Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

রেকর্ড...

শর্মা-ই-আযম
অফলাইনে আছেন
প্রিয় লিঙ্ক
আমার প্রিয় পোস্ট
ডিফল্ট
পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ও জনাব কোহিনের কতিপয় প্রশ্নের বিনীত জবাব
প্রসংগঃ ধর্ম এবং ধর্মান্ধতা।
রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন নাই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেননি রবীন্দ্রনাথ --দ্বিতীয় পর্ব
৭১ সালে "রাষ্ট্রদ্রোহি" মুজিবের বিরুদ্ধে মামলার বিচার ও বাংগালী স্বাক্ষীরা-১
ব্লগ প্রোফাইল চিকা মারুন! আমার বন্ধুদের তালিকা ছবি সংগ্রহ

আনন্দিত পোস্টঃ অবশেষে আহমেদ শরীফ মক্কা বিজয় করিল

লিখেছেন : শর্মা-ই-আযম ০৯ জুলাই (শনিবার), ২০১১ ১২:২৩ পুর্বাহ্ন

অবশেষে আমাকে ব্লক করিয়া এবং আমার কমেন্ট এক নাগাড়ে মুছিয়া মুছিয়া খালি মাঠে স্বীয় মন্তব্য বসাইয়া বসাইয়া জোচ্চুর শরীফ তাহার 'শরীফ কি বাতেঁ' পেইজে তাহার নপুংশক পরিচয় প্রদান করিয়া মক্কা বিজয় করিল। তাহার এই মক্কা বিজয়ে তাহার আরও কিছু জোচ্চুর ও নপুংশক ভ্রাতারা সেখানে পদার্পন করিয়াছে। আসুন তাহাদের অভিনন্দন জানাইতে থাকি। জয়তু সৌদীর পা চাটা শুদ্র।

আসলে শরীফ তার বৈশিষ্ট্য অনুসারেই কাজ করেছে। জোচ্চুররা এমন কাজই করে। পিছন থেকে আক্রমন করে। ইতিহাসে এমন ঘটনা আছে। তারপরে শরীফের মতই খালি মাঠে ডঙ্কা বাজাবে। আমি দেখে চরম বিনোদিত হলাম। আপনারাও হোন।

তার পোস্ট সম্পূর্ণ আমার কাছে সেভ করা আছে। এবং কমেন্টও সেভ করা আছে। আমি জানি জোচ্চুরদের শেষ সীমানা নপুংশক হওয়া। এখানেই সার্থকতা, যে তারা নিজে থেকেই তাদের পরিচয় দান করেছে। কপি-পেস্ট মারতে পারি তার আর প্রয়োজন মনে করছি না। সৌদীর পা চাটা শুদ্রদের কাছ থেকে এটাই তো শেষ পর্যন্ত আশা করা যায়।

@আহমেদ শরীফ, মুখ খারাপ করতে মন চায় কিন্তু করলাম না। যথাসাধ্য শ্লীল ভাষা দিয়েই বলি। এই ধরণের চরিত্রের লোকদেরকে আমরা বলি যে তারা এক বাপের পয়দা না। আমার মন্তব্য মুছে দিয়ে এখন এক নাগাড়ে নিজের মন্তব্য বসিয়ে যাচ্ছেন এটা নীচতার লক্ষণ। সাহস থাকে তো ব্লক খোলেন আর আমার যে মন্তব্যগুলো মুছেছেন তা পেস্ট মারেন। দেখবেন আপনার সব কথা খণ্ডন করে কেমনে আপনাকে দোউড়ানি দেই। এই ভাবে বার বাঙ্গালের পয়দা সাজছেন কেন? নপুংশক সাজছেন কেন? আসলে কি জানেন, আপনি ঠিক সেই কাজটি করেছেন যা পাচাটারা করে। সৌদীর পাচাটা হয়ে আর কত দিন থাকবেন। ভাবতে শিখুন। ভাবতে থাকুন। আর মানুষ হোন। কাপুরুষ হবেন না। এইসব বীরত্ব নয়, শ্রেষ্ঠত্ব নয়। এইসব ব্রাত্যের লক্ষণ। আপনার ঈমানের ঘরে দেখি একেবারে আগুন লেগে গেছে, তাই না? সৌদী হুজুরের পা চাটতে আরও যান।

আহমেদ শরীফের মক্কা বিজয় :P

বিভাগ: ব্লগরব্লগর
৩১৬ বার পঠিত ১৯৭ টি মন্তব্য

উত্তরফাল্গুনী জুলাই ৯, ২০১১ @ ১:০২ পুর্বাহ্ন ১
দাদা, ওই ব্লগারের কমেন্ট দেখলেই বুঝা যায় নিজের ধর্ম সম্বন্ধে কোন রকমের সমালোচনা সহ্য করার মত ব্যাক্তি সে না । ওদের মত লোকদের আপনি যতই বোঝান না কেন তারা কোনদিনই যুক্তির পথে হাটবেনা। তার চেয়ে নতুন কবিতার পোষ্ট দেন। সামনের কবিতার পোষ্টের জন্য অগ্রিম (F) (F) (F) (F) (F) (F) ।

অফটপিকঃআপনি এত ধৈর্য্য পান কই থেকে এইসব ফাউলদের সাথে তর্ক করার।

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ১:১৩ পুর্বাহ্ন ১.১
@উত্তরফাল্গুনী, অসুস্থরা যদি একটু সুস্থ হয় এর জন্য এদের সাথে ননস্টপ থাকি যেন বুঝতে পারে। কিন্তু তারা জোচ্চুরই থাকবে, মিথ্যাচারী থাকবে, পেছন থেকে আক্রমনকারী থাকবে। কোন দিন সদাচারী মানুষ হবে না। আর এদেরকে ছাড় দিলে তাল গাছের কীর্তনে থাকতে পারবেন না। এইকারণে আমি এদের ছাড় দেই না। যাকে যেদিন ধরি শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাই। তবে আফসোস লাগে, দীর্ঘশ্বাস আসে, এরা মানুষ হবে না।

কবিতা একটা দিয়েছি। এর আগের পোস্ট দেখুন। আজকেই দিয়েছিলাম। কিন্তু নপুংশকটার কারনামায় এই পোস্ট দিতে হল।

ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানাই।

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৬:৫৩ পুর্বাহ্ন ১.১.১
@শর্মা-ই-আযম,

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ২:৪৫ পুর্বাহ্ন ১.২
Hinduism is the oldest of the large religions of today for it saw its birth almost four thousand years ago. It is a creed largely circumscribed to South Asia and is based on a caste system, which segregates people based on skin color and several other factors. At the bottom of the pyramid in this caste system, are the Untouchables. They account for about a sixth of the population of India and are the poorest.

Aside from underpinning a largely racist system, Hinduism does worst things with women. Untouchable girls for example, were for centuries given by their poor parents to Hindu temples, where they were used to appease the Gods by satisfying the sexual needs of upper caste men. That such acts happened in the past is bad enough, but the worst is that they still take place today

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ২:৪৯ পুর্বাহ্ন ১.২.১
@মূরলিধরণ, তো এই লেখা কি তোরে বৈধতা দেয় সৌদীওয়ালাদের পা চাটবি? এই লেখা কি বৈধতা দেয় তোর মা আর বইনরে সৌদী শেখের চুদার জন্য পাঠাবি? এই লেখা কি তোর জোচ্চুরি বৈধতা দেয়? এই লেখা কি তোদের নপুংশক নাম ঘুচাবে?

ইমরান আউলিয়া জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:০১ পুর্বাহ্ন ১.২.১.১
@শর্মা-ই-আযম,

তো এই লেখা কি তোরে বৈধতা দেয় সৌদীওয়ালাদের পা চাটবি? এই লেখা কি বৈধতা দেয় তোর মা আর বইনরে সৌদী শেখের চুদার জন্য পাঠাবি? এই লেখা কি তোর জোচ্চুরি বৈধতা দেয়? এই লেখা কি তোদের নপুংশক নাম ঘুচাবে?

এইটাই তুমার আসল চিহারা শর্মা। তুমি তুমার চিহারা দ্যাখায়া ফেলছ।

চোখমুখ থেইকা নোংরামি দুর কর আর যুক্তি দিয়া চিন্তা কইরা দেখ। তুমি বুঝতে পারবা এইখানে কেউই কারো পা চাটেনাই, তুমি ববোধহয় নিজে স্বপ্নে কারো পা চাটতেছিলা ঐটার কারণে তুমার মনমেজাজ খারাপ হইয়া আছে। স্বপ্নে হয়ত তুমি আরো খারাপ কিছু দেইখা থাকপা। এ্‌ইজন্য পরের কথাগুলানও বলছু। তুমাএ স্বপ্নে কেউ নপুংশক বুলছে?

খ্যাকখ্যাকখ্যাক :] :] :] :] :] :] :] :] :] :] :] :] :] :] =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =))

ধইরা ফালাইলাম তুমার নাক দিয়া ঘিলু বাইর হইবার তাৎপর্য।

জোচ্চুরিটা কার এখন টের পাইছু মনা? :] :] :] :] :] :] :] =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =))

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৪১ পুর্বাহ্ন ১.২.১.১.১
@ইমরান আউলিয়া, ছিনালের মত হাসলেই কি কিছু হয় রে জোচ্চুর শুদ্র? প্রশ্নগুলার জবাব দে। দেখি প্রশ্নগুলার উত্তর দেবার মত বাপের পয়দা তুই হইছিস কি না। আমার জোচ্চুরি কি আর দেখলি। আমি তো জোচ্চুরি করি না রে সৌদীর পা চাটা মিসকিন। তোর বাপ সবগুলারে নিয়া আইসা প্রশ্নগুলার জবাব দে।

ইমরান আউলিয়া জুলাই ৯, ২০১১ @ ৪:৩৯ পুর্বাহ্ন ১.২.১.১.১.১
@চুওড়ের পয়দা শর্মা-ই-আযম,
তোর জবাব নিচে দ্যকগিয়া। তোরা যে বোধবুদ্দির সমস্যা এইজন্য তুই ছিনাল চিনলি না। আয়নার সামনে গিয়া দারা। আসল ছিনাল চিন্নালাবি।

চোখমুখ থেইকা নোংরামি দুর কর আর যুক্তি দিয়া চিন্তা কইরা দেখ। তুমি বুঝতে পারবা এইখানে কেউই কারো পা চাটেনাই, তুমি ববোধহয় নিজে স্বপ্নে কারো পা চাটতেছিলা ঐটার কারণে তুমার মনমেজাজ খারাপ হইয়া আছে। স্বপ্নে হয়ত তুমি আরো খারাপ কিছু দেইখা থাকপা। এ্‌ইজন্য পরের কথাগুলানও বলছু। তুমাএ স্বপ্নে কেউ নপুংশক বুলছে?

যেইবেটি স্বপ্নে তরে নপংশক বলছে সে মনে হইতাছে ঠিকই কইছে। এইল্লিগাই কি তর এত মাতা খারাপ রে?
চুওড়ের পয়দা শর্মা.... =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =)) =))

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:০০ পুর্বাহ্ন ১.২.১.১.১.১.১
@ইমরান আউলিয়া, ঠাপান খাইয়া ছিনাল মাগী কি সুন্দর দাঁত মেলাইতেছে। মাগী আবার ভালা কইরা জবাব দে। নাইলে একেবারে উফতা চুদন দিমু।

@ইমরান আউলিয়া,
১,তো এইসব লেখলে কি সৌদির পা চাটা শুদ্র থেকে মুক্তি মেলে?
---না মেলে না, কারণ পা চাটার ব্যাপারটা বাস্তবে ঘটেই নাই। এইটা স্বপ্নে ঘটছে আর সেইটা যা কিচুই করো না কেনু তুমার স্বপ্নে পা চাটা থেইকা মুক্তি মিলবেনা। একটা কাজ করতে পারো। ,মন থেকে মুচলমানদের জন্য রাখা সব ঘেন্ন সরাও, আর মানুষ হও। মানুষ হইতে পয়সা লাগলেনা এইটা তো জানোই। তাইলে আশাকরি এইরকম স্বপ্ন দেখা থেকে মুক্তি পাবা।

এই তো আবার বেঈমানি করলি রে। হজ্বে জিজিয়া করের মত কর দিয়ে যাস, এইটা কি তোদের পা চাটা না। ওরা তোদের মিসকিন ডাকে, এইটা কি তদের পাচাটা না। কাবাশরিফে তোদের কোন অধিকার নাই, তাদের করুণায় সেখানে যাস এইগুলা কি পাচাটা না? ওদেরকে টাকা দিয়ে ওদের কোষাগার বড় করিস, এইটা কি পাচাটা না। ওদের কাছে টদে মা বোন গিয়ে ঠাপ খেয়ে আসে, এইটা কি ওদেরকে হুজুর মেনে তোদের পাচাটা না? পাচাটা মানে বুঝস? পাচাটা মানে গোলামী। ভাল করে ভেবে দেখ, ওদের গোলামী করিস কি না। এইসব ঘটছে আর বলছিস বাস্তবে ঘটে না। এই মিথ্যাচারীরা কি তোদের ইসলামের অঙ্গ? পত্রিকার লিঙ্ক দিয়েছিলাম পড়ে দেখেছিস? সত্যেকে ঢেকে দেওয়া কি তোদের ইসলামের অঙ্গ?

২, এইসব লেখলেই কি ঈমান মজবুদ হয়ে জোচ্চুরি সত্যে পরিণত হয়?

জোচ্চুরিটা যেহেতু তুমি নিজেই করছ সেহেতু এইটা তুমার ব্যাপার। তুমার ইমান কেমনে মজবুদ হবে আর জোচ্চুরি যা করছ তা সত্যে পরিণত হবে সেইটা এই ভর মজলিসে না জিগাইলেই পারতা। এইটুক বলতে পারি মুচলমানদের বিরুদ্দে যত যোচ্চুরিই কর কখনোই সত্যে পারিণত হবে না।

কথা পিছলাও কেন শাবক? জোচ্চুরির মানে বুঝ? মুখে এক বলা আর বাস্তবে আরেক হল জোচ্চুরি। তোদের পদে পদে জোচ্চুরি। এইসব পিছলাও কেন? এই যেমন সৌদীর পাচাটা মানে গোলামী কর তাও স্বীকার করছ না, এইটাও জোচ্চুরি। জাতপাত নিয়া চল আবার বল সাম্যবাদী, জাতপাত নেই, এইটাও জোচ্চুরি। তো এইসব কি তোমাদের ঈমানের অঙ্গ?

৩,এসব লেখলেই কি শুধু মুখের সাম্যবাদ বাস্তবে আসে?
বাস্তবে যেহেতু এমনেই আছে, সুতরাং এসব লেখার সাতে তার থাকা নাথাকার কোন সম্পর্ক নাই।

সৌদীর মিসকিন হয়ে থাকা কি সাম্যবাদ? সৌদীর হাতে তোদের মা বোনের চুদন খাওয়া কি সাম্যবাদ? সৌদীর গোত্রে গোত্রে বিভক্ত সমাজে খুনাখুনি রেষারেষি কি সাম্যবাদ? বিয়ার আগে জাতপাত খুঁজা কি তোদের সাম্যবাদ? কাবা শরীফের ব্যাপারে এক চেটিয়া সৌদি কর্তৃত্ব কি তোদের সাম্যবাদ? তোরা আসলেই জোচ্চুর। তোরা মিথ্যাচারী। আর এসব তোদের ধর্মের অঙ্গই মনে হয়, তোদের ঈমানই জোচ্চুরি ভরা। তাই না?

৪,এসব লেখলেই কি বাঙ্গালী নারীর ধর্ষণের বিচার হয়ে যায়?
তুমি কি নারীধর্ষণের সাতেও জড়িত??? না এসব লিখলে তুমার ধর্ষণের বিচার হবেনা। সেইটার জন্য তুমারে আদালতে আত্মসমর্পন করতে হবে। তারপর তুমার প্রচলিত আইনে বিচাড় হবে.

তোর সৌদী বাপের যে তোর মা বইনরে ধর্ষণ করে সেটা ভুলে গেছিস? ওদের ধর্ষণের ফসলই তো তোরা। তো বাস্তব অপরাধগুলো ভুলে গিয়ে সৌদীদের হুজুর মানা কি তোদের সোকোল্ড সাম্যবাদী ধর্মের ঈমানের অঙ্গ?

৫,এসব লেখলেই কি বোমা হামলা জায়েজ হয়ে যায়?
না হবেনা। সুতরাং মুরলিধথরণ যেসব বোমা হামলা দেখাইছে সেসব আর করবানা। মুচলমানদের এমনেতেই তুমরা জঘন্যভাবে ডাবায়া রাখতেছ, এখন তাদের উপর বোমা হামলাও জায়েজ করতে চাও? দুনিয়া জুড়ে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে মুসলমানরাই পরিচিত। লাদেনের কথা ভুলে গেলি? আল কায়েদার কথা ভুলে গেলি? নিরীহ মানুষ মারার কথা ভুলে গেলি? নিজেরাই ডুবে অন্যকে বলিস কেন অন্যরা ডুবাচ্ছে? নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোই কি তোদের ইসলাম ও ঈমানের অঙ্গ? নিজেকে শুধরা আগে। না কি নিজেকে না শুধরানোই ইসলামের অঙ্গ? ৬,এসব লেখলেই মুখে বলা জাতপাতহীন ধর্মের জনমস্থান আরবের গোত্রে গোত্রে লেগে থাকা খুনাখুনির পরেও ইসলাম সত্য সত্য জাতপাতহীন থাকে?
---না, শুধু লেখলে হবেনা, ইসলামের সুমহান বাণী বাস্তবে চরচা করতে হবে। সেইজন্য প্রচুর দাওয়াতদানকারী লাগবে। আপনে যদি কুথাও খুনাখুনি বন্ধ করতে চান তাইলে তাদের মধ্যে দাওয়াত দেবার জন্য আপনাকেই তৈরি হতে হবে।অ আপনি এককাজ করেন। যত নোংরামি করছে জোচ্তাচুরি করছেন আর হারামি করছেন, সবকিছু থেকে খালেস দিলে তাওবা করে আল্লাহর কাছে মাফ চান। তারপর দাওয়াতের কাজে নেমে পড়েন। বলা যায় না আপনার দাওয়াতে যদি একজনও পাকসাফ হয়ে যায় তাহালে তার অসিলায় আপনার গুনাখাতা মাফ হয়ে যেতেও পারে। গ্যারান্টি দেতে পারলামনা যদিও। সবই আল্লার ইচ্ছা।

জোচ্চুরী মতবাদে ভরপুর, অরাজকতায় ভরপুর, বর্বরতায় ভরপুর ইসলাম সুমহান হয় কি করে? এসব হলে তো ইসলাম আসুরী ধর্ম? তোরা অসুর। মিথ্যা আর ভুলভালে ভরপুর কুরআন নিয়েই কি তোদের একমাত্র মনোনিত সত্য ধর্ম? এই কারণেই তো তোরা মিথ্যুক যেখানে তদের আল্লাহ আর তোদের কুরআনই মিথ্যা। তোদের আল্লাহ তো এটাই জানত না যে পৃথিবী গোলাকার, কুরয়ানে তো সমতল করে বয়ান দিয়েছে। তো এইসব মিথ্যা নিয়া তোরা জারিজুরি মারস? লজ্জা করে না তোদের? না কি নির্লজ্জ হওয়া তদের ইসলামের অঙ্গ? আর লির্লজ্জভাবে ভণ্ডামীর দাওয়াত দেওয়াও কি তোদের আসুরী ধর্মের অঙ্গ?

৭,এসব লেখলেই কি বিয়ের আগে বাঙ্গালী শুনে হওয়া বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় মুসলমান সমাজে জাতপাতের যে তীব্রতা শুরু হয় তা কি জাতপাতহীন হয়ে যায়?
---আগের প্রশ্নের (৬নং) জবাব দেখু।

জবাব তো দেখলাম। ভণ্ডামী জবাব দিয়েছিস। কিন্তু কথা তো স্বীকার করছিস না। সমাজে জাতপাত চলছে কিন্তু স্বীকার করতে পারিস না। এই ভণ্ডমী আর এই সতসাহসহীনতা কি তোদের ইসলামের অঙ্গ?

৮,নারী নির্যাতন কি জায়েজ হয়ে যায়?
--না হয় না। তুমারে এইটা নিয়া একবার বলছি সেইটা আবার দেখো:

তুমি কি নারীধর্ষণের সাতেও জড়িত??? না এসব লিখলে তুমার ধর্ষণের বিচার হবেনা। সেইটার জন্য তুমারে আদালতে আত্মসমর্পন করতে হবে। তারপর তুমার প্রচলিত আইনে বিচাড় হবে।

আসল কথাই তো স্বীকার করতে পারলি না যে তুই হইলে সৌদীদের গেলমা। তোর মা বইন ওদের ঠাপ খায়। তুই যেহেতু স্বীকার করছিস না তার মানে দাঁড়ায় ঐসব জায়েজ? তোর ইসলাম আসলেই কি এত জঘন্য? ছি ছি ছি। আবার এই জঘন্য জিনিস নিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জারিজুরি মারস? লজ্জা করে না?

এই হইলো তুমার প্রশ্নগুলানের জবাব। আবার বলতেছি, চুওড়ের পয়দা শর্মা জবান ঠিক যদি না করো আর ভদ্র না হও তাইলে এমন দৌড়ানি দিবো সারা শরিল দিয়া ঘিলু বাইর হওয়া শুরু হবে। সাবধান!!!

কার ঘিলু যে বের হবে তা তো দেখাই যাচ্ছে। আহমেদ শরীফের ঘিলু বের হয়েছিল তাই খোয়াড়ে ঢুকে গিয়েছিল। আবার বড় বড় কথা বলছিস চুওড়ের পয়দা। লজ্জা করে না? দেখ কেমনে তোদের দৌড়ানি দেই। আমাকে তো চিনস নাই। পার পাইবি না। ননস্টপ দৌড়ানি খাইবি। দেখি তোদের মিথ্যার জারিজুরি মারা ঈমানের কেমন খেমতা। ঈমান তো এমনিতেই তোদের নাই। তোদের কই না জানি আছে গালাগালি করলে মুখ চল্লিশ দিনের জন্য নাপাক হয়, ঐসব কি ভুলে গেলি? এই তোদের ঈমান? এই কারণেই তো তোরা জোচ্চুর। তোরা ভণ্ড। হাসির কথা হইল তুই ইসলামের কথা বলতেছিস ইসলামকে লাথি মেরে। আমি তো এটাই চেয়েছিলাম রে ভণ্ড। এই কারণেই তো গালি দিয়েছি। কই গেল তোদের ইসলাম?

1.2.1.1.1.1.10
1.2.1.1.1.11
1.2.1.1.11
1.2.1.11
মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৬:৫৫ পুর্বাহ্ন ১.২.১.২
@শর্মা-ই-আযম,

"target="_blank"">

1.2.1.20
1.2.12
1.21
মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:২০ পুর্বাহ্ন ১.৩
Nun Meena Lalita Barwa tells of brutal rape by Hindu mob in India
Jeremy Page in Delhi and Rhys Blakely in Bombay

A Roman Catholic nun who says that she was raped and paraded half-naked through the streets by a Hindu mob in eastern India emerged from hiding yesterday for the first time to make an emotional public appeal for justice.

With her head and face covered by a black scarf, Meena Lalita Barwa, 29, described how she was attacked at a prayer hall in the eastern state of Orissa in August during the worst anti-Christian riots in India in decades.

The violence — which the Catholic Church says killed 60 Christians and left 50,000 homeless — has drawn international criticism from the Pope and President Bush and prompted calls for a ban on India's powerful Hindu nationalist movement.

Sister Meena said that a mob of up to 50 men armed with sticks, axes, spades, crowbars, iron rods and sickles dragged her and a Catholic priest from the house where they were sheltering on August 25.
Related Links

* Extremists stoke the fires of persecution

* India must protect its Christians

* Bishop says the 'worm has turned' after Indian Christians attack Hindu

One of the mob raped her, while two more held her down, and then a fourth tried to rape her again, before they paraded the priest and her, minus her blouse and underwear, along a road, she said.

When the crowd passed a group of a dozen policemen she begged for help, but they ignored her and talked in a “very friendly” manner to her attackers, she said. “State police failed to stop the crimes, failed to protect me from the attackers,” she said. “I was raped and I don't want to be victimise[d] by the Orissa police. God Bless India, God bless you all.”

She demanded that her case be handled by the Central Bureau of Investigation — India's FBI — rather than the Orissa police, who have been criticised for their inaction during the violence.

Sister Meena went into hiding after the attack to protect herself from Hindu extremists but decided to come forward after the Supreme Court turned down her initial request for a CBI inquiry earlier this week.

Her public appeal comes as pressure mounts on the Indian Government to ban Bajrang Dal, one of India's Hindu extremist groups, for their alleged role in violence in Orissa and elsewhere.

The Government fears that such a move would provoke a backlash from other Hindu extremists and mobilise votes for the opposition Bharatiya Janata Party ahead of national elections, due in May.

The accused groups deny any involvement in the Orissa violence, saying that it was a spontaneous reaction to the murder of Swami Lakshmananda Saraswati, a local Hindu nationalist leader, on August 23.

They blame Christians for the murder, although Maoist rebels have claimed responsibility and accuse Christian missionaries of bribing and coercing poor Hindus to convert.

However, victims in Orissa, church leaders and rights groups accuse Hindu extremists of executing the attacks to stir up their supporters ahead of next year's elections.

Father Thomas Chellan, the priest who was with Sister Meena when she was allegedly raped, told The Times that many of the mob were chanting Hindu slogans and were wearing the trademark saffron bandannas of the Hindu nationalist movement.

He said that they forced him to kneel on the ground and doused him in kerosene. One man brought out a box of matches and fumbled with it. “I thought, my God, now I will die.”

Another member of the mob interrupted and said that they should “burn him where others could see”, prompting the crowd to parade him and Sister Meena along the road.

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৪৩ পুর্বাহ্ন ১.৩.১
@মূরলিধরণ, এইগুলার জবাব দেস না রে বেজন্মা। এইগুলার জবাব সেওয়ার মত কি তাখত নাই? নিচে আবার পেস্ট করলাম। এইগুলার জবাব দে যদি বাপের জন্মা হয়ে থাকিস।

দুনিয়ার সবাই খারাপ ধরে নিলাম তাতে কি ইসলাম খারাপ কাজের বৈধতা পেয়ে যায়? ধরে নিলাম হিন্দুরা খুবই বর্বর তাতে কি ইসলাম বর্বরতা আর অরাজকতার বৈধতা পেয়ে যায়? মানলাম হিন্দুদের মাঝে জাতপাত আছে, তাই বলে কি ইসলাম মুখে না বলে গোত্র আর জাতপাতের বৈধতা পেয়ে যায়? হিন্দুদের মাঝে ব্রাহ্মণরা নিয়ন্ত্রণ করে সব, তাই বলে কি সৌদী সব মুসলমানদের শুদ্র বানিয়ে তারা নিজেরা এলিট হয়ে যাবার বৈধতা পেয়ে যায়?

নিচে প্রশ্নগুলোরও উত্তর পাইলাম না শাবক জোচ্চুর নপুংশক মুরলীধরন,

তো এইসব লেখলে কি সৌদির পা চাটা শুদ্র থেকে মুক্তি মেলে? এইসব লেখলেই কি ঈমান মজবুদ হয়ে জোচ্চুরি সত্যে পরিণত হয়? এসব লেখলেই কি শুধু মুখের সাম্যবাদ বাস্তবে আসে? এসব লেখলেই কি বাঙ্গালী নারীর ধর্ষণের বিচার হয়ে যায়? এসব লেখলেই কি বোমা হামলা জায়েজ হয়ে যায়? এসব লেখলেই মুখে বলা জাতপাতহীন ধর্মের জনমস্থান আরবের গোত্রে গোত্রে লেগে থাকা খুনাখুনির পরেও ইসলাম সত্য সত্য জাতপাতহীন থাকে? এসব লেখলেই কি বিয়ের আগে বাঙ্গালী শুনে হওয়া বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় মুসলমান সমাজে জাতপাতের যে তীব্রতা শুরু হয় তা কি জাতপাতহীন হয়ে যায়? নারী নির্যাতন কি জায়েজ হয়ে যায়?

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:০৪ পুর্বাহ্ন ১.৩.১.১
@শর্মা-ই-আযম,

SEX AMONG HINDU GODS
The Hindu god Shiva is often represented as Ardhanarisvara, with a dual male and female nature. This sculpture is from the Elephanta Caves near Mumbai.
In the Hindu narrative tradition, stories of gods and mortals changing gender occur. Sometimes they also engage in sexual activities as different reeincarnated genders. Homosexual and transgender Hindus commonly identify with and worship the various Hindu deities connected with gender diversity such as Ardhanarisvara (the hermaphrodite form of Shiva); Aravan (a hero whom Krishna married after becoming a woman); Ayyappa (a god born from the union of Shiva and Mohini, a female incarnation of Vishnu); Bahuchara-devi (a goddess connected with trans-sexuality and eunuchism); Bhagavati-devi (a Hindu goddess associated with crossdressing); Bhagiratha Maharaja (an Indian king born of two female parents); Caitanya Mahaprabhu (an incarnation of Radha and Krishna combined); Chandi-Chamunda (twin warrior goddesses); Gadadhara (an incarnation of Radha in male form); Gangamma-devi (a goddess connected with crossdressing and disguises); Harihara (Shiva and Vishnu combined); Kartikeya; Vallabhavardhana, Yellamma-devi and countless others
There are also specific festivals connected to the worship of such gender-variant deities, some of which are famous in India for their crossdressing devotees and homosexual undertones. These festivals include the Aravan Festival of Tamil Nadu, the Ayyappa and Chamaya-Villaku Festivals of Kerala, the Bahucara-mata Festivals of Gujarat and the Yellamma-devi Festivals of Karnataka, among other

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:২৬ পুর্বাহ্ন ১.৩.১.১.১
@মূরলিধরণ, এইরকম কপি-পেস্ট মারলে আমার আসল ঠাপানি তুই মিস করবি। তুই এইসব রেফারেন্স থেকে কি কইতে চাস সেটা বল। তারপরে দেখবি তোরে কেমনে ঠাপাই। এরকম তো তুই পিঠ দেখাইতেছিস। তোর ঈমানের শক্তি কি শেষ হয়ে গেল রে? হুদাই কপি পেস্ট মারতেছিস? এত কমজোর কি তোর ঈমান?

1.3.1.1.10
1.3.1.11
মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:০৯ পুর্বাহ্ন ১.৩.১.২
@শর্মা-ই-আযম,

Sex and Sex-Worship
Hindu scriptures are essentially pornographic in nature, full of sexual allusion, sexual symbolism, passages of frank eroticism and stories relating to venal love. Some religious sects even introduced ritual intercourse as part of their cult and a potent aid to salvation [ 14 ]. The rituals, festivals and ceremonies are characterized by the display of obscene portraits, sex and sex-worship. The temples, places of pilgrimage and other holy shrines are full of sculptures with all sorts of sexual postures. The sexual life of Krishna, an incarnation of Vishnu, is well-known for its indecency. He had illicit relations with Radha, wife of his maternal uncle, in addition to a number of milk-maids, although he had a large number of wives [ 15 ]. Among Hindu gods, the most prominent ones are: Brahma (the creator), Vishnu (the sustainer) and Siva (the destroyer). Brahma is found guilty of cohabiting with his own daughter, Saraswati. It is for that reason that he is deprived of being worshipped. Vishnu is guilty of deceitfully ruining the chastity of a married woman, called Tulasi. Siva is not worshipped but the image of his linga (sex-organ) is widely worshipped. This is because of the curse of some sage [ 16 ]. In the sculpture, Siva and his consort Parvati are depicted in various explicit poses of the sexual act.

Prostitution is encouraged in the form of religious custom of devdasi (slave-girls dedicated to temple-idols). Hindu gods and rishis (sages) are found engaged in sexual act with beautiful women and breeding illegitimate children. As for instance, in order that Rama could have strong soldiers in his army, the gods engaged themselves in begetting powerful sons. This they did by engaging themselves, in the words of Dr. Ambedkar [ 17 ], “in wholesale acts of fornication, not only against apsaras, who were prostitutes, not only against the unmarried daughters of Yashas [ 18 ] and nagas, but also against the lawfully wedded wives of Ruksha, Vidhyadhar, Ghandharvas, Kinnars, and Vanaras (monkeys) and produced the vanaras who became the associates of Rama” [ 19 ].

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:২৬ পুর্বাহ্ন ১.৩.১.২.১
@মূরলিধরণ, এইরকম কপি-পেস্ট মারলে আমার আসল ঠাপানি তুই মিস করবি। তুই এইসব রেফারেন্স থেকে কি কইতে চাস সেটা বল। তারপরে দেখবি তোরে কেমনে ঠাপাই। এরকম তো তুই পিঠ দেখাইতেছিস। তোর ঈমানের শক্তি কি শেষ হয়ে গেল রে? হুদাই কপি পেস্ট মারতেছিস? এত কমজোর কি তোর ঈমান?

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৬:৫৬ পুর্বাহ্ন ১.৩.১.২.১.১
@শর্মা-ই-আযম,

"target="_blank"">

1.3.1.2.1.10
1.3.1.2.11
1.3.1.21
1.3.12
1.31
মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৩০ পুর্বাহ্ন ১.৪
From Hindu to Christian

Interview with a Christian husband and wife
Varanasi

[“V” begins.] Previously we were both Hindus. We became Christians in 1992. We were married in 1987. My father was a professor at BHU and my mother was a housewife. We are four sisters and one brother. We had an academic atmosphere in our home. Of course, my father was a professor, so we were also brought up in that way. Education was emphasized. So I am a Ph.D. Then I got a job and now I’m teaching in a college. I teach English literature. I met my husband when I was working at the medical institute. That’s how we got married. This is my second marriage.

When we were Hindus we didn’t worship any one deity. We worshipped Shiva, Durga, Krishna, Ram, and all the Hindu gods. Because my father comes from the academic world, he doesn’t believe much in the rituals of Hinduism. Even though he is a Hindu, he has never gone to any temple or taken part in anything. He believed in reading the Hindu scriptures by himself at home. Whether it was the Gita or the Ramayana. But my mother was a traditional Hindu woman, and she believed in the traditional things. She took part in rituals and went to temples. We had idols in our home.

I also didn’t like the rituals. There were so many rituals and superstitions about certain things. I had my education in a convent. So that was one of the reasons I turned to Christianity. Right from my childhood, I was influenced by my teachers who were nuns. And as I grew up, I could compare. Somehow I found more sincerity in Christianity and I was more attracted to it than to Hinduism. Jesus appeared to me as a person who has no faults. Speaking about Hinduism, especially in Varanasi, culture and tradition play a very important role in the system.

My family still doesn’t know about my conversion to Christianity. So at this point, there is no question of an adverse reaction. If they were to know about it, I’m not sure if there would be any conflict or not. There might or there might not be. My mother has already passed away. My father is still alive and he’s pretty liberal, so he doesn’t interfere. Our marriage, also, was very untraditional and controversial. I belonged to a different community, a different caste. But they didn’t object. They supported us. My family background is totally different from the traditional norm. All my sisters are working. They are all in the field of education. So I don’t think my family would object much to my Christianity. They might be neutral. Or if they don’t like it, they probably wouldn’t say anything. The worst they would do is to keep silent.

There have been changes in my life since I became a Christian. I have more self-control. Before, if somebody tried to harm me, I always wanted to get revenge. I was easily irritated. So I have more control, of my emotions especially. The changes are more internal than outward.

[“A” begins.] My father is a traditional priestly brahmin. My forefathers were priests of the king. My city was the capital of a kingdom. So the king brought some brahmins and gave them a village of their own to stay in. That city is in Bihar. I grew up in that brahmin village. Each of us had a certain deity in our house. My family had Kali. The worship of Kali is a tantrik kind of thing. We worshipped Kali every day with mantras. We would recite those mantras at least 108 times every day. Then there were many pujas every month, such as the satyanarayan puja. There were many religious festivals as well, so my mother would make me fast and all those things. So I was doing everything, reading shlokas, such as Durga Sarasvati, which is the book of Durga, and one chapter of the Gita every day.

I also had to recite a two-line mantra called the gayatri mantra. Gayatri is supposed to be the power of the sun. I had to recite this mantra at least 108 times a day. I also had to recite other mantras relating to Shiva, Vishnu, and Ram. The purpose of these mantras was nothing. They don’t know. They just have to do it. A child’s head is shaved at three years of age, and after reaching the age of eight, he takes the sacred thread ceremony. From then on, it is his duty to do all these things. The religion is very much tied to the culture. They don’t really have significant faith or belief in anything. They do it for the sake of doing it, and to get money. Their lives are miserable. They are not happy. They are poor people. So they want something which can shape their hopes.

My upbringing was alright, but when I saw the society around me, I was not satisfied with the way it was. I started reading books. All of the Hindu gods have been born of various ascetics and saints. For most of them, birth usually involved something unusual, such as coming through an illicit relationship, or from a horse or a cow, something like that. These gods are involved in doing bad things, like Shiva going for a woman, and Indra going for a woman or raping a woman. And people imitate this. The people of my village do this. They also drink palm wine, and they take any woman they want. They would say these people were untouchables and they wouldn’t eat with them or drink with them. But at night, the old brahmins would go and have sex with them. It’s still done, it’s a business kind of thing.

So I started reading books and thinking. I thought, “This is not fair.” I used to go on a pilgrimage every year, traveling on foot 70 kilometers to a Shiva temple, through mountains, forests and rivers in Bihar. I would walk barefoot on the road. On the way, I would see that some people would be traveling along, looking at women and having bad thoughts about them. There were many saints who would take advantage of the situation on the way to the Shiva shrine. Then I thought that God was not affecting them. He was not helping them. In fact, he was not helping me. I would also do bad things. Even though I did everything like chanting the Gita and so on, still I was getting into smoking and drinking, and thinking about women. So God was not helping me.

I first heard of Christianity by means of an ad in the paper which offered a correspondence course to learn the Bible. So I filled out the form and sent it in. They started sending me literature. I like music, and I used to keep a radio with me all the time. I used to listen to the radio while studying. I would get up every morning about 4:30 or 5. So one morning around 6 o’clock, I was listening to the shortwave radio and I heard some songs. At first I thought it was Hindu, because the words were in Hindi, and I liked the songs. But then I heard them saying things about learning the Bible.

I began to listen regularly, and whatever I learned I tried to practice in my village. So people didn’t like me. Even my parents hated me. My mother said, “Oh, he’s a Christian.” I didn’t know the meaning of this word kristan. I thought it was something bad that they were calling me. So she predicted that I would become a Christian. The villagers used to notice that I would eat with untouchables. Our maid-servant was an untouchable, and yet I would ask her to bring me some water. I wouldn’t ask my mother or my sister.

When I read the Bible I found that it was very practical. You can achieve those things and you won’t have any problem, like feeling dissatisfied. Suppose I am angry and then I have to sit for a puja, like the time when my grandmother died, my father’s aunt. He appointed me as the lighter of the funeral pyre, and I was supposed to listen to a reading of one of the Puranas, which talks about ghosts and what happens to the one who died. I was to do this for nine or ten days. At that time I was young, only 15 years old.

There was a woman there who loved me. I was not in love with her, but she loved me. So she would sit there in the group while I was listening to the pandit chanting the puran about the spirit and what happens. And while I was listening, my thoughts would be on that woman. She was there in my mind. So then I thought it was not helping me, listening to this stuff. It should help me and change me, so I wouldn’t do these things. So then the Bible helped me, and slowly I started getting rid of these things. It was not my fault, but they would make use of me, these women and girls. I never went for them. I was the sort of person who would say yes every time, no matter what a person said to me. I would accept it and believe it. This is my weakness, even now. When a stranger comes and says, “Oh, I will do this for you and that for you,” I tend to believe it. Then I get cheated.

