Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

-A A +A

It sounds like we used to live in caves

কমপক্ষে এক কোটি লোককে করের আওতায় আনতে চায় এনবিআর. ইত্তেফাক: আগামী বাজেটে রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আয়কর খাতে আদায় বাড়াতে এবং কমপক্ষে এক কোটি লোককে করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এজন্যে জুলাই থেকে মাঠে নামবে কর বিভাগের লোকজন। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, কোন হুমকি-ধামকি নয়, শুধু নাগরিকদের প্রতি সবিনয় নিবেদন জানান হবে। প্রাথমিকভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের কাছেও হাত পাতবে কর কর্মকর্তারা। আহ্বান হবে, সামর্থ্য অনুযায়ী সরকারকে কিছু টাকা দেন। তা হবে সর্বনিম্ন হারে কিংবা থোক দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হতে পারে। আর সে ঘোষণাটিও আসতে পারে প্রস্তাবিত বাজেটে। সূত্রমতে, চলতি বছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৩ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। পরে তা সংশোধন করে ৪৫ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা করা হয়েছে। আদায় বেশি হওয়ায় এনবিআর আশান্বিত হয়ে সংশোধিত রাজস্ব বাজেট বৃদ্ধি করলেও অনেকেরই অভিমত, দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের কারণে এবারে আদায় বেড়েছে। সেটা অব্যাহত থাকে কিনা, তা নিয়েও কারো কারো মনে সংশয় রয়েছে। এনবিআর ২০০৮-০৯ বছরের বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৫৪ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা। এই টাকা আসবে মূলত আয়কর, মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট এবং আমদানি শুল্কসহ সংশ্লিষ্ট খাত থেকে। তবে প্রত্যক্ষ করের আদায় বাড়াতে জোর দেয়া হলেও হার খুব বেশি বাড়ানো হবে না। আয়কর খাতে বেশি কঠিন পদক্ষেপ নিলে মানুষ বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হতে পারে বলে সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তবে এতকিছুর পরও প্রত্যক্ষ করের পরিমাণ বাড়াতে হবেই। কর জিডিপির অনুপাত বাড়াতে তাই অধিক লোককে করের আওতায় আনা হবে। সূত্রমতে, বর্তমানে প্রায় ৬ লাখের মত লোক কর দেয়। এরমধ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের দেড় লাখ বাদ দিলে করদাতার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখে। এনবিআর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ ইত্তেফাককে বলেন, কমপক্ষে ১ কোটি লোকের রিটার্ন জমা দেয়া উচিত। জানা গেছে, জুলাই থেকে উপজেলা পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের কাছে যাবেন কর কর্মকর্তারা। সবার কাছ থেকে নির্ধারিত হারে কর আদায় করবেন। এজন্যে কোন কাগজপত্রও খোঁজা হবে না। অতীতে করযোগ্য হলেও কেন দেননি, সে প্রশ্নও করা হবে না। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সমাজে অনেকেই আছেন যারা কর ফাঁকি দেয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আনছেন না। এজন্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা গেলে সবাই স্বপ্রণোদিত হয়েই কর দেবেন। উল্লেখ্য, বিদ্যমান কর স্তর আগামী বাজেটেও অক্ষুন্ন থাকবে। ব্যক্তি শ্রেণীর সর্বনিম্ন কর সীমা দেড় লাখ টাকায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে কিংবা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা করা হতে পারে।

June 5, 2008

Post new comment

CAPTCHA
Required to prevent spam.
Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla