Posted Wed, 05/28/2008 - 18:17 by WatchDog
নীরবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের অর্থনীতি বিশ্বজিৎ দত্ত: নীরবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের অর্থনীতি। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের সংকট থেকে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অর্থনীতির পালে নতুন হাওয়া লাগবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে বোরো ধানের অধিক উৎপাদন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসা ও রফতানি বৃদ্ধির কারণে অর্থনীতির পালে নতুন হাওয়া লেগেছে। জুনে নতুন অর্থবছরের বাজেটের পর দেশের অর্থনীতি তার স্বাভাবিক ছন্দে পুরো মাত্রায় চলতে পারবে। গত জানুয়ারি মাসে দু'দফা বন্যা ও সাইক্লোনের কারণে আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ সময়ে আমন ধান লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম উৎপাদন হয় ১ দশমিক ১ মিলিয়ন টন। পরে সরকার এপ্রিল ও মে মাসে বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ১৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন টন। এসময়ে বোরো উৎপাদন হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। অন্য ফসলের মধ্যে গম ও ভূট্টার উৎপাদন দশমিক ৮৩ মিলিয়ন টন। যা গত বছরের চেয়ে মোট ৫ শতাংশ বেশি। এ ছাড়াও আলু উৎপাদন হয়েছে গত যেকোন সময়ের চেয়ে ২৮ শতাংশ বেশি। সব মিলিয়ে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি একটি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। অন্যদিকে ২০০৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যনত্দ দেশে অভ্যনত্দরীণ বিনিয়োগ ও শিল্প উৎপাদন কমে যায়। গত ডিসেম্বর মাস থেকে ম্যানুফ্যাকচারিংসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে আবারো বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। এসময়ে অভ্যনত্দরীণ শিল্প বিকাশ হয়েছে প্রায় ৭ শতাংশ। ক্যাপিটাল মেশিনারি ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। গার্মেন্ট পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চে রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১২ দশমিক ৪ শতাংশ। এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সরকারের দুনর্ীতি বিরোধী অভিযানের ফলে দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছিল তা এখন আর নেই। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখন পরিবর্তন আসছে। ব্যবসায়ীরা নতুন করে বিনিয়োগ শুরু করেছেন। তার পরেও খাদ্য সমস্যা সমাধানে সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হবে। একই সঙ্গে অভ্যনত্দরীণ বিনিয়োগ বাড়াতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে। খাদ্য সমস্যা সম্পর্কে গণতন্ত্র থাকা বা না থাকা নিয়ে যে কথা বলা হচ্ছে তা একটি বাজে কথা-এর সঙ্গে অর্থনীতির কোন সম্পর্ক নেই বলে তিনি মনে করেন। এফবিসিসিআইর সভাপতি আনিসুল হক বলেন, গত কয়েক মাসে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসার কারণে। এখন শিল্প ক্ষেত্রে বিদু্যৎ সমস্যার সমাধান করতে পারলে আগামী কয়েক বছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হবে। সম্পাদনা রেজাউল করীম
- 852 reads
-
I think so...
I went to SEARS last week to buy couple of shirts. Every shirt I touched was made in Bangladesh. Made me so proud to be a Bangladeshi.
Post new comment