Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Enough is enough!

Enough is enough
It’s been going for almost a decade and there is no sign of end to this. I’m talking about the cycle of religious madness which utterly and disgracefully dividing our precious world. It was implanted in the minds of few twisted rich Arabs and later blossomed throughout the world.

পতাকায় ভারতীয় দাদা এবং আমাদের দেশপ্রেম!


ছবিটা নিয়ে যা আশা করা গিয়েছিল তাই হল শেষ পর্য্যন্ত, ব্লগে ব্লগে আলোচনা সমালোচনার কালবৈশাখী, দেশপ্রেমের অকাল সূনামী আর ভারতীয় গুষ্টি উদ্বারে ওয়াসীম আকরামীয় বাউনসার! সহজ বাংলায় বল্‌লে, আমাদের রাজনীতিতে সেই অতি পরিচিত নেভার এন্ডিং ভারত বিরোধীতা। বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনীতির বসতবাড়িতে ভারত সংগমে ভাটা যাচ্ছিল, সংগম উত্তেজনা নেতিয়ে আসছিল খাদ্য আর পানীয়র অভাবে। এমন একটা ঝিম ধরা মুহুর্তে এ ধরনের ছবি ঠিক ভায়াগ্রা, সিয়ালিসের মত কাজ করল জাতিয়তাবাদী-মৌলবাদীদের সংসারে।

৫ আসামীর ফাঁসি এবং এর ঐতিহাসিক প্রয়োজনীয়তা, চাঁদের অন্য পিঠ!

Sheikh Mujib
মৃত্যু পরোয়ানা জারী হওয়ায় শেখ মুজিব হত্যাকান্ডে দন্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামীর ফাঁসি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তাদের শেষ এবং একমাত্র ভরসা রাষ্ট্রপতির অনুকম্পা। এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সিদ্বান্ত কি হবে তা সহজেই অনুমেয়। আইনী এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা নিজস্ব গতিতে এগুলে আমরা ধরে নিতে পারি এ মাসের মধ্যেই ফাঁসি পর্বের বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।

আয়েমে জাহেলিয়াত ও খালেদা জিয়ার কাঁটা তত্ত্ব!

Khaleda Zia- BNP
প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের রাজনীতিতে হরতাল, জ্বালাও পোড়াও, লগি-বৈঠার কোন বিকল্প গড়ে উঠেছে কিনা তা আমাদের জানা নেই। ডিজিটাল যুগে এসব এনালগ অস্ত্রের ধার নিশ্চয় কমে এসেছে, নইলে ক্ষমতার সোনালী মসনদ হতে আলী বাবা ৪০ চোরের দল ছিটকে পরেও কেন পারছেনা অস্ত্রগুলো ব্যবহার করতে? সংগত কারণেই নিউ জেনারেশন অস্ত্রের সন্ধান এখন সময়ের দাবী। সবাইকে অবাক করে এ ধরনের দাবি মেটাতে আমাদের বিরোধী দলীয় নেত্রী ডিজিটাল দুনিয়ার সাহায্য না চেয়ে ফিরে গেলেন সেই আয়েমে জাহেলিয়াতের যুগে।

Calling all Bangladeshis...

ক্যালেন্ডারী বছরের সাথে বিদায় নিল আরও একটা ব্লগীয় বছর। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যুগে বাংলা ব্লগের ইতিহাস খুব একটা বেশী দিনের ইতিহাস নয়, কিন্তূ এরই মধ্যে যোগাযোগের এ মাধ্যমটা ঝেকে বসেছে আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনে। ইন্টারনেট ভিত্তিক অন্যান্য অংগনের মত সমাজের শিক্ষিত অংশকে চুম্বকের মত টানছে ব্লগ। বলতে দ্বিধা নেই, যে কোন মানদন্ডে বাংলা ব্লগের এখন বসন্তকাল। সাংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি ব্লগীয় ভূবনে আপন মহিমায় স্থান করে নিয়েছে আমাদের রাজনীতি। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন শুধু টেকনাফ হতে তেতুলিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ব নয়, এর ব্যাপ্তি আর্টিক হতে এন্টার্টিকা, সুইডেন হতে দক্ষিন আফ্রিকা, আলাস্কা হতে তাসমানিয়া পর্য্যন্ত। যেখানেই বাংলাদেশী সেখানেই রাজনীতি, এমন একটা বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বাংলা ব্লগ রাজনৈতিক চিন্তা চেতনাকে মাঠ-ময়দান হতে তুলে নিয়ে পৌঁছে দিয়েছে আমাদের শয়নকক্ষে। এক কথায় সমসাময়িক ব্লগীয় প্ল্যাটফর্ম যে কোন বিচারে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বক্তব্য পৌঁছে দেয়ার সহজ ও শক্তিশালী মাধ্যম হিসাবে কাজ করছে।

ব্লগীয় ভূবনে ’আমি বাংলাদেশী’র বয়সও বাড়ছে হাটি হাটি পা পা করে। বিশেষ কোন শোরগোল ছাড়াই আমরা টিকে আছি আপন মহিমায়। যে ভিত্তির উপর দাড়িয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল তা হতে আমরা পিছিয়ে আসিনি, বরং শত বাধা বিপত্তি ও হুমকি ধামকিকে আগ্রায্য করে অটল থাকার চেষ্টা করেছি আমাদের বক্তব্যে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় রাজনৈতিক অপরাধ একটি মারাত্মক ব্যাধি, যার মূলে রয়েছে ব্যক্তি, দল ও পরিবারের নামে জাতিকে বিভক্ত করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট। সমাজকে কলুষিত করার এই প্রক্রিয়ার সাথে রাজনীতিবিদ্‌রা সূকৌশলে একাত্ম করে নিয়েছে সমাজের শিক্ষিত অংশকে, যার ফলশ্রুতিতে বিশ্ব র্দুনীতির কালো তালিকা হতে নিজদের অবস্থানকে সন্মানজনক পর্য্যায়ে আনতে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। একটা দেশ কোন একটা বিশেষ ব্যক্তি, দল অথবা পরিবারের জন্য সৃষ্টি হয়না, বরং স্বাধীনতার স্পৃহা জন্ম নেয় একটা জাতির জাতীয়তাবোধ, ঐতিহাসিক প্রয়োজন ও হাজার বছর ধরে গড়ে উঠা সাংস্কৃতির সূতিকাগারে। কিন্তূ আমাদের বেলায় কেন জানি এমনটা হয়নি, বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতি মূলত রাষ্ট্রের মালিকানা নিয়ে দুই পরিবারের বৈরীতার উপর প্রতিষ্ঠিত। পরিবর্তনশীল দুনিয়ায় রাজনীতি মানুষের মৌলিক চাহিদাসমূহ পূরনের সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করার কথা, কিন্তূ আমাদের রাজনীতি অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার মত প্রয়োজনীয় ইস্যুগুলোর সমাধান না দিয়ে সমাধান খুঁজছে স্বাধীনতার ঘোষক, জাতির পিতা, মুক্তিযোদ্বা-রাজাকারের মত বিভাজনের ইস্যুগুলোর। বর্তমান ও ভবিষ্যতমূখী পথ হতে সড়ে এসে আমরা পথ ধরেছি অতীতে ফিরে যাওয়ার। সে অতীতের শেষ ঠিকানা ইতিহাস, এবং ইতিহাসই যেন এ মুহুর্তে আমাদের রাজনীতির চালিকাশাক্তি। অশিক্ষিত, কুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত রাজনীতিবিদ্‌দের ভয়াবহ ছোবলে দেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পরিনত হয়েছে আলী বাবা ৪০ চোরের গুপ্তধনের মত। নেতা-নেত্রীদের সিসিম ফাঁক মন্ত্রে গুপ্তধনের দরজা উন্মোচিত হচ্ছে, আর তাতে মৌমাছির মত ঝাপিয়ে পরে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটে নিচ্ছে পরিবার এবং দলীয়তন্ত্রের লুটেরা বাহিনী।

এভাবেই কেটে গেছে গত ৩৯টা বছর, এবং হয়ত কেটে যাবে আরও অনেকগুলো বছর। কিন্তূ আমরা চাইলেই কি পারিনা আমাদের ভাগ্য বদলাতে? নিশ্চয় পারি, তবে তার জন্যে কথা বলতে হবে, সোচ্চার হতে হবে রাজনৈতিক র্দুবৃত্তায়নের বিরুদ্বে। অতীতের মত সামনেও ’আমি বাংলাদেশী’ এ নিয়ে কথা বলবে, পাশাপাশি উন্মোচন করবে রাজনীতিবিদ এবং তাদের সহযোগী লুটেরাদের নোংরা কদর্য্য চেহারা। আমরা চাইবো গলার আওয়াজ উঁচু করতে আপনিও যোগ দেন আমাদের সাথে। সময়ের সিড়ি মাড়িয়ে সাফল্য একদিন ধরা দেবে, আসুন, এমন একটা প্রত্যাশার আলো প্রতিটা বাংলাদেশীর দুয়ারে পৌঁছে দেই।

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়...

Hasina and Rehana
বেশ ক’বছর আগের কথা। কোন এক আবেগঘন দুর্বল মুহুর্তে আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কর্নধার জনাবা শেখ হাসিনা ওয়াজেদ ঘোষনা দিয়েছিলেন, ’বয়স ৬০ বছর পূর্ণ আর ১৫ই আগষ্ট হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার পেলে রাজনীতি হতে সড়ে দাড়াব’। বক্তব্যাটা হুবহু এরকম ছিল এমনটা নাও হতে পারে, তবে সারমর্ম রোমান্থনে কোন ভূল আছে বলে মনে হয়না। সে যাই হোক, দেখতে দেখতে নেত্রীর বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে গেল এবং অলৌকিক কিছু না ঘটলে ১৫ই আগষ্ট হত্যাকান্ডের বিচারও সফল সমাপ্তির মুখ দেখতে যাচ্ছে খুব শীঘ্র। তাহলে আমরা কি ধরে নিতে পারি প্রতিজ্ঞামত শেখ হাসিনা ক্ষমতা হতে সড়ে দাড়াবেন? নেত্রী চাইলে ২০১০ সালই হতে পারে এর জন্যে উত্তম বছর।

৫০ কমান্ডো ও বিপন্ন স্বাধীনতা!

রাজনীতির রান্নাঘরে নতুন একটা ইস্যু রান্না হচ্ছে যা নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ইতিমধ্যে হৈ চৈ শুরু করে দিয়েছে। বলা হচ্ছে ভারত তার দূতাবাস রক্ষার্থে নিজস্ব কমান্ডো বাহিনী আনছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে অতি দেশপ্রেমী একটা গুষ্টি আশংকা করছে প্রতিবেশী দেশের ৫০ কমান্ডো আগমনের ফলে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মূখে পরবে। এ ধরনের প্রচারনা সাধারণ মানুষের মনে ইতিমধ্যে জন্ম নেয়া এন্টি-ভারত সেন্টিমেন্ট কিছুটা ঝালাই করতে সক্ষম হলেও এর স্থায়িত্ব কতটা দীর্ঘ হবে এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। প্রথমত, দূতাবাস একটা দেশের নিজস্ব সম্পত্তি এবং এ রক্ষার দায়িত্ব শুধু হোষ্ট দেশেরই নয়, বরং যার সম্পত্তি তার নিজেরও।

রংপুরের চতরা ইউনিয়ন বনাম কোপেনহেগেনের বিশ্ব জলবায়ু সন্মেলন...

Climate Change Conference
খবরটা অনেকেই হয়ত পড়ে থাকবেন, আজকের দৈনিক ইত্তেফাকে বেরিয়েছে। ঘটনাস্থল রংপুর জেলার পীরগঞ্জের হরিনপুর-কাঞ্চন বাজার রাস্তা। একরাতে এই রাস্তার ২০ হাজার গাছে কেটে ফেলেছে এলাকার প্রভাবশালী মহল এবং ঘটনার সাথে জড়িত ছিল স্থানীয় থানার অফিসার-ইন-কমান্ড (ওসি)। ঘটনাটা এ রকম; উপজেলার চতরা ইউনিয়নে জেলা পরিষদের ঐ রাস্তায় ১৯৯২ সালে দ্যা হাংগার প্রজেক্টের আওতায় রাস্তার দুইপাশে ২৫ হাজার ইউক্যাল্পিটাস গাছ রোপন করা হয়। ৫ হাজার গাছ পৃথিবীর মুখ না দেখলেও ২০ হাজার...