Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Awami League

কাঁদো বাঙ্গালী কাঁদো

 Bangladesh - August 15th
মানুষ আপন পিতার মৃত্যুতেও শোকাভিভূত হয়ে সপ্তাহ অতিবাহিত করেনা। অথচ গোটা জাতিকে বলা হচ্ছে মাস ভরে কাঁদতে। কান্নাকাটির সিম্ফোনিতে জাতিকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে তেনারা নিবিড় ভাবে চালিয়ে যান ভাগ্য গড়ার কলকব্জা। এক মাসের জন্য জীবন থমকে যেতে বাধ্য করা হলেও থমকে যায়না বন্দুকের নল। থেমে যায়না টেন্ডার বাণিজ্য। থমকে দাঁড়ায়না ব্যাংক লুট। অস্ত যায়না সন্ত্রাসী রাজত্বের। অথচ কোথায় কে জন্মদিনের কেক কাটলো তা নিয়ে চলে কারবালার মাতম...

এক দলা থুথু, নির্বাচন ও শেখ হাসিনা

Autocracy and Sheikh Hasina
মানুষের মৌলিক অধিকার দলিত মথিত করে নির্বাচন নামের যে পরিহাস জাতিকে উপহার দিয়েছেন তার বাজার মূল্য এখনো নির্ধারিত হয়নি। একদিন হবে এবং সঠিক মূল্য দিয়েই কেনা হবে আপনার পরিহাস। জেল, হাজত, দলন, মথন আর বালুর বস্তা দিয়ে হয়ত আটকানো গেছে বিশেষ দল ও জোটের কাফেলা। কিন্তু দলের বাইরেও এ দেশে কোটি কোটি মানুস বাস করে। আপনি আটকাতে পারেননি তাদের হূদয়। সে হূদয়ের প্রতি কনায় আপনার জন্য জমা হচ্ছে রাশি রাশি ঘৃনা...

ওয়াস্তাগফেরুল্লাহ বিন মহম্মদ জাফরুল্লাহ ও কতিপয় চেতনা ব্যবসায়ী

Bangladesh Awami LEague
শেখ পাড়ার বাঁক হইতে বালু ভর্তি একখান টেরাক আসতে দেখিয়া আমি তাল গাছের মত লম্বা আর তেজপাতার মত পাতলা হইয়া গেলাম। কওন তো যায়না, যা দিনকাল পরছে! টেরাকের পিছে থানার ওসি সাবকে দেখলাম মোডর সাইকেলে চইড়া কই যেন যাইতাছেন। আমি সেলাম দিলাম। তিনি সেলাম নিলেন। জিগাইলেন মজিদ মিয়ার বাড়ির মজমায় যামু কিনা। খুব বড় মজমা। চেতনার মজমা। গতরাইতে শুরু হইছে। যারা যারা আগের রাইতে হাজির ছিল সবার ছোট মিয়া নাকি কারনে অকারনে নাচানাচি করছে। চাইরদিকে হৈ চৈ পইরা গেছে...

টিক্কা খানের আসনে আওয়ামী লীগ

Awami League
পাকিস্তানী সামরিক স্বৈরশাসক, ৭১’এর ইয়াহিয়া-টিক্কা চক্র, এরশাদ চক্রের নয় বছর হতে মুক্তির লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ ছিল অগ্রপথিক। কিন্তু একজন মহিলা তছনছ করে দিল এ ঐতিহ্য। নিজের ইচ্ছা, পারিবারিক স্বার্থ আর প্রতিবেশী দেশের তাবেদারি করতে গিয়ে খেয়াল খুশিমতো দলকে ব্যবহার করলেন এবং টেনে আনলেন এমন একটা অবস্থায় যেখান হতে দলীয় পরিচয়ে নেতা কর্মীরা জনগণের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছে। কারণ তাদের জন্য দেশের অলিগলিতে পাতা আছে মৃত্যু ফাঁদ...

সমস্যার ডিজিটাল সমাধান, বাংলাদেশের বিভক্তি

Awami League and BNP
প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থাকাটা অতীব জরুরি। ১৬ কোটির ৮০ ভাগ জনগণ যা বুঝতে অক্ষম তা তিনি বুঝে গেছেন সবার আগে। তাই প্রধান বিচারপতিকে দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছেন তত্ত্বাবধায়ক নামক ভয়াবহ ’কলেরা’ হতে। এহেন মৌলিক কৃতকর্মের জন্য আগামীতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবি উঠলেও অবাক হওয়ার থাকবেনা। উন্মাদ প্রায় এই মহিলা যে সব কথাবার্তা বলছেন তার তাৎক্ষণিক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে রাজপথে। প্রতিদিন মানুষ মরছে। মরছে আগুনে, মরছে পুলিশের গুলিতে, মরছে যত্রতত্র। কিন্তু মহিয়সী এই নারীর বিচারে গণতন্ত্র শাসনতন্ত্র এমনসব আসমানী কিতাব যার দিকে তাকানোও অপরাধ। সে অপরাধ হতে জাতিকে রক্ষা করার একক পাহারাদার সেজেছেন তিনি...

খুনের সমালোচনা খুনিদের মুখে শোভা পায়না, বরং অপেক্ষা করুন...

Awami League and Hasina
খুনের সমালোচনা খুনিদের মুখে শোভা পায়না। শোভা পায় মান+হুস ওয়ালা মানুষের মুখে। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদগণ মানুষ নন, উনারা চোর, খুনি, সভ্যতার বাই-প্রোডাক্ট। নোংরামির এ দৌড়ে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ বাকি সবার চাইতে দশ ক্রোশ এগিয়ে। তাই দলকানা নেত্রীদাসদের অনুরোধ করব অবরোধের বলি হয়ে যারা লাশের মিছিলে নাম লেখাচ্ছে দয়া করে তাদের ছবি ছাপিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করবেন না। কারণ যাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এসব করছেন তারা পশুত্বের জন্মদাতা, খুন ও খুনির পিতামহ...

পিছু হটার এখনই সময়

India and Bangladesh
১৭৩ দিন হরতাল, শত শত মানুষ খুন এবং নিজেদের জরায়ুতে তত্ত্বাবধায়ক নামক সরকারের জন্ম দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার স্বাদ নিয়েছিলেন। দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে ঠেলে দিয়ে উদ্বার করেছিলেন প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ। পাচ বছর ধরে রাষ্ট্রকে নিবিড় লুটপাটের পর দেশের মানুষ উনাদের জন্য এখন মোহম্মদী বেগের মত। তাই বাঁচার জন্য আবারও দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় গনিকাদের দুয়ারে। এবং তাদের ঔরস হতেই জন্ম নিয়েছে গণতন্ত্র রক্ষার নতুন হযরতে আলা, শেখ হাসিনা। এসব ভন্ডামি, নষ্টামির সাথে এ দেশের মানুষ অনেকটাই এখন পরিচিত...

বেগম জিয়ার ক্ষমা তত্ত্ব ও কিছু প্রশ্ন

Awami League and BNP
৫৭ জন সেনা অফিসারকে বাঁচানোর জন্য একটা বুলেট খরচ করতে যিনি বাধ সেধেছিলেন সেই তিনি হেফাজতিদের নিরস্ত্র মিছিলে পাগলা কুকুরের মত লেলিয়ে দিয়েছিলেন সরকারের সবকটা বাহিনী। আমরা দেখতে চাই এ জন্যে কেউ না কেউ আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াচ্ছে, কেউ ফাঁসিতে ঝুলছে। লাখ লাখ বিনিয়োগকারীকে পথের ভিখিরি বানিয়ে সম্পদের পাহাড়ের উপর যারা ঘোড়া দাবাচ্ছে তাদের ক্ষমা করার জন্য জনগণ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী বানাবে না..l.