Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

যারা কাজটা করায়েছে বিচার ও তাদের হাতে

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কারা দায়ী তা আঙুল দিয়ে দেখানোর দরকার নাই। এসবের শুরু হয়েছিল প্রশাসনে বিদ্রোহ সৃস্টিকারী জনতার মঞ্চ নাটকের মাধ্যমে অথবা আরও পুর্বেই ("আমরা বি, এন, পিকে এক মুহুর্তও, শান্তিতে থাকতে দিব না") যাদেরকে পরে পুরস্কৃত করা হয়েছিল। চেইন অব কমান্ড ভাঙ্গার জন্য তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তুলে নেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্টকে অস্ত্র ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলকারী এরশাদকে কারা সাহস যুগিয়েছে সেটি অজানা নয়। চেইন অব কমান্ড ভাঙ্গার জন্য জেনারেল নাছিমকে কারা সাহস যুগিয়েছে সেটিও অজানা নয়। জেনারেল মইনের বিদ্রোহে তারা প্রকাশ্য সাহস যুগিয়েছে। তারাই বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অচল করার পায়তারা করেছে। তারা সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিষেদাগার করেছে। তারা এলিট ফোর্স RAB এর কার্যকলাপকে সর্বদাই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তারা বিগত দুই মাস RAB কে অকাযর্কর করে রেখেছিল। এটি করেছিল বি, ডি, আর বিদ্রোহে বাহিরের ইব্দনের সুবিধার্থেই। এই কারণে ঢাকা শহরে সোনার ছেলেদের ছিনতাই কর্মকান্ড বেড়ে গিয়েছে। তারা রাষ্ট্রের সংবিধানকেও অস্বীকার করেছে (সংবিধান বড় না জনগণের অধীকার বড়)| তারা অধীকার আদায়ের নামে সবসময়ই ধংসাত্নক কাজ করেছে। তার বড় উদাহরণ হলো আঠাশে অক্টোবর 2006| পচিঁশে ফেব্রুয়ারী শহীদ সেনা অফিসারদের লাশের সাথে যে পাশবিকতা করা হয়েছে সেটি সেই আঠাশে অক্টোবর 2006 এ শিখানো হয়েছিল (লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ মেরে মৃত মানুষের লাশের উপর নৃত্য করা)| এ সকল বর্বরতার অন্যতম নেতৃত্ব দানকরী হলো জাহাঙ্গীর নানক ও মির্যা আযম। নানক শেরাটন হোটেলের সামনে দ্বিতল বাসে গান পাউডার দিয়ে এগারো জন নীরিহ বাসযাত্রী হত্যার সাথে জড়িত। মির্যা আযম তার দুলাভাই শায়ক আব্দুর রহমানের মাধ্যমে সরাসরি জংগীবাদ আমদানী করেছিলেন। তাদের সাথে বি, ডি, আর বিদ্রোহদের যোগসজগ থাকাটা অমুলক নয়। তাদের সাথে বিদ্রোহীদের সম্পর্ক থাকার কারণেই হয়তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সেখানে না পাঠিয়ে তাদের সেখানে পাঠানো হয়েছিল। এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আব্দুল কাহারকে যিনি সরাসরি BAL রাজনীতির সাথে জড়িত। পুলিশের চাকরী করার সময় BAL এর পক্ষে এম, পি নির্বাচনের উদ্দেশ্য মিছিল-মিটিং করার দায়ে তার চাকুরী গিয়েছিল। তাকে পুনর্বহাল করা হয়েছে। তাকে দিয়ে তদন্ত কি হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যারা এসব ঘটিয়েছে তাদেরকে নিরাপদেই পালাতে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের এত বড় একটা ক্ষতি হয়ে গেল, তারা একবারও বললেন না যে রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে, সেনাবাহিনীর ক্ষতি হয়েছে?
যেদিন পুলিশ আওয়ামীলীগ নেতা তোরাব কে পিলখানা কিলিং এবং মিছিলের অভিযোগে ধরে,পরের দিন হাসিনা তার চাচাত ভাই ফারুককে তদনতকারীদের কাজকে প্রভাবিত এবং নিয়নত্রিত করার লাগি ওদের সমননয়কারী বানায়।এখন ফারুকরা এবং বাকশালিরা উটেপড়ে লাগছে এটা প্রমান করতে যে এটা জংগীদের কাজ,যদিও তদনতকারিরা কিচু বলেনাই।তবে হাসিনা কি ভয় পাছেচ য তদনতে সত্য বেরিয়ে আসবে?সব ষড়যনত্রকারীরা চিনহিত হয়ে যাবে,হাসিনা আছে বিএনপি নেতাদের আটকাতে।ওদের ও এনিমী মনে করে।কিলাররা ওর এনিমীনা, ওর ফ্রেনড।ওরা হাসিনার কি উপকার করল ঐ অফিসারগুলো মারিয়া।ষড়যনত্রকারিরা হাসিনারে পওয়ারে আনছে বদলা নিতে,রিভেনজ।ওর কোনোদিনই এদেশের লাগি মায়া ছিলো না, ছিলো শুধু রিভেনজ|জেএমবি র পরিচালক (ছিল)শেখ আব্দুররহমান,মীরজা আজম,নানক আর এরা সবাই শেখ হাসিনার এম পি,উপদেষ্টা,সুতরা্ বুজতেই পারছেন জেএমবি কারা,সহজ সমাদান,আর কিছু বাকি রইল কি ? আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিশনার রেবের হাতে গ্রেফতারকৃত প্রমান নিয়েই বলছি যে আওয়ামীলীগের স্পষ্ট সনত্রাসী নেতা তোরাব আলী ও তার ছেলে লেদার লিটন-সহ লীগের আনেক নেতাই এই হত্যার মদত দাতা,খামোখা খালেদা জিয়াকে দুষি করছেন কেন?আর না হয় গতরাবের মতো আমাদের দলের দু একজন ধরিয়ে দেখিয়ে দিন না?আমরাতো দেখিয়ে দিলাম,আওয়ামীলীগই,এই হত্যার মদত দাতা| তদনত এখনো চলছে,কিনতু হাসিনাও তার আত্বীয় ফারুক বলে জংগীরা ঘটনা ঘটাইছে।সে এটা পাইলো কই? তদনত করে?তার দলের লোক তোরাব পুলিশ ধরছে মিছিলে এবং কিলিংএ জড়িত থাকার অভিযোগে।সেও কি জংগী?তওহিদ যাকে হাসিনা মহাপরিচালক বানাইছিলো সেও কি জংগী?আসলে তদনত কারীরা ফারুককে রিমানডে নিলে আসলটা মিলবে|সবাই জানে তোরাব আলি আওয়ামিলিগ নেতা তার ছেলে লেদার লিটন ও আওয়ামিলিগ নেতা |তোরাব আলি এখন জেলে বনদি।সে বি ডি আর হত্যা ঘটনায় জড়িত নিজেই পুলিসকে জানিয়েছে।তাই এতে বুঝা গেলো সেনা হত্যার ঘটনায় আওয়ামিলিগের সরাসরি হাত আছে।কিনতু সারাজিবন ওরা দোষ করে অন্য লোকদের দোষ দেয়।এটা তাদের পুরান কালচার| সবাই চায় যার যার দেশ উপরে ওঠুক কিনতু আমদের দেশের চাইতে যাদের ভারত বেসি ভাল লাগে তার ভারতে চলে যান অথবা নিজের দেশের জন্য কাজ করুন দালালি বাদ দেন | ভারতের রাজাকার দের বলছি যারা জামাতকে গালি দিছছেন আপনারাতো এখন খমতায় ওরা দুষি হলে ওদের বিচার করুন তানা করে অপপচার করেন কেন ?সারা আরবে ভেজাল লগিয়ে রাখছে ইসরাইল সারা বিশে ভেজাল লগিয়ে রাখছে আমরিকা আর ভারত উপমহা দেশে ভেজাল লাগিয়ে রাখছে ভারতের দালাল মানি ভারত যেমন পাকিসথান বা;লাদেশ নেপাল ভুটান সিরিলা;কা মালদিপ বারমা সব জায়গায় দাদাগিরি করে আর নিজেরা ওঠে যাচছে সবার উপরে|যেহেতু কাজটা করায়েছে যারা বিচার ও তাদের হাতে| সবাই দেখি সবই জানে, তো ওদের ধরে বিচার করলেই হয়!!!!

Comments

এক ঢিলে কত পাখী মরা !

যে সেনাবাহীনি অসংখ্য 'কু' ও বিভিন্ন অঘটনের ইতিহাস বহন করে বেড়াচ্ছে, এত কিছুর পরও তারা শান্ত নদীটির মত নিশ্চুপ হয়ে থাকবে এবং খুনি ও তাদের রাজনৈতিক মদতদাতাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক কোন action-এ যাবে না এটা কি ভাবা যায়! স্বাভাবিকভাবে ভাবা যায়না কিন্তু তারপরেও সম্ভব যদি মহান সৃষ্টিকর্তা তার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ইচ্ছা রাখেন।
বিশাল অজগরের মুখে ডিম সদৃশ পন্চান্ন হাজার বর্গমাইলের এই ছোট্ট দেশটি কোন প্রতিবেশি মুসলিম দেশের সংস্পর্শ ছারাই দেশী-বিদেশী অজস্র চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রের মুখে এখনো টিকে আছে সেটাইতো একটা অপার বিস্ময়। এই বিস্ময় আর কতদিন স্হায়ী হবে জানিনা তবে মহান সৃষ্টিকর্তা এই জাতিকে সংশোধান হওয়ার জন্য হয়তো আর একটিবার সুযোগ দিতে চাইছেন। তবে এটা মনে রাখতে হবে যে, সুযোগের সদব্যবহার করে তা থেকে ফায়দা হাসিলের দায়িত্ব তার নয় আমাদের।
যাইহোক শত উস্কানীর মাঝেও সেনাবাহীনিকে শান্ত রাখার মত সৃষ্টিকর্তার একটা ক্ষুদ্র প্ল্যান নেপথ্যে মদতদাতাদের পরিকল্পনার সাথে সংমিশ্রনের ফলে তাদের পরবর্তী পর্যায় গুলোর বাস্তবায়ন আপাতত মাঠে মারা গেছে। যার ফলস্রুতিতে আজ AL এবং India তাদের স্বভাবসুলভ আক্রমনাত্মক ভুমিকার পরিবর্তে আপাতত আত্মরক্ষামূলক অবস্হনে। এখন বাধ্য হয়েই তাদের সব পরিকল্পনা আবার নতুন করে ঢেলে সাজাতে হচ্ছে। এখন সব তালগোল পাকিয়ে সরকার নিজেকে এবং ভারতকে এই ঘটনার সম্পৃক্ততার দায় থেকে আঁড়াল করার জন্য বিভিন্ন যুক্তি বুদ্ধি খুজে বেড়াচ্ছে। তাদের যুক্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অকাঠ্য যুক্তি হলোঃ
1. সেনাবাহীনির বদান্যতায় AL এতবড় নিরংকুশ সংখ্যাগড়িষ্ঠতায় ক্ষমতা পাবার পর কোন দুঃখে সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে এতবড় রিস্ক নিতে যাবে।
2. আর আমরা ভারতের অন্ধ দালালেরা যেখানে ক্ষমতায় আসতে না আসতেই দেশ ও জনগনের স্বার্থ জলান্জলী দিয়ে ভারতকে তার বহুল কাংক্ষিত ট্রান্জিট, বন্দর, কোরিডর দিয়ে দিচ্ছি সেখানে ভারত কেন এত বড় একটা অঘটন ঘটাতে গিয়ে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের পরিবর্তে সুযোগ হাতছাড়া করার মত রিস্ক নিবে।
যুক্তিদুটো খুবই প্রাসংগিক এবং এর ভিত্তি খুবই মজবুত। কিন্ত সোনার চাঁন, তাদের বৃহত পরিকল্পনার দ্বিতীয় অংশটি যদি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো তাহলে আজ আর এই অবস্হায় পড়তে হতোনা এবং এমন যুক্তিও দেওয়ার প্রয়োজন পড়তোনা।
সুপ্রিয় পাঠক আবারও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, কি ছিল সেই অবাস্তবায়িত অংশ যার কারণে AL এবং India-কে এই রকম ঝুকি নিতে উৎসাহিত করেছে?
আমরা অবশ্যই ঐ বিষয়ে আসব তবে আলোচনার সুবিদার্থে উপরোল্লেখিত বিষয়বস্তু মনে রাখার সাথে সাথে নিচের বিচ্ছিন্ন কিছু বিষয়ের উপর একটু চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাকঃ
1. ওয়ান ইলেভেন ও তার পরবর্তি দুই বছর এবং একটা অবাস্তব ইলেকশনে Army-কে সরাসরি ভূমিকায় নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে নেপথ্যের নায়করা সেনাবাহীনিকে পুরোপুরি গনবিচ্ছিন্ন করে ফেলে।
2. তাদের ক্ষমতায় আসা শুধু পাঁচ বছরের জন্য নয়, বরং তাদের বক্তব্য থেকেই পরিস্কার- যে করেই হোক 2021 শাল পর্যন্ত তাদের ক্ষমতায় থাকতেই হবে।
3. ক্ষমতায় আসার লোভে নির্বাচনের আগে AL দশ টাকা কেজি চাল, বিনে পয়সায় সার এবং ঘড়ে ঘরে চাকরী দেওয়ার মত বেশ কিছু অবাস্তব প্রতিশ্রুতি জনগনকে দেয়। ক্ষমতায় আসার পর অতিদ্রুত সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে জনগনের কাছে মিথ্যাবাদী বলে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে।
4. হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় নির্বাচনের পূর্বে আমেরিকার এক ইহুদী সামরিক কর্মকর্তার সাথে একটা যৌথ প্রবন্ধ প্রকাশ করে। প্রবন্ধে কিভাবে সেনাবাহীনি থেকে মৌলবাদী ভুত তারানো হবে এবং সেনাবাহীনিকে সেকুলার বানানো হবে তার একটা পরিকল্পনা পেশ করা হয়।
5. কর্নেল গুলজারসহ বেশ কিছু প্রচন্ড মেধাবী কর্মকর্তাকে সম্পূর্ণ অগ্গাত করণে সল্প সময়ের নোটিশে BDR-এ বদলী করা হয়।
6. নেপথ্যের নায়করা অনেক আগে থেকেই গোয়েন্দা সংস্হাগুলোকে দেশ ও জনগনের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব থেকে সরে এনে রাজনৈতিক নেতাদের পিছনে লেলিয়ে দেয়।
7. BDR বিদ্রোহের একদিন আগে কাউকে কোন আলোচনার সুযোগ না দিয়ে তরিঘড়ি করে সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে সংসদে একটা বীল পাশ করা হয় যাতে ভবিষ্যতে কোন নির্বাচনে Army নির্বাচন সুষ্ঠ করার ব্যাপারে কোন ভুমিকা না রাখতে পারে।
8. JMB-র গ্রেনেড হামলার হুমকির সম্মুক্ষিন খালেদা জিয়ার এসএসএফ নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। অন্যদিকে আকক্মিকভাবে বিদ্রোহ্বের আগে PM-এর আগের বাসভবন (পিলখানার সন্নিকটে) পরিবর্তন করে যমুনায় স্হানান্তর করা হয়।
9. BDR বিদ্রোহ সকাল আটটায় শুরু হলেও বেলা এগারোটা পর্যন্ত শুধুমাত্র 40/45 জন BDR সদস্য বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলো। শিগগিরই সেনা অভিযান শুরু হচ্ছেনা এটা নিশ্চিত হওয়ার পর হত্যাকান্ড শুরু হয়। সরকার BDR-দের পক্ষেই আছে এটা নিশ্চিত করার পর হাজার হাজার BDR-সদস্যকে বিদ্রোহে সামিল করানো সম্ভব হয়।
10. নিজের জীবনহানী আশংকায় খালেদা জিয়া বিদ্রহের দুইদিন নিজের ক্যান্টনমেন্ট বাসভবনের পরিবর্তে বাইরে অবস্হান করেন।
11. বিদ্রহীদের আত্মসমর্পণকালীন শেষ পর্যায়ে হাসিনার নিরাপত্তা বাড়ানোর লক্ষ্যে তার বাসভবনের সামনে ট্যাংক-কামান সহ সৈন মোতায়েন করা হয়।
পাঠকদের ধৈর্যের পরীক্ষা আর না নিয়ে এইবার আমরা আসি মূল পিরকল্পনার সেই অবাস্তবায়িত দৃশ্যে যেটা পুরণ না হওয়ায় আজ আওয়ামীলিগকে এইভাবে খাবি খেতে হচ্ছে।
1. সেনাবাহীনি সরকারের নির্দেশ অমান্য করে পিলখানায় হামলা চালাবে। সেখানে বেশ কিছু সংঘর্ষ হবে। যেহেতু মূল খুনিরা আগেই পালিয়েছে সেহেতু নিরিহ কিছু BDR-সদস্য এতে মারা পরবে। নতুন এই হতাহতকে কেন্দ্র করে গোটা দেশে বিডিআর-দের মনে আগুন জ্বলে উঠবে। ইতিমধ্যেই পিলখানা থেকে পালিয়ে যাওয়া খুনিদের নেতৃত্বে তারা সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করবে এবং সব যায়গায় যুদ্ধ শুরু হবে। এই অবস্হায় PM আবারও শান্তির আহবান জানিয়ে সেনাবাহীনিকে ব্যারাকে ফিরার আবেদন জানাবেন। কিন্ত সেনাবাহীনির পিছু হটার আর কোন পথ থাকবেনা। তারা মইনকে পদচ্যুত করে বংগভবন দখল করবে এবং দেশে মার্শাল 'ল' জারি করবে। সংগত কারনেই খালেদা জিয়া মার্শাল 'ল'-কে সমর্থন না করে গনতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়ে হাসিনার শান্তির আহবানকেই গুরুত্ব দিবেন।
2. অন্যদিকে সেনাবাহীনির ভিতরে মইন সমর্থক 'র'-এর এজেন্টরা সময়-সুযোগ বুঝে বেগম খালেদা জিয়াসহ BNP,AL-এর বেশ কিছু প্রবীন নেতাকে হত্যা করবে। মইন বিরোধীরা হাসিনার কিছু করতে পারবেনা কারণ মইন সমর্থিত অংশ(আপাতত আকারে ছোট হলেও) পিজিআর(PGR)-এর সাথে মিলে PM-এর বাসভন 'যমুনার' নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
3. পূর্ব থেকেই গনবিচ্ছিন্ন করে ফেলা সেনাবাহীনির হাতে খালেদাসহ BNP,AL-এর বেশ কিছু প্রবীন নেতা(যারা বিভিন্ন সময় সেনাবাহীনির নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন) নিহত হওয়ার ফলে গোটা দেশের জনগন বিডিআর-এর পক্ষে সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে অবস্থান নিবে। ফলস্রুতিতে দেশে শুরু হবে গৃহযুদ্ধ। এই পর্যায়ে আমাদের 'Daughter of Peace' অর্থাৎ 'শান্তির দেবী' হাসিনা নিজ দেশের শান্তি ফিরিয়ে আনতে ভারতের সাহায্য চাইবেন।
4. ঐতিহাসিক কাল থেকে এদেশের জনগনের শান্তির ও মুক্তির নির্ভেজাল দেবতা 'ভারত' আমাদের 'Daughter of Peace'-এর সে আহবানে সাড়া না দিয়ে পারবেনা। তারা 'Peace Mission'-এর নামে তাদের সেনাবাহীনি পাঠাবে।
5. এই পর্যায়ে সেনাবাহীনির মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা মইন সমর্থীত অংশটিও শান্তির পক্ষে অবস্থান নিয়ে স্লোগান তুলবে এবং জনগনকে সাথে নিয়ে গনঅভ্যূথান ঘটাবে। একাত্তরে পাকিস্তানী সেনাবাহীনি আত্মসমর্পণ করেছিল যাদের কাছে এইবার আমাদের সেনাবাহীনিও আত্মসমর্পণ করবে ঠিক তাদের কাছেই।
6. আর আমাদের উচ্ছলা, চপলা তরুণী 'Daughter of Peace' নিজের বয়সের কাছে আপাতত আত্মসমর্পণ করে 'Mother of Nation'-এর মুকুট পড়বেন। এবং নতুন করে জন্ম নেয়া সরকারের প্রধানমন্ত্রী হয়ে মনের আনন্দে হিন্দি গান গাইতে গাইতে অনির্দিষ্টকাল রাষ্ট্র পরিচালনা করতে থাকবেন। কি মজা। তবে এইবার আর তাকে তার বাপের ভাগ্য বরণ করতে হবেনা কারণ বিয়ের রাতেই বিড়াল মারা শেষ অর্থাৎ সেনাবাহীনির খেল সম্পুর্ণ খতম।
এইবার দেখা যাক এক ঢিলে কত পাখী মরার কথা ছিলঃ
1. অবধারীত ভাবেই খালেদাবিহীন বিএনপি-র অস্তিত্ব কয়েকটি ব্রাকেটে বন্দী হয়ে যেত।
2. সেনাকর্মকর্তামুক্ত বিডিআর-এর অবস্থা হত মূলতঃ একটা রক্ষিবাহীনির মত।
3. মৌলবাদী ভুত তাড়ানো এবং বিভিন্ন ধরনের সাফ-সুতোর ও যাচাই-বাছাই অভিযানের ফলে সেনাবাহীনি পরিনত হত মূলতঃ একটা মুহাফিজ বাহীনিতে যাদের কাজ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিধান নয়, বরং নব্য বাকশালকে পাহারা দেয়া।
4. সর্বপরি সম্ভব হত 75-এর প্রতিষোধ সুদে-আসলে উসুল করা।
5. এবং আরও অনেক কিছু।
এক ঢিলে আওয়ামীলিগের ঝুরিতেই যদি এতগুলো পাখী জমা হয় তাহলে ভাবুনতো-মূল পরিকল্পনাকারীদের ঝুড়িতে জমা পাখীর সংখ্যা কত? মিথ্যাবাদী বলে সাব্যাস্ত হওয়া আড়াইমাস ব্য়সী সরকারের দলীয় ক্যাডারদের অত্যাচারে দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থির এখনই যে ভয়াবহ অবস্থা, সেই সরকার অনির্দিষ্টকাল বা 2021 শাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা দুরে থাক, মেয়াদ পূর্ণ করতে পারে কিনা তাতেই বিস্তর সন্দেহ। সম্মানীত পাঠক এই বার বিচার করুন, এমন আশংকার মধ্যে 'র', মোসাদের এই রকম লোভনীয় প্রকল্পে AL-এর(যারা ক্ষমতার জন্য গোলাম আযমের পা ধরতে পারে) |

Post new comment

  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code><b><p><h1><h2><h3><ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd><img><object><param><embed>
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Lines and paragraphs break automatically.

More information about formatting options

Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.
Write in Bangla