Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

No where to go

priyo's picture

All set for the final episode. This illegal regime will look every possible door for safe exit. Political perties shouldn't let them run, all the exit points should be sealed and guarded. Every action has a reaction. We'll be waiting for the reaction, and what a reaction it will be!!!

Food to digest.....

সাইফুর, মান্নান, নিজামীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তারের আবেদন
May 14, 2008 - 10:37am BDT

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর সরকারের আট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছে। গত রাত সাড়ে নয়টার দিকে দুর্নীতি দমন কমিশন−দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদা ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
জরুরি বিধিমালায় দেওয়া এ অভিযোগপত্রে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মান্নান ভুঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর আমির সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক ভুমিমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ার, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে সাইফুর রহমান ও আমীর খসরু বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। মামলাটি এখন মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে। নিয়ম অনুযায়ী, ওই আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত চলাকালে দুদক সাবেক পাঁচ মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, আবদুল মান্নান ভুঁইয়া, মতিউর রহমান নিজামী, এম শামসুল ইসলাম ও এম কে আনোয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এখন তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় এটি দ্বিতীয় এবং জরুরি বিধিমালায় প্রথম অভিযোগপত্র। গত বছরের ২৭ নভেম্বর গ্যাটকো মামলা জরুরি বিধিমালায় নেওয়ার আবেদন করা হয়। এর ফলে মামলার বিচারকাজ ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন ও সর্বনিম্ন এক থেকে ১০ বছর সাজা হতে পারে। মামলার বিচারকাজ চলাকালে আসামিরা জামিন আবেদন করতে পারবেন না। তবে নিম্ন আদালত রায় দেওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করা যাবে।

এর আগে নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। নাইকো মামলায় খালেদা জিয়াকে আগামী ২০ মে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন−সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব জুলফিকার হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ−চবকের সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর (অব.) জুলফিকার আলী, সাবেক সদস্য রশিদ উদ্দিন আহমেদ, এ এম এম সাহাদত হোসেন, সাবেক পরিচালক এ এম সানোয়ার হোসেন, লুৎফুল কবির, সাবেক প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহমেদ আবুল কাশেম, সাবেক মন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) আকবর হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন ও তাঁর মা জাহানারা আনসার আকবর, গ্লোবাল অ্যাগ্রো ট্রেড কোম্পানির পরিচালক সৈয়দ গালিব আহমেদ, সৈয়দ তানভীর আহমেদ, এ কে এম মুসা কাজল, শাহজাহান এম হাবিব ও এহসান ইউসুফ।

দুদকের উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন। তদন্ত শেষে মতিউর রহমান নিজামী, মান্নান ভুঁইয়া, সাইফুর রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ায় অভিযোগপত্রে আসামি হিসেবে তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দরপত্রের শর্ত ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনভিজ্ঞ-অদক্ষ গ্লোবাল অ্যাগ্রো ট্রেড প্রাইভেট লিমিটেড−গ্যাটকোর সঙ্গে চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী ঢাকার কমলাপুর ও চট্টগ্রামের অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো− আইসিডিতে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কাজ গ্যাটকোকে দেওয়া হয়। এ কারণে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়। মামলার এজাহারে ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। পাশাপাশি কোকো ও সায়মনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁরা গ্যাটকোকে এই কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ঠিকাদারের কাছে দুই কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকা নিয়েছেন।

২০০৪ সালে গ্যাটকোকে সাত বছরের জন্য আইসিডিতে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কাজ দেওয়া হয়। কিন্তু ২০০৩ সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যে দরপত্র আহ্বান করে, তাতে পাঁচ বছরের জন্য কাজ দেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল। এর আগে এই প্রতিষ্ঠানটির এ ধরনের কাজের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না এবং কনটেইনার ওঠানো-নামানোর জন্য যেসব যন্ত্রপাতি দরকার, তাও তাদের ছিল না।

তদন্তকালে খালেদা জিয়াকে গ্যাটকো দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়ে বিশেষ কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাবেক নৌমন্ত্রী আকবর হোসেনের ছেলে সায়মন গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সায়মন জবানবন্দিতে বলেন, গ্যাটকোকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আরাফাত রহমান কোকোকে তিনি দুই কোটি টাকা ঘুষ দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, চবকের দরপত্র মূল্যায়ন কারিগরি কমিটি যোগ্য দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে গ্যাটকোকে কাজ দেওয়ার জন্য নৌ মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠায়। তারপর তা নিয়মানুযায়ী ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০০৩ সালের ১২ নভেম্বর গ্যাটকোর মতো অযোগ্য ও অনভিজ্ঞ কোম্পানিকে কাজ দেওয়ার সুপারিশ ক্রয় কমিটি নাকচ করে দেয় এবং এ ব্যাপারে পুনরায় দরপত্র আহ্বানের সুপারিশ করে।

ক্রয় কমিটির এই সুপারিশ অনুমোদনের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে পাঠানো হয়। তিনি নথিতে ওই সুপারিশে "অনুমোদন দেওয়া হলো না" লিখে সই করেন। কিন্তু কেন অনুমোদন দেওয়া হলো না, সে ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি। এমনকি ক্রয় কমিটি কেন গ্যাটকোকে অযোগ্য মনে করেছে এবং পুনরায় দরপত্র আহ্বানের কথা বলেছে, তাও জানতে চাননি।

গ্যাটকোর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সই করা এই নথি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে গেলে কর্মকর্তারা দোটানায় পড়েন। এ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ও নৌমন্ত্রী মন্ত্রিসভাকে এ ব্যাপারে প্রভাবিত করেন। দুজনের আগ্রহে পুনরায় বিবেচনার জন্য গ্যাটকোসংক্রান্ত প্রস্তাব আবার ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হয়। ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির দ্বিতীয় সভায় বিনাবাক্যে গ্যাটকোকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। অভিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ওই ক্রয় কমিটির সদস্য ছিলেন।
এ মামলায় ৮৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। ১০ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

The CTG will have a triumphant end

With the BAL and BNP thug queens being convicted and sent to jail, the CTG will have the ultimate accolade of the nation. The CTG will be for ever remembered as the savior of Bangladesh.

Will BAL and BNP ever have the guts to call general strike a.k.a hartal? The people of Bangladesh will put them six feet under live.

The CTG will have a triumphant end and what a triumph that will be!

Robin
Carmel, California

Future of CTG

অনেকেই আজকাল ctg'র ভবিষ্যৎ নিয়ে চিৎকার করছেন।আমি তাদের ভবিয়ষ্যৎ নিয়ে কোন কথা বলতে চাই না।আমি বলতে চাই ctg ই প্রথম চোরকে চোর হিসাবে প্রমান করতে পেরেছেন।দুই বেগম তাদের পারিবারিক রাজনীতির মাধ্যমে আমদের সমস্ত কাঠামো ধ্বংস করেছেন।উনারা ছিলেন সকল ধরাছোঁয়ার বাইরে।ctg এই সকল নামি দামি চোরদের মুখুশ উম্মুচন করেছেন,লাল দালানের ভাত খাওয়াচ্ছেন এটা কি তাদের সার্থকতা নয়?

O/E

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla