Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

Ami Bangladeshi

-A A +A

বিডিআর ঘটনা এবং কিছু স্বগত সংলাপ

যে দেশের সরকার প্রধান রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট এবং চাদাবাজির মামলায় অভিযুক্ত (ক্ষমতায় গেলে আইনী মোকাবেলা বেআইনী হয়ে যায়) আসামী, বিরোধী দলীয় নেত্রীর মাথা হতে পা পর্য্যন্ত পাপাচারের র্দুগন্ধে চারদিক মৌ মৌ করে, রাজনীতির A হতে Z পর্য্যন্ত পচে নর্দমার লাশ হয়ে ভাসে, তেমন একটা দেশের সেনাবাহিনী ফেরেশতাকুলের প্রতিনিধিত্ব করবে এমন ভাবনা অনেকটা হাসি তামাশার পর্য্যায়ে চলে যায়। সেনাবাহিনী দেশ, জাতি এবং সরকারেরই অংশ। সেনাছাউনির বাইরের বাতাসে যে অন্যায়, অনাচার এবং পাপচারের বিজয় কেতন উড়ে বেড়ায় সে বাতাসকে জলপাই রং'এর পোশাক আর লৌহ ফটক দিয়ে আটকে রাখা অসম্ভব। আমাদের সমাজ এখন রাজনৈতিক HIV'তে আক্রান্ত মৃত্যু পথযাত্রী এক রুগী মাত্র। সেনাবাহিনীও এই সংক্রামন ব্যধির বাইরের কেউ নয়, বরং তার একান্ত সেবাদাস।

বিডিআর ঘটনায় যারা হতাশ তাদের বলব, আপনারা অপেক্ষায় থাকুন, ধৈর্য্য ধরুন, বিডিআর নাটকের শেষ অংক এখনও বোধহয় অনুষ্ঠিত হয়নি। শেখ হাসিনা পূজারীরা হয়ত মাতম করে খোদার আরশ কাপিয়ে ফেলবে, কিন্তূ আমার মত অনেকেই এই বহুরূপী বিষাক্ত সাপের সমাপ্তি করুন এবং নির্মম হলে সামান্যতম মমতা দেখাবেনা। গনতন্ত্র নিয়ে আহাজারীর বৈধতা দেয়া যায় তখনই, যখন একে রক্ষার দায়িত্বে থাকে রাজনীতিবিদ্‌রা। শেখা হাসিনা এবং খালেদা জিয়া রাজনীতিবিদ নন, তাদের একমাত্র পরিচয় তারা রাষ্ট্রীয় চোর এবং চাদাবাজ। এ সব চোরদের কাছে বাংলাদেশ একটা মরা গরু যা নিয়ে হিংস্র হায়েনার মত টানাটানি চলছে। এ টানাটানিতে জিতবে তারা যাদের বাহুতে আছে শক্তি, মগজে আছে জিলাপির প্যাচ। আপাত শেখ হাসিনা গংদের জয় হয়েছে কিন্তূ সব সময় যে এমনটা হবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই (জিয়া পরিনতি দ্রষ্টব্য)। কোন এক আমাবস্যার রাতে ঢাকার রাজপথ যদি আবারও ট্যাংকের গুরুগুরু শব্দে কাপতে শুরু করে, উত্তর পাড়ার লৌহ ফটক খুলে হুংকার আর গর্জনে বেরিয়ে আসে উর্দিওয়ালার দল, বন্দুক আর নাঙ্গা তলোয়ার হাতে সূধা সদনে সূধার বদলে পান শুরু করে লাল লাল রক্ত, আপনি কি অবাক হবেন? আমি হবনা, কারন মরা গরুর দাবিদার শুধু আওয়ামী লীগ একা নয়, এর মালিকানার পেছনে রয়েছে সিন্ডিকেটেড চক্র। কথায় বলে Survival of the fittest! বাংলাদেশেও রাজনীতির মাফিয়াচক্রে টিকে থাকবে গড ফাদারের দল যাদেরর ঝোলায় থাকবে মাইকেল আওরিলিয়নির মত কুটিল মগজ আর বুকে প্রতিশোধের আগুন।

দুঃখজনক হলেও সত্য, জাতি হিসাবে আমাদের গন্তব্য অন্ধকারমূখী। সুড়ংগের শেষে আলোর হাতছানি ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে আসছে, স্বভাবতই বাড়ছে হতাশা এবং হতাশার জড়ায়ুতে জন্ম নিচ্ছে নৈরাজ্য। ৫৫ হাজার বর্গমাইলে ১৫ কোটি মানুষ, সীমিত সম্পদ, অসূস্থ রাজনীতি, ভঙ্গুর অর্থনীতি, র্দুনীতির কড়ালগ্রাস, ভূয়া শিক্ষা ব্যবস্থা, বেকার যুব সমাজ ...... এ সব নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বে কতদূর যেতে পারবে তা হাসিনার মত নব্য আওরিলিওনীর জানার কথা নয়। আর খালেদা? পঞ্চম শ্রেনী ফেল এই মাকাল ফল নিয়ে ঘাটাঘাটি সময়ের অপচয় মাত্র।

Post new comment

CAPTCHA
Required to prevent spam.
Image CAPTCHA
Enter the characters shown in the image.