Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

বিএমএ নেতা ডা. জাহিদের ১৩ ও স্ত্রীর ৩ বছর জেল

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে সম্পদের হিসাব গোপন করা এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে ১৩ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে তার ৩ কোটি ৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দুর্নীতিতে স্বামীকে সহায়তা করার দায়ে স্ত্রী রিফাত হোসেনকে তিন বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Comments

Detail Story

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে সম্পদের হিসাব গোপন করা এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে ১৩ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে তার ৩ কোটি ৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দুর্নীতিতে স্বামীকে সহায়তা করার দায়ে স্ত্রী রিফাত হোসেনকে তিন বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গতকাল সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত ৬-এর বিচারক তানজীনা ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্ত দুজনই পলাতক। আসামিদের আত্মসমর্পণ বা আটকের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে।
রায়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬(২) ধারা অনুযায়ী সম্পদের হিসাব গোপন করার দায়ে তিন বছরের বিনাশ্রম জেল ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে একই আইনের ২৭(১) ধারা অনুযায়ী ১০ বছরের সশ্রম জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো এক বছরের সশ্রম জেল ভোগ করতে হবে। সাজা দুটির মধ্যে একটির পর অন্যটি কার্যকর হবে।
স্বামীকে দুর্নীতিতে সহায়তা করার দায়ে রিফাত হোসেনকে ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭(১) ধারা ও দ-বিধির ১০৯ ধারা অনুযায়ী তিন বছরের বিনাশ্রম জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো এক মাসের বিনাশ্রম জেল ভোগ করতে হবে।
রায়ে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ৩ কোটি ৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়। সম্পদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার, ফ্ল্যাট, পস্নট ইত্যাদি। এসব সম্পদ ডা. জাহিদ হোসেনের স্ত্রী, মা, তিন কন্যা, বোন, ভগি্নপতি ও ভাগি্নর নামে রয়েছে।
দুর্নীত দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক নাসিরউদ্দিন আহমদ বাদী হয়ে ২০০৭ সালের ৩ অক্টোবর রমনা থানায় এ মামলা করেন। মামলার বিবরণীতে উলেস্নখ করা হয়, তারা অবৈধভাবে ৩ কোটি ৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে দেয়া সম্পদের বিবরণীতে ২ কোটি ২২ লাখ ৬৭ হাজার ২৫০ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন।
এ মামলায় রাষ্ট্রপৰে ১১৯ জন সাৰ্য দেন। রাষ্ট্রপৰে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট গোলাম হাফিজ।

http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=71709