In 1977 when I was 18, my father was seriously ill, and there was no one to go to him. I did not know his address, so I could not correspond with him. Then I said that if all I had been reading is true, and Jesus is really there, then I should pray to him every day. So I said, “Okay, if you are there, tonight you must listen to my prayer and help my father.” Then I heard the news that my father had been alright for three days, and I thought, “This is wonderful.”

The average Hindu thinks that Christianity is bad. They admit that Jesus is God, that He is a good god. But at the same time, they don’t want another person’s god. They want their own god to dominate. They like Jesus, but they don’t like Christians. That’s the problem. They know that if they accept Christians, then those Christians will turn good Hindus into good Christians. Many Hindus are not really Hindus. My friends and people I know are not really Hindus. They’re not doing anything to make them Hindu. It’s just by caste and living in society, and by their surname, that they are Hindu. If these people are taught well, they can become Christians. Hindu tradition is like that. They want supremacy and dominance over others. So that’s why they accepted Buddha as the eleventh incarnation of Vishnu, just so they could absorb Buddhism into Hinduism. Christianity is not yet incorporated into Hinduism, because it came from foreign countries. Buddha was from India. There is a book written in Hindi which says that Christianity is krishna-niti — the policies of Krishna. It was written by a well-known historian. He says that foreigners cannot pronounce krishna-niti, so that’s where they get Christianity.

If you are a Christian then you have to do certain things. You have to be a man of action. You cannot just say, “Don’t steal, don’t cheat,” while at the same time you are taking money out of people’s pockets. That is Hinduism. The thing is just in the mouth not in the heart. As a Christian one has to go against the patterns and traditions of the society, against superstition and the worshipping of a god who will let you do whatever you want. Like going to a temple and offering flowers, water and other things, and then going out and cheating and murdering. Dacoits, for example, who are robbers, are worshippers of the goddess Kali. They kill someone and they say, “Jay Kali.” In her name they kill. It is convenient to get help from gods in doing bad things. Some Hindus think that if you take the name of a god, you can do anything. But I don’t think that’s true. Hindus realize that Christ is perfect, but they still want something else, some idol.

Living here is not a problem for Christians. Hindus accept whatever you are or wherever you have come from. But Muslims will not accept you. You cannot live next door to a Muslim if you are a Hindu or Christian. But Christians and Hindus can live alongside each other, as long as the Christians don’t interfere with the Hindus or tell them that what they are doing is bad. If you let them do whatever they want, they won’t say anything. A Christian can have some kind of witness to Hindus, but you see, most Hindus are uneducated. Even if they have a Ph.D., they are uneducated. They know their own subject, political science or sociology, but they don’t know the reality, what things are there, the truth. It’s good to try to be a role model for them. The people I meet, every time I tell them I am a Christian and they accept it, they try to ask why I became a Christian. The thing is that they are earning their livelihood because of being a Hindu, so it’s difficult. They don’t live like me. The shopkeeper may know I’m right, but if he stops being a Hindu, then people will not go to his shop. They’ll say, “Oh, this is a Christian shop.”

The culture and fear are what keep Hindus from turning to Christ. They don’t know what happens after death, if they become Christian. Then there is the love for money. These are the three things. No Hindu can think about anything without money. Everything is in terms of money. I am able to talk to Hindus because I know the right language to use. In witnessing to Hindus, lifestyle and the way of worship are important. But I don’t think they can be separated. See, life means everything — prayers and thoughts, etc. Otherwise we would be animals, eating, drinking and living in a house, trying to be successful.

If someone is really a true Christian, then there is no difficulty. The problem with Indians is that when they become Christians, they don’t lose their Hinduity. Those features are there. That’s why people think, “What’s the difference between this Christian guy and any Hindu?” But if you are a Christian in your actions and your thoughts, then you won’t have any problems. I don’t have any problems, not at all. You need to go to a God who can change you and also change your society. And you need a God who will accept you as you are, rather than saying you have to be something, and then you will be accepted. Hindus know this because they go to temples, and when they do, they have to wear clean clothes and take flowers in their hands. If you have no money, the priest will not like it. But if you give good donations, arti and dakshina, then you will be accepted in the temple. So money is the way.

Ninety percent of Hindus say they are spiritual because they are doing certain things and following traditions. They don’t have faith. That’s why they have so many stories and books. If they were real Hindus and were really spiritual, it would be different. Many persons go to offer Ganga jal to Shiva. On the way they may find a donkey who is dying of thirst. It would be a rare person who would think that, “Oh, our holy books say that God is everywhere, so God is in the donkey too. So I should take some of my Ganga water and give it to the donkey. In this way I can satisfy Shiva. Then I can go and offer my Ganga jal to the deity.” But very few people think that way. That’s why there’s a story in one of the holy books about Shiva coming in the incarnation of a donkey, and testing people to see if they would give their water to him when he was in need. But most of the people failed. So only one or two percent of Hindus were that way. And that’s still true, only one or two percent of the people are like that.

There are good things in Hinduism, but the priests and people who have vested interests have changed it. Popular Hinduism is a corrupted system. It’s a free-for-all. Whatever you want, you do. If you have money you are successful and good. You worship sinners and rich robbers, who don’t carry life and are not truly spiritual. That’s why I think that Hindus don’t believe in God. They believe in these material things. In the ashram where we went yesterday, I saw one of the sadhus driving a Maruti car. They have cars, bank accounts and motorcycles. So you’re a sadhu just to have these things.

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৪৪ পুর্বাহ্ন ১.৪.১
@মূরলিধরণ, বেজন্মা সৌদীর জোচ্চুর মিসকিন, জবাব দেবার মত কিছু নাই নাকি? আবার পেস্ট করলাম। দে তো দেখি জবাব।

দুনিয়ার সবাই খারাপ ধরে নিলাম তাতে কি ইসলাম খারাপ কাজের বৈধতা পেয়ে যায়? ধরে নিলাম হিন্দুরা খুবই বর্বর তাতে কি ইসলাম বর্বরতা আর অরাজকতার বৈধতা পেয়ে যায়? মানলাম হিন্দুদের মাঝে জাতপাত আছে, তাই বলে কি ইসলাম মুখে না বলে গোত্র আর জাতপাতের বৈধতা পেয়ে যায়? হিন্দুদের মাঝে ব্রাহ্মণরা নিয়ন্ত্রণ করে সব, তাই বলে কি সৌদী সব মুসলমানদের শুদ্র বানিয়ে তারা নিজেরা এলিট হয়ে যাবার বৈধতা পেয়ে যায়?

নিচে প্রশ্নগুলোরও উত্তর পাইলাম না শাবক জোচ্চুর নপুংশক মুরলীধরন,

তো এইসব লেখলে কি সৌদির পা চাটা শুদ্র থেকে মুক্তি মেলে? এইসব লেখলেই কি ঈমান মজবুদ হয়ে জোচ্চুরি সত্যে পরিণত হয়? এসব লেখলেই কি শুধু মুখের সাম্যবাদ বাস্তবে আসে? এসব লেখলেই কি বাঙ্গালী নারীর ধর্ষণের বিচার হয়ে যায়? এসব লেখলেই কি বোমা হামলা জায়েজ হয়ে যায়? এসব লেখলেই মুখে বলা জাতপাতহীন ধর্মের জনমস্থান আরবের গোত্রে গোত্রে লেগে থাকা খুনাখুনির পরেও ইসলাম সত্য সত্য জাতপাতহীন থাকে? এসব লেখলেই কি বিয়ের আগে বাঙ্গালী শুনে হওয়া বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় মুসলমান সমাজে জাতপাতের যে তীব্রতা শুরু হয় তা কি জাতপাতহীন হয়ে যায়? নারী নির্যাতন কি জায়েজ হয়ে যায়?

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৪৭ পুর্বাহ্ন ১.৪.১.১
@চুওড়ের পয়দা শর্মা-ই-আযম (এইকথাটা শর্মাদাদা আমাকে বলিয়াছেলেন, সুতরাং আমি ধরিয়া নিয়াছি যে ইহা নিচ্ছিত অতি উপাদেয় এবং বালো কোন ডাক হইবে) চুওড়ের পয়দা শর্মা ,

নিচে প্রশ্নগুলোরও উত্তর পাইলাম না শাবক জোচ্চুর নপুংশক মুরলীধরন,

তো এইসব লেখলে কি সৌদির পা চাটা শুদ্র থেকে মুক্তি মেলে? এইসব লেখলেই কি ঈমান মজবুদ হয়ে জোচ্চুরি সত্যে পরিণত হয়? এসব লেখলেই কি শুধু মুখের সাম্যবাদ বাস্তবে আসে? এসব লেখলেই কি বাঙ্গালী নারীর ধর্ষণের বিচার হয়ে যায়? এসব লেখলেই কি বোমা হামলা জায়েজ হয়ে যায়? এসব লেখলেই মুখে বলা জাতপাতহীন ধর্মের জনমস্থান আরবের গোত্রে গোত্রে লেগে থাকা খুনাখুনির পরেও ইসলাম সত্য সত্য জাতপাতহীন থাকে? এসব লেখলেই কি বিয়ের আগে বাঙ্গালী শুনে হওয়া বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় মুসলমান সমাজে জাতপাতের যে তীব্রতা শুরু হয় তা কি জাতপাতহীন হয়ে যায়? নারী নির্যাতন কি জায়েজ হয়ে যায়?

তুমার প্রশ্নগুলানের জবাব মিলায় নেও। (আর আমার দাবড়ানি থেইকা সাবধান)

১,তো এইসব লেখলে কি সৌদির পা চাটা শুদ্র থেকে মুক্তি মেলে?
---না মেলে না, কারণ পা চাটার ব্যাপারটা বাস্তবে ঘটেই নাই। এইটা স্বপ্নে ঘটছে আর সেইটা যা কিচুই করো না কেনু তুমার স্বপ্নে পা চাটা থেইকা মুক্তি মিলবেনা। একটা কাজ করতে পারো। ,মন থেকে মুচলমানদের জন্য রাখা সব ঘেন্ন সরাও, আর মানুষ হও। মানুষ হইতে পয়সা লাগলেনা এইটা তো জানোই। তাইলে আশাকরি এইরকম স্বপ্ন দেখা থেকে মুক্তি পাবা।

২, এইসব লেখলেই কি ঈমান মজবুদ হয়ে জোচ্চুরি সত্যে পরিণত হয়?

জোচ্চুরিটা যেহেতু তুমি নিজেই করছ সেহেতু এইটা তুমার ব্যাপার। তুমার ইমান কেমনে মজবুদ হবে আর জোচ্চুরি যা করছ তা সত্যে পরিণত হবে সেইটা এই ভর মজলিসে না জিগাইলেই পারতা। এইটুক বলতে পারি মুচলমানদের বিরুদ্দে যত যোচ্চুরিই কর কখনোই সত্যে পারিণত হবে না।

৩,এসব লেখলেই কি শুধু মুখের সাম্যবাদ বাস্তবে আসে?
বাস্তবে যেহেতু এমনেই আছে, সুতরাং এসব লেখার সাতে তার থাকা নাথাকার কোন সম্পর্ক নাই।

৪,এসব লেখলেই কি বাঙ্গালী নারীর ধর্ষণের বিচার হয়ে যায়?
তুমি কি নারীধর্ষণের সাতেও জড়িত??? না এসব লিখলে তুমার ধর্ষণের বিচার হবেনা। সেইটার জন্য তুমারে আদালতে আত্মসমর্পন করতে হবে। তারপর তুমার প্রচলিত আইনে বিচাড় হবে।

৫,এসব লেখলেই কি বোমা হামলা জায়েজ হয়ে যায়?
না হবেনা। সুতরাং মুরলিধথরণ যেসব বোমা হামলা দেখাইছে সেসব আর করবানা। মুচলমানদের এমনেতেই তুমরা জঘন্যভাবে ডাবায়া রাখতেছ, এখন তাদের উপর বোমা হামলাও জায়েজ করতে চাও?

৬,এসব লেখলেই মুখে বলা জাতপাতহীন ধর্মের জনমস্থান আরবের গোত্রে গোত্রে লেগে থাকা খুনাখুনির পরেও ইসলাম সত্য সত্য জাতপাতহীন থাকে?
---না, শুধু লেখলে হবেনা, ইসলামের সুমহান বাণী বাস্তবে চরচা করতে হবে। সেইজন্য প্রচুর দাওয়াতদানকারী লাগবে। আপনে যদি কুথাও খুনাখুনি বন্ধ করতে চান তাইলে তাদের মধ্যে দাওয়াত দেবার জন্য আপনাকেই তৈরি হতে হবে।অ আপনি এককাজ করেন। যত নোংরামি করছে জোচ্তাচুরি করছেন আর হারামি করছেন, সবকিছু থেকে খালেস দিলে তাওবা করে আল্লাহর কাছে মাফ চান। তারপর দাওয়াতের কাজে নেমে পড়েন। বলা যায় না আপনার দাওয়াতে যদি একজনও পাকসাফ হয়ে যায় তাহালে তার অসিলায় আপনার গুনাখাতা মাফ হয়ে যেতেও পারে। গ্যারান্টি দেতে পারলামনা যদিও।
সবই আল্লার ইচ্ছা।

৭,এসব লেখলেই কি বিয়ের আগে বাঙ্গালী শুনে হওয়া বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় মুসলমান সমাজে জাতপাতের যে তীব্রতা শুরু হয় তা কি জাতপাতহীন হয়ে যায়?
---আগের প্রশ্নের (৬নং) জবাব দেখু।

৮,নারী নির্যাতন কি জায়েজ হয়ে যায়?
--না হয় না। তুমারে এইটা নিয়া একবার বলছি সেইটা আবার দেখো:

তুমি কি নারীধর্ষণের সাতেও জড়িত??? না এসব লিখলে তুমার ধর্ষণের বিচার হবেনা। সেইটার জন্য তুমারে আদালতে আত্মসমর্পন করতে হবে। তারপর তুমার প্রচলিত আইনে বিচাড় হবে।

এই হইলো তুমার প্রশ্নগুলানের জবাব।
আবার বলতেছি, চুওড়ের পয়দা শর্মা
জবান ঠিক যদি না করো আর ভদ্র না হও তাইলে এমন দৌড়ানি দিবো সারা শরিল দিয়া ঘিলু বাইর হওয়া শুরু হবে। সাবধান!!!

