Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

রাজনীতির লাশ বনাম লাশের রাজনীতি, হ্যালো প্রধানমন্ত্রী!

জিনিষটা একটু অন্যরকম হলেই বোধহয় ভাল হত। হ্যাঁ, আমি সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের মৃত্যুতে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে কথা বলছি। কথা উঠ্‌ছে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সময়ের অর্থমন্ত্রীর মৃত্যুতে শেখ হাসিনা শোক প্রকাশে আন্তরিক ছিলেন না। অনেকের দাবি ছিল রহমান সাহেবকে রাষ্ট্রীয় সন্মানে সমাহিত করা হোক, সে দিকেও বর্তমান সরকার কর্নপাত করেনি। ঢাকা হতে সিলেট পর্য্যন্ত লাশ নিতে হয়েছে স্থলপথে, গলে যাওয়ার ভয়ে পথিমধ্যে থামানোর কোন সূযোগ ছিলনা।

ক্রশফায়ার, রাজনীতির ব্যর্থতা না ব্যর্থতার রাজনীতি?

Crossfire in Bangladesh
ঘটনা ১:
আমাদের কাজের বুয়া, যাকে আমরা বাচ্চুর মা নামে গত ২০ বছর ধরে চিনি, কোন আগাম নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ একদিন উধাও। প্রায়ই এ রকম করে থাকে, এ নিয়ে কথা বলার বিশেষ কোন সূযোগ নেই, কারণ মার কড়া হুকুম। যাই হোক, প্রতিবারের মত এ যাত্রায় অবশ্য বেশী দিন দেরী হলনা ফিরে আসতে। সবাইকে আশ্চর্য্য করে দিয়ে বাচ্চুর মা সাথে একটা জোয়ান বাছুর নিয়ে

 

সাইফুর রহমানের মৃত্যু এবং কিছু প্রশ্নঃ

Saifur Rahman
মৃত্যু মানুষকে সমালোচনার উর্ধ্বে নিয়ে যায়, সাথে মৃতের ইহকাল আর পরকালের সমীকরন মেলানোর দায়িত্বও চলে যায় সৃষ্টি কর্তার হাতে। আমাদের সাবেক অর্থমন্ত্রী জনাব সাইফুর রহমানও চলে গেলেন এমন সমীকরনের হাতে নিজকে সমর্পন করে দিয়ে। মানুষটার ভাল-মন্দ নিয়ে যাচাই বাছাই অথবা মন্তব্য করার সময় এটা নয়। কিন্তূ যে ভাবে তিনি চলে গেলেন তা নিয়ে আলোচনা করলে নিশ্চয় মৃতের প্রতি অসন্মান দেখানো হবেনা, বরং আলোচনা হতে ভাল কিছু বেরিয়ে আসলে তা জাতীয় সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে । আসুন বিষয়টা নিয়ে একটু আলোচনা করি...

ছাত্রজীবন শুধু একবারই আসে

Students of Bangladesh!
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিমুক্ত একটি শিক্ষাঙ্গন। এখানে রাজনৈতিক কর্মকান্ড সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। এর পরও ছাত্রলীগ সমর্থিত শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের বাড়াবাড়ি আর শক্তি প্রদর্শনে প্রায়ই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়। অভিযোগ আছে, তিন সাংসদের প্রশ্রয়েই এই দুটি গ্রুপ বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্যমতে, জাতীয় সংসদের হুইপ ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের সাংসদ মুজিবুল হক, কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর) আসনের সাংসদ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ও কুমিল্লা-৮ (বরুড়া ও সদর দক্ষিণের একাংশ) আসনের সাংসদ নাছিমুল আলম চৌধুরীর প্রশ্রয় পাওয়া ওই দুই গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী।

