Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

-A A +A

No escape Mr. Corrupt...

তত্ত্বাবধায়ক আদলে অন্তবর্তী সরকার হতে পারে: ফখরুদ্দীনের পরিবর্তে ইউনূস বা কেএম হাসান আসছেন!
May 27, 2008 - 2:44am BDT

আমাদের সময়: সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সরকারের সকল প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আপাতত কোনো সম্ভাবনা নেই। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পর জাতীয় সনদ সম্পর্কে বিভিন্ন মহলের তীব্র বিরোধিতার মুখে সরকারের নীতি-নির্ধারণী শক্তি কৌশল পরিবর্তন করে বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে দিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠনের চিন্তাভাবনা করছে। এ নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল অতি গোপনীয়তার সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সূত্রমতে, সংবিধান বহির্ভূতভাবে কোনো ঘটনার উদ্ভব হলে দেশ পরিচালনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলেও দৃশ্যত এ সরকার অন্তর্বর্তী সরকারে রূপ নিতে পারে। আর এই অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার এমনিতেই বিলুপ্ত হতে পারে।

জানা যায়, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস বা সাবেক প্রধান বিচারপতি কেএম হাসান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। নতুন সরকারে বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের ৫ থেকে ৬ জন সদস্য থেকে যেতে পারেন। এ সরকারের সদস্য সংখ্যা হতে পারে ২৫ থেকে ৩৫। আর সরকারের মেয়াদকাল হতে পারে দুই থেকে পাঁচ বছর।

সূত্র আরো জানায়, জাতীয় সরকার রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে না করে ভূতপূর্ব জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করে উক্ত সংসদের অধিবেশনে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব কিনা সে ব্যাপারেও একটি বিশেষ মহলে আলোচনা হচ্ছে। তবে সবকিছুতেই কমপক্ষে তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে। এরইমধ্যে বাজেট ঘোষণা এবং সংলাপের পর্ব শেষ হয়ে যাবে। সবকিছু এগিয়ে নিয়েই রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বিষয়টি আলোচনা আসতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, স্পষ্টত দেশ এক নতুন পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে রাজনৈতিক সংকট আরও তীব্রতর হতে পারে। তাদের মতে, মূল সংলাপের মাধ্যমে যেকোনো ঐক্যমত প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নেই, সে বিষয়টি এখন আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয়ে উঠছে। প্রাক-সংলাপের পর মূল সংলাপের আলোচনায় না গিয়েও মূল সংলাপের ফলাফলও ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে জাতীয় সরকারের রূপরেখা ঘোষণা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে নতুন একটি সর্বদলীয় ঐক্যমতের উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের পদক্ষেপ নিতে পারেন রাষ্ট্রপতি।

এদিকে বর্তমান সংকট উত্তরণে সেনাবাহিনী কোনোরকম হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে দেশে সামরিক শাসনের কোনো সম্ভাবনা নেই। দেশের বর্তমান খাদ্য পরিস্থিতি ও দূব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সামাল দেয়ার প্রত্যয় নিয়েই নতুন সরকার কার্যভার গ্রহণ করতে পারে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নির্বাচনের দিকে না গিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের উপরই গুরুত্ব দিতে পারে।

Post new comment

CAPTCHA
Required to prevent spam.
Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla