Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

যাও পাখি উড়ে যাও, ছিন্নভিন্ন করে দাও

Bangladeshi Student Politics
জেল হতে ছাড়া পেয়েছে নওয়াপাড়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী শিমুল। অন্ধকার দুনিয়ার এ বীরকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার হতে বরণ করে নিতে এসেছিল অনেক অনুসারী। ওরা এসেছিল অর্ধশতাধিক প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাসে চড়ে, সাথ ছিল দুই শতাধিক মোটরসাইকেল। এর আগে খবর পেয়ে সাজ সাজ রব পরে যায় শিল্প শহর নওয়াপাড়ায়। কুখ্যাত মাদকব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী আক্তার, এস্কান্দর, জয়, কাঙাল, বিপ্লব, নুর ইসলাম, জয়নাল, কামরুল, আলী, লিটন, কামাল, জুয়েল, আরিফ, রতন সহ শত শত ভয়াল আদম বিজয় উল্লাসে মেতে উঠে নেতাকে ফিরে পেয়ে। বলাই বাহুল্য দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী দলের

নিঝুম দ্বীপে নীবিড় ছাত্র চাষ!

Student Politics in Bangladesh
উপরের ছবিটা কেন জানি সে দিন গুলোর কথাই মনে করিয়ে দেয়। তারা ছাত্র। হাতে বই-খাতার বদলে লাঠি-সোঠা আর চোখে মুখে প্রতিশোধের জ্বলন্ত আগুন। ছবিটা যেহেতু দিনের আলোতে নেয়া ধরে নিতে পারি সকাল ৯টা হতে বিকাল ৪টার ভেতর কোন এক সময় তোলা। এটা কি সে সময় নয় যখন ছাত্রদের ক্লাশরুমের চৌহাদ্দিতে শিক্ষকদের লেকচার শোনার কথা? মা-বাবা কি এ জন্যেই তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠায়নি? দেশ আজ বিদেশীদের দখলে নয়। মুখের ভাষা কেড়ে নিয়ে নতুন কোন ৫২’র জন্ম দেয়ার মত অবস্থায় নেই আমরা। তাহলে এরা কারা?...

অপরাধ ও শাস্তি...পর্ব যুদ্ধাপরাধ

Criminals of War
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উপর তথ্যবহুল একটা লেখার ওয়াদা করেছিলাম একজনের কাছে। এ নিয়ে বেশকিছুটা সময়ও ব্যায় করেছি ইতিমধ্যে। কিন্তু লেখা যেন কিছুতেই এগুতে চাচ্ছে না। কিবোর্ডের উপর আঙ্গুল রাখতে গেলে মনিটরের অন্য পীঠে ঘটতে থাকে এলাহি সব কাজ কারবার। কয়েক লাইন লিখে বিরতি হতে ফিরে এসে দেখি তামাদি হয়ে গেছে লেখার বিষয়বস্তু। ঘটনার প্রেক্ষাপটে চলে আসছে নতুন সব চরিত্র, জন্ম দিচ্ছে নতুন নতুন কাহিনী। কুলিয়ে উঠতে পারছিনা বিচারকে ঘিরে আবর্তিত হওয়া ঘটনা...

তৈলমর্দনের দেশে একজন বিশ্বজিৎ ও একজন প্রধানমন্ত্রী

Chattro League খোলা তরবারি হাতে প্রকাশ্য দিবালোকে শত শত মানুষের সামনে তিলে তিলে খুন করল একদল কসাই আর তাদের বাঁচানোর দায়িত্ব নিল বিপুল ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার। বিশ্ব শাসনব্যবস্থায় এর চাইতে ন্যাক্কারজনক, নিকৃষ্ট ও পশুসুলভ ক্ষমাহীন অপরাধ বিশ্বের দ্বিতীয় কোন গণতান্ত্রিক দেশে সংঘটিত হয়েছিল বলে মনে হয়না। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছে। কেবল বিশ্বজিৎ হত্যায় এ ধরণের অপরাধ সীমাবদ্ধ ছিল বললে অন্যায় বলা হবে। বাংলাদেশের অলিগলিতে প্রতিদিন ঘটছে এসব নারকীয় হত্যাকাণ্ড। কেবল মাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ে খুনিরা পার পাচ্ছে এবং রক্ত নেশায় উজ্জীবিত হয়ে হায়েনার মত ধাওয়া করছে নতুন নতুন শিকার...

১৬ই ডিসেম্বর, একটা নতুন বিজয়ের প্রতিক্ষায়

Victory Day of Bangladesh
সময়টা ১৯৭৪ সাল। সদ্য স্বাধীন হওয়া একটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে বিদেশ পাড়ি দিয়েছি আমরা। যেনতেন বিদেশ নয়, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সহযোগী দেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন। স্মৃতির গলিতে হাটতে গিয়ে সময়ে আটকে গেল আমার ১৬ই ডিসেম্বর। দিনটা ছিল এমন একটা দিন যেদিন বুক ভরে নিঃশ্বাস নিয়েছিলাম। ’৭৪ এর আগষ্টের যে দিনটায় দেশের শিক্ষামন্ত্রী বিমানে তুলে আমাদের আকাশ সমান স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বছর না ঘুরতে সে স্বপ্ন হোচট খাবে, ব্যক্তি পূজার বীজ হতে শিকড় গজাবে...

১/১১'র পদধ্বনি...হাতে তৈলাক্ত বাঁশ ও নারকেলের রশি!

Logi Boitha
দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তা নিয়ে নতুন কোন লেখার প্রয়োজন আছে বলে হয়না। পেশী শক্তিই হাল ধরতে যাচ্ছে আমাদের ভবিষৎ যাত্রা। গণতান্ত্রিক যাত্রার চালিকা শক্তিও এখন উন্মাদনার নিয়ন্ত্রণে। সামনের নির্বাচনে কোন দল ক্ষমতায় যাবে, কোন পরিবারের অধীশ্বর সরকার প্রধান হবেন তার কক্ষপথ আঁকবে সন্ত্রাস, খুন, অস্ত্র, ক্যাডার, চাপাতি, কিরিচ, ছাত্রলীগ, ছাত্রদলের মত রাজনীতির বাহ্য, লেহ্য, দূষিত আর দুর্গন্ধ যুক্ত বাই-প্রোডাক্ট সমূহ...

সেকালের খাওয়া দাওয়া। খেলুম বটে!

travel story
বয়সের কাছে আজকাল অনেক কিছু হার মানছে। স্মরণশক্তি তার অন্যতম। দিন তারিখ মনে নেই, তবে সময়টা মনে আছে। ’৭৭ সালের জুলাই মাস। ইউরোপের এ অংশে বসন্ত আর গ্রীষ্মের পার্থক্যটা সহজে চোখে পরে না। মে মাস পর্যন্ত থেমে থেমে তুষারপাত হয়। অমল ধবল পাল উড়িয়ে শীতের পাগলা ঘোড়া বলতে গেলে নয়টা মাস দাপিয়ে বেড়ায়। শীতের তীব্রতার কাছে পরাভূত, পর্যুদস্ত আর ক্ষতবিক্ষত আমরা কজন চাতক পাখির মত তাকিয়ে থাকি জানালার দিকে। অপেক্ষায় থাকি মাহেন্দ্রক্ষণের যেদিন বাতাসে ভেসে আসবে বসন্তের মৌ মৌ গন্ধ। অনেকটা তুন্দ্রা অঞ্চলের মানুষের মত গাছগুলোও বেরিয়ে আসে তুষারের ঘোমটা হতে। শুরুটা হয় খুব নীরবে...

পঞ্চম একজন, একটি ফোন কল ও পদ্মা সেতুর করুণ পরিণতি

Padma Bridge and Abul Hossain
৩৮০ কোটি টাকার ১০%, ৩৮ কোটি টাকা। ’যৎ সামান্য’ এই অংকের জন্যেই ফেঁসে গেছে পদ্মাসেতু। এসএনসি-লাভালিন নামের যৌথ কোম্পানী কাজ পাওয়ার জন্যে এমন একটা অংকই ’উপহার’ দিতে চেয়েছিলেন সেতু মালিকদের। অবশ্য বিশ্বব্যাংক বলছে অন্য কথা, ৩৮ কোটি টাকার বিনিময়ে মন্ত্রী আবুল হোসেনের ’গ্যাং অব সিক্স’ নিজেরাই নাকি বিক্রি করতে চেয়েছিল সেতুর উপদেষ্টা কাজ। চুক্তির দেনদরবার ও লেনাদেনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল দেশপ্রেমিক সার্টিফিকেট প্রাপ্ত মন্ত্রীর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান সাকো...