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:০২ পুর্বাহ্ন ১.৪.১.১.১
@মূরলিধরণ, মাগী ভালা কইরা জবাব দিতে পার নাই তুমি। এইবার দাও। দেখি তোমার ঈমান কতটুকু। নাইলে উফতা খাইবা কিন্তুক।

@ইমরান আউলিয়া,

১,তো এইসব লেখলে কি সৌদির পা চাটা শুদ্র থেকে মুক্তি মেলে?
---না মেলে না, কারণ পা চাটার ব্যাপারটা বাস্তবে ঘটেই নাই। এইটা স্বপ্নে ঘটছে আর সেইটা যা কিচুই করো না কেনু তুমার স্বপ্নে পা চাটা থেইকা মুক্তি মিলবেনা। একটা কাজ করতে পারো। ,মন থেকে মুচলমানদের জন্য রাখা সব ঘেন্ন সরাও, আর মানুষ হও। মানুষ হইতে পয়সা লাগলেনা এইটা তো জানোই। তাইলে আশাকরি এইরকম স্বপ্ন দেখা থেকে মুক্তি পাবা।

এই তো আবার বেঈমানি করলি রে। হজ্বে জিজিয়া করের মত কর দিয়ে যাস, এইটা কি তোদের পা চাটা না। ওরা তোদের মিসকিন ডাকে, এইটা কি তদের পাচাটা না। কাবাশরিফে তোদের কোন অধিকার নাই, তাদের করুণায় সেখানে যাস এইগুলা কি পাচাটা না? ওদেরকে টাকা দিয়ে ওদের কোষাগার বড় করিস, এইটা কি পাচাটা না। ওদের কাছে টদে মা বোন গিয়ে ঠাপ খেয়ে আসে, এইটা কি ওদেরকে হুজুর মেনে তোদের পাচাটা না? পাচাটা মানে বুঝস? পাচাটা মানে গোলামী। ভাল করে ভেবে দেখ, ওদের গোলামী করিস কি না। এইসব ঘটছে আর বলছিস বাস্তবে ঘটে না। এই মিথ্যাচারীরা কি তোদের ইসলামের অঙ্গ? পত্রিকার লিঙ্ক দিয়েছিলাম পড়ে দেখেছিস? সত্যেকে ঢেকে দেওয়া কি তোদের ইসলামের অঙ্গ?

২, এইসব লেখলেই কি ঈমান মজবুদ হয়ে জোচ্চুরি সত্যে পরিণত হয়?

জোচ্চুরিটা যেহেতু তুমি নিজেই করছ সেহেতু এইটা তুমার ব্যাপার। তুমার ইমান কেমনে মজবুদ হবে আর জোচ্চুরি যা করছ তা সত্যে পরিণত হবে সেইটা এই ভর মজলিসে না জিগাইলেই পারতা। এইটুক বলতে পারি মুচলমানদের বিরুদ্দে যত যোচ্চুরিই কর কখনোই সত্যে পারিণত হবে না।

কথা পিছলাও কেন শাবক? জোচ্চুরির মানে বুঝ? মুখে এক বলা আর বাস্তবে আরেক হল জোচ্চুরি। তোদের পদে পদে জোচ্চুরি। এইসব পিছলাও কেন? এই যেমন সৌদীর পাচাটা মানে গোলামী কর তাও স্বীকার করছ না, এইটাও জোচ্চুরি। জাতপাত নিয়া চল আবার বল সাম্যবাদী, জাতপাত নেই, এইটাও জোচ্চুরি। তো এইসব কি তোমাদের ঈমানের অঙ্গ?

৩,এসব লেখলেই কি শুধু মুখের সাম্যবাদ বাস্তবে আসে?
বাস্তবে যেহেতু এমনেই আছে, সুতরাং এসব লেখার সাতে তার থাকা নাথাকার কোন সম্পর্ক নাই।

সৌদীর মিসকিন হয়ে থাকা কি সাম্যবাদ? সৌদীর হাতে তোদের মা বোনের চুদন খাওয়া কি সাম্যবাদ? সৌদীর গোত্রে গোত্রে বিভক্ত সমাজে খুনাখুনি রেষারেষি কি সাম্যবাদ? বিয়ার আগে জাতপাত খুঁজা কি তোদের সাম্যবাদ? কাবা শরীফের ব্যাপারে এক চেটিয়া সৌদি কর্তৃত্ব কি তোদের সাম্যবাদ? তোরা আসলেই জোচ্চুর। তোরা মিথ্যাচারী। আর এসব তোদের ধর্মের অঙ্গই মনে হয়, তোদের ঈমানই জোচ্চুরি ভরা। তাই না?

৪,এসব লেখলেই কি বাঙ্গালী নারীর ধর্ষণের বিচার হয়ে যায়?
তুমি কি নারীধর্ষণের সাতেও জড়িত??? না এসব লিখলে তুমার ধর্ষণের বিচার হবেনা। সেইটার জন্য তুমারে আদালতে আত্মসমর্পন করতে হবে। তারপর তুমার প্রচলিত আইনে বিচাড় হবে।

তোর সৌদী বাপের যে তোর মা বইনরে ধর্ষণ করে সেটা ভুলে গেছিস? ওদের ধর্ষণের ফসলই তো তোরা। তো বাস্তব অপরাধগুলো ভুলে গিয়ে সৌদীদের হুজুর মানা কি তোদের সোকোল্ড সাম্যবাদী ধর্মের ঈমানের অঙ্গ?

৫,এসব লেখলেই কি বোমা হামলা জায়েজ হয়ে যায়?
না হবেনা। সুতরাং মুরলিধথরণ যেসব বোমা হামলা দেখাইছে সেসব আর করবানা। মুচলমানদের এমনেতেই তুমরা জঘন্যভাবে ডাবায়া রাখতেছ, এখন তাদের উপর বোমা হামলাও জায়েজ করতে চাও?

দুনিয়া জুড়ে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে মুসলমানরাই পরিচিত। লাদেনের কথা ভুলে গেলি? আল কায়েদার কথা ভুলে গেলি? নিরীহ মানুষ মারার কথা ভুলে গেলি? নিজেরাই ডুবে অন্যকে বলিস কেন অন্যরা ডুবাচ্ছে? নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোই কি তোদের ইসলাম ও ঈমানের অঙ্গ? নিজেকে শুধরা আগে। না কি নিজেকে না শুধরানোই ইসলামের অঙ্গ?

৬,এসব লেখলেই মুখে বলা জাতপাতহীন ধর্মের জনমস্থান আরবের গোত্রে গোত্রে লেগে থাকা খুনাখুনির পরেও ইসলাম সত্য সত্য জাতপাতহীন থাকে?
---না, শুধু লেখলে হবেনা, ইসলামের সুমহান বাণী বাস্তবে চরচা করতে হবে। সেইজন্য প্রচুর দাওয়াতদানকারী লাগবে। আপনে যদি কুথাও খুনাখুনি বন্ধ করতে চান তাইলে তাদের মধ্যে দাওয়াত দেবার জন্য আপনাকেই তৈরি হতে হবে।অ আপনি এককাজ করেন। যত নোংরামি করছে জোচ্তাচুরি করছেন আর হারামি করছেন, সবকিছু থেকে খালেস দিলে তাওবা করে আল্লাহর কাছে মাফ চান। তারপর দাওয়াতের কাজে নেমে পড়েন। বলা যায় না আপনার দাওয়াতে যদি একজনও পাকসাফ হয়ে যায় তাহালে তার অসিলায় আপনার গুনাখাতা মাফ হয়ে যেতেও পারে। গ্যারান্টি দেতে পারলামনা যদিও।
সবই আল্লার ইচ্ছা।

জোচ্চুরী মতবাদে ভরপুর, অরাজকতায় ভরপুর, বর্বরতায় ভরপুর ইসলাম সুমহান হয় কি করে? এসব হলে তো ইসলাম আসুরী ধর্ম? তোরা অসুর। মিথ্যা আর ভুলভালে ভরপুর কুরআন নিয়েই কি তোদের একমাত্র মনোনিত সত্য ধর্ম? এই কারণেই তো তোরা মিথ্যুক যেখানে তদের আল্লাহ আর তোদের কুরআনই মিথ্যা। তোদের আল্লাহ তো এটাই জানত না যে পৃথিবী গোলাকার, কুরয়ানে তো সমতল করে বয়ান দিয়েছে। তো এইসব মিথ্যা নিয়া তোরা জারিজুরি মারস? লজ্জা করে না তোদের? না কি নির্লজ্জ হওয়া তদের ইসলামের অঙ্গ? আর লির্লজ্জভাবে ভণ্ডামীর দাওয়াত দেওয়াও কি তোদের আসুরী ধর্মের অঙ্গ?

৭,এসব লেখলেই কি বিয়ের আগে বাঙ্গালী শুনে হওয়া বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় মুসলমান সমাজে জাতপাতের যে তীব্রতা শুরু হয় তা কি জাতপাতহীন হয়ে যায়?
---আগের প্রশ্নের (৬নং) জবাব দেখু।

জবাব তো দেখলাম। ভণ্ডামী জবাব দিয়েছিস। কিন্তু কথা তো স্বীকার করছিস না। সমাজে জাতপাত চলছে কিন্তু স্বীকার করতে পারিস না। এই ভণ্ডমী আর এই সতসাহসহীনতা কি তোদের ইসলামের অঙ্গ?

৮,নারী নির্যাতন কি জায়েজ হয়ে যায়?
--না হয় না। তুমারে এইটা নিয়া একবার বলছি সেইটা আবার দেখো:

তুমি কি নারীধর্ষণের সাতেও জড়িত??? না এসব লিখলে তুমার ধর্ষণের বিচার হবেনা। সেইটার জন্য তুমারে আদালতে আত্মসমর্পন করতে হবে। তারপর তুমার প্রচলিত আইনে বিচাড় হবে।

আসল কথাই তো স্বীকার করতে পারলি না যে তুই হইলে সৌদীদের গেলমা। তোর মা বইন ওদের ঠাপ খায়। তুই যেহেতু স্বীকার করছিস না তার মানে দাঁড়ায় ঐসব জায়েজ? তোর ইসলাম আসলেই কি এত জঘন্য? ছি ছি ছি। আবার এই জঘন্য জিনিস নিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জারিজুরি মারস? লজ্জা করে না?

এই হইলো তুমার প্রশ্নগুলানের জবাব।
আবার বলতেছি, চুওড়ের পয়দা শর্মা
জবান ঠিক যদি না করো আর ভদ্র না হও তাইলে এমন দৌড়ানি দিবো সারা শরিল দিয়া ঘিলু বাইর হওয়া শুরু হবে। সাবধান!!!

কার ঘিলু যে বের হবে তা তো দেখাই যাচ্ছে। আহমেদ শরীফের ঘিলু বের হয়েছিল তাই খোয়াড়ে ঢুকে গিয়েছিল। আবার বড় বড় কথা বলছিস চুওড়ের পয়দা। লজ্জা করে না? দেখ কেমনে তোদের দৌড়ানি দেই। আমাকে তো চিনস নাই। পার পাইবি না। ননস্টপ দৌড়ানি খাইবি। দেখি তোদের মিথ্যার জারিজুরি মারা ঈমানের কেমন খেমতা। ঈমান তো এমনিতেই তোদের নাই। তোদের কই না জানি আছে গালাগালি করলে মুখ চল্লিশ দিনের জন্য নাপাক হয়, ঐসব কি ভুলে গেলি? এই তোদের ঈমান? এই কারণেই তো তোরা জোচ্চুর। তোরা ভণ্ড। হাসির কথা হইল তুই ইসলামের কথা বলতেছিস ইসলামকে লাথি মেরে। আমি তো এটাই চেয়েছিলাম রে ভণ্ড। এই কারণেই তো গালি দিয়েছি। কই গেল তোদের ইসলাম?

1.4.1.1.10
1.4.1.11
1.4.11
1.41
মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৪:৫০ পুর্বাহ্ন ১.৫
@উত্তরফাল্গুনী,

Her speech drips with sarcasm. The elders whom she ceremoniously salutes, deliberately using the word "duty", have remained silent in the face of Vidura's exhortation to do their duty and protect the royal daughter-in-law. At last Duryodhan's brother Vikarna supported Draupadi but Karna derided him and questioned his support for her. Thus, despite being humiliated, Draupadi won morally. Nobody could refute her logic. She said "where righteousness and justice do not exist, it ceases to be a court; it is a gang of robbers". In response to Draupadi's volley of harsh words, Dusshsana grinned and uttered wicked words. Bheema (the third Pandava) exploded like a volcano now. He thundered in anger, and promised to burn the hands of Dusshasana. Dusshasana should have respected Draupadi, his sister-in-law, like his own mother. But instead, the wicked Dusshasana began to pull at her saree. Draupadi's weeping and wailing would have moved a stone to mercy. Draupadi turned to Lord Krishna as her husbands bowed their heads in shame. She threw out both hands and with both hands in salutation she cried to Krishna, and miraculously the more Dusshasana pulled her robe, the more it was still there on her person. Several meters of the robes he pulled, yet it was still there. Dusshasana was tired drawing her saree but he could not find the end of it. This shows us the bond between a brother and sister or the promise of security. Draupadi gave to Lord Krishna one small strand from her saree to tie on his injured finger, during a duel with the cruel Shishupala. At that moment, Krishna had promised Draupadi of constant security. Lord Krishna kept his promise during this trying moments of Draupadi and gave her an endless saree, one which could never be removed and thus protected her honour.

The injury of Lord Krishna's finger has another popular origin in mythology: During the celebrations associated with the Sankranthi festival, Krishna was partaking the freshly harvested sugarcane offered to him by Gopis in accordance with the customs of the festival. To squeeze the juice out of the sugarcanes, Krishna had to cut them. While doing so, he inadvertently cut his little finger. Seeing blood on his finger, Satyabhama - Krishna's wife - with her characteristic pride, ordered the Gopis to go inside the house to fetch some cloth to bandage the finger. Draupadi who was also there, however, out of her love and concern for Krishna, immediately tore off a piece of cloth from the end of her new saree and bandaged the Lord's finger. For Lord Krishna this signified Raksha bandhan and he immediately took Draupadi as his sister. Draupadi was a great devotee of Lord Krishna, who is all-powerful, all-knowing, all-pervading.

Having failed in his efforts to disrobe Draupadi, Duryodhana's patted his thighs and ordered Draupadi to sit on his lap, since she was supposed to obey his orders as she was now a slave to him after her husband, Yudhishtira had lost him in the game of dice. On hearing this, Draupadi cursed Duryodhana of a death with a broken thigh. Draupadi also took a vow that she would not oil or tie her hair until she could wash her hair with the blood of Dusshasana, after he was killed. At such a moment, Bheema, the third Pandava, lashed out and vowed to avenge the insult that Draupadi was subjected to. Bheema killed Dusshasana in the war of Kurukshetra and Draupadi eventually washed her hair with the blood of Dusshasana. Bheema also broke the thigh of Duryodhana in the final battle of Kurukshetra. Eventually convinced by Vidur, Dhritharashtra scoffed at Duryodhana and asked Draupadi for any three boons. But Draupadi simply sought that her husbands should at once be freed from slavery and as the second boon she asked for their weapons. When Dhritharashtra asked her to ask for more. She replied that her husbands were strong and capable to win all the rest that they had lost by themselves.
Bhima battles Dusshasana in Kurukshetra
Buy this doll set
BHIMA BATTLING DUSSHASANA IN THE
BATTLE OF KURUKSHETRA - KATHAKALI STYLE

Draupadi succeeded in winning back freedom for her enslaved husbands. Karna paid her a remarkable tribute, saying that none of the world's renowned beautiful women have accomplished such a feat: like a boat she has rescued her husbands who were drowning in a sea of sorrows. With striking dignity she refuses to take the third boon Dhritharashtra offered, because with her husbands free and in possession of their weapons, she did not need a boon from anyone. No twenty first century feminist can surpass her in being in charge of herself. Can we even imagine any woman having to suffer attempted disrobing with her husbands sitting mute; then facing abduction in the forest and having to countenance her husband forgiving the abductor; be molested again in court and be admonished by her husband for creating a scene; then be carried off to be burnt alive; thereafter, when war is imminent, witness her husbands asking Krishna to pursue peace; and finally find all her kith and kin and her sons slain - and still remain sane?

Lord Krishna accepting a grain of rice from Draupadi
LORD KRISHNA SAVING DRAUPADI
FROM THE WRATH OF SAGE DURVASHA

When Dhritharashtra returned their kingdom also and tried to console the Pandavas, the Kauravas were angry. They decided to play the dice again with Pandavas and whoever was defeated would have to give up the whole Kingdom and remain in the forest for twelve years, and then for another year live incognito (that is, without being recognized by others). If they were recognized by anybody during that period, then they had to repeat the twelve years' stay in the forests and spend a year incognito. This was the condition of the match. Yudhisthira was defeated again. The Pandavas gave up their royal robes and put on clothes made of bark of trees. Draupadi followed her husbands, giving up her life of luxury in palaces. So the forest life of the Pandavas began. Lord Krishna was the beloved God of Draupadi. He did not forget his devotees in the forest, but visited them now and again. Many sages also visited the Pandavas now and then and guided them. The Sun-God gave Yudhishthira an Akshaya Patra (magic vessel). This vessel would not become empty until Draupadi's meal was over. During the exile when Pandavas were in Kamyaka Forest, Duryodhan sent the short-tempered but highly knowledgable sage Durvasha and his thousand disciples to visit Yudhishtira. His intention was to get the Pandavas cursed by the sage Durvashsa. Yudhishtirs invited the sage and his disciples to dine, for he was sure that by the virtue of the Akshaya Patra, he had received from the Sun, they would be able to feed the sage and his disciples. Everybody at that time, even Draupadi and Kunti had taken their meal and the Akshaya Patra was empty. Sage Durvasha went to take a bath in the Ganges. Draupadi got worried and she again prayed to Krishna to save her and her husbands from the wrath of Durvasha when he would find out that the Pandavas had nothing to offer him and his disciples as a meal. Lord Krishna reached the hut of Draupadi and ate the single grain of rice in the Akshaya Patra. There at the river bank, sage Durbasha and his disciples felt as if they had a sumptuous meal with many delicacies. Durvasa rishi blessed the Pandavas and they decided to change their course silently.

Draupadi's troubles were not yet over. Jayadrath was the king of Sindhudesha and was married to Dusshala, the daughter of Dhritharashtra. He too had gone to Draupadi's Swayamvara but had lost the contest. He could not get her by valour. During the days of the banishment to jungle of the Pandavas, one day Draupadi was [ leaning against a kadamba tree, holding on to a branch with an upraised hand when Jayadratha seized her. She repulsed him so hard that he fell to the ground. Retaining full control of her faculties, she mounted his chariot on finding him bent on forcing her, calmly asked the family priest to report to her husbands. No Sita-like lamentation here, nor shrill outcries for succour! As her husbands closed up on Jayadratha, she taunted him with an elaborate description of the prowess of each and the inevitable trouncing that would follow. ][*]
Draupadi, in Agyat Vaas, in disguise as Sairindhri - attendant to Queen Sudeshna - wife of King Virat
DRAUPADI IN DISGUISE AS SAIRINDHRI
AS ATTENDANT OF SUDESHNA
PAINTING BY RAJA RAVI VERMA

[ Draupadi was fully conscious of her beauty and its power, for she used it in getting her way with Bhima in Virata's kitchen. ][*] After the twelve years of exile in the forest was over, Pandavas had to spend a year incognito. How could five famous heroes, with a very beautiful wife, remain unknown for one full year anywhere? Would the Kauravas keep quiet? And it would be most difficult for Draupadi because she was a woman. Then they took a secret decision. Yudhishthira disguised himself as a pious Brhamin. He assumed the name of Kanka Bhatta and entered the place of Virata, the king of Matsya country. Bheema joined service in the kitchen of Virata, taking the name of Ballav, Arjuna, to be known as Brihannala (disguised as a eunuch) taught the art of dancing to the princesses at Virat's palace. Nakula joined the royal stables as a superviser taking the name Granthi and Sahadeva to be known as Tantri Pal began to look after the palace dairy. Draupadi as Sairindhri went to Queen Sudeshna and begged to be taken as one of her attendants. The queen was more than surprised at the great beauty of Draupadi. When Sudeshna asked about her she introduced herself as the wife of five Gandharvas who are divine musicians. Queen Sudeshna was pleased and engaged her. Draupadi, daughter of the powerful King Drupad, wife of Pandavas who could conquer the whole world, she who sat on the throne as an empress and was accepted by Lord Krishna himself as his sister, was now a servant to Queen Sudeshna. Yet she could at least see her husbands who were at the same palace; and this was consolation.
Draupadi enticing Keechak with a vessel of milk
DRAUPADI ENTICING KEECHAK
WITH A VESSEL OF MILK
PAINTING BY RAJA RAVI VERMA

Keechak was queen Sudeshna's younger brother, and a very strong man. Once he saw Draupadi and was moved by her great beauty. Sudeshna could make out the evil thoughts of her brother and was afraid. Without the knowledge of the Queen, begged Draupadi to be his Queen. Draupadi warned him and ran away from him. But Keechaka followed her like an evil spirit. Once he actually chased her and Draupadi ran away with fear and entered the royal court where King Virata, Kanka Bhatta (Yudhisthira), and Ballav (Bhima) were present. Keechaka angrily pushed her and walked away. His eyes were burning. Ravaged by the insulting incident Draupadi accused the three of them of being mere onlookers while a woman was being insulted in front of them. The cook Ballav (Bhima), was hissing in anger. Yudhishthira stopped Bhima from precipitating a fight with Keechak. He also consoled Draupadi and sent her back. But Draupadi could not control her anger and agony. That night she went to Bhima and [ the manner in which Draupadi manipulated Bhima to destroy Keechaka is a fascinating lesson in the art and craft of sexual power. She does not turn to Arjuna, knowing him to be a true disciple of Yudhisthira as seen in the dice-game. Then Bhima alone had roared out his outrage. ][*] Draupadi enticed Keechak into a lonely place by making him follow her, while she carried a vessel of milk for him. At an opportune moment, Bheema pounced on Keechak while Draupadi watched. [ When Kichaka had been pounded to death by Bhima, instead of hiding in safety she recklessly flaunts the corpse before his kin, reveling in her revenge. They abduct her and she has again to be saved by Bhima from being burnt to death. ][*]

This fiery heroine Draupadi was not without kindness an affection. She was insulted, taunted and driven to the forest by the sons of Dhritarashtra and Gandhari. When, Dusshasana pulled at her saree, Dhritarashtra and Gandhari would not help her. But after the war of Mahabharata, Draupadi looked after Gandhari with respect and affection; she treated her in the same way as she treated Kunti. She had a resolve that would not cool off after thirteen long years of suffering, and also sympathy for Gandhari after all was over.
Bhima handing over the Shiromani uprooted from Ashwathama's forehead, to avenge the murder of her sons
BHIMA HANDING OVER THE SHIROMANI
TO DRAUPADI AS REVENGE FROM
ASHWATHAMA WHO KILLED HER SONS

When Aswathama (son of Dronacharya) who killed the sons of Draupadi, inspite of her great grief at the loss of her children, came to Pandavas, she moved forward and touched his feet and paid him his due respect. Bhima was unable to bear such sorrow and because of this, he was in great emotions which drove him to the point of exhibiting his physical prowess to the world. In fact he was looking at this quality of forbearance of Draupadi as a laughing matter. Bhima was greatly surprised at the peaceful attitude of Draupadi. He thought that the suffering of having lost all her children had driven her to insanity, for, otherwise he was not able to understand how a true mother could show such forbearance when the person who had killed all her children was standing before her. Draupadi was a great woman with exemplary character. When the strong Bhima was preparing to kill Aswathama with his bare hands, would it be possible for a weakling like Draupadi to go and stop Bhima? It was only the purity of her thought that was her strength. Draupadi was such a great woman that in order to protect right conduct, she would even oppose her husbands. But even now, it was Bheema who tried to avenge the death of her sons by uprooting the Shiromani (divine diamond) off the forehead of Ashwathama and thus ending his powers of invincibility.

Draupadi maintained the reputation of her husbands, her parents and parents-in-law. She wanted her parents to be proud of her, she wanted her children to feel that they are the children of a great mother, she wanted her husbands to feel that they were married to a great woman and she wanted her parents-in-law to be proud of her and she wanted to please them. Draupadi herself was always behaving in a manner in which she maintained the reputation of her family and her kingdom.
Draupadi enticing Keechak with a vessel of milk
THE PANDAVAS WITH DRAUPADI
ON THE MAHAPRASTHANA
THE GREAT JOURNEY TO HEAVEN

[ Ultimately, the fact that Draupadi stands quite apart from her five husbands is brought tellingly home when not even Sahadeva of whom she took care with maternal solicitude, nor her favourite Arjuna - tarries by her side when she falls and lies dying husbanded yet unprotected, on the Himalayan slopes ][*] during their journey to heaven - the Mahaprasthana. It is said, however, in some analyses of the Mahabharata, that only Bheema, at such a juncture tried to save her from her fall from the cliffs by extending an unsuccessful hand to catch her. He failed and Draupadi fell to the ground below and was dying a painful death when Bheema came to her side, consoled her and remained by her side till she eventually died. During these last moments, it is said, Draupadi realized the futility of her undying love for Arjuna and felt the selfless and unconditional love and support that Bheema had provided her at each moment in her life and repented the fact that she could never reciprocate the love of Bheema in equal terms.

[ Draupadi appears from the flames with a divine announcement from the heavens that she would be the cause of destruction of evil-warriors. Draupadi, is always subjected to violence: her swayamvara ends in strife; a fivefold marriage is imposed upon her; she is outraged in the royal court twice over; Jayadratha and Keechaka attempted to rape her. Draupadi is also veritably a virgin goddess of war. ][*] The birth of Draupadi was unnatural without having a mother. [ If Draupadi had hoped to find her missing mother in her mother-in-law, she was tragically deceived as Kunti thrusts her into a polyandrous marriage that exposes her to a salacious gossip reaching a horrendous climax in Karna calling her a public woman whose being clothed or naked immaterial. No other woman has had to face this peculiar predicament of dealing with five husbands now as spouse, then as elder or younger brother-in-law (to be treated like a father or as a son respectively) in an unending cycle. ][*]
Lord Krishna and Arjuna - the two most important men in Draupadi's life
Buy this doll set
LORD KRISHNA AND ARJUNA -
THE TWO MOST IMPORTANT MEN IN
DRAUPADI'S LIFE

Draupadi is 'Krishna Sakhee'. 'Sakhee' means friend. She was a courageous queen with a dynamic personality. Even Duryodhan grudgingly admitted to her greatness. She was in a way, the revolving kingpin of the Mahabharata war. [ Draupadi does not rest till the revenge for which her father had invoked her manifestation is complete and the insult she suffered has been wiped out in blood. Through the thirteen years of exile, she never allowed her husbands and her sakha to forget how she was outraged and they were deceitfully deprived of their kingdom. When she finds all her husbands, except Sahadeva, in favor of suing for peace, she brings to bear all her feminine charm to turn the course of events inexorably towards war. Pouring out a litany of her injuries, she takes up her serpent-like thick glossy hair and with tearful eyes urges Lord Krishna to recall these tresses when He sues for peace. Sobbing, she declares that her five sons led by Abhimanyu and her old father and brothers will avenge her if her husbands will not. ][*]

Draupadi was used by everybody. [ Draupadi was used first by King Drupad to take revenge on Drona by securing the alliance of the Pandavas and then by Kunti and the Pandavas to win their kingdom thrice over (first through marriage, then in the first dice game when she wins them their freedom; finally as their incessant goal on the path to victory). Unknown to her, even sakha Krishna throws her in as the ultimate temptation in Karna's way when seeking to win him over to the Pandavas before the war, assuring that Draupadi will come to him in the sixth part of the day. Karna was also borne by Kunti's womb, albeit before her marriage to Pandu. These efforts of Krishna are followed by Kunti urging Karna to enjoy Yudhishthira's Shri (another name of Draupadi) which was acquired by Arjuna. There is an unmistakable harking back to her command to her sons to enjoy what they had brought together when Bhima and Arjuna had announced their arrival with Draupadi as alms. No wonder Draupadi laments that she has none to call her own, when even her sakha unhesitatingly uses her as bait! Draupadi, despite having husbands and chidren, remains alone to the last. ][*]

[ As far back as in 1887, the great Bengali litterateur Bankimchandra Chattopadhyay drew an illuminating distinction between Sita and Draupadi, noting that while the former is chiefly a wife in whom the softer feminine qualities are expressed, the latter is pre-eminently a tremendously forceful queen in whom woman's steel will, pride and brilliant intellect are most evident, a befitting consort indeed of mighty Bhima. He also pointed out that Draupadi represents woman's selfishness in performing all household duties flawlessly but detachedly. In her he sees exemplified the Gita's prescription for controlling the senses by the higher self. Since a wife is supposed to present her husband with a son, she gives one to each of the Pandavas, but no more, and in that exemplifies the conquest over the senses, as in the case of Kunti. Once this duty is over, there is no sexual relationship between her and the Pandavas. That is why, despite having five husbands, Draupadi is the acne of chastity. Akin to sakha Krishna, lotus-like she is fully of this world of senses, yet never immersed in it. The bloom of her unique personality spreads its fragrance far and wide, soaring above the worldly mire in which it is rooted.][*]

This remarkable "virgin" never asked anything for herself. Born unwanted, thrust abruptly into a polyandrous marriage, she seems to have had a profound awareness of being an instrument in bringing about the extinction of an effete epoch so that a new age could take birth. And being so aware, Draupadi offered her entire being as a flaming sacrifice in that holocaust of which Krishna was the presiding deity.

Draupadi is the most complex and controversial female character in Hindu literature. On one hand, she could be womanly, compassionate and generous and on the other, she could wreak havoc on those who did her wrong. She was never ready to compromise on either her rights as a daughter-in-law or even on the rights of the Pandavas and remained ever ready to fight back or avenge high-handedness and injustice meted out to her modesty. She secretly vowed that one day she would definitely seek vendetta on the injustice meted out to her. She did it by igniting the spark of revenge in the hearts of the Pandavas.

If the Mahabharata is an intricately woven saga of hatred and love, bloodshed and noble thoughts, courage and cowardice, beauty and gentleness, victory and defeat, then Draupadi is its shining jewel, casting the shadow of her towering personality over the epic poem and the all-destroying war it describes.

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:০৬ পুর্বাহ্ন ১.৫.১
@মূরলিধরণ, এইসব কপি-পেস্ট করে তোর ইসলামের ইজ্জত থাকব না। ভুল পথ ডায়াল করছস। লেখে লেখে বল তোর কি কথা। না হলে পার পাইবি না। এইসব দিয়ে তুই তোর দুর্বলতা দেখাচ্ছিস। আমি চাইলেই এরকম হাজারটা কপি পেস্ট করতে পারি। কিন্তু আমি দুর্বল নই। বুঝেছিস? খানকির পুত ভাল হয়ে কথা বল। কি বলতে চাস বল। তখন তোরে ভাল করে ঠাপাইতে পারব। এইসব কপি-পেস্ট পড়ার টাইম নাই। তুই তোর নিজের কথা বল। অথবা সেইখান থেকে তুই কি বলতে চাস বল।

তুই নিজেই কিন্তু পিঠ দেখাইতেছিস। পিঠ দেখানো মনে হয় তোদের ইসলামের অঙ্গ?

1.5.10
1.51
15
আহমেদ শরীফ জুলাই ৯, ২০১১ @ ১:১৬ পুর্বাহ্ন ২
আমার ধর্ম ইসলাম হিসেবে দেড় হাজার বছর আগের একটা ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে পোস্ট দিলাম। আপনি করলেন কি ? এক লাফে দেড় হাজার বছর হনুমানের মত পার হয়ে ফট করে প্রশ্ন করে বসলেন সৌদিরা যে ফি না তা জিযিয়ার মত কেন লাগে ? আমি সেটা সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করলাম যাতে হজ্বযাত্রীদের খরচের খাতসমূহ ও সৌদি অবদানসহ মোটামুটি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলাম। আপনি তা মেনেও নিলেন। এ পর্যন্ত ব্যাপার শেষ হয়ে যাবার কথা। কিন্তু হলে তো আর আপনি শর্মা-ই-আযম মেগাচুইংগাম হতে পারছেন না। কাজেই চুইংগামের মত টেনে আপনি লম্বা করতে থাকলেন।

বিষয়বস্তু কি ? না আমাকে স্বীকার করতে হবে যে সৌদিরা বামুন পুরোহিতদের মত, তারা বামুন আমরা শুদ্র, তারা আপনাদের পন্ডিত বামুনদের মত ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করছে, তারা জোচ্চোর, আমরা জোচ্চোর, ধর্ম মানেই সব লীলাখেলা __ ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনার কথা হল এসব আমাকে স্বীকার করতেই হবে না হলে আপনি পোস্ট ছেড়ে যাবেন না। অশ্লীল বিষয় আনতে মানা করলাম তাও আপনি বার বার আনতে লাগলেন। আমি পোস্ট দিয়েছি ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে তার শত মাইলের মধ্যে না গিয়ে আপনি নানান পদের হাবিজাবি বিষয় নিয়ে এসে আমাকে, মুসলমানদের, ইসলাম ধর্মকে ভন্ড জোচ্চোর প্রমাণের জন্য উম্মাদের মত মরীয়া হয়ে উঠলেন।
সেগুলো এমন যে লিংকের পোস্টে গেলে সবাই দেখবে।

আমি কেন স্বীকার করব ??? আমি আমার ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিয়েছি আপনি আপনার ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিন। আমি আমারটার গুণ গাই আপনি আপনারটার গুণ গান, আমি আপনারটাতে গিয়ে কাদা ছোঁড়াছুড়ি না করি , আপনিও আমারটাতে না করেন। ব্যস ফুরিয়ে গেল !!

কিন্তু আপনাকে আপনার দম্ভ প্রমাণ করতেই হবে। সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে হঠাৎ কাউকে জোচ্চোর ডাকতে পারে সেই লোক যার পারিবারিক কোন আভিজাত্য নেই। যে একটা আদত লুচ্চা এবং লাফাংগা। কোন ভদ্রলোক ওভাবে মাতালের মত উম্মাদের মত উল্লম্ফন করতে পারে না আমার পোস্টে আপনি করেছেন। কেউ যদি কারো সাথে বাক্যালাপে উৎসাহী না হয় তাহলে জোর করে তার সাথে ঘ্যানর ঘ্যানর করা কোন সুস্থতার পর্যায়ে পড়ে ? আমি শেষ পর্যন্ত বলেছি যে আপনার বক্তব্য সংক্ষেপে পয়েন্টওয়াইজ তুলে ধরুন। সেটা না করে আপনি একমাইল লম্বা লম্বা কমেন্টে একই কথা ভ্যাজর ভ্যাজর শুরু করলেন। আপনি হয়তো উইকেন্ডে আছেন আমি তো ব্যস্ত মানুষ। আমার তো আপনার মত পানমত্ত হয়ে গেইম খেলার মত অনর্থক ফাজলামি কমেন্ট করে যাওয়া সম্ভব না।

আপনি জাস্ট একটা ম্যানিয়াকের মত প্রায় ৫০/৬০ টা কমেন্ট করে গেলেন যার সবগুলোর মূল বক্তব্য মোটামুটি এক। আর তা হল

__আমাকে স্বীকার করতে হবে যে সৌদিরা বামুন পুরোহিতদের মত, তারা বামুন আমরা শুদ্র, তারা আপনাদের পন্ডিত বামুনদের মত ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করছে, তারা জোচ্চোর, আমরা জোচ্চোর, ধর্ম মানেই সব লীলাখেলা __ ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনার কথা হল এসব আমাকে স্বীকার করতেই হবে না হলে আপনি পোস্ট ছেড়ে যাবেন না।

আমার তো ধৈর্যের সীমা আছে। আপনি যে পরিস্থিতিতে নিয়ে গেছেন তাতে আমাকে আপনার স্তরে নামতে হবে। আর আমি শেষ পর্যন্ত সেই নিম্নরুচির পরিচয় না দিতেই আগ্রহী। কারণ সেক্ষেত্রে আপনার সাথে আমার কোন পার্থক্য থাকে না।

এই পোস্টে আপনি যেসব কদর্য অশ্লীল উক্তি করলেন তার যথার্থ উত্তর দিতে হলে আমাকে আপনার মত ভাষা ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু আমি করব না। আমি আমার ধর্মকে ভালবাসি, আমি আমার ধর্মের আলোকিত দিকগুলো তুলে ধরতে চাই। আমি অন্য ধর্মের অন্ধকার দিক, নোংরা দিক তুলে ধরে সেই ধর্মের অনুসারী সহব্লগারদের অন্তরে আঘাত দিতে চাই না। আপনার ধর্ম নিয়ে এমন পোস্ট দিতে পারি যাতে আপনি হপ্তাখানেক কিছুতেই ঘুমুতে পারবেন না। আপনার সহধর্মী ব্লগাররা রীতিমত অসুস্থ হয়ে পড়বেন অনেকে।

কিন্তু শ্রী সজল শর্মা

আমি সেই পথে যাব না। আমি শান্তির ধর্ম ইসলামের অনুসারী হিসেবে সেই শুভ্রসফেদ পবিত্রতার নীতিই অনুসরণ করব। আমি আমার ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিতেই থাকব। আপনার ধর্মের ভাল, আলোকিত দিক যদি কিছু থাকে তা নিয়ে আপনি পোস্ট দিন। না থাকলে অন্য কিছু নিয়ে পোস্ট দিন। অন্য ধর্মের পোস্টে এসে তস্করের মত ঘৃণ্য নির্লজ্জ মানসিকতা ত্যাগ করুন।

আর যে লিংক দিয়েছেন তাতে আপনার মাতলামি আর উম্মাদনাই সবাই দেখতে পাবে, আগেই বলেছি পাঠকরা বোকা নয়। আপনি যতই আপনার উম্মাদ মস্তিষ্কে নিজের মাতলামি উম্মাদনাকে বিজয় মনে করেন না কেন, পাঠক ঠিকই যা বোঝার বুঝে নেবে।

ন্যূনতম লজ্জা যদি থাকে এটা নিয়ে আর কথা বাড়াবেন না।

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ১:৩২ পুর্বাহ্ন ২.১
@আহমেদ শরীফ, আর সম্মান দিয়া কথা বলব না। শুরু করি।

তুই যে একটা নপুংশক, তুই যে একটা জোচ্চুর এবং তু যে একটা বার বাঙ্গালী বেজন্মা তার পরিচয় তুই আগেই দিয়ে দিয়েছিস।

আগে তোর ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট এনে দেখা। এরপরে তোরে কমেন্টে দৌড়ানি দেব।

তা ঈমান এত দুর্বল কেন? কমেন্ট ব্লক করে একলা ফিল্ডে নাচানাচি, কমেন্ট মুছে দেওয়া, মিথ্যাচার, ভণ্ডামী, সৌদীর পাচাটা, জোচ্চুরি করা; এইসব কি ঈমানের লক্ষণ? এইসব কি শ্রেষ্ঠত্বের লক্ষণ?

ইমরান আউলিয়া জুলাই ৯, ২০১১ @ ১:৫১ পুর্বাহ্ন ২.১.১
@শর্মা-ই-আযম,

তুই যে একটা নপুংশক, তুই যে একটা জোচ্চুর এবং তু যে একটা বার বাঙ্গালী বেজন্মা তার পরিচয় তুই আগেই দিয়ে দিয়েছিস।

আগে তোর ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট এনে দেখা। এরপরে তোরে কমেন্টে দৌড়ানি দেব।

তা ঈমান এত দুর্বল কেন? কমেন্ট ব্লক করে একলা ফিল্ডে নাচানাচি, কমেন্ট মুছে দেওয়া, মিথ্যাচার, ভণ্ডামী, সৌদীর পাচাটা, জোচ্চুরি করা; এইসব কি ঈমানের লক্ষণ? এইসব কি শ্রেষ্ঠত্বের লক্ষণ?

ও দাদা, এইটাই তাহলে আপনার আসল চেহারা!
্‌এই কমেন্ট পড়ে যুক্তি কিছু বুঝেন বলেত মনে হলোনা। আহমেদ শরিফ তো যুক্তি দিয়েই কথা বলছেন। আপনে গালাগলি না করে যুক্তির পথে আসেন। এই অন্ধত্বের পথে আর কতদিন হাৎটবেন?

নাকানি চিবানি ভালোই খাচ্ছেন দেখছি।

[আহদেম শরিফ, মানুষ গালিগালাজ করছে মানে হলো বুঝে গেছে যে সে হেরে গেছে কিন্তু হার স্বীকার করতে চাচ্ছেনা। এরা খুবই নোংরা প্রক্রিতির হয়। বি কেযারফুল। আপনি নোংরাভাষা ব্যবহার করবেননা। কখনোই না। ইসলাম পবিত ধর্ম। এই পবিত্রতা কোন নোংরামির জবাবেই নষ্ট হতে দেবেননা।]

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ২:০২ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১
@ইমরান আউলিয়া, নিজের পরিচয় ভাল করে দেখ আগে। পরে আমার পরিচয় দেখবি। চুওড়ের পয়দা চিন্তা করে দেখ কখন গালি দিচ্ছি? যখন আমাকে ব্লক করেছে, আমার কমেন্ট মুছেছে তখন গালি দিচ্ছি। তুই আবার আইছস লেকচার মারতে, না?

যা তুইও ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট লইয়া আয়।

মিথ্যাচার, জোচ্চুরি, এইসব কি ইসলামের অঙ্গ? এইসব কি ঈমানের অঙ্গ?

ইমরান আউলিয়া জুলাই ৯, ২০১১ @ ২:৪৯ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১
@শর্মা-ই-আযম, দাদারেদাদা চুওরের পয়দা কি জিনিছ? খুব ভালো জিনিচ তাই ন্যা?
তুমি কি চুওরের পয়দা? আমি জানিনা তাই তুমারে চুওরের পয়দা বলে ডাকবো কেমুন?

তাইলে, চুওরের পয়দা শর্মা
আমারে কওতো

মিথ্যাচার, জোচ্চুরি, এইসব কি ভদ্রতার অঙ্গ? এইগুলান তুমি কেনু করতেছ? আহেমদশরিফত কোন মিথ্রাচার করেনাই। তুমি এখনো অন্ধ আছুতো এইল্লিগা তুমি দেখতেছুনা। আহমেদশরিফ সত্যপথে আছে তুমি বারংবার মিথ্রাচার করতেছু।

বন্ধ করো এইছব, নাইলে আমার দাবড়ানি তো খাওনাই। আহমেদ শরিফের দাবড়ানি খায়াই নাকি দিয়া ঘিলু বাইর কইরা দিছু। আমার দাবড়ানি খাইলে চোখেমুখে আর হুশ পাবানা চান্দু। তকন সারা শরিল দিয়া ঘিলু বাইর হবে...বোজ্ঝো মনা?

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:২২ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১.১
@ইমরান আউলিয়া,

সরমার মা ভঐন হঘলঢিরে আইজ চোধনে বিনডাবন পাডায় ঢিমু মাঘিড় পুঠ !!!

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৪৮ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১.১.১
@মূরলিধরণ, সৌদীর শেখদের পা চাটা কি ইসলামের অঙ্গ তোদের? সৌদীদের কাছে তোর মা বিনরে যে চুদা খাইতে পাঠাস এটা কি ইসলামের অঙ্গ? এইগুলা কি তোদের ঈমানের অঙ্গ?

কে কার মা বোনরে কোথায় পাঠায় তা আগে দেখে নে। সৌদীর পা চাটা শুদ্র হওয়া কী তোদের জীবনের লক্ষ্য? এইসব কি তোদের বাল ফালানির সাম্যবাদ আর ভ্রাতৃত্ববোধ?

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৪:০২ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১.১.১.১
@শর্মা-ই-আযম,

আঢ়ে বাধ ধে ওননের মা ভোন !! থোধের বঘবানড়াই জে চুধে ভিনধাবন খড়ে ফেলছে থাড় খি হভে ভল ??? চুধে চুধে আমাড় পসন হল পাচজনে খেন চুঢে ?

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:০৭ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১.১.১.১.১
@মূরলিধরণ, কেন রে তোর মা বোন কে যে সৌদিরা চুদে সে কথা বলতে কি লজ্জা লাগে? সৌদীর ঠাপ থেকে জন্ম নেওয়া কি তোদের ইসলামের অঙ্গ?

2.1.1.1.1.1.1.1.10
2.1.1.1.1.1.1.11
2.1.1.1.1.1.11
2.1.1.1.1.11
শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৪৬ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১.২
@ইমরান আউলিয়া, এইগুলার জবাব দে তো চুওরের পয়দা। না কি তুই এইগুলার জবাব দেবার মত বাপের পয়দা না? পিছলাইতেছস কেন? জবাব দে। নিচে পেস্ট করলাম আবার।

দুনিয়ার সবাই খারাপ ধরে নিলাম তাতে কি ইসলাম খারাপ কাজের বৈধতা পেয়ে যায়? ধরে নিলাম হিন্দুরা খুবই বর্বর তাতে কি ইসলাম বর্বরতা আর অরাজকতার বৈধতা পেয়ে যায়? মানলাম হিন্দুদের মাঝে জাতপাত আছে, তাই বলে কি ইসলাম মুখে না বলে গোত্র আর জাতপাতের বৈধতা পেয়ে যায়? হিন্দুদের মাঝে ব্রাহ্মণরা নিয়ন্ত্রণ করে সব, তাই বলে কি সৌদী সব মুসলমানদের শুদ্র বানিয়ে তারা নিজেরা এলিট হয়ে যাবার বৈধতা পেয়ে যায়?

নিচে প্রশ্নগুলোরও উত্তর পাইলাম না শাবক জোচ্চুর নপুংশক মুরলীধরন,

তো এইসব লেখলে কি সৌদির পা চাটা শুদ্র থেকে মুক্তি মেলে? এইসব লেখলেই কি ঈমান মজবুদ হয়ে জোচ্চুরি সত্যে পরিণত হয়? এসব লেখলেই কি শুধু মুখের সাম্যবাদ বাস্তবে আসে? এসব লেখলেই কি বাঙ্গালী নারীর ধর্ষণের বিচার হয়ে যায়? এসব লেখলেই কি বোমা হামলা জায়েজ হয়ে যায়? এসব লেখলেই মুখে বলা জাতপাতহীন ধর্মের জনমস্থান আরবের গোত্রে গোত্রে লেগে থাকা খুনাখুনির পরেও ইসলাম সত্য সত্য জাতপাতহীন থাকে? এসব লেখলেই কি বিয়ের আগে বাঙ্গালী শুনে হওয়া বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় মুসলমান সমাজে জাতপাতের যে তীব্রতা শুরু হয় তা কি জাতপাতহীন হয়ে যায়? নারী নির্যাতন কি জায়েজ হয়ে যায়?

মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ৪:০৩ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১.২.১
@শর্মা-ই-আযম,

টোঢেড় ভগভান ডেভডেভি সভ কালি চুঢে খেন ?

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৫:০৮ পুর্বাহ্ন ২.১.১.১.১.২.১.১
@মূরলিধরণ, ভগবান চুদে তো ভাল কথা।

এখন তুই বল তোর সৌদী ভগবানরা যে তোদের মা বোনকে ঠাপিয়ে তোদের পয়দা করল এইটা কি তো কুরআনের বাণী?

2.1.1.1.1.2.1.10
2.1.1.1.1.2.11
2.1.1.1.1.21
2.1.1.1.12
2.1.1.11
মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ২:২৭ পুর্বাহ্ন ২.১.১.২
@ইমরান আউলিয়া,

"target="_blank"">

2.1.1.20
2.1.12
মূরলিধরণ জুলাই ৯, ২০১১ @ ২:৪৬ পুর্বাহ্ন ২.১.২
@শর্মা-ই-আযম,

"target="_blank"">

2.1.20
2.12
ইমরান আউলিয়া জুলাই ৯, ২০১১ @ ১:৪৩ পুর্বাহ্ন ২.২
@আহমেদ শরীফ,
ভাইরে, এই ব্লগারের কমেন্ট দেখলেই বুঝা যায় অন্যের ধর্ম সম্বন্ধে কোন রকমের প্রশংসা সহ্য করার মত ব্যাক্তি সে না । ওদের মত লোকদের আপনি যতই বোঝান না কেন তারা কোনদিনই যুক্তির পথে হাটবেনা। তার চেয়ে নতুন একটা পোষ্ট দেন। সামনের পোষ্টের জন্য অগ্রিম (F) (Y) (*)

অফটপিকঃআপনি এত ধৈর্য্য পান কই থেকে এইসব ফাউলদের সাথে তর্ক করার।

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ১:৪৭ পুর্বাহ্ন ২.২.১
@ইমরান আউলিয়া, চুওড়ের বাচ্চা কপি পেস্ট মারতেছিস কেন? জোচ্চুরের পয়দা তোদের সবগুলারে যে দৌড়ানি দিছি তা কি ভুলে গেছস? আমাকে কি বুঝাবি? আমি তো সত্য পথে আছি। তোরাই না মিথ্যাচারে আছিস। সৌদীর পাচাটা গোলামরা মানুষ হো। নপুংশকদের পয়দায়িশ কতগুলো। ধীক্কার তোদের। লজ্জা করে না মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে? হারামীরা কমেন্ট মুছে আর ব্লক করে জারিজুরি মারে। তোদের কপালে হুরুইনের বাড়ি চুওড়ের পয়দারা।
http://sssharma.amarblog.com//posts/133834/

ইমরান আউলিয়া জুলাই ৯, ২০১১ @ ২:৪১ পুর্বাহ্ন ২.২.১.১
@শর্মা-ই-আযম, দাদা, পৃষ্ঠ প্রদর্শন করছো কেন দাদা??? যক্তিতে আসো, গালিগালাজ দেও কেনু? হেরে গেছু?? আহারে চুচুচুচু (আহমেদ শরিফ আপনেরে অনুরুদ করি এরে আর নাকানি চিবানি দিয়েননা, নাক দিয়া ঘিল্লু বাইর হইয়া গেছে গিয়া)

শর্মা-ই-আযম জুলাই ৯, ২০১১ @ ৩:৫১ পুর্বাহ্ন ২.২.১.১.১
@ইমরান আউলিয়া, এই পোস্ট তো দিয়েছিই তোদের গালি দিতে। হেরেচ গেছে তো তোর ইসলাম, তোর আহমেদ শরীফ। আমি কি কমেন্ট মুছে ফেলেছিলাম? আমি কি কমেন্ট ব্লক করছিলাম? এইসব তো করেছে তোর আহমেদ শরীফ। এই পোস্ট দিয়েছি তো ঐ কারণে। তো কে হেরেছে রে? তোরাই তো হারলি। তোদের তো বিচি নাই তাই তো আমার কমেন্ট মুছে দিয়েছিলি। আমাকে কমেন্ট ব্লক করছিলি। এইখানে তো আমি আলোচনা শুরু করি নাই। যুক্তির যা বলার তা তো তর বাপের পোস্টেই করে দিয়েছি আর তোদের নাকানি চুবানি খাইয়েছি। এইসব দেখেও কি এখানে আইছস জোচ্চুরি করতে? লজ্জা লাগে না? না কি এইসব নির্লজ্জতা তোদের ইসলামের অঙ্গ?

জবাব

নিজের ধর্ম নিয়ে আমার কোন চুলকানি নেই। কারণ ঐসব অনেক বস্তা পচা বিষয়ে আমার মন গলে না। শুধু নিজের না অন্যদেরও। তাই বস্তাপচা বিষয় নিয়ে তালগাছের টানাটানি দেখলে কথা বলতে আসি। তারা যদি হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে না বলে খ্রিশ্চিয়ান বা অন্য কোন ধর্মের বিরুদ্ধে বলত আমার অবস্থান একই থাকত।

এখানে সম্পূর্ণ আসেনি। সম্পূর্ণ আমার কাছে আছে। চাইলে দিতে পারি।

-----শর্মা-ই-আযম

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla