হায়রে সোনা! এখানেও ভেজাল!!!

একটি প্রতারণার গল্পঃ উপরের ছবিটি উচ্ছ্বাসের, গৌরবের। তখন পর্যন্ত তাই ছিল। কিন্তু একটু পর যখন নিচের ছবিটি বের হলো, তখন সব মিলিয়ে এটা জাতীয় লজ্জা। মহিলা সাইক্লিস্ট চিনবাই মারমা সোনা জিততে অসদুপায় অবলম্বন করেছেন; একটি মোটরসাইকেল আরোহীরা হাত ধরে টেনে তাঁকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর পদক গেছে আর এই প্রতারণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের কপালে লেগেছে লজ্জার কালি।
সূত্রঃ দৈনিক কালের কন্ঠ
- Forums:
- Tag this post:
JUST VIEWED
Last viewed:
- ‘বেগম জিয়ার ‘চুরির শাসনামলে’ কোটি কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে তারেকের বিরুদ্ধে: লন্ডন ইকনোমিস্টের মন্তব্য
- লাদেনের মেয়েকে তেহরান ছাড়ার অনুমতির আহ্বান
- Calling all Bangladeshis...
- Mujib's killers must hang: SC
- দ্যা ডে আফটার
- প্রাথমিকের প্রশ্ন ফাঁস
- ৫০ কমান্ডো ও বিপন্ন স্বাধীনতা!
- ওয়ারিদ আউট (৭০%), ভার্তী ইন, কিছু প্রশ্ন!
- ভবিষৎ টেন্ডারবাজীর আগাম প্রস্তূতি
- রংপুরের চতরা ইউনিয়ন বনাম কোপেনহেগেনের বিশ্ব জলবায়ু সন্মেলন...
- হুমায়ুন আহমেদের নাটক 'হিমু'
- ঈদ মোবারক
- Country Comparison : Electricity - production
- নাঈমুল ইসলাম খান উপাখ্যান
- বিএনপি'র কাউন্সিল, বিচার মানি কিন্তূ তালগাছ আমার!
Latest Blogs
- আমেরিকার রুক্ষ্ম পশ্চিমের গল্প...
- মৃত্যুর আগাম শোক...
- হাতে রক্ত, আঙ্গিনায় লাশ আর মুখে গণতন্ত্র...পাকিস্তানি ভণ্ডামির আওয়ামী সংস্করণ!
- দ্যা ডে আফটার
- ক্যু আর্কিটেক্টদের মোবারকবাদ
- ছ্যারছ্যার আলীর দিনরাত্রি ও একটি খুনের গল্প
- ডিজিটাল কফিনে দিন বদলের দাফন। তথ্যই কথা বলে...
- Theory of সিম্পল লিভিং এন্ড হাই থিংকিং...
- দেবতা বনাম উর্দিওয়ালা...নতুন পর্ব!
- একজন বিচারক ও এক রাতে ১ কোটি আয়ের কেচ্ছা!
Recent Comments
- মুহূর্তেই ছিন্ন স্নেহের বাঁধন...
3 days 11 hours ago - আমিও
2 weeks 4 days ago - about canada immigration
3 weeks 4 days ago - ঘুষ না পেয়ে মুক্তি দেননি বিচারক
3 weeks 6 days ago - কোটি কোটি রুহুল আমিন কী চায়?
3 weeks 6 days ago - হুম!
4 weeks 2 days ago - ধন্যবাদ...
4 weeks 2 days ago - Its really a great invention.
4 weeks 4 days ago - গুপ্ত হত্যার শেষ শিকার..., একটি রম্য রচনা
5 weeks 2 days ago - Not fair!
5 weeks 4 days ago





অন্য কোথাও ধাক্কা?
ছবিটা দেখে মনে হচ্ছে মোটরসাইকেল আরোহী মহিলা সাইক্লিস্ট চিনবাই মারমার সাইকেলে ধাক্কা না দিয়ে অন্য কোথাও ধাক্কা দিচ্ছে!!!
চিটিংয়ের সাথে ফেডারেশন কর্তারা জড়িত
০ খুলনা অফিস
সাইক্লিং ইভেন্টে খারাপ ফলাফল ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনকে দায়ী করেছেন দলের সদস্যরা। দলের কয়েকজন সদস্য প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফেডারেশনের শীর্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত দেশের ভাবমূর্তির চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির ধান্দায় ব্যস্ত থাকেন। ফলে এসএ গেমসে ফলাফল যা হবার তা-ই হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ টিমের কয়েকজন সদস্য সাইক্লিং ফেডারেশনের কর্মকর্তা এবং কোচ কিম বে’র ব্যাপারে মারাত্মক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। দলের মহিলা সদস্য আকাশী সুলতানা ও ফারহানা সুলতানা শীলা বলেন, আমাদের সর্বনাশের জন্য কোরিয়ান কোচ কিম বে দায়ী। মাত্র ১৫/২০ দিনের জন্য কোরিয়ান কোচের প্রয়োজন ছিল না। আমাদের আগের কোচ কুদ্দুসের সময়ই যা উন্নতি হবার হয়েছে। কোচ সাইদুরের অধীনে আমাদের মেয়েদের ৩০ কিলোমিটার রোড টিম টাইম ট্রায়ালে টাইমিং ছিল ৫৮ মিনিট। কোচ কুদ্দুসের অধীনে মাত্র দুই সপ্তাহে তা কমে হয় ৫২ মিনিট। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফেডারেশনের চোর কর্মকর্তারা তাদের চুরি জায়েজ করতে হঠাৎ কোরিয়া থেকে কোচ এনেছেন। তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ওর (কোচ) চামড়া তুলে ফেলা উচিত। মহিলা সাইক্লিস্টরা কোচের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ চলাকালে তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতনেরও অভিযোগ করেন।
শীলা জানান, প্রশিক্ষণ চলাকালে তার কানে ঘুষি মারেন কোচ কিম বে। এ কারণে তার চার দিন চিকিৎসা নিতে হয়। কোচের অনেক নির্যাতন যৌন হয়রানির পর্যায়ে পড়ে বলেও আকাশী ও শীলা অভিযোগ করেন। সাইক্লিস্টরা বলেন, সোমবারের চিটিং ঘটনার সাথে ফেডারেশনের কর্মকর্তারা জড়িত। এতে আমাদের কোন দোষ নেই। মোটর সাইকেল থেকে পুশ করে তারা দেশের মান-সম্মান ক্ষুণœ করার সাথে সাথে মারমা ফাতেমারও সর্বনাশ করেছে। ওকে পুশ না করলে ফাতেমা এমনিতেই রৌপ্য বা ব্রোঞ্জ পদকের যে কোন একটি পেত। কারণ ও এমনিতেই খুব ভাল সাইকেল চালায়।
ফেডারেশন কর্মকর্তাদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে তারা বলেন, আমাদের ২৫/৩০ হাজার টাকা দামের খুব নিম্নমানের সাইকেল দেয়া হয়েছে। সেগুলোও গেমস শুরুর মাত্র কয়েকদিন আগে দেয়া হয়। প্রাকটিসের সময় আরও নিম্নমানের সাইকেল ছিল আমাদের। তারা বলেন, প্রতিযোগিতায় আমাদের যে সাইকেল দেয়া হয়েছে তার দাম ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। ওজনও ৮ থেকে ১০ কেজি। অপরদিকে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কানরা যে সাইকেল ব্যবহার করে সেগুলো ৪/৫ লাখ টাকা দামের এবং ওজন মাত্র সাড়ে ৩ থেকে ৪ কেজি। সাইকেলের ওজনের পার্থক্যও প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলে। সাইক্লিস্টরা প্রশিক্ষণ চলাকালে তাদের দেয়া খাবারের মান নিয়েও বিস্তর অভিযোগ তোলেন। শীলা বলেন, বিজেএমসি’র অভ্যন্তরীণ ক্রীড়ার সময়ও আমরা এর চেয়ে অনেক ভাল খাবার পেয়ে থাকি। তাদের যে পোশাক দেয়া হয়েছে তাও নিম্নমানের। মহিলা সদস্যরা জানান, তাদের যেসব টাওয়েলস দেয়া হয়, তা যেমন নিম্নমানের, তা-ও সময়মত দেয়া হয় না। ফাতেমার টাওয়েলস ছিড়ে যাওয়ার পর সেটার পরিবর্তন করে দেয়া হয়নি। এজন্য সে রবিবার কান্নাকাটি করে পরদিন সাইকেল চালাবে না পর্যন্ত বলেছিল। তারপরও দেশের দিকে তাকিয়ে আমরা রেসে অংশ নিয়েছি।
বাংলাদেশ দলের সদস্যরা আক্ষেপ করে বলেন, এতদিন দেশের হয়ে খেলছি। রৌপ্য, ব্রোঞ্জ পদক তো পেয়েছিই। সোনা না হয় পাইনি। কিন্তু তার সামান্যতম মূল্যায়ন কোনদিন করা হয়নি। এমনকি হাজার তিনেক টাকা দামের একটা ব্লেজারও আমাদের দেয়া হয় না। এবারেও আমাদের জন্য বানানো হয়েছে শুনেছি। আমরা না পেলেও কর্মকর্তারা তা ঠিকই পেয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে পুরুষ সদস্যরা কোন প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি। কিন্তু তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে যে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তা সুখকর মনে হয়নি।
এদিকে গত সোমবার বাংলাদেশের মারমা ফাতেমা চিংবাইকে পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে রেসে এগিয়ে দেয়ার ঘটনা সম্পর্কে সাইক্লিং ফেডারেশনের সেক্রেটারি পারভেজ হাসান বলেন, আমি শুনেছি অলিম্পিক এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তবে এ টিমের সদস্যদের নাম আমার জানা নেই। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এবং দলের ম্যানেজার জোবেরা রহমান লিনু ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।
সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
Post new comment