Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

ওয়াচডগের রাজনৈতিক গল্প, আন্দাজের গোলা গোলান্দাজ!

Bangladesh 2059
অবশেষে ঘুম ভাংগল গোলান্দাজ বয়াতীর। লম্বা একটা হাই তুলে এদিক ওদিক তাকাতেই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেল, এ কোথায় এল সে! যতদূর চোখ যায় শুধু মানুষ আর মানুষ, গাড়ি-ঘোড়ার চিন্‌হ নেই, মাঝে মধ্যে দু’একটা ইঞ্জিনের ভটভটি বাদ দিলে কেবলই রিক্সা আর সাইকেলের সমুদ্র। কঞ্চি বাঁশের মত লম্বা লম্বা দালান, সাথে কবুতরের খুপটির মত লাখ লাখ বস্তি, পরিচিত ঢাকা শহরের সাথে কিছুতেই মেলাতে পারলনা এ দৃশ্য। এটা কি তাহলে শান্তিনগড় এলাকা, নিজকে খুব অসহায় ভাবে জিজ্ঞেষ করল গোলান্দাজ। উঠে দাঁড়াল সে, পেট চো চো করছে খিদায়। যে করেই হোক বাসায় পৌঁছতে হবে, স্ত্রী জেরিন দুপুরের খাবার নিয়ে নিশ্চয় অপেক্ষায় আছে তার।

শিল্পখাতের নৈরাজ্য এবং এর ডাল-ভাতীয় বিশ্লেষন

Tongi Clash
দেশের গার্মেন্টস্‌ শিল্প আবারও অস্থির হয়ে উঠছে। জ্বালাও পোড়াও মিছিলে শামিল হচ্ছে নতুন নতুন কারখানা, ধ্বংসের তান্ডবে যোগ দিচ্ছে নতুন নতুন শ্রমিক। সরকার বলছে বিরোধী দলীয় ষড়যন্ত্রের কথা, মালিক পক্ষ বলছে বিদেশী চক্রান্তের কথা, বামপন্থীরা শোনাচ্ছে শ্রম শোষনের মার্ক্সীয় তত্ত্ব। সরকার হটাতে বিরোধী দল আন্দোলনের পথ খুঁজবে এমনটা বুঝতে শার্লক হোমস্‌ হওয়ার প্রয়োজন নেই, প্রতিদন্ধিতার বাজারে বিদেশীরা চক্রান্ত করবে এটা বাজার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, আর বামপন্থীরা ধ্বংস যজ্ঞে শোষনের মিনার আঁকবে এ চলে আসছে যুগ যুগ ধরে।

র্দুঘটনা এবং প্রাসংগিক কিছু ভাবনা।

Road accidents in Bangladesh
প্রথম আলো ব্লগে ফারহান দাউদের ‘একজন বড়ভাইকে বাঁচাতে সাহায্য চাই‘ পোষ্ট এবং প্রাসংগিক মন্তব্যগুলো পড়ে একটা কিছু লেখার তাগাদা হতেই এ লেখা (http://prothom-aloblog.com/users/base/deathmetal/48)।পরিচিত যে কাউকে এমন অবস্থায় দেখলে কিছু একটা করতে মন চায়, এটাই মনুষ্য মনের সহজাত প্রবৃত্তি, বোধহয় মানুষ হিসাবে বেচে থাকার এটাই আমাদের অন্যতম সার্থকতা। লেখক উনার পরিচিত শাম্মা ভাইকে সাহায্যের জন্যে এ ফোরামে অনুরোধ জানিয়েছেন। ফারহান দাউদ, আপনি আপনার কর্ত্তব্য এবং দায়িত্ব পালন করেছেন, ধন্যবাদ আপনাকে।

ভাগ্যের সন্ধানে বাংলাদেশী ...

Bangladeshi immigrants
নিউ ইয়র্কে বাস করার সময় একজনকে উপকারের জন্যে কিছু মিথ্যা বলতে হয়েছিল। বাংলাদেশে সে আমার নিকট প্রতিবেশী, নিউ ইয়র্ক শহরে বাস করছে প্রায় ২০ বছর। অভিবাসন প্রক্রিয়ার গ্যাড়াকলে আটকে গিয়ে বেচারা দেশে যেতে পারছেনা অনেক বছর। কাঁদো কাঁদো চেহারায় আমার উডসাইডের এপার্টমেন্টে হাজির হয়ে জানাল ১ মাস পর ইমিগ্রেশন কোর্টে শুনানি, সাহায্য দরকার তার। এসব ভেজালে জড়াতে মন চায়না, কিন্তূ না চাইলেও এ যাত্রায় এড়িয়ে যাওয়ার উপায় ছিলনা, কারণ দেশে তার মা-বাবা আমাদের পারিবারিক বন্ধু।

বিচারের নৌকা পাহাড় বাইয়্যা যায়!

WatchDog
বিচারে বিচারে সায়লাব হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এক বিচারের শুরু না হতেই জন্ম নিচ্ছে নতুন বিচারের পটভূমি। যুদ্বাপরাধী ও রাজাকার বিচার, শেখ মুজিব হত্যা বিচার, জেল হত্যা বিচার, গ্রেনেড হামলা বিচার, ১০ ট্রাক অস্ত্র আমদানী বিচার, বিডিআর ম্যসাকার বিচার, জেএমবি বিচার, চিনি ঘাপলাবাজীর বিচার, এবং এ তালিকার সর্বশেষ সংযোজন সাংসদ এবং শেখ পরিবারের অন্যতম সদস্য ফজলে নূর তাপস হামলা বিচার। এ সরকারের মেয়াদান্তে এ ধরনের বিচারের তালিকা কতটা দীর্ঘায়িত হবে তা সহজেই অনুমেয়।

একজন রহমান সাহেবের গল্প

Rahman
পাগলামী করার ইচ্ছে হতেই নিউ ইয়র্ক সময় রাত ২টায় রহমান সাহবেকে ফোন করে বসলাম। এমন কাজটা করায় উনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। মাঝ রাতে ঘুম ভাংগিয়ে ছাগলের মত ভ্যা ভ্যা হেসে আমাকে অনেক জ্বালিয়েছেন, তাই জিনিষটা ফিরিয়ে দিতে বিবেকে এতটুকু বাধলনা। ’কি গোলমালের মিয়া, এত রাইতে ফোন কিল্লাই, খারাপ কিছু নাকি? ’আরে না, খারাপ খবর হতে যাবে কেন বরং বেজায় খুশীর খবর, আমি আপনার এএনপিতে (আসল ন্যাশনালিষ্ট পার্টি) যোগদান করার সিদ্বান্ত নিয়াছি’।

Hassan Imam Khan's picture

ধর্ম-নিরপেক্ষতার সহজ সরল পাঠ।

সময়কাল ১৯৯০ সাল। সে বছর ইতালীতে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর বসতে যাচ্ছে। ব্যাপক সংখ্যক অবৈধ অভিবাসী অধ্যুসিত দেশটির বাহ্যিক ভাবমুর্তীর খাতিরে তখন লেজ্জে মার্তেল্লী বা মার্তেল্লী আইন ঘোষনা করা হয়েছে। এদেশে অব

২১শে ফেব্রুয়ারি নিয়ে কিছু প্রাসংগিক ভাবনা

21st February
মনটা আজ ভাল নেই। গাছ গাছড়ার প্রতি দুর্বলতা সাড়া জীবনের। যখন যেখানেই বাস করেছি দু’একটা গাছ কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করেছি। আমেরিকার এই রুক্ষ্ম পশ্চিমে এসেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।২০০৯'এর জানুয়ারীতে দেশে গিয়েছিলাম প্রায় ৪ বছর পর। ফেরার পথে স্যুটকেস ভরে জিনিষপত্র টানার পর্ব শেষ করেছি সেই কবে। কিন্তূ তাই বলে একেবারেই কিছু আনা হয়না এমনটা বোধহয় সত্য নয়। এ যাত্রায় বেশ ক’প্যাকেট বীঁজ এনেছি চাষাবাদ করব বলে। ঘরে ফিরেই স্থানীয় হোম-ডিপো হতে আলিশান ক’টা টব কিনে টমেটোর বীঁজ পুতে দিলাম দেশীয় টমেটো খাব বলে। গরম পেরিয়ে শীত এল। বীঁজ হতে গাছ বেরিয়েছিল সেই কবে, ডাল-পালাও গজিয়েছিল দেখার মত। কিন্তূ হায়, টমেটোর মুখ আর দেখা হলনা! উপড়ে ফেলতে হল ভালবাসার গাছগুলোকে।