শেষ নবাবের প্রত্যাবর্তন

Ami Bangladeshi
শেষ পর্য্যন্ত উনি এলেন! আসবেন, এই এলেন বলে... এমন কিছু ফিসফাস বেশ ক’দিন ধরেই বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তবে উনি যে বেড়িয়ে আসবেন এ ব্যাপারে কারও কোন সন্দেহ ছিলনা। এবং তাই হল, অপেক্ষার শেষে তিনি বেড়িয়ে এলেন। মোহম্মদ জয়নাল হাজারী! বাংলার শেষ নবাব সিরাজ উদ্‌দৌলাকে যাদের দেখার সৌভাগ্য হয়নি, তাদের বোধহয় ফিরে এল সে মহেন্দ্রক্ষন। সমগ্র বাংলা না হোক, অন্তত বাংলার এক অংশের নবাবকে নতুন করে দেখার র্দুলভ সূযোগ তৈরী করে দেয়ার জন্যে আমাদের বিচার ব্যবস্থাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারা যায় না!

বাকশাল এবং সমসাময়িক বিশ্ব

পুজিবাদের মৃত্যু ঘোষনা দিয়ে ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লব হাজির হয়েছিল সমাজতন্ত্রের বানী নিয়ে। সম্পদের সূসম বন্টন এবং সবার জন্যে ন্যায় বিচারের প্রতিজ্ঞা নিয়ে সমাজতন্ত্রের উদয় ছিল সময়ের দাবি। এমন একটা দাবির মিছিলে সামিল হতে শুরু করেছিল ইউরোপ, এশিয়া এবং আমেরিকার অনেক দেশ। বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফাসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে সর্বহারাদের একনায়কতন্ত্রের নামে কায়েম করা হয়েছিল একদলীয় শাষনের ষ্টীমরোলার। তাতে কি সফল হয়েছিল নির্যাতিত শ্রমজীবির দল? যাদের হারানোর কিছুই ছিলনা নূন্যতম পাওয়াই ছিল তাদের জন্যে চরম পাওয়া, এ অর্থে নিশ্চয় সফল ছিল রাশিয়া এবং চীনের মত অনগ্রসর দেশগুলোর নির্যাতিত শ্রমজীবির দল। কিন্তূ শেষ পর্য্যন্ত সেই সময়ের দাবির কাছেই হার মানতে বাধ্য হয় সর্বহারাদের স্বৈরতন্ত্র। তাই বলে সভ্যতা বিকাশে সমাজতন্ত্রের অবদানকে খাটো করে দেখার কোন উপায় ছিলনা, আজকের লাগামহীন পূজিবাদকে দিক নির্দেশনা পেতে এখনও হাতড়াতে হয় সমাজতন্ত্রের উত্থান এবং পতনের কারণগুলো।

যুদ্বাপরাধীদের তালিকা

পড়তে কষ্ট হলে দুঃখিত।

তালিকার শেষ নামটার দিকে (৫০নং) একটু খেয়াল করবেনঃ ইনি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই এবং মুক্তিযুদ্ব চেতনায় উদ্ভাসিত মন্ত্রীসভার 'মাননীয়' মন্ত্রী। ধিক!

 

 

 

 

 

 

রাজনৈতিক প্যাচাল এবং অন্যকিছু!


সঠিক দিন তারিখের কথা মনে নেই, শুধু মনে আছে অনেকগুলো বছর পর দেশে গেছি বেড়াতে । বাংলাদেশে তখন ফুটবলের ভরা বসন্ত। রাজনৈতিক বিভক্তিকরনের পাশাপাশি ফুটবল মাঠেও ছিল বিভক্তির দেয়াল, আবাহনী এবং মোহামেডান! ছাত্রলীগ, যুবলীগের মত আবাহানী ক্রীড়াচক্রকেও মনে করা হত আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠন, এবং একই কথা বলা যেত মোহামেডানের বেলায়। পার্থক্যটা ছিল, মোহামেডানকে নির্দিষ্ট কোন দলের অংগ সংগঠন না বলে বরং আওয়ামী বিরোধী অংগ সংগঠন বললেই বোধহয় সঠিক বলা হত। প্রসংগে ফিরে যাই, ঢাকায় আগা খান গোল্ড কাপ চলছে তখন যার রেশ বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আলোড়ন তুলছে ব্যাপকভাবে। টুর্নামেন্টটা যেহেতু টিম ভিত্তিক তাই ঘরে ঘরে উড়ছিল আবাহনী এবং মোহামেডানের পতাকা।