটি ডলার সমমূল্যের ঋণ নির্দ্দিষ্ট খাত হতে সরিয়ে সেতু খাতে বিনিয়োগ করলে প্রতিবেশী দেশ ভারতের আপত্তি থাকবেনা বলে জানিয়ে দিয়েছে। সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এক দিনের বেতনও একই খাতে জমা হতে যাচ্ছে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগে ঢল নামা এখন সময়ের...

"হাসিনার গুগলিতে ইউনূসের ছক্কা"

Yunus
হাসিনার গুগলিতে ইউনূসের ছক্কা! বাক্যটা আমার নিজের নয়, অন্য একজন ব্লগারের লেখা হতে ধার করা। হাসিনা-ইউনূস অধ্যায়ের শেষ পর্বকে একবাক্যে বর্ণনা করতে চাইলে এর চাইতে ভাল কোন শব্দ খুজে পাওয়া মুস্কিল হবে। প্রতিপক্ষ নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় শেখ হাসিনা এ মুহূর্তে দেশ চ্যাম্পিয়ন। অতীতে দেশের উচ্চ আদালতও এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনীর মত নেত্রীর মুখেরও কোন উন্নতি হয়নি। বরং ক্ষমতা ফিরে পেয়ে মুখের অপব্যবহারকে নিয়ে গেছেন নতুন এক উচ্চতায়। এই অতি উচ্চতার কারণে গাফফার চৌধুরীদের মত আন্ধা সমর্থকেরাও গাই গুই করে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু এসবে মোটেও দমার পাত্র নন তিনি...

ডিজিটাল কফিনে দিন বদলের দাফন। তথ্যই কথা বলে...

Bangladesh Awami League
লেখাটা যখন লিখছি গাড়ি বহর নিয়ে চট্টগ্রামে শোডাউন করছেন বিরোধী দলের নেত্রী। রাজনৈতিক কার্যক্রমের অংশ হিসাবে গোটা বাংলাদেশকে এধরণের শোডাউনের আওতায় আনা হয়েছে ইতিমধ্যে। বলা হচ্ছে এটা হবে রাজনৈতিক সাংস্কৃতির নতুন সংযোজন রোডমার্চের শেষ পর্ব এবং এরপর আসবে সরকার পতনের ডাক ও এতদসংক্রান্ত নতুন কর্মসূচী (ইতিমধ্যে দেয়া হয়েছে)। যারা বিরোধী রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত তাদের জন্যে নিশ্চয় এটা একটা খবর এবং চাইলে এ নিয়ে ঝঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ রাজনীতির নতুন অধ্যায় লিখতে পারবেন। কিন্তু আমার মত দেশীয় রাজনীতিকে যারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার আন্তপারিবারিক লড়াই হিসাবে দেখতে অভ্যস্ত তাদের জন্যে এসব কোন খবর নয়, বরং ক্ষমতার সিঁড়ি ডিঙ্গবার নয়া কৌশল মাত্র। খালেদা জিয়ার...

একবার না পারিলে দেখ শতবার ও তিন নারীর নোবেল প্রাপ্তি

nobel peace prize 2011একসাথে তিন নারীর নোবেল জয়, তাও আবার শান্তিতে। গুয়েতমালার সোস্যাল একটিভিষ্ট রগোবের্তা মেঞ্চুর পর নোবেল কমিটি বোধহয় ভুলেই গিয়েছিল নারীদের কথা। তাই এবারের নোবেল কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে বিশ্ব নারী আন্দোলনে। শান্তিতে নোবেল নিয়ে অনেকদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক হোসেইন ওবামার নোবেল প্রাপ্তি নিয়ে। দুই দুইটা যুদ্ধে লিপ্ত একটা দেশের কমান্ডার-ইন-চীফ'কে শান্তিতে নোবেল প্রদান গোটা নোবেল প্রক্রিয়াকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। বাংলাদেশের মাইক্রো ক্রেডিটকে পুরস্কৃত করায় বিশ্বের কোথাও প্রশ্ন না উঠলেও খোদ বাংলাদেশে বয়ে গেছে রাজনৈতিক সুনামি...